Saturday, October 31, 2026
খেলাধুলা

খালিজি ২৭ সেমিফাইনালে জেদ্দায় সংঘর্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান

খালিজি ২৭ সেমিফাইনালে জেদ্দায় সংঘর্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান

জেদ্দার প্রিন্স আবদুল্লাহ বিন ফয়সাল স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে শনিবার ২৭তম আরবীয় উপসাগরীয় কাপ (খালিজি ২৭) এর সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান। দুই দলই টুর্নামেন্টের ফাইনালে দ্বিতীয় স্থানের জন্য লড়াই করবে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত গ্রুপ বি-তে সাত পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে নকআউট পর্বে পৌঁছেছে। তারা কাতারের চেয়ে গোল পার্থক্যে এগিয়ে ছিল। দলটি দুটি জয় ও কাতারের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে। গ্রুপ পর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত আটটি গোল করেছে। নিকোলাস গিমেনেজ ও আলী সালেহ প্রত্যেকে দুটি করে গোল করেছেন। লুয়ান পেরেইরা, উসমান কামারা ও গিলহের্মে বালা একটি করে গোল করেছেন। এছাড়া একটি আত্মঘাতী গোল হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত তৃতীয় শিরোপার খোঁজে আছে। তারা ২০০৭ ও ২০১৩ সালে ট্রফি জিতেছিল।

অন্যদিকে ওমান গ্রুপ এ-তে চার পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছে। তারা ইরাকের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে, সৌদি আরবের কাছে হেরেছে এবং কুয়েতের বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জিতেছে। ইরাকের সঙ্গে সব টাই-ব্রেকিং মানদণ্ডে সমান থাকার পর লটারি ড্রয়ের মাধ্যমে ওমান নকআউট পর্বে উঠেছে। ওমানও তৃতীয় শিরোপার খোঁজে আছে। তারা ২০০৯ ও ২০১৭ সালে জিতেছিল। ওমানের আক্রমণভাগের নেতৃত্বে আছেন ফরোয়ার্ড নাসের আল-রাওয়াহি, যিনি গ্রুপ পর্বে তিনটি গোল করেছেন। মুসাব আল-শাকসি দলের অন্য গোলটি করেছেন।

এখন প্রশ্ন হলো, জেদ্দার মাঠে কে ফাইনালের টিকিট পাবে? সংযুক্ত আরব আমিরাত গ্রুপ পর্বে অপরাজিত ছিল। তারা কাতারের সঙ্গে ড্র করলেও বাকি দুই ম্যাচ জিতেছে। আট গোল করা মানে আক্রমণভাগ বেশ শক্তিশালী। কিন্তু ওমান হারার মুখ থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে নকআউটে এসেছে। লটারির মাধ্যমে হলেও তারা শেষ চারে। এমন পরিস্থিতিতে দুই দলের মধ্যে কে বেশি চাপ সামলাতে পারবে?

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আক্রমণে নিকোলাস গিমেনেজ ও আলী সালেহ দুজনেই দুই গোল করে ফর্মে আছেন। লুয়ান পেরেইরা, উসমান কামারা ও গিলহের্মে বালাও গোল পেয়েছেন। আত্মঘাতী গোলটি বাদ দিলে দলের ছয়জন আলাদা গোলদাতা। এত বৈচিত্র্য মানে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের জন্য বিপদ। ওমানের রক্ষণ কি এই বহুমুখী আক্রমণ সামলাতে পারবে?

ওমানের আক্রমণ মূলত নাসের আল-রাওয়াহির উপর নির্ভরশীল। তিনি তিন গোল করেছেন। মুসাব আল-শাকসি একটি গোল করেছেন। দলটি গ্রুপ পর্বে চার গোল করেছে। সৌদি আরবের কাছে হারার পরও তারা কুয়েতের বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ইরাকের সঙ্গে ড্র করে পয়েন্ট নিশ্চিত করেছে। লটারিতে ভাগ্য সহায় হয়েছে। কিন্তু নকআউটে লটারি কাজ করবে না। ওমান কি নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই গড়তে পারবে?

সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০০৭ ও ২০১৩ সালে শিরোপা জিতেছিল। ওমান ২০০৯ ও ২০১৭ সালে জিতেছিল। দুই দলেরই লক্ষ্য তৃতীয় শিরোপা। এই ম্যাচের বিজয়ী ফাইনালে প্রথম স্থানাধিকারী দলের সঙ্গে খেলবে। ফাইনালে ওঠা মানে শিরোপার লড়াই। কে সেই সুযোগ নেবে?

প্রিন্স আবদুল্লাহ বিন ফয়সাল স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়াম জেদ্দায় অবস্থিত। এই মাঠে এর আগে অনেক বড় ম্যাচ হয়েছে। স্থানীয় দর্শকদের সমর্থন কোন দলের জন্য বাড়তি শক্তি হবে? সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের মধ্যে ভৌগোলিক দূরত্ব কম। দুই দেশের সমর্থকরা জেদ্দায় উপস্থিত থাকবেন। গ্যালারির পরিবেশ ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে।

গ্রুপ পর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত কাতারের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল। বাকি দুই ম্যাচে জিতেছিল। সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে। কাতারও সাত পয়েন্ট পেয়েছিল, কিন্তু গোল পার্থক্যে পিছিয়ে পড়ে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের গোল পার্থক্য ভালো ছিল কারণ তারা আট গোল করেছিল। কাতার কত গোল করেছিল তা এসপিএ প্রতিবেদনে বলা হয়নি। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আক্রমণ যে কার্যকর ছিল তা স্পষ্ট।

ওমান গ্রুপ এ-তে চার পয়েন্ট পেয়েছে। ইরাকও চার পয়েন্ট পেয়েছিল। সব টাই-ব্রেকিং মানদণ্ডে তারা সমান ছিল। তাই লটারি ড্রয়ের মাধ্যমে ওমানকে নকআউটে পাঠানো হয়। এই ধরনের সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়দের মানসিকতায় প্রভাব ফেলে। ওমান কি সেই ধাক্কা কাটিয়ে সেমিফাইনালে নিজেদের সেরাটা দিতে পারবে?

নাসের আল-রাওয়াহি ওমানের প্রধান গোলদাতা। তিনি তিনটি গোল করেছেন। দলের বাকি একমাত্র গোলটি করেছেন মুসাব আল-শাকসি। অর্থাৎ ওমানের চারটি গোলের তিনটিই একজনের। এই নির্ভরতা কি ওমানের জন্য ঝুঁকি? সংযুক্ত আরব আমিরাত যদি আল-রাওয়াহিকে আটকে রাখে, তাহলে ওমানের আক্রমণ কি বিকল্প পথ খুঁজে পাবে?

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষে আট গোলের মধ্যে দুটি নিকোলাস গিমেনেজের, দুটি আলী সালেহর। একটি লুয়ান পেরেইরার, একটি উসমান কামারার, একটি গিলহের্মে বালার। একটি আত্মঘাতী। এই পরিসংখ্যান বলছে দলের আক্রমণভাগে একাধিক বিকল্প আছে। ওমানের রক্ষণভাগকে তাই সব খেলোয়াড়ের উপর নজর রাখতে হবে। কোন দলের রক্ষণ বেশি সংগঠিত?

টুর্নামেন্টের নাম ২৭তম আরবীয় উপসাগরীয় কাপ, যা খালিজি ২৭ নামে পরিচিত। এটি উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ফুটবল প্রতিযোগিতা। সেমিফাইনালে জয়ী দল ফাইনালে খেলবে। ফাইনালের তারিখ বা ভেন্যু এসপিএ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, এই ম্যাচের বিজয়ী দ্বিতীয় স্থানাধিকারী হিসেবে ফাইনালে যাবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান উভয়ই তৃতীয় শিরোপার লক্ষ্যে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শিরোপা জয় ২০০৭ ও ২০১৩ সালে। ওমানের ২০০৯ ও ২০১৭ সালে। দুই দলের সাম্প্রতিক সাফল্য আলাদা। সংযুক্ত আরব আমিরাত ২০১৩ সালের পর শিরোপা জেতেনি। ওমান ২০১৭ সালের পর জেতেনি। কে আগে তৃতীয় শিরোপা ছুঁয়ে ফেলবে?

ম্যাচটি শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী সময় এসপিএ প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি। শুধু তারিখ ও ভেন্যু জানানো হয়েছে। জেদ্দার স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল। দুই দলই জয়ের জন্য মরিয়া। হারের মানে বিদায়। এমন নকআউট ম্যাচে অভিজ্ঞতা কাজে লাগে। কোন দলের অভিজ্ঞতা বেশি?

সংযুক্ত আরব আমিরাতের গ্রুপ পর্বের পারফরম্যান্স ছিল ধারাবাহিক। দুটি জয়, একটি ড্র। আট গোল। ওমানের পারফরম্যান্স ছিল ওঠানামার। একটি ড্র, একটি হার, একটি জয়। চার পয়েন্ট। লটারিতে উত্তরণ। এই পার্থক্য কি সেমিফাইনালে প্রভাব ফেলবে? গ্রুপ পর্বের ফর্ম নকআউটে সবসময় কাজ করে না। তবে আত্মবিশ্বাসের পার্থক্য থাকতে পারে।

ওমানের কোচ বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের কোচের নাম এসপিএ প্রতিবেদনে নেই। দলের রচনা বা সম্ভাব্য একাদশও জানানো হয়নি। শুধু গ্রুপ পর্বের ফলাফল ও গোলদাতাদের নাম আছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা যায় যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আক্রমণ বেশি সমৃদ্ধ। ওমানের আক্রমণ একজনের উপর নির্ভরশীল। তবে ফুটবলে যে কোনো কিছু হতে পারে।

জেদ্দার প্রিন্স আবদুল্লাহ বিন ফয়সাল স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়াম সৌদি আরবের একটি আধুনিক ভেন্যু। এখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়। খালিজি ২৭-এর সেমিফাইনাল এই মাঠে হওয়া মানে সৌদি আরব টুর্নামেন্টের আয়োজক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সৌদি আরব নিজে গ্রুপ এ-তে ছিল এবং ওমানের বিরুদ্ধে জিতেছিল। কিন্তু সৌদি আরব সেমিফাইনালে আছে কি না তা এসপিএ প্রতিবেদনে বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, এই ম্যাচের বিজয়ী ফাইনালে দ্বিতীয় দল হিসেবে যাবে।

প্রশ্ন থেকে যায়, ফাইনালে প্রথম দল কে? এসপিএ প্রতিবেদনে প্রথম সেমিফাইনালের ফলাফল বা প্রথম দলের নাম নেই। শুধু বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান দ্বিতীয় বার্থের জন্য লড়ছে। অর্থাৎ প্রথম সেমিফাইনাল আগে হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু তার ফলাফল এই প্রতিবেদনে নেই। তাই ফাইনালের প্রতিপক্ষ কে হবে তা এই মুহূর্তে জানা যাচ্ছে না।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের হয়ে গোল করা খেলোয়াড়দের মধ্যে নিকোলাস গিমেনেজ, আলী সালেহ, লুয়ান পেরেইরা, উসমান কামারা ও গিলহের্মে বালা আছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ বিদেশি বংশোদ্ভূত। সংযুক্ত আরব আমিরাত দলে এমন খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তি দলের শক্তি বাড়িয়েছে। ওমানের দলে নাসের আল-রাওয়াহি ও মুসাব আল-শাকসি ছাড়া অন্য গোলদাতার নাম নেই। ওমানের অন্যান্য খেলোয়াড়রা গোল পাননি।

গ্রুপ পর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত কাতারের সঙ্গে ১-১ ড্র করেছিল। কাতার শক্তিশালী দল। সেই ম্যাচে ড্র করা মানে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। ওমান সৌদি আরবের কাছে হেরেছিল। সৌদি আরব স্বাগতিক। সেই হার ওমানের জন্য শিক্ষা। কুয়েতের বিরুদ্ধে ৩-১ জয় দেখায় ওমানও গোল করতে পারে। কিন্তু ধারাবাহিকতা নেই।

সেমিফাইনালে জয়ের জন্য দুই দলকেই সেরা ফুটবল খেলতে হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আক্রমণভাগ ওমানের রক্ষণভাগের চেয়ে শক্তিশালী মনে হলেও ম্যাচ মাঠে গড়ায়। ওমানের আক্রমণ যদি আল-রাওয়াহির মাধ্যমে কাজ করে, তাহলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রক্ষণ পরীক্ষা হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রক্ষণ কতটা মজবুত তা গ্রুপ পর্বে কাতারের কাছে একটি গোল হজম করেই বোঝা যায়।

