২০২৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক মুদ্রা ও আর্থিক কমিটির (আইএমএফসি) ডেপুটিদের ষষ্ঠ বৈঠক। সৌদি আরবের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞ অংশ নেন। বৈঠকের আলোচনার কেন্দ্রে ছিল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং আসন্ন আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গোষ্ঠীর বার্ষিক সভার প্রস্তুতি।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকের উদ্বোধনী বক্তব্যে আইএমএফসি ডেপুটিদের চেয়ার ড. রিয়াদ আলখারিফ বলেন, চলমান ভূরাজনৈতিক অগ্রগতির মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বহু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তিনি এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সমর্থনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার ও অর্থনৈতিক নীতি সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
ড. আলখারিফ আরও বলেন, যৌথ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইএমএফসিকে নিজের ভূমিকা চালিয়ে যেতে হবে এবং বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক সমন্বয় জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে সদস্য দেশগুলোকে সহায়তা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রসারে আইএমএফের কেন্দ্রীয় ভূমিকাও তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের গ্লোবাল পলিসি এজেন্ডা পর্যালোচনা করেন। সদস্য দেশগুলোকে সহায়তা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদারে তহবিলের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়।
এছাড়া বৈঠকে আইএমএফসি কমিউনিকের খসড়া এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও রাজস্ব নীতির মূল বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়। এসব আলোচনা ২০২৬ সালের ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠেয় আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গোষ্ঠীর বার্ষিক সভার প্রস্তুতির অংশ।
বৈঠকটি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হলেও এর আলোচ্যসূচি ছিল বিস্তৃত। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, বহুপাক্ষিক সমন্বয়, তহবিলের ভূমিকা এবং বার্ষিক সভার প্রস্তুতি—সবই এক বৈঠকে উঠে আসে। প্রশ্ন হলো, চলমান ভূরাজনৈতিক অগ্রগতির মধ্যে সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক নীতি সমন্বয় কতটা কার্যকর হবে?
আইএমএফসি ডেপুটিদের বৈঠক সাধারণত বার্ষিক সভার আগে প্রস্তুতিমূলক ভূমিকা পালন করে। এবারের বৈঠকেও কমিউনিকের খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যা বার্ষিক সভায় চূড়ান্ত হওয়ার কথা। প্রশ্ন হলো, খসড়া কমিউনিকে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য কতটা প্রতিফলিত হবে?
সৌদি আরবের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়া আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক আলোচনায় দেশটির সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়। ড. রিয়াদ আলখারিফের উদ্বোধনী বক্তব্যে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হলো, এই সহযোগিতার আহ্বান বাস্তবে কতটা রূপ নেবে?
বৈঠকে আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের গ্লোবাল পলিসি এজেন্ডা পর্যালোচনা করা হয়। এই এজেন্ডা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রশ্ন হলো, সদস্য দেশগুলো এই এজেন্ডার কোন দিকগুলোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে?
বার্ষিক সভা ব্যাংককে অনুষ্ঠেয় হওয়ায় এশিয়ার অর্থনৈতিক গুরুত্বও আলোচনায় আসে। ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই সভা। প্রশ্ন হলো, ব্যাংককের সভায় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত আসবে?
এসপিএর প্রতিবেদনে বৈঠকের আলোচনার বিষয়বস্তু ও সময়সূচি উঠে এলেও অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সংখ্যা, নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত বা কমিউনিকের বিস্তারিত বিষয় উল্লেখ করা হয়নি। বৈঠকে গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিতও প্রতিবেদনে নেই।
আইএমএফসি ডেপুটিদের ষষ্ঠ বৈঠক কখন ও কীভাবে অনুষ্ঠিত হয়? ২০২৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ভার্চুয়ালি বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি আরবের সভাপতিত্বে এতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞ অংশ নেন। এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও আসন্ন বার্ষিক সভার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে আইএমএফসি ডেপুটিদের চেয়ার কী বলেছেন? ড. রিয়াদ আলখারিফ বলেন, চলমান ভূরাজনৈতিক অগ্রগতির মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বহু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তিনি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার ও অর্থনৈতিক নীতি সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি বহুপাক্ষিক সমন্বয় ও আইএমএফের কেন্দ্রীয় ভূমিকার ওপর জোর দেন।
বৈঠকে কোন কোন বিষয় আলোচনা হয়েছে? অংশগ্রহণকারীরা আইএমএফ ব্যবস্থাপনা পরিচালকের গ্লোবাল পলিসি এজেন্ডা পর্যালোচনা করেন এবং সদস্য দেশগুলোকে সহায়তায় তহবিলের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া আইএমএফসি কমিউনিকের খসড়া এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও রাজস্ব নীতির মূল বিষয়গুলো আলোচনা হয়। এসবই বার্ষিক সভার প্রস্তুতির অংশ।
বার্ষিক সভা কখন ও কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? ২০২৬ সালের ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গোষ্ঠীর বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে এই সভার প্রস্তুতি হিসেবে কমিউনিকের খসড়া ও নীতি বিষয় আলোচনা করা হয়। বৈঠকটি ভার্চুয়ালি হলেও আলোচ্যসূচি ছিল বিস্তৃত।
প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএর প্রতিবেদনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সংখ্যা, নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত বা কমিউনিকের বিস্তারিত বিষয় উল্লেখ করা হয়নি। বৈঠকে গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিতও প্রতিবেদনে নেই। শুধু আলোচনার বিষয়বস্তু ও সময়সূচি উঠে এসেছে। ফলে বৈঠকের ফলাফল সম্পর্কে সম্পূর্ণ চিত্র পাওয়া যায় না।