Thursday, October 29, 2026
সৌদি সংবাদ

কোয়ালিশন: ইয়েমেনি সরকারকে সমর্থনে সব পথে অভিযান চলছে

কোয়ালিশন: ইয়েমেনি সরকারকে সমর্থনে সব পথে অভিযান চলছে

রিয়াদ থেকে ৪ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইয়েমেনে বৈধতা পুনরুদ্ধারকারী কোয়ালিশনের সরকারি মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি জানিয়েছেন, কোয়ালিশনের যৌথ বাহিনী কমান্ড ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীকে পূর্ণ অপারেশনাল সমর্থন অব্যাহত রেখেছে এবং বৈধ ইয়েমেনি সরকার ও ভ্রাতৃপ্রতিম ইয়েমেনি জনগণের পাশে তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে—যাতে অভ্যুত্থান শেষ হয়, রাষ্ট্র ও তার জাতীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার হয় এবং ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিতে মুখপাত্র সন্ত্রাসী হুথি মিলিশার ধারাবাহিক সন্ত্রাসী হামলা ও বারবার আক্রমণের কথা উল্লেখ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ভ্রাতৃপ্রতিম ইয়েমেনি জনগণের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ অবরোধ, নাগরিকদের তাদের শহর ও গ্রাম থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, অনাহার, এবং তাদের সম্পদ লুণ্ঠন ও রেশনিং করে তথাকথিত ‘যুদ্ধ প্রচেষ্টা’-এর জন্য ব্যবহার।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, উপজাতীয় প্রবীণ ও সদস্যদের প্রতি নির্যাতন, ইয়েমেনি সমাজের সব শ্রেণির সামাজিক বুনন ছিন্ন করা, নারীদের সন্ত্রাসিত করা এবং তাদের অপরাধমূলক প্রকল্পে সেবার জন্য শিশু সৈনিক নিয়োগ—এসবই স্পষ্ট লঙ্ঘন, যা ইয়েমেনি জনগণের জন্য দুর্দশা ও দীর্ঘ বছরের কষ্ট নিয়ে এসেছে।

মুখপাত্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী হুথি মিলিশার সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা, পবিত্র রাজধানী মক্কা আল-মুকররমা ও নবীর শহর মদিনা আল-মুনাওয়ারাকে লক্ষ্য করার প্রচেষ্টা, রাজ্যের বেশ কয়েকটি শহরে—রিয়াদ, আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান, নাজরান, আল-তাইফ ও ইয়ানবু—বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে ইচ্ছাকৃত ও পদ্ধতিগতভাবে লক্ষ্য করা, এবং দক্ষিণ লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালীতে রাজ্যের জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করার প্রচেষ্টা—এসবই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সন্ত্রাসী হুথি মিলিশার শত্রুতামূলক কাজ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সার্বভৌমত্ব রক্ষা, নিরাপত্তা সুরক্ষা এবং এই মিলিশাকে প্রতিরোধ ও তার গুরুতর লঙ্ঘন বন্ধ করতে সব অপারেশনাল পদক্ষেপ নেওয়ার সহজাত অধিকার রাজ্যের রয়েছে, যা তার জাতীয় দায়িত্ব থেকে উদ্ভূত।

কোয়ালিশনের যৌথ বাহিনী কমান্ডের এই অবস্থান এমন সময়ে প্রকাশ পেল, যখন বিবৃতিতে হুথি মিলিশার অভ্যন্তরীণ অবরোধ, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, অনাহার ও সম্পদ লুণ্ঠনের ধারাবাহিকতার কথা বলা হয়েছে। এসপিএ-র প্রকাশিত বিবৃতিতে এসব অভিযোগের বিস্তারিত প্রমাণ, সময়সূচি বা নির্দিষ্ট ঘটনার উল্লেখ নেই।

বিবৃতিতে ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীকে পূর্ণ অপারেশনাল সমর্থন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তবে সমর্থনের ধরন, পরিধি বা নির্দিষ্ট অভিযানের বিবরণ দেওয়া হয়নি। কোয়ালিশন তার অবস্থান বৈধ ইয়েমেনি সরকার ও ইয়েমেনি জনগণের পাশে বলে উল্লেখ করেছে।

মুখপাত্র সৌদি আরবের শহরগুলোর বিরুদ্ধে হামলার যে তালিকা দিয়েছেন, তাতে রিয়াদ, আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান, নাজরান, আল-তাইফ ও ইয়ানবু রয়েছে। বিবৃতিতে এসব হামলার সময়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার বিবরণ নেই।

এছাড়া দক্ষিণ লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালীতে রাজ্যের জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করার প্রচেষ্টার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে কোনো নির্দিষ্ট জাহাজ, তারিখ বা ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়নি।

বিবৃতিতে হুথি মিলিশাকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে এবং তাদের কাজকে ‘অপরাধমূলক প্রকল্প’ বলা হয়েছে। ইয়েমেনি জনগণের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ অবরোধ, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, অনাহার, সম্পদ লুণ্ঠন ও রেশনিং, উপজাতীয় প্রবীণদের প্রতি নির্যাতন, সামাজিক বুনন ছিন্ন করা, নারীদের সন্ত্রাসিত করা এবং শিশু সৈনিক নিয়োগের অভিযোগও বিবৃতিতে রয়েছে। এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাইয়ের কোনো তথ্য বিবৃতিতে নেই।

কোয়ালিশনের যৌথ বাহিনী কমান্ডের এই বিবৃতি ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে অভ্যুত্থান শেষ করা, রাষ্ট্র ও জাতীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার এবং ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব লক্ষ্য অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা, পরিকল্পনা বা কৌশল বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।

বিবৃতিতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষার কথা বলা হয়েছে এবং হুথি মিলিশার শত্রুতামূলক কাজ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব পদক্ষেপের ধরন বা পরিধি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, নিরাপত্তা সুরক্ষা এবং সব অপারেশনাল পদক্ষেপ নেওয়ার সহজাত অধিকারের কথা বিবৃতিতে বলা হয়েছে। এই অধিকার প্রয়োগের কোনো নির্দিষ্ট উদাহরণ বা সীমা বিবৃতিতে দেওয়া হয়নি।

এসপিএ-র প্রকাশিত বিবৃতিতে কোয়ালিশনের অভিযানের ধরন, সময়সূচি, স্থান বা ফলাফল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেই। বিবৃতিতে শুধু কোয়ালিশনের অবস্থান ও হুথি মিলিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা বলা হয়েছে।

বিবৃতিতে ইয়েমেনি সরকার ও জনগণের পাশে থাকার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, তবে কোনো নির্দিষ্ট সহায়তা কর্মসূচি বা মানবিক পদক্ষেপের বিবরণ দেওয়া হয়নি।

মুখপাত্রের বিবৃতিতে হুথি মিলিশার হামলার যে বিবরণ দেওয়া হয়েছে, তা ইয়েমেনি জনগণের দুর্দশা ও দীর্ঘ বছরের কষ্টের কথা তুলে ধরে। তবে এসব দুর্দশার পরিমাণ বা পরিসংখ্যান বিবৃতিতে নেই।

কোয়ালিশনের যৌথ বাহিনী কমান্ডের এই বিবৃতি সৌদি আরবের সরকারি সংবাদ সংস্থা এসপিএ-তে প্রকাশিত হয়েছে। বিবৃতিতে কোনো নতুন সামরিক অভিযানের ঘোষণা বা নির্দিষ্ট পদক্ষেপের বিবরণ দেওয়া হয়নি।

বিবৃতিতে হুথি মিলিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ হলেও এসব অভিযোগের স্বাধীন প্রমাণ বা তদন্তের ফলাফল উল্লেখ করা হয়নি। কোয়ালিশনের অবস্থান ও উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করাই বিবৃতির মূল বিষয়।

সৌদি আরবের শহর ও জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করার প্রচেষ্টার কথা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তবে এসব প্রচেষ্টার সফলতা বা ব্যর্থতা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।

বিবৃতিতে ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ গড়ার কথা বলা হয়েছে, তবে তার জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বা সংলাপের কোনো উল্লেখ নেই।

কোয়ালিশনের যৌথ বাহিনী কমান্ডের এই বিবৃতি ইয়েমেন সংকটে কোয়ালিশনের অবস্থান স্পষ্ট করে, তবে বিবৃতিতে কোনো নতুন তথ্য বা পরিসংখ্যান নেই। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিবৃতির বাইরে অতিরিক্ত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

কোয়ালিশনের যৌথ বাহিনী কমান্ড কী বলেছে? কোয়ালিশনের যৌথ বাহিনী কমান্ড ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীকে পূর্ণ অপারেশনাল সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা বলেছে এবং বৈধ ইয়েমেনি সরকার ও জনগণের পাশে তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। বিবৃতিতে অভ্যুত্থান শেষ করা, রাষ্ট্র ও জাতীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার এবং ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিতে সমর্থনের ধরন বা নির্দিষ্ট অভিযানের বিবরণ দেওয়া হয়নি।

হুথি মিলিশার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ করা হয়েছে? বিবৃতিতে হুথি মিলিশার বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ অবরোধ, নাগরিকদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, অনাহার, সম্পদ লুণ্ঠন ও রেশনিং, উপজাতীয় প্রবীণদের প্রতি নির্যাতন, সামাজিক বুনন ছিন্ন করা, নারীদের সন্ত্রাসিত করা এবং শিশু সৈনিক নিয়োগের অভিযোগ করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব অভিযোগের স্বাধীন প্রমাণ বা নির্দিষ্ট ঘটনার বিবরণ বিবৃতিতে নেই।

সৌদি আরবের কোন শহরগুলো লক্ষ্য করার কথা বলা হয়েছে? বিবৃতিতে সন্ত্রাসী হুথি মিলিশার সৌদি আরবের শহর রিয়াদ, আবহা, খামিস মুশাইত, জাজান, নাজরান, আল-তাইফ ও ইয়ানবুতে বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনাকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্য করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করার প্রচেষ্টা এবং দক্ষিণ লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালীতে রাজ্যের জাহাজ লক্ষ্য করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব হামলার সময় বা ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ দেওয়া হয়নি।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষার অধিকার সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সার্বভৌমত্ব রক্ষা, নিরাপত্তা সুরক্ষা এবং এই মিলিশাকে প্রতিরোধ ও তার গুরুতর লঙ্ঘন বন্ধ করতে সব অপারেশনাল পদক্ষেপ নেওয়ার সহজাত অধিকার রাজ্যের রয়েছে। এই অধিকার জাতীয় দায়িত্ব থেকে উদ্ভূত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব পদক্ষেপের ধরন বা পরিধি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

বিবৃতিতে কী কী বিষয় উল্লেখ করা হয়নি? বিবৃতিতে কোয়ালিশনের অভিযানের ধরন, সময়সূচি, স্থান বা ফলাফল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেই। হুথি মিলিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের স্বাধীন প্রমাণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান, নির্দিষ্ট ঘটনার তারিখ বা মানবিক সহায়তার বিবরণও দেওয়া হয়নি। এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিতে নতুন সামরিক অভিযানের ঘোষণা বা নির্দিষ্ট পদক্ষেপের বিবরণ নেই।