Wednesday, September 9, 2026
Uncategorized

৬ মিলিয়ন রিয়াল বিনিয়োগে প্রথম বছরেই লাভবান সৌদি বাজপাখি খামারি

৬ মিলিয়ন রিয়াল বিনিয়োগে প্রথম বছরেই লাভবান সৌদি বাজপাখি খামারি

সৌদি আরবে বাজপাখি পালন এখন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি একটি অর্থনৈতিক সুযোগে পরিণত হয়েছে, যেখানে ৬ মিলিয়ন রিয়াল বিনিয়োগ করে প্রথম বছরেই মুনাফা অর্জন করেছেন এক উদ্যোক্তা।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৩ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, বিনিয়োগকারী عبدالعزیز آل جلبান একটি সফল কানাডিয়ান খামার ক্রয়, স্থানীয় খামার স্থাপন এবং বাজপাখি পালন ও ক্রয়ে এই অর্থ বিনিয়োগ করেছেন।

তিনি জানান, ব্যক্তিগত আগ্রহ থেকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগটি এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিনিয়োগে রূপ নিয়েছে। তার খামারে বর্তমানে ১০০টির বেশি বাজপাখি রয়েছে এবং তিনি মূলত প্রতিযোগিতার জন্য উচ্চমানের ‘জীর’ প্রজাতির বাজপাখির প্রজননে মনোনিবেশ করেছেন।

সাধারণত বিনিয়োগের অর্থ ফেরত পেতে তিন বছর সময় লাগলেও, তিনি প্রথম বছরেই তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি ভবিষ্যতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চমানের বাজপাখি সরবরাহের পরিকল্পনা করছেন। জাতীয় বাজপাখি কেন্দ্রের সমর্থন এবং ক্রমবর্ধমান চাহিদাই এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে।

বিনিয়োগের পরিমাণ এবং লক্ষ্য কী ছিল? বিনিয়োগকারী عبدالعزیز آل جلبান প্রায় ৬ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল বিনিয়োগ করেছেন। এই অর্থ একটি সফল কানাডিয়ান খামার ক্রয়, স্থানীয় খামার স্থাপন এবং বাজপাখি পালন ও ক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়েছে।

খামারের বর্তমান অবস্থা এবং বিশেষত্ব কী? খামারটিতে বর্তমানে ১০০টির বেশি বাজপাখি রয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো প্রতিযোগিতার জন্য উচ্চমানের বাজপাখি পালন করা, বিশেষ করে ‘জীর’ প্রজাতির বাজপাখির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিনিয়োগের মুনাফা কত দ্রুত অর্জিত হয়েছে? সাধারণত এই ধরনের বিনিয়োগের অর্থ ফেরত পেতে তিন বছর সময় লাগে। তবে عبدالعزیز آل جلبান প্রথম বছরেই তার বিনিয়োগের অর্থ ফেরত পেয়েছেন এবং মুনাফা অর্জন করেছেন।

এই খাতের অর্থনৈতিক উন্নতির কারণ কী? জাতীয় বাজপাখি কেন্দ্রের বর্ধিত সমর্থন, প্রতিযোগিতার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বাজপাখির চাহিদার কারণে সৌদি আরবে এই খাতটি এখন একটি অর্থনৈতিক সুযোগে পরিণত হয়েছে।