বৈচিত্র্যময় উপকূল, দ্বীপ, প্রবাল প্রাচীর এবং জলক্রীড়ার প্রসারের মাধ্যমে ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে লোহিত সাগরের তীরে অন্যতম প্রধান সামুদ্রিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে জেদ্দা।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৩ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, জেদ্দার ১৩টি সমুদ্র সৈকত ও সামুদ্রিক এলাকায় ৩৪ জন মাঠ পরিদর্শক এবং ৬৬ জন নারী-পুরুষ লাইফগার্ডের তত্ত্বাবধানে পর্যটন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পর্যটকরা এখানে চার ধরনের সামুদ্রিক খেলাধুলা, দ্বীপে নৌভ্রমণ, ডাইভিং এবং প্রবাল প্রাচীর দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।
জেদ্দার উপকূলের স্বচ্ছ জল ও সামুদ্রিক প্রকৃতির জন্য ‘বিয়াডাহ’ দ্বীপ এই মরসুমের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। এছাড়াও, জেদ্দা থেকে লাইথ শহরের ‘ফোর সিস্টার্স’ দ্বীপগুলোতে নৌভ্রমণের সুযোগ পেশাদার ডাইভারদের জন্য লোহিত সাগরের প্রবাল প্রাচীর ও জীববৈচিত্র্য অন্বেষণের সুযোগ করে দিচ্ছে।
জেদ্দা ইসলামিক পোর্ট থেকে ‘আরোইয়া ক্রুজ’ ভ্রমণ এবং সামুদ্রিক পর্যটনের বৃদ্ধি পরিবহন, আবাসন, বিনোদন, রেস্তোরাঁ ও পর্যটন পরিষেবা খাতের সমৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। এই উন্নয়ন সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য অনুযায়ী পর্যটন গন্তব্যের বৈচিত্র্যকরণ, জাতীয় অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের অংশ হিসেবে করা হচ্ছে।
জেদ্দার সৈকতগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন? জেদ্দার ১৩টি সমুদ্র সৈকত ও সামুদ্রিক এলাকায় পর্যটন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই কার্যক্রমগুলো ৩৪ জন মাঠ পরিদর্শক এবং ৬৬ জন নারী ও পুরুষ লাইফগার্ডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
পর্যটকরা জেদ্দায় কী কী সামুদ্রিক অভিজ্ঞতা পেতে পারেন? পর্যটকরা চার ধরনের সামুদ্রিক খেলাধুলা এবং অভিজ্ঞতার সুযোগ পান। এর মধ্যে দ্বীপে নৌভ্রমণ, ডাইভিং এবং লোহিত সাগরের প্রবাল প্রাচীর পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত।
কোন দ্বীপগুলো পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়? জেদ্দার উপকূলের স্বচ্ছ জলের জন্য ‘বিয়াডাহ’ দ্বীপ অত্যন্ত জনপ্রিয়। এছাড়া পেশাদার ডাইভারদের জন্য লাইথ শহরের ‘ফোর সিস্টার্স’ দ্বীপগুলো প্রবাল প্রাচীর অন্বেষণের বিশেষ সুযোগ প্রদান করে।
সামুদ্রিক পর্যটন জেদ্দার অর্থনীতিতে কীভাবে প্রভাব ফেলছে? জেদ্দা ইসলামিক পোর্ট থেকে ‘আরোইয়া ক্রুজ’ ভ্রমণ এবং সামুদ্রিক পর্যটনের প্রবৃদ্ধি শহরের পরিবহন, আবাসন, বিনোদন ও রেস্তোরাঁ খাতের সমৃদ্ধিতে অবদান রাখছে। এটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক।