Tuesday, October 27, 2026
সাধারণ

জিসিসি সিভিল সার্ভিস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কৌশল পরিকল্পনা ২০২৬–২০৩০ অনুমোদন

জিসিসি সিভিল সার্ভিস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কৌশল পরিকল্পনা ২০২৬–২০৩০ অনুমোদন

বাহরাইনের রাজধানী মানামায় জিসিসি সিভিল সার্ভিস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কৌশল পরিকল্পনা ২০২৬–২০৩০ এবং এর অন্তর্ভুক্ত উদ্যোগগুলো জিসিসি-র সিভিল সার্ভিস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন যাত্রার অর্জনকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মন্তব্য করেছেন জিসিসি মহাসচিব জাসেম আলবুদাইউই।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার মানামায় অনুষ্ঠিত জিসিসি সিভিল সার্ভিস মন্ত্রী ও প্রধানদের ২২তম বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইন রাজ্যের সিভিল সার্ভিস ব্যুরোর সভাপতি এবং বর্তমান অধিবেশনের চেয়ারম্যান শাইখ দুয়াইজ বিন সালমান বিন দুয়াইজ আল খলিফা। জিসিসি রাষ্ট্রগুলোর সিভিল সার্ভিস মন্ত্রী ও প্রধানরা বৈঠকে অংশ নেন।

মহাসচিব বলেন, পূর্ববর্তী সময়ে এই ক্ষেত্রে যে বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে তা সিভিল সার্ভিস মন্ত্রী ও প্রধানদের কমিটির সদস্যদের মূল্যবান প্রচেষ্টা এবং সঠিক নির্দেশনার ফলে সম্ভব হয়েছে।

মানবসম্পদ ডেটাবেস নির্মাণে সমঝোতা স্মারক

আলবুদাইউই গত সময়ের সিভিল সার্ভিস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন ক্ষেত্রের উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলোর মধ্যে তুলে ধরেন মানবসম্পদ ডেটাবেস নির্মাণে বিশেষায়িত শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক (MoU)। তিনি বলেন, এই সমঝোতা স্মারক এখনও কার্যকর রয়েছে, যার ফলে সদস্য রাষ্ট্রগুলো এর সুবিধা ও সুযোগ থেকে উপকৃত হতে পারছে।

তিনি বলেন, বেশ কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিবেদনে এই অর্জন থেকে প্রাপ্ত সুবিধার মাত্রা প্রতিফলিত হয়েছে। সমঝোতা স্মারকটি এর লক্ষ্য অর্জনে অবদান রেখেছে এবং সর্বোত্তম সম্ভাব্য মূল্য ও শর্ত নিশ্চিত করেছে। এটি যৌথ আলোচনার পদ্ধতির গুরুত্ব এবং এক গোষ্ঠীর কাঠামোর মধ্যে যৌথ পদক্ষেপ ও একীকরণের ভিত্তিতে আলোচনার ক্ষমতা বাড়ানো এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা অর্জনে এর কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।

জিসিসি মহাসচিব আরও জানান, অন্য সদস্য রাষ্ট্রে কর্মরত জিসিসি নাগরিকের সংখ্যা ২৫ হাজারের বেশি।

২২তম বৈঠকের প্রেক্ষাপট

জিসিসি সিভিল সার্ভিস মন্ত্রী ও প্রধানদের কমিটির ২২তম এই বৈঠক মানামায় অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জিসিসি রাষ্ট্রগুলোর সিভিল সার্ভিস খাতের মন্ত্রী ও প্রধানরা অংশ নেন। বাহরাইনের সিভিল সার্ভিস ব্যুরোর সভাপতি শাইখ দুয়াইজ বিন সালমান বিন দুয়াইজ আল খলিফা বর্তমান অধিবেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে সিভিল সার্ভিস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কৌশল পরিকল্পনা ২০২৬–২০৩০ এবং এর অন্তর্ভুক্ত উদ্যোগগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। মহাসচিব বলেন, এই পরিকল্পনা জিসিসি-র এই খাতের অর্জনকে শক্তিশালী করবে।

যৌথ আলোচনার সুবিধা

আলবুদাইউই যৌথ আলোচনার পদ্ধতির ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো সর্বোত্তম মূল্য ও শর্ত পেয়েছে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিবেদন এই সুবিধার মাত্রা প্রতিফলিত করেছে। এটি এক গোষ্ঠীর কাঠামোর মধ্যে যৌথ পদক্ষেপ ও একীকরণের ভিত্তিতে কাজ করার গুরুত্ব প্রমাণ করে।

তিনি বলেন, সমঝোতা স্মারকটি এখনও কার্যকর রয়েছে। ফলে সদস্য রাষ্ট্রগুলো এর সুবিধা ও সুযোগ থেকে উপকৃত হতে পারছে।

প্রবাসী জিসিসি নাগরিক

মহাসচিব জানান, অন্য সদস্য রাষ্ট্রে কর্মরত জিসিসি নাগরিকের সংখ্যা ২৫ হাজারের বেশি। এই তথ্য জিসিসি-র শ্রমবাজার ও মানবসম্পদ চলাচলের একটি চিত্র তুলে ধরে।

