কায়রোতে আরব লীগের সাধারণ সচিবালয়ে গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের কথিত গণহত্যার শিকারদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংস্থাটির মহাসচিব নাবিল ফাহমি বলেছেন, গাজার মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪ হাজারের বেশি ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে ২১ হাজারেরও বেশি শিশু রয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে কায়রো থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ফাহমির বক্তব্য তার পক্ষে পড়ে শোনান সহকারী মহাসচিব এবং ফিলিস্তিন ও অধিকৃত আরব ভূখণ্ড সেক্টরের প্রধান посол ড. ফায়েদ মুস্তাফা।
ফাহমি বলেন, ১৭ অক্টোবরের স্মরণ অনুষ্ঠান মানব মর্যাদা রক্ষা, ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গাজা উপত্যকার বাসিন্দাদের দুর্ভোগ শেষ করার সংকল্পকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আরব লীগ সদস্য রাষ্ট্র ও অংশীদারদের সঙ্গে মিলে ফিলিস্তিনি জনগণের কষ্ট লাঘবে কাজ চালিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, সংস্থাটি মানবিক, রাজনৈতিক ও আইনি সহায়তা জোগাড় করা, আন্তর্জাতিক বৈধতা রেজুলেশনের বাস্তবায়ন এবং গাজা উপত্যকা একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থাকা নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ফিলিস্তিনি চিকিৎসা পরিসংখ্যানের উদ্ধৃতি দিয়ে ফাহমি বলেন, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭৪ হাজারের বেশি ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে ২১ হাজারেরও বেশি শিশু। তিনি যোগ করেন, নিহত বা আহত নারীর সংখ্যা ৩৫ হাজারের বেশি ছাড়িয়েছে।
তিনি সতর্ক করেন, পানি, খাদ্য ও ওষুধ থেকে ক্রমাগত বঞ্চিত রাখা, নিরাপদ অঞ্চল সংকুচিত হওয়া এবং মানবিক সহায়তা ও পুনর্নির্মাণ সামগ্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা মানবিক সংকট আরও বাড়িয়ে তুলছে।
ফাহমি মানবিক সহায়তার নির্বিঘ্ন প্রবেশ নিশ্চিত করা এবং ওষুধ, খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহ সুনিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি পানি ও স্যানিটেশন নেটওয়ার্ক পুনরুদ্ধার এবং অত্যাবশ্যক সেবা পুনঃপ্রতিষ্ঠারও আহ্বান জানান।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবনের ভিত্তি ছাড়া পুনরুদ্ধার ও পুনর্নির্মাণ সম্ভব নয়।
ফাহমি আরও বলেন, গাজা উপত্যকার ভেতরে ইসরায়েলের চলমান সামরিক উপস্থিতি এবং নিয়ন্ত্রণ বিস্তার ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অখণ্ডতার জন্য হুমকি।
এসপিএ জানিয়েছে, এই বক্তব্য কায়রোর আরব লীগের সাধারণ সচিবালয়ে রবিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেওয়া হয়।
এসপিএর প্রতিবেদনে বলা হয়, ফাহমি আন্তর্জাতিক বৈধতা রেজোলিউশন বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন এবং গাজা উপত্যকা স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থাকবে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন।
তবে এসপিএর প্রতিবেদনে অনুষ্ঠানের সঠিক সময়, উপস্থিত ব্যক্তিদের পূর্ণ তালিকা বা স্মরণ অনুষ্ঠানের বিস্তারিত কর্মসূচি সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
এছাড়া প্রতিবেদনে গাজার মানবিক সংকট নিরসনে আরব লীগের 구체적인 পরিকল্পনা বা সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
ফিলিস্তিনি চিকিৎসা পরিসংখ্যানের উৎস বা সেই পরিসংখ্যান কীভাবে যাচাই করা হয়েছে, সে বিষয়েও এসপিএর প্রতিবেদনে কিছু উল্লেখ নেই।
আরব লীগের মহাসচিবের বক্তব্যে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ বিস্তারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়, যা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অখণ্ডতার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তিনি মানবিক সহায়তার নির্বিঘ্ন প্রবেশ, ওষুধ, খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পানি ও স্যানিটেশন নেটওয়ার্ক পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।
ফাহমি বলেন, জনগণের জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবনের ভিত্তি ছাড়া পুনরুদ্ধার ও পুনর্নির্মাণ সম্ভব নয়।
এসপিএর প্রতিবেদনে বলা হয়, ফাহমি আন্তর্জাতিক বৈধতা রেজোলিউশন বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন এবং গাজা উপত্যকা স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থাকবে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন।
তবে এসপিএর প্রতিবেদনে অনুষ্ঠানের সঠিক সময়, উপস্থিত ব্যক্তিদের পূর্ণ তালিকা বা স্মরণ অনুষ্ঠানের বিস্তারিত কর্মসূচি সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
এছাড়া প্রতিবেদনে গাজার মানবিক সংকট নিরসনে আরব লীগের 구체적인 পরিকল্পনা বা সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
