Thursday, October 15, 2026
সংস্কৃতি

মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে ১৩টি মিনার, উমরাহ গেটে ১৩৭ মিটার উচ্চতা

মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে ১৩টি মিনার, উমরাহ গেটে ১৩৭ মিটার উচ্চতা

মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে ১৩টি মিনার রয়েছে, যেগুলো একই ধরনের নকশা অনুসরণ করলেও উচ্চতায় ভিন্ন। এর মধ্যে উমরাহ গেটে দুটি মিনার, প্রতিটির উচ্চতা ১৩৭ মিটার। বরাবরের মতোই এই মিনারগুলো ইসলামি স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে পবিত্র কাবার পাশে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে নববির পরিচর্যা বিষয়ক জেনারেল অথরিটির তথ্য অনুযায়ী গ্র্যান্ড মসজিদের ১৩টি মিনারের নকশা প্রায় একই রকম, তবে উচ্চতা ভিন্ন। এসব মিনার ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে নির্মিত স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।

জেনারেল অথরিটির তথ্যে বলা হয়েছে, উমরাহ গেটে দুটি মিনার রয়েছে, প্রতিটির উচ্চতা ১৩৭ মিটার। কিং আবদুলআজিজ গেটেও দুটি মিনার আছে, যেগুলোর প্রতিটির উচ্চতাও ১৩৭ মিটার। কিং ফাহদ গেটে দুটি মিনার রয়েছে, প্রতিটির উচ্চতা ৯৮ মিটার। আল-সাফা গেটে একটি মিনার আছে, যার উচ্চতা ৯৮ মিটার। আল-ফাতহ গেটে দুটি মিনার রয়েছে, প্রতিটির উচ্চতা ১৩৭ মিটার। এছাড়া তৃতীয় সৌদি সম্প্রসারণে চারটি মিনার রয়েছে, যেগুলোর প্রতিটির উচ্চতা ১৩৫ মিটার।

মিনারগুলো কেবল উচ্চতার হিসেবেই ভিন্ন নয়, বরং প্রতিটি মিনারের গঠনও কয়েকটি অংশে বিভক্ত। গ্র্যান্ড মসজিদের প্রতিটি মিনার পাঁচটি অংশে বিভক্ত: বেস বা ভিত্তি, প্রথম বারান্দা, মিনার শ্যাফট, দ্বিতীয় বারান্দা এবং কভার বা আচ্ছাদন। এই পাঁচ স্তরের সমন্বয়ে মিনারগুলো দাঁড়িয়ে আছে বহু শতাব্দী ধরে।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মিনারগুলো ইসলামি ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ের শৈলীতে তৈরি চাঁদসদৃশ চূড়া বা ক্রিসেন্ট ফিনিয়াল দিয়ে সজ্জিত হয়েছে। এসব চূড়া সময়ের সঙ্গে বিবর্তিত হয়ে আজকের মার্জিত রূপে পৌঁছেছে। মিনারগুলো ইসলামি স্থাপত্যের প্রতীক হিসেবে মুসলিম সমাজের নগর পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলোর নকশা ছোট ও মোটা টাওয়ার থেকে শুরু করে লম্বা ও সরু কাঠামো পর্যন্ত বিভিন্ন রকম।

গ্র্যান্ড মসজিদের মিনারগুলোর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ এগুলো পবিত্র কাবার পাশে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে ইসলামের আবির্ভাব ঘটেছিল। এই মিনারগুলো ইসলামি ঐতিহ্য দ্বারা অনুপ্রাণিত স্থাপত্য শৈলীর জন্য স্বতন্ত্র। পাশাপাশি লাউডস্পিকারের মাধ্যমে নামাজের সময় ঘোষণা করার কাজেও এগুলো ব্যবহৃত হয়।

জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অফ দ্য গ্র্যান্ড মসজিদ অ্যান্ড দ্য প্রফেটস মসজিদের বরাতে এসপিএ এই তথ্য প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির তথ্যমতে, মিনারগুলোর নকশা একই রকম হলেও উচ্চতায় পার্থক্য রয়েছে। এই বৈচিত্র্যই মিনারগুলোকে ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বের স্থাপত্যকীর্তি হিসেবে গড়ে তুলেছে।

