Monday, October 26, 2026
বিজ্ঞান

SDAIA কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তুলছে, ৭০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ

SDAIA কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তুলছে, ৭০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ

সৌদি ডেটা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কর্তৃপক্ষ (SDAIA) ২০২৬ সালে কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে ৭০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। রিয়াদ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তি বিকাশে বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত হওয়ার মধ্যেই SDAIA এই প্রযুক্তির গুরুত্ব আগেই উপলব্ধি করেছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও গুরুত্বপূর্ণ খাতের সেবায় এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

SDAIA তার একাডেমির মাধ্যমে এই ক্ষেত্রে জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তুলতে কাজ করছে এবং সৌদি পেশাজীবীদের প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে, যাতে তারা প্রযুক্তির বৈশ্বিক অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারেন।

SDAIA একাডেমি উন্নত প্রযুক্তিতে বিভিন্ন কর্মসূচি, বুট ক্যাম্প ও প্রশিক্ষণ কোর্স বাস্তবায়ন করেছে। এর উদ্দেশ্য জাতীয় প্রতিভা গড়ে তোলা এবং দ্রুত প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা। ২০২৬ সালে একাডেমিটি কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে ৭০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞরা কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মূল বিষয়গুলো গভীরভাবে বুঝতে পারেন, এর প্রয়োগ ও ডেটা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সংযোগের সুযোগ খুঁজে দেখেন। পাশাপাশি এই প্রযুক্তি গ্রহণের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা এবং এর সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করা হয়।

এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে একাডেমি চলতি বছরের শুরুতে কিং ফাহদ পেট্রোলিয়াম ও মিনারেলস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় একটি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বুট ক্যাম্প চালু করেছে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল কম্পিউটার সায়েন্স ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মূল বিষয়গুলো বুঝতে এবং এর আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করতে সক্ষম করে তোলা।

বিশেষজ্ঞদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি একাডেমি নেতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্যও কর্মসূচি সম্প্রসারিত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সফরমেশন টুওয়ার্ড কোয়ান্টাম টেকনোলজিস কর্মসূচি, যা ১৪ এপ্রিল ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হয়।

এই কর্মসূচিতে কোয়ান্টাম প্রযুক্তির কৌশলগত দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে ছিল কোয়ান্টাম কমিউনিকেশন, ক্রিপ্টোগ্রাফি ও সেন্সিং, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে এর সম্ভাব্য প্রভাব।

এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে একাডেমি ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ একদল বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সেই বুট ক্যাম্পে উন্নত কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রয়োগ এবং জেনারেটিভ ও এজেন্টিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সংযোগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য ছিল সমন্বিত সমাধান তৈরি করা। তবে প্রতিবেদনে এই সমাধানের বিস্তারিত ধরন, অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় বা প্রশিক্ষণের মেয়াদ সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বিশ্বব্যাপী দ্রুত বিকশিত একটি ক্ষেত্র। বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠান এই প্রযুক্তিকে গবেষণা ও গুরুত্বপূর্ণ খাতে কাজে লাগানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। SDAIA-র এই উদ্যোগ সৌদি আরবের জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ।

একাডেমির কর্মসূচিগুলো তাত্ত্বিক শিক্ষা ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সমন্বয়ে সাজানো। এর মাধ্যমে বিশেষজ্ঞরা শুধু তত্ত্ব নয়, বাস্তব প্রয়োগের অভিজ্ঞতাও অর্জন করেন।

কোয়ান্টাম কমিউনিকেশন, ক্রিপ্টোগ্রাফি ও সেন্সিং—এই তিনটি ক্ষেত্রকে কৌশলগত দিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে এগুলোর প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

জেনারেটিভ ও এজেন্টিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের সংযোগ সম্ভাবনার একটি নতুন দিক। সেপ্টেম্বরের বুট ক্যাম্পে এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই কর্মসূচিগুলোর ফলাফল, অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। শুধু প্রশিক্ষণের বিষয় ও তারিখগুলো জানানো হয়েছে।

SDAIA কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে কী কী কর্মসূচি চালু করেছে? SDAIA একাডেমি বিভিন্ন কর্মসূচি, বুট ক্যাম্প ও প্রশিক্ষণ কোর্স বাস্তবায়ন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে কিং ফাহদ পেট্রোলিয়াম ও মিনারেলস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বুট ক্যাম্প এবং স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সফরমেশন টুওয়ার্ড কোয়ান্টাম টেকনোলজিস কর্মসূচি। এসপিএ জানিয়েছে, এসব কর্মসূচির লক্ষ্য জাতীয় প্রতিভা গড়ে তোলা।

২০২৬ সালে কতজন বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালে একাডেমিটি কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে ৭০ জনের বেশি বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা প্রযুক্তির মূল বিষয় গভীরভাবে বুঝতে পারেন এবং ডেটা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে এর সংযোগের সুযোগ খুঁজে দেখেন। পাশাপাশি প্রযুক্তি গ্রহণের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করা হয়।

নেতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের জন্য কী কর্মসূচি ছিল? স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সফরমেশন টুওয়ার্ড কোয়ান্টাম টেকনোলজিস কর্মসূচি ১৪ এপ্রিল ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কোয়ান্টাম কমিউনিকেশন, ক্রিপ্টোগ্রাফি ও সেন্সিংয়ের কৌশলগত দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে এসবের সম্ভাব্য প্রভাবও আলোচনায় আসে। এসপিএ এই কর্মসূচির বিস্তারিত ফলাফল জানায়নি।

সেপ্টেম্বরের বুট ক্যাম্পে কী শেখানো হয়েছে? ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ একদল বিশেষজ্ঞকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সেই বুট ক্যাম্পে উন্নত কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রয়োগ এবং জেনারেটিভ ও এজেন্টিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সংযোগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। এসপিএ জানিয়েছে, লক্ষ্য ছিল সমন্বিত সমাধান তৈরি করা। তবে সমাধানের বিস্তারিত ধরন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

কিং ফাহদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কী সহযোগিতা হয়েছে? একাডেমি চলতি বছরের শুরুতে কিং ফাহদ পেট্রোলিয়াম ও মিনারেলস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বুট ক্যাম্প চালু করেছে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল কম্পিউটার সায়েন্স ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মূল বিষয় বুঝতে এবং আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করতে সক্ষম করা। এসপিএ অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা জানায়নি।

কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের কোন দিকগুলো গুরুত্ব পেয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, কোয়ান্টাম কমিউনিকেশন, ক্রিপ্টোগ্রাফি ও সেন্সিং—এই দিকগুলো কৌশলগত গুরুত্ব পেয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে এগুলোর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া ডেটা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের সংযোগ এবং জেনারেটিভ ও এজেন্টিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে এর সমন্বয় নিয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।