ফিলিস্তিনি চিকিৎসা পরিসংখ্যানের উৎস বা সেই পরিসংখ্যান কীভাবে যাচাই করা হয়েছে, সে বিষয়েও এসপিএর প্রতিবেদনে কিছু উল্লেখ নেই।
আরব লীগের মহাসচিবের বক্তব্যে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ বিস্তারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়, যা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অখণ্ডতার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তিনি মানবিক সহায়তার নির্বিঘ্ন প্রবেশ, ওষুধ, খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পানি ও স্যানিটেশন নেটওয়ার্ক পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।
ফাহমি বলেন, জনগণের জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবনের ভিত্তি ছাড়া পুনরুদ্ধার ও পুনর্নির্মাণ সম্ভব নয়।
এসপিএর প্রতিবেদনে বলা হয়, ফাহমি আন্তর্জাতিক বৈধতা রেজোলিউশন বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন এবং গাজা উপত্যকা স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থাকবে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন।
তবে এসপিএর প্রতিবেদনে অনুষ্ঠানের সঠিক সময়, উপস্থিত ব্যক্তিদের পূর্ণ তালিকা বা স্মরণ অনুষ্ঠানের বিস্তারিত কর্মসূচি সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
এছাড়া প্রতিবেদনে গাজার মানবিক সংকট নিরসনে আরব লীগের 구체적인 পরিকল্পনা বা সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
ফিলিস্তিনি চিকিৎসা পরিসংখ্যানের উৎস বা সেই পরিসংখ্যান কীভাবে যাচাই করা হয়েছে, সে বিষয়েও এসপিএর প্রতিবেদনে কিছু উল্লেখ নেই।
আরব লীগের মহাসচিব কে এবং তিনি কী বলেছেন? আরব লীগের মহাসচিব নাবিল ফাহমি বলেছেন, সংস্থাটি সদস্য রাষ্ট্র ও অংশীদারদের সঙ্গে মিলে ফিলিস্তিনি জনগণের কষ্ট লাঘবে কাজ চালিয়ে যাবে। তিনি মানবিক, রাজনৈতিক ও আইনি সহায়তা জোগাড়, আন্তর্জাতিক বৈধতা রেজোলিউশন বাস্তবায়ন এবং গাজা উপত্যকা স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থাকা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। এসপিএ জানিয়েছে, তার বক্তব্য সহকারী মহাসচিব ড. ফায়েদ মুস্তাফা পড়ে শোনান।
গাজায় মৃত্যুর সংখ্যা কত বলা হয়েছে? ফিলিস্তিনি চিকিৎসা পরিসংখ্যানের উদ্ধৃতি দিয়ে ফাহমি বলেন, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭৪ হাজারের বেশি ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে ২১ হাজারেরও বেশি শিশু। তিনি যোগ করেন, নিহত বা আহত নারীর সংখ্যা ৩৫ হাজারের বেশি ছাড়িয়েছে। এসপিএ এই পরিসংখ্যানের উৎস বা যাচাইয়ের পদ্ধতি সম্পর্কে কিছু জানায়নি।
মানবিক সংকট নিয়ে কী উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে? ফাহমি সতর্ক করেন, পানি, খাদ্য ও ওষুধ থেকে ক্রমাগত বঞ্চিত রাখা, নিরাপদ অঞ্চল সংকুচিত হওয়া এবং মানবিক সহায়তা ও পুনর্নির্মাণ সামগ্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা মানবিক সংকট আরও বাড়িয়ে তুলছে। তিনি মানবিক সহায়তার নির্বিঘ্ন প্রবেশ, ওষুধ, খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পানি ও স্যানিটেশন নেটওয়ার্ক পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি মর্যাদাপূর্ণ জীবনের ভিত্তি ছাড়া পুনর্নির্মাণ সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানটি কোথায় এবং কখন অনুষ্ঠিত হয়? এসপিএ জানিয়েছে, অনুষ্ঠানটি কায়রোর আরব লীগের সাধারণ সচিবালয়ে রবিবার অনুষ্ঠিত হয়। ফাহমি বলেন, ১৭ অক্টোবরের স্মরণ অনুষ্ঠান মানব মর্যাদা রক্ষা, ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গাজা উপত্যকার বাসিন্দাদের দুর্ভোগ শেষ করার সংকল্প নতুন করে জাগিয়ে তোলে। এসপিএ প্রতিবেদনে অনুষ্ঠানের সঠিক সময় বা বিস্তারিত কর্মসূচি উল্লেখ করেনি।
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অখণ্ডতা নিয়ে কী বলা হয়েছে? ফাহমি জোর দিয়ে বলেন, গাজা উপত্যকা একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি আরও বলেন, গাজা উপত্যকার ভেতরে ইসরায়েলের চলমান সামরিক উপস্থিতি এবং নিয়ন্ত্রণ বিস্তার ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অখণ্ডতার জন্য হুমকি। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি আন্তর্জাতিক বৈধতা রেজোলিউশন বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন এবং গাজার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থাকার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
আরব লীগ কী ধরনের সহায়তা জোগাড়ের কথা বলেছে? ফাহমি বলেন, আরব লীগ সদস্য রাষ্ট্র ও অংশীদারদের সঙ্গে মিলে ফিলিস্তিনি জনগণের কষ্ট লাঘবে কাজ চালিয়ে যাবে। তিনি মানবিক, রাজনৈতিক ও আইনি সহায়তা জোগাড়, আন্তর্জাতিক বৈধতা রেজোলিউশন বাস্তবায়ন এবং গাজা উপত্যকা স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থাকা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি পানি ও স্যানিটেশন নেটওয়ার্ক পুনরুদ্ধার এবং অত্যাবশ্যক সেবা পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।