উমরাহ গেট, কিং আবদুলআজিজ গেট, কিং ফাহদ গেট, আল-সাফা গেট, আল-ফাতহ গেট এবং তৃতীয় সৌদি সম্প্রসারণ—এই ছয়টি অবস্থানে ছড়িয়ে আছে ১৩টি মিনার। প্রতিটি গেটের সঙ্গে যুক্ত মিনারের সংখ্যা ও উচ্চতা আলাদা। উমরাহ গেট ও কিং আবদুলআজিজ গেটে দুটি করে মিনার রয়েছে, প্রতিটির উচ্চতা ১৩৭ মিটার। কিং ফাহদ গেটে দুটি মিনার, প্রতিটির উচ্চতা ৯৮ মিটার। আল-সাফা গেটে একটি মিনার, উচ্চতা ৯৮ মিটার। আল-ফাতহ গেটে দুটি মিনার, প্রতিটির উচ্চতা ১৩৭ মিটার। তৃতীয় সৌদি সম্প্রসারণে চারটি মিনার, প্রতিটির উচ্চতা ১৩৫ মিটার।

প্রতিটি মিনারের পাঁচটি অংশের মধ্যে রয়েছে বেস, প্রথম বারান্দা, মিনার শ্যাফট, দ্বিতীয় বারান্দা এবং কভার। এই বিভাজন মিনার নির্মাণের স্থাপত্য কাঠামোকে তুলে ধরে। মিনারগুলোর চূড়ায় চাঁদসদৃশ ফিনিয়াল যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন ইসলামি শৈলীতে, যা সময়ের সঙ্গে বিবর্তিত হয়েছে।

মিনার শুধু স্থাপত্যের নিদর্শন নয়, বরং নামাজের সময় ঘোষণার মাধ্যম হিসেবেও কাজ করে। লাউডস্পিকারের মাধ্যমে আজান ছড়িয়ে পড়ে মিনার থেকে। গ্র্যান্ড মসজিদের মিনারগুলো পবিত্র কাবার পাশে অবস্থানের কারণে বিশেষ মর্যাদা পায়। ইসলামের আবির্ভাবস্থল হিসেবে মক্কার এই মসজিদের মিনারগুলো ইসলামি ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

মুসলিম সমাজের নগর পরিবেশে মিনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এগুলো নগরীর ল্যান্ডমার্ক ও ইসলামি স্থাপত্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। নকশার বৈচিত্র্য ছোট মোটা টাওয়ার থেকে লম্বা সরু কাঠামো পর্যন্ত বিস্তৃত। গ্র্যান্ড মসজিদের মিনারগুলো এই বৈচিত্র্যের মধ্যেও নিজস্ব শৈলী ধরে রেখেছে।

জেনারেল অথরিটির তথ্যে মিনারগুলোর উচ্চতা ও অবস্থান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসপিএর প্রতিবেদনে মিনার নির্মাণের সময়সূচি, নির্মাণ ব্যয় বা স্থপতিদের নাম উল্লেখ করা হয়নি। মিনারগুলোর চূড়ার চাঁদসদৃশ ফিনিয়াল বিভিন্ন ইসলামি শৈলীতে তৈরি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, তবে কোন সময়ে কোন শৈলী যুক্ত হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত দেওয়া হয়নি।

গ্র্যান্ড মসজিদের মিনারগুলো একই নকশার হলেও উচ্চতায় ভিন্ন। এই ভিন্নতা সত্ত্বেও এগুলো সামগ্রিকভাবে একটি স্থাপত্য সমন্বয় তৈরি করে। উমরাহ গেট ও কিং আবদুলআজিজ গেটের মিনারগুলো ১৩৭ মিটার উচ্চতায় দাঁড়িয়ে আছে। কিং ফাহদ গেট ও আল-সাফা গেটের মিনারগুলো ৯৮ মিটার। আল-ফাতহ গেটের মিনারগুলো ১৩৭ মিটার। তৃতীয় সৌদি সম্প্রসারণের চারটি মিনার ১৩৫ মিটার।

প্রতিটি মিনারের পাঁচটি অংশ আলাদা করে চিহ্নিত। বেস থেকে শুরু করে কভার পর্যন্ত প্রতিটি স্তরের নিজস্ব ভূমিকা রয়েছে। মিনার শ্যাফট হলো মাঝের লম্বা অংশ, যেখানে দুটি বারান্দা যুক্ত। চূড়ায় রয়েছে কভার ও চাঁদসদৃশ ফিনিয়াল।

শতাব্দী ধরে মিনারগুলো সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলেছে। বিভিন্ন ইসলামি শৈলীর চাঁদসদৃশ ফিনিয়াল যুক্ত হয়েছে সময়ের পরিক্রমায়। আজকের মার্জিত নকশা সেই দীর্ঘ বিবর্তনের ফল। মিনারগুলো ইসলামি স্থাপত্যের প্রতীক হিসেবে টিকে আছে যুগ যুগ ধরে।

গ্র্যান্ড মসজিদের মিনারগুলো পবিত্র কাবার পাশে দাঁড়িয়ে ইসলামের আবির্ভাবস্থলের সঙ্গে যুক্ত। এই অবস্থানই তাদের বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে। নামাজের সময় ঘোষণার কাজও তারা করে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে। মুসলিম সমাজের নগর পরিবেশে মিনারগুলোর ভূমিকা তাই বহুমুখী।

