২০২৫ সালে সৌদি আরবের খেজুর রপ্তানির মূল্য দাঁড়িয়েছে ১.৯৩৮ বিলিয়ন রিয়াল, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী টানা চতুর্থ বছরে দেশটিকে মূল্যের ভিত্তিতে বিশ্বের শীর্ষ খেজুর রপ্তানিকারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রেখেছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৩ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই অর্জন সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে কৃষি জিডিপিতে খেজুর খাতের বাড়তে থাকা অবদানের প্রতিফলন।
ন্যাশনাল সেন্টার ফর পামস অ্যান্ড ডেটস-এর সিইও আহমেদ আল-মৌসা এই সাফল্যের কৃতিত্ব সৌদি নেতৃত্বের ধারাবাহিক সমর্থন এবং সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিল্প অংশীদারদের সমন্বিত প্রচেষ্টাকে দিয়েছেন, যার লক্ষ্য সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নত করা ও রপ্তানি দক্ষতা বাড়ানো।
আল-মৌসা উল্লেখ করেছেন, সৌদি খেজুর রপ্তানি সক্ষম ও বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণে জাতীয় কেন্দ্রের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বাজারে বিস্তারের প্রধান চালিকাশক্তি। এখন সৌদি খেজুর বিশ্বের প্রায় ১২৫টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে, যা এর উচ্চ মান, নিরাপত্তা মানদণ্ড ও বৈচিত্র্যের প্রতি শক্তিশালী বৈশ্বিক চাহিদার প্রতিফলন।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৩ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি খেজুর গাছ থাকায় সৌদি আরবের মোট বার্ষিক খেজুর উৎপাদন ১৯ লাখ টন ছাড়িয়েছে, যা চাষ ও উৎপাদনে দেশটিকে বৈশ্বিক নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
জাতীয় কেন্দ্র খাতের মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক খুচরা বাজারে সৌদি খেজুরের প্রতিযোগিতামূলক উপস্থিতি জোরদার করতে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
মূল্যের ভিত্তিতে টানা চতুর্থ বছর শীর্ষস্থান ধরে রাখা কতটা কঠিন, তা কি এই ১.৯৩৮ বিলিয়ন রিয়ালের অঙ্কই বলে দেয় না? আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রের তথ্যে এই ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হওয়ার পেছনে সরবরাহ শৃঙ্খলের সমন্বয় কতটা ভূমিকা রেখেছে?
সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে খেজুর খাতের এই অগ্রগতি সরাসরি যুক্ত। কৃষি জিডিপিতে খাতটির অবদান বাড়ছে, আর সেই বৃদ্ধির একটি বড় অংশ আসছে রপ্তানি থেকে। সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিল্প অংশীদারদের সমন্বিত প্রচেষ্টার কথা আল-মৌসা যে উল্লেখ করেছেন, তা কি খাতটির সাংগঠনিক শক্তির প্রমাণ নয়?
রপ্তানি দক্ষতা বাড়ানো ও সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নত করার লক্ষ্যে এই সমন্বয় শুধু কাগজে-কলমে নয়, বরং বাস্তব বাণিজ্য প্রবাহে প্রভাব ফেলছে। ১২৫টি দেশে পৌঁছে যাওয়া সৌদি খেজুরের বাজার বিস্তার কি এক দশকে সম্ভব হতো, যদি মান ও নিরাপত্তা মানদণ্ডে এই ধারাবাহিকতা না থাকত?
আল-মৌসার ভাষায়, জাতীয় কেন্দ্রের উদ্যোগ সৌদি খেজুর রপ্তানি সক্ষম ও বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণে প্রধান চালিকাশক্তি। এই উদ্যোগের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার বেড়েছে, আর সেই সঙ্গে বেড়েছে ক্রেতাদের আস্থা। উচ্চ মান, নিরাপত্তা মানদণ্ড ও বৈচিত্র্য—এই তিনটি কারণেই কি সৌদি খেজুর বিশ্বজুড়ে চাহিদা ধরে রেখেছে?
