Saturday, October 31, 2026
খেলাধুলা

মাহদ একাডেমির দুই ফুটবলার স্পেনের সাবাদেলে খেলবেন

মাহদ একাডেমির দুই ফুটবলার স্পেনের সাবাদেলে খেলবেন

সৌদি ফুটবলার নাওয়াফ আল-ঈদ ও তুরকি আল-হারথি স্পেনের ক্লাব সিই সাবাদেলের সঙ্গে ২০২৬–২০২৭ মৌসুমের জন্য এক বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। ২০০৮ সালে জন্মগ্রহণকারী এই দুই খেলোয়াড় মাহদ স্পোর্টস একাডেমিতে গড়ে উঠেছেন। ইউরোপীয় ফুটবলে তাঁদের পেশাদার বিকাশের পথে এই চুক্তিকে একটি বড় ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, রিয়াদ থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে দুই খেলোয়াড়ের স্পেনে যাওয়ার আগে ইতালিতে একটি পূর্ণ মৌসুম কেটেছে। সেটি ছিল তাঁদের প্রথম আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পর্যায়। ওই সময়ে তাঁরা নিবিড় প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলা এবং বিভিন্ন ফুটবল পদ্ধতির কৌশলগত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

ইতালিতে কাটানো মৌসুমে আল-ঈদ ও আল-হারথি ইতালির শীর্ষ ক্লাবগুলোর যুব দলের বিরুদ্ধে খেলেছেন। এসপিএ অনুযায়ী, সেই ক্লাবগুলোর মধ্যে ছিল জুভেন্টাস, ইন্টার মিলান, ফিওরেন্তিনা ও উডিনেজ। এই ম্যাচগুলো তাঁদের কারিগরি সক্ষমতা এবং প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি আরও মজবুত করেছে। স্পেনের ফুটবলে переходের আগে এই অভিজ্ঞতা তাঁদের জন্য সহায়ক হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাহদ স্পোর্টস একাডেমির মূল লক্ষ্য হলো জাতীয় ক্রীড়া প্রতিভা চিহ্নিত করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং গড়ে তোলা। একাডেমিটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও বিশ্ব লিগে পেশাদার ক্যারিয়ারের পথ তৈরি করে দেয়। এসপিএ জানিয়েছে, এই দুই খেলোয়াড়ের চুক্তি সেই লক্ষ্যেরই প্রতিফলন।

প্রশ্ন হলো, ২০০৮ সালে জন্মানো এই দুই তরুণের জন্য স্পেনের ক্লাব সাবাদেল কেন বেছে নেওয়া হলো? এসপিএ প্রতিবেদনে এই বিষয়ে বিস্তারিত কারণ উল্লেখ করেনি। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতালিতে কাটানো মৌসুম ছিল তাঁদের প্রথম আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পর্যায়, যেখানে তাঁরা নিবিড় প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন। সেই অভিজ্ঞতা স্পেনে переходের আগে তাঁদের প্রস্তুতি বাড়িয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরেকটি প্রশ্ন, ইতালির শীর্ষ ক্লাবগুলোর যুব দলের বিরুদ্ধে খেলা কীভাবে তাঁদের উন্নতিতে ভূমিকা রাখল? এসপিএ জানিয়েছে, তাঁরা জুভেন্টাস, ইন্টার মিলান, ফিওরেন্তিনা ও উডিনেজের যুব দলের বিরুদ্ধে খেলেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ম্যাচগুলো তাঁদের কারিগরি সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি শক্তিশালী করেছে। বিভিন্ন ফুটবল পদ্ধতির কৌশলগত অভিজ্ঞতাও তাঁরা অর্জন করেছেন।

মাহদ স্পোর্টস একাডেমির ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? এসপিএ বলছে, একাডেমির লক্ষ্য জাতীয় ক্রীড়া প্রতিভা চিহ্নিত করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া ও গড়ে তোলা। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা এবং বিশ্ব লিগে পেশাদার ক্যারিয়ারের পথ তৈরি করা। আল-ঈদ ও আল-হারথি মাহদ একাডেমিতেই গড়ে উঠেছেন। তাঁদের এই চুক্তিকে একাডেমির কাজের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এক বছরের চুক্তি মানে কী? এসপিএ জানিয়েছে, চুক্তিটি ২০২৬–২০২৭ মৌসুমের জন্য এক বছরের। এর বেশি মেয়াদ, আর্থিক শর্ত বা অন্য কোনো বিস্তারিত প্রতিবেদনে নেই। দুই খেলোয়াড়ের বয়স ২০০৮ সালে জন্ম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের ইতালির অভিজ্ঞতা ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পর্যায়।