শেষ পর্যন্ত, এই ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করবে কে ফাইনালে খেলবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত তৃতীয় শিরোপার জন্য মরিয়া। ওমানও তাই। দুই দলের জন্যই এটি বড় সুযোগ। জেদ্দার মাঠে শনিবার কে হাসবে আর কে কাঁদবে? ফুটবল ভক্তরা অপেক্ষা করছেন সেই উত্তর জানতে।

এসপিএ প্রতিবেদনে ম্যাচের সময়, রেফারির নাম, দলের সম্ভাব্য একাদশ, কোচের নাম, ফাইনালের তারিখ ও ভেন্যু কিছুই উল্লেখ করা হয়নি। শুধু গ্রুপ পর্বের ফলাফল, গোলদাতা ও সেমিফাইনালের ভেন্যু ও তারিখ জানানো হয়েছে। তাই এই ম্যাচ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে যা পাওয়া গেছে তা থেকেই বোঝা যায়, এটি হবে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সেমিফাইনাল।

খালিজি ২৭ সেমিফাইনালে কারা খেলবে? সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান শনিবার জেদ্দার প্রিন্স আবদুল্লাহ বিন ফয়সাল স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে খেলবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত গ্রুপ বি-তে সাত পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ছিল। ওমান গ্রুপ এ-তে চার পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছিল এবং লটারি ড্রয়ের মাধ্যমে নকআউটে উঠেছে। বিজয়ী দল ফাইনালে দ্বিতীয় স্থান পাবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত কীভাবে গ্রুপ পর্ব পার করেছে? সংযুক্ত আরব আমিরাত গ্রুপ বি-তে সাত পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ছিল। তারা দুটি ম্যাচ জিতেছে এবং কাতারের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে। কাতারের চেয়ে গোল পার্থক্যে এগিয়ে ছিল। দলটি আটটি গোল করেছে। নিকোলাস গিমেনেজ ও আলী সালেহ প্রত্যেকে দুটি করে গোল করেছেন। লুয়ান পেরেইরা, উসমান কামারা ও গিলহের্মে বালা একটি করে গোল করেছেন। একটি আত্মঘাতী গোল হয়েছে।

ওমান কীভাবে সেমিফাইনালে পৌঁছেছে? ওমান গ্রুপ এ-তে চার পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছে। তারা ইরাকের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে, সৌদি আরবের কাছে হেরেছে এবং কুয়েতের বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জিতেছে। ইরাকের সঙ্গে সব টাই-ব্রেকিং মানদণ্ডে সমান থাকার পর লটারি ড্রয়ের মাধ্যমে ওমান নকআউট পর্বে উঠেছে। ওমানের আক্রমণে নাসের আল-রাওয়াহি তিন গোল করেছেন এবং মুসাব আল-শাকসি একটি গোল করেছেন।

দুই দলের শিরোপা জয়ের ইতিহাস কী? সংযুক্ত আরব আমিরাত তৃতীয় শিরোপার খোঁজে আছে। তারা ২০০৭ ও ২০১৩ সালে ট্রফি জিতেছিল। ওমানও তৃতীয় শিরোপার খোঁজে আছে। তারা ২০০৯ ও ২০১৭ সালে জিতেছিল। দুই দলেরই লক্ষ্য এই ম্যাচ জিতে ফাইনালে পৌঁছে শিরোপা জেতা। এই ম্যাচের বিজয়ী ফাইনালে প্রথম স্থানাধিকারী দলের বিরুদ্ধে খেলবে।

ম্যাচটি কোথায় এবং কখন অনুষ্ঠিত হবে? ম্যাচটি শনিবার জেদ্দার প্রিন্স আবদুল্লাহ বিন ফয়সাল স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এসপিএ প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় উল্লেখ করা হয়নি। শুধু তারিখ ও ভেন্যু জানানো হয়েছে। ম্যাচটি খালিজি ২৭-এর দ্বিতীয় সেমিফাইনাল। বিজয়ী দল ফাইনালে দ্বিতীয় স্থান পাবে। ফাইনালের তারিখ বা ভেন্যু এসপিএ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।