বৈঠকে সিভিল সার্ভিস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী সময়ের অর্জনগুলো নিয়েও আলোচনা হয়। মহাসচিব সিভিল সার্ভিস মন্ত্রী ও প্রধানদের কমিটির সদস্যদের প্রচেষ্টা ও নির্দেশনার প্রশংসা করেন।

পরবর্তী করণীয়

কৌশল পরিকল্পনা ২০২৬–২০৩০ এবং এর উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে জিসিসি-র সিভিল সার্ভিস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাত আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। মহাসচিব বলেন, পূর্ববর্তী সময়ের বাস্তব অগ্রগতি সদস্যদের প্রচেষ্টার ফল।

বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সিভিল সার্ভিস প্রধানরা অংশ নেন। বাহরাইনের সিভিল সার্ভিস ব্যুরোর সভাপতি বর্তমান অধিবেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে কৌশল পরিকল্পনার নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা, বাজেট বা বাস্তবায়নের সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। সমঝোতা স্মারকের আওতায় কোন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চুক্তি হয়েছে বা এর আর্থিক মূল্য কত, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত উল্লেখ নেই।

জিসিসি সিভিল সার্ভিস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কৌশল পরিকল্পনা ২০২৬–২০৩০ কী? জিসিসি মহাসচিব জাসেম আলবুদাইউই বলেছেন, এই কৌশল পরিকল্পনা ২০২৬–২০৩০ এবং এর অন্তর্ভুক্ত উদ্যোগগুলো জিসিসি-র সিভিল সার্ভিস ও মানবসম্পদ উন্নয়ন যাত্রার অর্জনকে শক্তিশালী করবে। মানামায় অনুষ্ঠিত জিসিসি সিভিল সার্ভিস মন্ত্রী ও প্রধানদের ২২তম বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। বৈঠকে বাহরাইনের সিভিল সার্ভিস ব্যুরোর সভাপতি শাইখ দুয়াইজ বিন সালমান বিন দুয়াইজ আল খলিফা সভাপতিত্ব করেন।

সমঝোতা স্মারক (MoU) কী এবং এর সুবিধা কী? মানবসম্পদ ডেটাবেস নির্মাণে বিশেষায়িত শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। মহাসচিব আলবুদাইউই বলেন, এটি এখনও কার্যকর রয়েছে এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলো এর সুবিধা ও সুযোগ থেকে উপকৃত হচ্ছে। বেশ কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিবেদনে এই সুবিধা প্রতিফলিত হয়েছে। এটি সর্বোত্তম মূল্য ও শর্ত নিশ্চিত করেছে এবং যৌথ আলোচনার পদ্ধতির কার্যকারিতা প্রমাণ করে।

অন্য সদস্য রাষ্ট্রে কতজন জিসিসি নাগরিক কাজ করছেন? জিসিসি মহাসচিব জাসেম আলবুদাইউই জানিয়েছেন, অন্য সদস্য রাষ্ট্রে কর্মরত জিসিসি নাগরিকের সংখ্যা ২৫ হাজারের বেশি। এই তথ্য মানামায় অনুষ্ঠিত জিসিসি সিভিল সার্ভিস মন্ত্রী ও প্রধানদের ২২তম বৈঠকে দেওয়া হয়। বৈঠকে জিসিসি রাষ্ট্রগুলোর সিভিল সার্ভিস মন্ত্রী ও প্রধানরা অংশ নেন। বাহরাইনের সিভিল সার্ভিস ব্যুরোর সভাপতি বর্তমান অধিবেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২২তম বৈঠকে কে সভাপতিত্ব করেন? জিসিসি সিভিল সার্ভিস মন্ত্রী ও প্রধানদের ২২তম বৈঠক বৃহস্পতিবার বাহরাইনের রাজধানী মানামায় অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইন রাজ্যের সিভিল সার্ভিস ব্যুরোর সভাপতি এবং বর্তমান অধিবেশনের চেয়ারম্যান শাইখ দুয়াইজ বিন সালমান বিন দুয়াইজ আল খলিফা। বৈঠকে জিসিসি রাষ্ট্রগুলোর সিভিল সার্ভিস মন্ত্রী ও প্রধানরা অংশ নেন। মহাসচিব পূর্ববর্তী সময়ের অগ্রগতির প্রশংসা করেন।

যৌথ আলোচনার পদ্ধতির গুরুত্ব কী? মহাসচিব আলবুদাইউই বলেন, সমঝোতা স্মারক সর্বোত্তম মূল্য ও শর্ত নিশ্চিত করেছে, যা যৌথ আলোচনার পদ্ধতির গুরুত্ব প্রমাণ করে। এটি এক গোষ্ঠীর কাঠামোর মধ্যে যৌথ পদক্ষেপ ও একীকরণের ভিত্তিতে আলোচনার ক্ষমতা বাড়ায় এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা অর্জন করে। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিবেদন এই সুবিধার মাত্রা প্রতিফলিত করেছে। সমঝোতা স্মারকটি এখনও কার্যকর রয়েছে।