স্পেনের ফুটবলে তাঁদের переход কেমন হবে? এসপিএ প্রতিবেদনে এ বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, ইতালির মৌসুম তাঁদের কারিগরি সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি বাড়িয়েছে। স্পেনে যাওয়ার আগে এই প্রস্তুতিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই চুক্তি কি সৌদি ফুটবলের জন্য বড় কিছু? এসপিএ এটিকে ইউরোপীয় ফুটবলে তাঁদের পেশাদার বিকাশের একটি বড় ধাপ বলে বর্ণনা করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি মাহদ স্পোর্টস একাডেমির লক্ষ্যের প্রতিফলন। একাডেমি জাতীয় প্রতিভা খুঁজে বের করে, প্রশিক্ষণ দেয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পেশাদার ক্যারিয়ারের পথ তৈরি করে।

এসপিএ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইতালিতে কাটানো পুরো মৌসুম ছিল তাঁদের প্রথম আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পর্যায়। সেখানে নিবিড় প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলা এবং বিভিন্ন ফুটবল পদ্ধতির কৌশলগত অভিজ্ঞতা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই অভিজ্ঞতাই তাঁদের স্পেনের ফুটবলে переходের প্রস্তুতি দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে চুক্তির আর্থিক মূল্য, বেতন বা অন্য কোনো শর্ত সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। সাবাদেল ক্লাবের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি বা বিস্তারিত তথ্যও এসপিএ প্রতিবেদনে নেই। দুই খেলোয়াড়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বা স্পেনে তাঁদের ভূমিকা কী হবে, সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি। শুধু এক বছরের চুক্তি এবং ২০২৬–২০২৭ মৌসুমের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মাহদ স্পোর্টস একাডেমি কীভাবে কাজ করে, তার বিস্তারিত প্রক্রিয়া এসপিএ প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, একাডেমির লক্ষ্য জাতীয় ক্রীড়া প্রতিভা চিহ্নিত করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া ও গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও বিশ্ব লিগে পেশাদার ক্যারিয়ারের পথ তৈরি করা। আল-ঈদ ও আল-হারথির চুক্তিকে সেই মিশনের প্রতিফলন বলা হয়েছে।

ইতালির কোন ক্লাবের সঙ্গে তাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন বা কোন ক্লাবে ছিলেন, সে বিষয়ে এসপিএ প্রতিবেদনে স্পষ্ট কিছু নেই। শুধু বলা হয়েছে, তাঁরা ইতালিতে একটি পূর্ণ মৌসুম কাটিয়েছেন এবং ইতালির শীর্ষ ক্লাবগুলোর যুব দলের বিরুদ্ধে খেলেছেন। সেই ক্লাবগুলোর মধ্যে জুভেন্টাস, ইন্টার মিলান, ফিওরেন্তিনা ও উডিনেজের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সৌদি ফুটবলারদের বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে এটি কি নতুন ধারা? এসপিএ এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেয়নি। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দুই খেলোয়াড়ের চুক্তি ইউরোপীয় ফুটবলে তাঁদের পেশাদার বিকাশের একটি বড় ধাপ। মাহদ একাডেমির মিশনের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও বিশ্ব লিগে পেশাদার ক্যারিয়ারের পথ তৈরির কথা বলা হয়েছে।

২০২৬–২০২৭ মৌসুমের জন্য এক বছরের চুক্তি হওয়ার অর্থ হলো, পরের মৌসুমে তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। এসপিএ প্রতিবেদনে এই মৌসুমের পর কী হবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য নেই। দুই খেলোয়াড়ের বয়স ২০০৮ সালে জন্ম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থাৎ তাঁরা এখন তরুণ। তাঁদের প্রথম আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ছিল ইতালিতে।

