২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সৌদি এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক মোট ২৭.৬৭ বিলিয়ন রিয়ালের ঋণ সুবিধা প্রদান করেছে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের ২৩.৬১ বিলিয়ন রিয়ালের তুলনায় ১৭.২০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১০ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই উদ্যোগটি সৌদি আরবের অ-তেল রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানোর কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ।
ঋণ সুবিধার বন্টনের ক্ষেত্রে, জুন মাস পর্যন্ত রপ্তানি অর্থায়নের জন্য ৮.২০ বিলিয়ন রিয়াল ব্যয় করা হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের ৮.৮৭ বিলিয়ন রিয়ালের তুলনায় কম। অন্যদিকে, রপ্তানি ঋণ বীমার মাধ্যমে কভার করা রপ্তানির মোট পরিমাণ ১৯.৪৭ বিলিয়ন রিয়ালে পৌঁছেছে, যা গত বছরের ১৪.৭৪ বিলিয়ন রিয়ালের তুলনায় ৩২.০৯% বেশি।
ব্যাংকের সিইও প্রকৌশলী সাদ বিন আবদুল আজিজ আল-খলব জানান, এই প্রবৃদ্ধি জাতীয় অর্থনীতি বৈচিত্র্যকরণের ক্ষেত্রে ব্যাংকের ভূমিকার প্রতিফলন এবং অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে এর প্রচেষ্টার ফল। তিনি আরও বলেন, সমন্বিত ঋণ সমাধানের মাধ্যমে অ-তেল রপ্তানি বিশ্ববাজারে সম্প্রসারণে ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে।
২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ঋণ সুবিধার পরিমাণ কত ছিল? ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সৌদি এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক মোট ২৭.৬৭ বিলিয়ন রিয়ালের ঋণ সুবিধা প্রদান করেছে। এটি ২০২৫ সালের একই সময়ের ২৩.৬১ বিলিয়ন রিয়ালের তুলনায় ১৭.২০% বেশি।
রপ্তানি অর্থায়ন এবং বীমার পরিমাণ কত? জুন ২০২৬ পর্যন্ত রপ্তানি অর্থায়নের জন্য ৮.২০ বিলিয়ন রিয়াল ব্যয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, রপ্তানি ঋণ বীমার মাধ্যমে ১৯.৪৭ বিলিয়ন রিয়ালের রপ্তানি কভার করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩২.০৯% বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই ঋণ সুবিধার মূল লক্ষ্য কী? এই সুবিধার মূল লক্ষ্য হলো সৌদি আরবের অ-তেল রপ্তানি সক্ষমতাকে শক্তিশালী করা এবং বিশ্ববাজারে এর প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করা। এটি জাতীয় অর্থনীতি বৈচিত্র্যকরণের একটি কৌশলগত অংশ।