এসপিএর প্রতিবেদনে মিনারগুলোর উচ্চতা, অবস্থান ও গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। তবে মিনার নির্মাণের ঐতিহাসিক সময়রেখা, নির্মাণে ব্যবহৃত উপকরণ বা সংস্কারের বিবরণ দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু জেনারেল অথরিটির বরাতে বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।

গ্র্যান্ড মসজিদে কতটি মিনার আছে এবং সেগুলোর উচ্চতা কত? জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অফ দ্য গ্র্যান্ড মসজিদ অ্যান্ড দ্য প্রফেটস মসজিদের তথ্য অনুযায়ী গ্র্যান্ড মসজিদে ১৩টি মিনার রয়েছে। উমরাহ গেটে দুটি মিনার, প্রতিটির উচ্চতা ১৩৭ মিটার। কিং আবদুলআজিজ গেটেও দুটি মিনার, প্রতিটির উচ্চতা ১৩৭ মিটার। কিং ফাহদ গেটে দুটি মিনার, প্রতিটির উচ্চতা ৯৮ মিটার। আল-সাফা গেটে একটি মিনার, উচ্চতা ৯৮ মিটার। আল-ফাতহ গেটে দুটি মিনার, প্রতিটির উচ্চতা ১৩৭ মিটার। তৃতীয় সৌদি সম্প্রসারণে চারটি মিনার, প্রতিটির উচ্চতা ১৩৫ মিটার।

প্রতিটি মিনার কী কী অংশে বিভক্ত? গ্র্যান্ড মসজিদের প্রতিটি মিনার পাঁচটি অংশে বিভক্ত। অংশগুলো হলো বেস বা ভিত্তি, প্রথম বারান্দা, মিনার শ্যাফট, দ্বিতীয় বারান্দা এবং কভার বা আচ্ছাদন। এই পাঁচ স্তরের সমন্বয়ে মিনারগুলো গঠিত। জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অফ দ্য গ্র্যান্ড মসজিদ অ্যান্ড দ্য প্রফেটস মসজিদের বরাতে এসপিএ এই তথ্য দিয়েছে। প্রতিটি মিনারের নকশা প্রায় একই রকম হলেও উচ্চতায় পার্থক্য রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

মিনারগুলোর চূড়ায় কী যুক্ত হয়েছে? শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গ্র্যান্ড মসজিদের মিনারগুলো ইসলামি ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ের শৈলীতে তৈরি চাঁদসদৃশ চূড়া বা ক্রিসেন্ট ফিনিয়াল দিয়ে সজ্জিত হয়েছে। এসব চূড়া সময়ের সঙ্গে বিবর্তিত হয়ে আজকের মার্জিত রূপে পৌঁছেছে। জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অফ দ্য গ্র্যান্ড মসজিদ অ্যান্ড দ্য প্রফেটস মসজিদের বরাতে এসপিএ এই তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে কোন সময়ে কোন শৈলী যুক্ত হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত দেওয়া হয়নি।

মিনারগুলো কী কাজে ব্যবহৃত হয়? গ্র্যান্ড মসজিদের মিনারগুলো ইসলামি স্থাপত্যের প্রতীক হিসেবে মুসলিম সমাজের নগর পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলো লাউডস্পিকারের মাধ্যমে নামাজের সময় ঘোষণা করার কাজেও ব্যবহৃত হয়। মিনারগুলো পবিত্র কাবার পাশে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে ইসলামের আবির্ভাব ঘটেছিল। এই অবস্থানের কারণেই তাদের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে বলে এসপিএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মিনারগুলোর নকশা ইসলামি ঐতিহ্য দ্বারা অনুপ্রাণিত।

মিনারগুলোর নকশা ও উচ্চতা নিয়ে কী জানা যায়? জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অফ দ্য গ্র্যান্ড মসজিদ অ্যান্ড দ্য প্রফেটস মসজিদের তথ্য অনুযায়ী গ্র্যান্ড মসজিদের ১৩টি মিনারের নকশা প্রায় একই রকম, তবে উচ্চতা ভিন্ন। এসব মিনার ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে নির্মিত স্থাপত্যের নিদর্শন। মিনারগুলোর নকশা ছোট ও মোটা টাওয়ার থেকে শুরু করে লম্বা ও সরু কাঠামো পর্যন্ত বিভিন্ন রকম হতে পারে। গ্র্যান্ড মসজিদের মিনারগুলো ইসলামি ঐতিহ্য দ্বারা অনুপ্রাণিত স্থাপত্য শৈলীর জন্য স্বতন্ত্র।