সাবাদেল ক্লাব সম্পর্কে এসপিএ প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, এটি স্পেনের একটি ক্লাব এবং দুই সৌদি খেলোয়াড় তার সঙ্গে এক বছরের চুক্তি করেছেন। ক্লাবের লিগ, অবস্থান বা অন্য কোনো তথ্য প্রতিবেদনে নেই।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ-র প্রতিবেদনে শেষে বলা হয়েছে, এই চুক্তি মাহদ স্পোর্টস একাডেমির মূল লক্ষ্যের প্রতিফলন। একাডেমি জাতীয় ক্রীড়া প্রতিভা চিহ্নিত করে, প্রশিক্ষণ দেয় এবং গড়ে তোলে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও বিশ্ব লিগে পেশাদার ক্যারিয়ারের পথ তৈরি হয়। আল-ঈদ ও আল-হারথি সেই পথেই এগোচ্ছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইতালির মৌসুম ছিল তাঁদের প্রথম আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পর্যায়। সেখানে নিবিড় প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলা এবং বিভিন্ন ফুটবল পদ্ধতির কৌশলগত অভিজ্ঞতা ছিল। এই অভিজ্ঞতা স্পেনের ফুটবলে переходের আগে তাঁদের প্রস্তুতি বাড়িয়েছে। এসপিএ এটিকে ইতিবাচক উন্নয়ন হিসেবে উল্লেখ করেছে।

সব মিলিয়ে, ২০০৮ সালে জন্মানো দুই সৌদি ফুটবলার নাওয়াফ আল-ঈদ ও তুরকি আল-হারথি মাহদ স্পোর্টস একাডেমি থেকে উঠে এসে ইতালিতে এক মৌসুম কাটিয়েছেন এবং এখন স্পেনের সিই সাবাদেলের সঙ্গে ২০২৬–২০২৭ মৌসুমের এক বছরের চুক্তি করেছেন। এসপিএ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। চুক্তির আর্থিক দিক, ক্লাবের পরিকল্পনা বা খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত কিছু প্রতিবেদনে নেই।

কে কে চুক্তি করেছেন? সৌদি ফুটবলার নাওয়াফ আল-ঈদ ও তুরকি আল-হারথি স্পেনের ক্লাব সিই সাবাদেলের সঙ্গে এক বছরের চুক্তি করেছেন। তাঁরা ২০০৮ সালে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং মাহদ স্পোর্টস একাডেমিতে গড়ে উঠেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, চুক্তিটি ২০২৬–২০২৭ মৌসুমের জন্য।

ইতালিতে তাঁদের অভিজ্ঞতা কী ছিল? এসপিএ জানিয়েছে, স্পেনে যাওয়ার আগে তাঁরা ইতালিতে একটি পূর্ণ মৌসুম কাটিয়েছেন, যা ছিল তাঁদের প্রথম আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পর্যায়। সেখানে নিবিড় প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলা এবং বিভিন্ন ফুটবল পদ্ধতির কৌশলগত অভিজ্ঞতা ছিল। তাঁরা জুভেন্টাস, ইন্টার মিলান, ফিওরেন্তিনা ও উডিনেজের যুব দলের বিরুদ্ধে খেলেছেন।

মাহদ একাডেমির লক্ষ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, মাহদ স্পোর্টস একাডেমির লক্ষ্য জাতীয় ক্রীড়া প্রতিভা চিহ্নিত করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া ও গড়ে তোলা। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা এবং বিশ্ব লিগে পেশাদার ক্যারিয়ারের পথ তৈরি করা। আল-ঈদ ও আল-হারথির চুক্তিকে একাডেমির সেই মিশনের প্রতিফলন বলা হয়েছে।

চুক্তির মেয়াদ কত? এসপিএ জানিয়েছে, চুক্তিটি ২০২৬–২০২৭ মৌসুমের জন্য এক বছরের। এর বেশি মেয়াদ, আর্থিক শর্ত বা অন্য কোনো বিস্তারিত প্রতিবেদনে নেই। দুই খেলোয়াড়ের বয়স ২০০৮ সালে জন্ম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের ইতালির অভিজ্ঞতা ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পর্যায়।

সাবাদেল সম্পর্কে কী জানা গেছে? এসপিএ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিই সাবাদেল স্পেনের একটি ক্লাব এবং দুই সৌদি খেলোয়াড় তার সঙ্গে এক বছরের চুক্তি করেছেন। ক্লাবের লিগ, অবস্থান বা অন্য কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে নেই। ক্লাবের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতিও এসপিএ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে কী অনুপস্থিত? এসপিএ প্রতিবেদনে চুক্তির আর্থিক মূল্য, বেতন বা অন্য শর্ত সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। দুই খেলোয়াড়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বা স্পেনে তাঁদের ভূমিকা কী হবে, সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি। সাবাদেলের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি বা বিস্তারিত তথ্যও প্রতিবেদনে নেই।