২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ১২ হাজারেরও বেশি পরিবার গৃহভাড়া সহায়তা কর্মসূচির সুবিধা পেয়েছে, যা যোগ্য পরিবারগুলোর জন্য গৃহায়ন সমাধানের অংশ।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১০ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো অনিচ্ছাকৃত পরিস্থিতির কারণে ভাড়া পরিশোধে ব্যর্থ পরিবারগুলোকে সহায়তা করা এবং তাদের আবাসিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কার্যকর আদালতের রায়ের পর যোগ্য ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া হয়। ইলেকট্রনিক ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাঠানো হয়, যারা ৩০ দিনের মধ্যে উপযুক্ত সহায়তার ধরন নির্ধারণ ও পরিশোধের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
সুবিধা পেতে ‘Ejar’ ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্কে নথিভুক্ত একটি আবাসিক ভাড়া চুক্তি থাকা এবং নির্ধারিত শর্তাবলি পূরণ করা প্রয়োজন।
মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই কর্মসূচির আওতায় মৃত ব্যক্তির পরিবার, বন্দি, অসুস্থ এবং আর্থিকভাবে অক্ষম নাগরিকরা অন্তর্ভুক্ত। প্রতিটি আবেদন অনুমোদনের আগে বিশেষজ্ঞ কমিটির পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে যায়।
মন্ত্রিপরিষদের ৪০৫ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই কর্মসূচিটি উন্নয়নমূলক গৃহায়ন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে চালু হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।
গৃহভাড়া সহায়তা কর্মসূচির লক্ষ্য কী? এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো অনিচ্ছাকৃত পরিস্থিতির কারণে ভাড়া পরিশোধে ব্যর্থ যোগ্য পরিবারগুলোকে সহায়তা করা। এর মাধ্যমে পরিবারগুলোর আবাসিক স্থিতিশীলতা এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়।
সহায়তা পেতে কী কী শর্ত প্রয়োজন? সুবিধা পেতে ‘Ejar’ ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্কে নথিভুক্ত একটি আবাসিক ভাড়া চুক্তি থাকতে হবে। এছাড়া আবেদনকারীকে নির্ধারিত যোগ্যতার শর্তাবলি পূরণ করতে হবে।
কারা এই সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারেন? মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির পরিবার, বন্দি, অসুস্থ এবং আর্থিকভাবে অক্ষম নাগরিকরা এই সহায়তার আওতাভুক্ত। প্রতিটি আবেদন বিশেষজ্ঞ কমিটির পর্যালোচনার পর অনুমোদিত হয়।
সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়াটি কেমন? আদালতের কার্যকর রায়ের পর ইলেকট্রনিক ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে মামলাটি কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটি মামলাটি পর্যালোচনা করে ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।