ইয়েমেনের এডেনে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ১০ লাখ কীটনাশকযুক্ত মশারি বিতরণের জন্য একটি প্রচারণা শুরু করেছে King Salman Humanitarian Aid and Relief Center (KSrelief)।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৬ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই কার্যক্রমটি World Health Organization (WHO) এবং ইয়েমেনের জনস্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা মন্ত্রণালয়ের National Malaria Control Program-এর সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।
এই প্রচারণার লক্ষ্য হলো গর্ভবতী নারী, শিশু এবং বিভিন্ন গভর্নরেটের ক্যাম্পগুলোতে থাকা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের (IDPs) মতো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীগুলোর কাছে মশারি পৌঁছে দেওয়া, যার ফলে ২০ লাখ ব্যক্তি উপকৃত হবে। ইয়েমেনের জনস্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা মন্ত্রী ড. কাসেম বুহাইবে জানান, আগামী দিনগুলোতে ৬২৬টি বাস্তুচ্যুত ক্যাম্পের মধ্যে এই মশারিগুলো বিতরণ করা হবে।
এই প্রকল্পটি ইয়েমেনে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করতে এবং বাস্তুচ্যুত ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে রোগ ও মহামারীর বিস্তার রোধে সৌদি আরবের চলমান মানবিক প্রচেষ্টার অংশ। বিজ্ঞপ্তিতে বিতরণের নির্দিষ্ট শেষ তারিখ উল্লেখ নেই।
এই প্রচারণার লক্ষ্য কী এবং কারা উপকৃত হবে? এই প্রচারণার লক্ষ্য হলো ইয়েমেনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী, বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, শিশু এবং বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের মাঝে কীটনাশকযুক্ত মশারি বিতরণ করা। এর মাধ্যমে মোট ২০ লাখ ব্যক্তি উপকৃত হবে বলে এসপিএ জানিয়েছে।
মশারিগুলো কোথায় এবং কীভাবে বিতরণ করা হবে? ইয়েমেনের বিভিন্ন গভর্নরেটের ৬২৬টি বাস্তুচ্যুত ক্যাম্পের মধ্যে আগামী দিনগুলোতে এই মশারিগুলো বিতরণ করা হবে। এই কার্যক্রমটি WHO এবং ইয়েমেনের জনস্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।
এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য কী? এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো ইয়েমেনে ম্যালেরিয়ার বিস্তার রোধ করা এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করা। এটি বাস্তুচ্যুত ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে মহামারী নিয়ন্ত্রণে সৌদি আরবের মানবিক প্রচেষ্টার অংশ।