দেশে ৩ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি খেজুর গাছ রয়েছে। এই বিশাল গাছের সংখ্যা এবং ১৯ লাখ টনেরও বেশি বার্ষিক উৎপাদন সৌদি আরবকে চাষ ও উৎপাদনে বৈশ্বিক নেতৃত্বে রেখেছে। উৎপাদনের এই ভিত্তি ছাড়া কি রপ্তানিতে টানা চতুর্থ বছরের শীর্ষস্থান সম্ভব ছিল?
জাতীয় কেন্দ্র খাতের মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক খুচরা বাজারে সৌদি খেজুরের প্রতিযোগিতামূলক উপস্থিতি জোরদার করতে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মূল্য শৃঙ্খলের উন্নয়ন মানে শুধু উৎপাদন নয়, প্রক্রিয়াকরণ, প্যাকেজিং, পরিবহন ও বিপণনের সমন্বিত উন্নয়ন। এই পুরো শৃঙ্খলে উন্নতি না হলে কি ১২৫টি দেশে ধারাবাহিক রপ্তানি সম্ভব?
২০২৫ সালের ১.৯৩৮ বিলিয়ন রিয়ালের রপ্তানি আয় গত চার বছরের ধারাবাহিকতার সর্বশেষ অধ্যায়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী মূল্যের ভিত্তিতে এই শীর্ষস্থান টানা চতুর্থ বছরে পৌঁছেছে। প্রশ্ন হলো, এই ধারা আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকবে কি না, এবং খাতটি কৃষি জিডিপিতে আরও কতটা অবদান রাখতে পারবে?
এসপিএ জানিয়েছে, এই অর্জন সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে খেজুর খাতের বাড়তে থাকা অবদানের প্রতিফলন। ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, যেখানে অ-তেল খাতের ভূমিকা বাড়ানো হয়। খেজুর খাত সেই লক্ষ্যের একটি দৃশ্যমান উদাহরণ। কৃষি জিডিপিতে এই খাতের অবদান বাড়ার পেছনে রপ্তানি আয়ের ভূমিকা কতটা?
আল-মৌসা সৌদি নেতৃত্বের ধারাবাহিক সমর্থনের কথা বলেছেন। সেই সমর্থন শুধু আর্থিক নয়, বরং নীতি, অবকাঠামো ও বাজার সম্প্রসারণে সহায়তা হিসেবে দেখা যায়। সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিল্প অংশীদারদের সমন্বয় ছাড়া এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখা কঠিন। এই সমন্বয় মডেল কি অন্য কৃষি খাতের জন্যও অনুকরণীয়?
১২৫টি দেশে রপ্তানি মানে বৈচিত্র্যময় বাজার, ভিন্ন ভিন্ন মান ও প্যাকেজিং চাহিদা। সৌদি খেজুর সেই চাহিদা পূরণ করছে উচ্চ মান, নিরাপত্তা মানদণ্ড ও বৈচিত্র্যের মাধ্যমে। এই বাজার বিস্তার কি শুধু পরিমাণের নয়, বরং মানের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ফল?
৩ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি খেজুর গাছ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে আছে। এই বিস্তৃত চাষাবাদ ভিত্তি সরবরাহের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে। ১৯ লাখ টনেরও বেশি বার্ষিক উৎপাদন সেই ধারাবাহিকতার প্রমাণ। কিন্তু উৎপাদন বাড়লেই কি রপ্তানি বাড়ে, নাকি বাজার সম্প্রসারণ ও মান নিয়ন্ত্রণ সমান গুরুত্বপূর্ণ?
