Tuesday, October 13, 2026
অর্থনীতি

রিয়াদ অর্থনৈতিক ফোরামে মানবসম্পদ মন্ত্রী, ১৩ লাখ শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার গাইডেন্স কর্মসূচি তুলে ধরলেন

রিয়াদ অর্থনৈতিক ফোরামে মানবসম্পদ মন্ত্রী, ১৩ লাখ শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার গাইডেন্স কর্মসূচি তুলে ধরলেন

রিয়াদে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ রিয়াদ অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নিলেন মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রী আহমেদ আল-রাজহি। ফোরামের একটি অধিবেশনে তিনি স্থানীয় জনবলের মধ্যে জ্ঞান ও দক্ষতা স্থানীয়করণের কৌশল এবং সৌদি প্রতিষ্ঠানের কর্মক্ষমতায় তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রী ফোরামের পৃষ্ঠপোষকতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের অব্যাহত সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন। এই সমর্থন ফোরাম এবং জাতীয় অর্থনীতি বৈচিত্র্যময়করণ ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী যে অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন, সেখানে মানব পুঁজি উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় দক্ষতাকে শ্রমবাজারের চাহিদা ও সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রশ্ন হলো, শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের এই সমন্বয় কতটা বাস্তবসম্মতভাবে অর্জিত হচ্ছে?

তিনি বেশ কয়েকটি উদ্যোগ পর্যালোচনা করেন। এর মধ্যে রয়েছে একটি ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও মেন্টরিং কর্মসূচি, যা ১৩ লাখেরও বেশি স্কুল শিক্ষার্থী এবং ৩ লাখ ৫০ হাজার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছে। এছাড়া সহযোগিতামূলক প্রশিক্ষণ নীতি এবং পেশাদার অভিজ্ঞতা কর্মসূচিও তিনি তুলে ধরেন। এই সংখ্যাগুলো কি সৌদি শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তির ঘাটতি পূরণে যথেষ্ট?

রিয়াদ অর্থনৈতিক ফোরাম একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে, যেখানে অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা হয় এবং সৌদি আরবের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতাকে সমর্থন করে এমন গবেষণা ও সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। ফোরামের এই ভূমিকা কি নীতিনির্ধারণে সরাসরি প্রভাব ফেলছে?

মন্ত্রীর আলোচনায় মানব পুঁজি উন্নয়নের বিষয়টি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা হয়। ভিশনের লক্ষ্য অনুযায়ী অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণের জন্য দক্ষ ও প্রশিক্ষিত স্থানীয় জনবল প্রয়োজন। প্রশ্ন হলো, স্থানীয় প্রতিভা তৈরি ও ধরে রাখার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা প্রস্তুত?

ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও মেন্টরিং কর্মসূচির আওতায় ১৩ লাখ স্কুল শিক্ষার্থী এবং ৩ লাখ ৫০ হাজার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী উপকৃত হওয়ার তথ্য মন্ত্রী তুলে ধরেন। এই ধরনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের শ্রমবাজারে প্রবেশের আগেই দিকনির্দেশনা দেয়। কিন্তু প্রশিক্ষণ শেষে তাদের প্রকৃত কর্মসংস্থানের হার কতটা, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

সহযোগিতামূলক প্রশিক্ষণ নীতি এবং পেশাদার অভিজ্ঞতা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হয়। এসব উদ্যোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও নিয়োগকর্তাদের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। এই সংযোগ কি সৌদি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম হচ্ছে?

মন্ত্রী সৌদি প্রতিষ্ঠানের কর্মক্ষমতার ওপর জ্ঞান ও দক্ষতা স্থানীয়করণের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন। স্থানীয়করণ মানে শুধু চাকরি পূরণ নয়, বরং জ্ঞান হস্তান্তর ও প্রতিষ্ঠানিক সক্ষমতা গড়ে তোলা। এই প্রক্রিয়ায় বেসরকারি খাতের ভূমিকা কতটা কার্যকর?

ফোরামের পৃষ্ঠপোষকতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বাদশাহ সালমান ও ক্রাউন প্রিন্সের সমর্থনের কথা বলেন। তিনি জাতীয় অর্থনীতি বৈচিত্র্যময়করণ ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন। বেসরকারি খাত কি এই লক্ষ্য পূরণে প্রত্যাশিত গতি ধরে রাখতে পারছে?

রিয়াদ অর্থনৈতিক ফোরাম অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনার জন্য জাতীয় প্ল্যাটফর্ম। এখানে উপস্থাপিত গবেষণা ও সুপারিশ সৌদি আরবের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতাকে সমর্থন করে। প্রশ্ন হলো, এসব সুপারিশ বাস্তব নীতিতে রূপান্তরিত হচ্ছে কি না?

এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রী গতকাল দ্বাদশ রিয়াদ অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নেন। ফোরামের মূল আলোচনায় মানব পুঁজি, উৎপাদনশীলতা ও শ্রমবাজার সমন্বয়ের বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়। এই আলোচনা কি সৌদি শ্রমবাজারের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দিকনির্দেশনা দেবে?

মন্ত্রীর পর্যালোচনায় ক্যারিয়ার গাইডেন্স, মেন্টরিং, সহযোগিতামূলক প্রশিক্ষণ ও পেশাদার অভিজ্ঞতা কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য জাতীয় দক্ষতাকে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা। কিন্তু এই উদ্যোগগুলোর ফলাফল পরিমাপের ব্যবস্থা কতটা স্পষ্ট?

সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে জাতীয় দক্ষতা সমন্বয়ের বিষয়টি ফোরামে গুরুত্ব পায়। ভিশনের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে মানবসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে। এই সমন্বয় প্রক্রিয়ায় শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও নিয়োগ খাতের মধ্যে সমন্বয় কতটা জরুরি?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে ফোরামের সূচি, পরবর্তী পদক্ষেপ বা নির্দিষ্ট সুপারিশের বিস্তারিত উল্লেখ নেই। মন্ত্রীর বক্তব্যের বাইরে ফোরামে অন্য বক্তাদের আলোচনার বিষয়ও প্রতিবেদনে আসেনি। এসব তথ্যের অনুপস্থিতি ফোরামের সম্পূর্ণ চিত্র পেতে বাধা তৈরি করে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে।

দ্বাদশ রিয়াদ অর্থনৈতিক ফোরামে মন্ত্রী কোন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন? মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রী আহমেদ আল-রাজহি স্থানীয় জনবলের মধ্যে জ্ঞান ও দক্ষতা স্থানীয়করণের কৌশল এবং সৌদি প্রতিষ্ঠানের কর্মক্ষমতায় তার প্রভাব নিয়ে একটি অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। এসপিএ জানিয়েছে, অধিবেশনে মানব পুঁজি উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় দক্ষতাকে শ্রমবাজারের চাহিদা ও সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হয়।

ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও মেন্টরিং কর্মসূচি থেকে কতজন উপকৃত হয়েছে? মন্ত্রী পর্যালোচনায় জানান, ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও মেন্টরিং কর্মসূচি থেকে ১৩ লাখেরও বেশি স্কুল শিক্ষার্থী এবং ৩ লাখ ৫০ হাজার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই কর্মসূচির পাশাপাশি সহযোগিতামূলক প্রশিক্ষণ নীতি এবং পেশাদার অভিজ্ঞতা কর্মসূচিও পর্যালোচনা করা হয়। এসব উদ্যোগের লক্ষ্য জাতীয় দক্ষতাকে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা।

ফোরামে মন্ত্রী কোন ধরনের উদ্যোগ তুলে ধরেন? মন্ত্রী ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও মেন্টরিং কর্মসূচি, সহযোগিতামূলক প্রশিক্ষণ নীতি এবং পেশাদার অভিজ্ঞতা কর্মসূচি তুলে ধরেন। এসপিএ জানিয়েছে, এসব উদ্যোগ মানব পুঁজি উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় দক্ষতাকে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে কাজ করে। তিনি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে এই সমন্বয়ের বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী কার পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন? মন্ত্রী দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পৃষ্ঠপোষকতা এবং ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের অব্যাহত সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি জাতীয় অর্থনীতি বৈচিত্র্যময়করণ ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন।

রিয়াদ অর্থনৈতিক ফোরামের ভূমিকা কী? রিয়াদ অর্থনৈতিক ফোরাম একটি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে, যেখানে অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা হয় এবং সৌদি আরবের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতাকে সমর্থন করে এমন গবেষণা ও সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রী দ্বাদশ ফোরামে অংশ নেন। ফোরামের আলোচনায় মানব পুঁজি, উৎপাদনশীলতা ও শ্রমবাজার সমন্বয়ের বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে ফোরামের সূচি, পরবর্তী পদক্ষেপ বা নির্দিষ্ট সুপারিশের বিস্তারিত উল্লেখ নেই। মন্ত্রীর বক্তব্যের বাইরে ফোরামে অন্য বক্তাদের আলোচনার বিষয়ও প্রতিবেদনে আসেনি। এসপিএ জানিয়েছে, ফোরামে মন্ত্রী জ্ঞান স্থানীয়করণ, মানব পুঁজি উন্নয়ন ও শ্রমবাজার সমন্বয় নিয়ে আলোচনা করেন, তবে এসব উদ্যোগের ফলাফল পরিমাপের ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া হয়নি।