মক্কার মসজিদুল হারামে ২৭তম রাতে ইশা ও তারাবির নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ২৬ মার্চ ২০২৫ তারিখে এই নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মুসল্লিরা ভোর থেকে মসজিদুল হারাম ও তার আঙিনায় আসতে শুরু করেন। মসজিদের ভেতরের সব অংশ—কোরিডর, মেঝে, ছাদ, আঙিনা, বেসমেন্ট এবং তৃতীয় সৌদি সম্প্রসারণ—মুসল্লিদের উপস্থিতিতে পূর্ণ ছিল। বিশ্বাস, প্রশান্তি ও নিরাপত্তার পরিবেশে তাঁরা নামাজ ও ইবাদত পালন করেন। প্রশ্ন হলো, এত বিশাল জনসমাগম কীভাবে এত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়?
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববির বিষয়াবলির সাধারণ প্রেসিডেন্সি পূর্ণ প্রস্তুতি নেয়। মাতাফ এলাকায় প্রতি ঘণ্টায় ১০৭,০০০ মুসল্লি পর্যন্ত নামাজ আদায় করতে পারেন। এই ব্যবস্থাপনায় মসজিদের ভেতরে চলাচল মসৃণ ও সংগঠিত রাখা হয়। প্রশ্ন জাগে, এই বিপুল সংখ্যক মানুষের ভিড়ে নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য কীভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়?
বহুভাষিক কুরআন ও পরিচ্ছন্নতা
এসপিএ আরও জানিয়েছে, বিভিন্ন ভাষায় পবিত্র কুরআনের কপি পাওয়া যায়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ জোরদার করা হয়। মুসল্লিদের আরামের জন্য লাউডস্পিকার, ভেন্টিলেশন ফ্যান ও এয়ার-কন্ডিশনিং সিস্টেম সর্বোত্তমভাবে চালু রাখা হয়। প্রশ্ন হলো, এই সেবাগুলো কি সত্যিই মুসল্লিদের অভিজ্ঞতা উন্নত করে?
এছাড়া গলফ কার্ট, নিয়মিত কার্ট ও ইলেকট্রিক কার্ট ‘তানাকুল’ অ্যাপের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। এসপিএ জানিয়েছে, এই কার্টগুলো সুপরিকল্পিতভাবে দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়। প্রশ্ন জাগে, প্রযুক্তি কীভাবে ইবাদতের এই পবিত্র মুহূর্তে সহায়ক ভূমিকা রাখে?
স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা কেন্দ্র
মক্কা অঞ্চলের স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভাগ মসজিদুল হারাম ও তার আঙিনায় চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করে সেবা বাড়ায়। এসপিএ জানিয়েছে, প্রয়োজনে মুসল্লিরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পান। প্রশ্ন হলো, এই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কি হাজার হাজার মানুষের জরুরি চাহিদা মেটাতে সক্ষম?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসল্লিদের আগমন ভোর থেকেই অব্যাহত ছিল এবং সব এলাকা পূর্ণ ছিল। তবে প্রতিবেদনে নামাজের সময়সূচি, মুসল্লির সঠিক সংখ্যা বা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি। প্রশ্ন থেকে যায়, ভবিষ্যতে এই সেবাগুলো আরও কীভাবে উন্নত করা যায়?
২৭তম রাতে মসজিদুল হারামে কী হয়েছিল? মুসল্লিরা ইশা ও তারাবির নামাজ আদায় করেন। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ২৬ মার্চ ২০২৫ তারিখে ভোর থেকে মুসল্লিরা মসজিদুল হারাম ও তার আঙিনায় আসতে শুরু করেন। মসজিদের কোরিডর, মেঝে, ছাদ, আঙিনা, বেসমেন্ট ও তৃতীয় সৌদি সম্প্রসারণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে পূর্ণ ছিল।
মাতাফ এলাকার ধারণক্ষমতা কত? মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববির বিষয়াবলির সাধারণ প্রেসিডেন্সির প্রস্তুতি অনুযায়ী, মাতাফ এলাকায় প্রতি ঘণ্টায় ১০৭,০০০ মুসল্লি পর্যন্ত নামাজ আদায় করতে পারেন। এসপিএ জানিয়েছে, এই ব্যবস্থাপনায় মসজিদের ভেতরে চলাচল মসৃণ ও সংগঠিত রাখা হয়।
মুসল্লিদের জন্য কী কী সেবা দেওয়া হয়? বিভিন্ন ভাষায় পবিত্র কুরআনের কপি সরবরাহ করা হয়, পরিচ্ছন্নতা জোরদার করা হয় এবং লাউডস্পিকার, ভেন্টিলেশন ফ্যান ও এয়ার-কন্ডিশনিং সর্বোত্তমভাবে চালু রাখা হয়। ‘তানাকুল’ অ্যাপের মাধ্যমে গলফ কার্ট, নিয়মিত কার্ট ও ইলেকট্রিক কার্ট সরবরাহ করা হয়। এসপিএ জানিয়েছে, এই কার্টগুলো সুপরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়।
স্বাস্থ্যসেবা কীভাবে দেওয়া হয়? মক্কা অঞ্চলের স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভাগ মসজিদুল হারাম ও তার আঙিনায় চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করে সেবা বাড়ায়। এসপিএ জানিয়েছে, প্রয়োজনে মুসল্লিরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পান। প্রতিবেদনে চিকিৎসা কেন্দ্রের সংখ্যা বা সেবার বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।