জাতীয় কেন্দ্রের কার্যক্রম মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক খুচরা বাজারে প্রতিযোগিতামূলক উপস্থিতি জোরদারের দিকে। খুচরা বাজারে উপস্থিতি মানে ভোক্তার কাছে সরাসরি পৌঁছানো, ব্র্যান্ড পরিচিতি তৈরি করা। এই উপস্থিতি ছাড়া কি মূল্যের ভিত্তিতে শীর্ষস্থান টেকসই হয়?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে মূল্য, পরিমাণ বা বাজারের ভাগের তুলনামূলক বিস্তারিত তথ্য নেই। কোন দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হচ্ছে, বা আগামী বছরের লক্ষ্য কী, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ নেই। তবে ২০২৫ সালের ১.৯৩৮ বিলিয়ন রিয়াল এবং টানা চতুর্থ বছরের শীর্ষস্থানই খাতটির বর্তমান অবস্থানের স্পষ্ট চিত্র দেয়।
সৌদি আরবের খেজুর রপ্তানির বর্তমান অবস্থান কী? আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালে সৌদি আরবের খেজুর রপ্তানির মূল্য ১.৯৩৮ বিলিয়ন রিয়াল। এই নিয়ে টানা চতুর্থ বছর দেশটি মূল্যের ভিত্তিতে বিশ্বের শীর্ষ খেজুর রপ্তানিকারক হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই অর্জন সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে কৃষি জিডিপিতে খাতটির বাড়তে থাকা অবদানের প্রতিফলন।
এই সাফল্যের পেছনে কারা ভূমিকা রেখেছেন? ন্যাশনাল সেন্টার ফর পামস অ্যান্ড ডেটস-এর সিইও আহমেদ আল-মৌসা এই অর্জনের কৃতিত্ব সৌদি নেতৃত্বের ধারাবাহিক সমর্থন এবং সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিল্প অংশীদারদের সমন্বিত প্রচেষ্টাকে দিয়েছেন। তিনি বলেন, সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নত করা ও রপ্তানি দক্ষতা বাড়ানো ছিল এই প্রচেষ্টার লক্ষ্য। জাতীয় কেন্দ্রের রপ্তানি সক্ষমতা ও বাজার প্রবেশাধিকার উদ্যোগকে তিনি প্রধান চালিকাশক্তি বলেছেন।
সৌদি খেজুর কোন কোন দেশে রপ্তানি হয়? আল-মৌসার বরাত দিয়ে এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি খেজুর এখন বিশ্বের প্রায় ১২৫টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এই বিস্তার উচ্চ মান, নিরাপত্তা মানদণ্ড ও বৈচিত্র্যের প্রতি শক্তিশালী বৈশ্বিক চাহিদার প্রতিফলন। জাতীয় কেন্দ্রের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণে প্রধান ভূমিকা রেখেছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
দেশে কত খেজুর গাছ ও উৎপাদন রয়েছে? সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে ৩ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি খেজুর গাছ রয়েছে। এই গাছ থেকে মোট বার্ষিক খেজুর উৎপাদন ১৯ লাখ টন ছাড়িয়েছে, যা চাষ ও উৎপাদনে দেশটিকে বৈশ্বিক নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই বিশাল উৎপাদন ভিত্তিই রপ্তানিতে ধারাবাহিক শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সহায়তা করছে।
জাতীয় কেন্দ্র কী ধরনের কার্যক্রম চালাচ্ছে? ন্যাশনাল সেন্টার ফর পামস অ্যান্ড ডেটস খাতের মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক খুচরা বাজারে সৌদি খেজুরের প্রতিযোগিতামূলক উপস্থিতি জোরদার করতে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই কার্যক্রমের লক্ষ্য রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো ও বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ। মূল্য শৃঙ্খল উন্নয়ন মানে প্রক্রিয়াকরণ, প্যাকেজিং, পরিবহন ও বিপণনের সমন্বিত উন্নয়ন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে মূল্য, পরিমাণ বা বাজারের ভাগের তুলনামূলক বিস্তারিত তথ্য নেই। কোন দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হচ্ছে, বা আগামী বছরের লক্ষ্য কী, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ নেই। তবে ২০২৫ সালের ১.৯৩৮ বিলিয়ন রিয়াল এবং টানা চতুর্থ বছরের শীর্ষস্থান খাতটির বর্তমান অবস্থানের স্পষ্ট চিত্র দেয়।





