Sunday, November 1, 2026
সৌদি সংবাদ

সৌদি কোয়ালিটি মার্ক ভোক্তা সুরক্ষা ও পণ্যের নির্ভরযোগ্যতা বাড়াচ্ছে

সৌদি কোয়ালিটি মার্ক ভোক্তা সুরক্ষা ও পণ্যের নির্ভরযোগ্যতা বাড়াচ্ছে

সৌদি বাজারে পণ্যের বিকল্প বাড়তে থাকার মধ্যে ভোক্তারা যাতে সর্বোচ্চ সামঞ্জস্যের শর্ত পূরণ করা পণ্য চিনতে পারেন, সেই কাজে সহায়তা করছে সৌদি কোয়ালিটি মার্ক। ২০২৬ সালের জুলাই মাসের শেষ নাগাদ লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,৫৬,৪১০-এ, যা ২০২৫ সালের শেষে ছিল ৪,২২,৭১৩। ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এখানে ২০৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি কোয়ালিটি মার্কের সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া পাঁচটি ধাপে পরিচালিত হয়: মানদণ্ডের শর্ত পূরণ, মাঠপর্যায়ে মূল্যায়ন, সামঞ্জস্য যাচাই, পণ্যের লাইসেন্সিং এবং নিয়মিত ফলো-আপ। লাইসেন্স পাওয়া একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার একটি ধাপ মাত্র, আর সামঞ্জস্য বজায় রাখার দায়িত্ব স্থায়ীভাবে বহাল থাকে।

সৌদি স্ট্যান্ডার্ডস, মেট্রোলজি অ্যান্ড কোয়ালিটি অর্গানাইজেশনের মুখপাত্র প্রকৌশলী ওয়ায়েল আল-থিয়াব বলেছেন, বেশিরভাগ পণ্যের জন্য মার্কটি গ্রহণ করা ঐচ্ছিক হলেও উচ্চঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক। এসপিএ অনুযায়ী এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, রিইনফোর্সিং স্টিল বার, সিরামিক টাইলস, গ্যাস সরঞ্জাম এবং বৈদ্যুতিক এক্সটেনশন। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও গুণমানের মানদণ্ড নিশ্চিত করতেই এই বাধ্যবাধকতা।

আল-থিয়াব আরও উল্লেখ করেছেন, মার্কটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের পণ্য উন্নয়নে সহায়তা করে, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ায় এবং উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে আস্থা তৈরি করে। তাহলে ভোক্তার হাতে থাকা এই স্বীকৃতি আসলে কী বদলে দেয়? বাজারে যখন বিকল্পের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, তখন প্রতিটি কেনাকাটার সিদ্ধান্তে নির্ভরযোগ্যতার প্রশ্নটি আরও জরুরি হয়ে ওঠে।

সৌদি বাজারে পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোক্তার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় কোন পণ্যটি প্রকৃতপক্ষে নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করেছে তা বোঝা। সৌদি কোয়ালিটি মার্ক ঠিক এই জায়গাতেই একটি দৃশ্যমান সংকেত হিসেবে কাজ করে। এসপিএ জানিয়েছে, মার্কটি এমন পণ্য শনাক্ত করতে সাহায্য করে যেগুলো সর্বোচ্চ সামঞ্জস্যের শর্ত পূরণ করে। অর্থাৎ ভোক্তাকে আর অনুমানের ওপর নির্ভর করতে হয় না; একটি প্রতিষ্ঠিত স্বীকৃতির মাধ্যমে তিনি পণ্যের গুণমান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেন।

সনদ প্রদানের পাঁচ ধাপের কাঠামোটি লক্ষণীয়। প্রথমে মানদণ্ডের শর্ত পূরণ করতে হয়। এরপর আসে মাঠপর্যায়ে মূল্যায়ন, যেখানে বাস্তব অবস্থায় পণ্যের অবস্থা যাচাই করা হয়। তৃতীয় ধাপে সামঞ্জস্য যাচাই করা হয়। চতুর্থ ধাপে পণ্যের লাইসেন্স দেওয়া হয়। আর পঞ্চম ধাপে চলে নিয়মিত ফলো-আপ। এই ধারাবাহিকতা কী বোঝায়? এটি বোঝায় যে লাইসেন্স পাওয়া কোনো শেষ পরিণতি নয়, বরং একটি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ। সামঞ্জস্য বজায় রাখার দায়িত্ব স্থায়ীভাবে বহাল থাকে, ফলে একবার অনুমোদন পেলেই প্রতিষ্ঠান দায়মুক্ত হয়ে যায় না।

সংখ্যার দিক থেকে অগ্রগতিটি স্পষ্ট। ২০২৫ সালের শেষে লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের সংখ্যা ছিল ৪,২২,৭১৩। ২০২৬ সালের জুলাইয়ের শেষ নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৪,৫৬,৪১০-এ। এসপিএ জানিয়েছে, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০৬ শতাংশ। এই বৃদ্ধি কি কেবল সংখ্যার বিষয়, নাকি এর পেছনে ভোক্তা আচরণের পরিবর্তনও কাজ করছে? যখন প্রতিষ্ঠানগুলো স্বেচ্ছায় এই স্বীকৃতির দিকে এগিয়ে আসে, তখন বাজারদরে গুণমানের গুরুত্ব কতটা বাড়ে?

মুখপাত্র প্রকৌশলী ওয়ায়েল আল-থিয়াবের বক্তব্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ পণ্যের ক্ষেত্রে মার্ক নেওয়া ঐচ্ছিক। কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক। এসপিএ যে তালিকা দিয়েছে তাতে রয়েছে সিমেন্ট, রিইনফোর্সিং স্টিল বার, সিরামিক টাইলস, গ্যাস সরঞ্জাম এবং বৈদ্যুতিক এক্সটেনশন। কেন ঠিক এই পণ্যগুলো?因为这些 পণ্য প্রতিদিনের ব্যবহারে নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। নির্মাণসামগ্রী কাঠামোর স্থায়িত্বের প্রশ্ন, আর গ্যাস সরঞ্জাম ও বৈদ্যুতিক এক্সটেনশন সরাসরি ঘরোয়া নিরাপত্তার বিষয়। এসব ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক স্বীকৃতি মানে ভোক্তার ঝুঁকি কমানোর একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা।

আল-থিয়াব আরও বলেছেন, মার্কটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের পণ্য উন্নয়নে সহায়তা করে। এর ফলে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ে এবং উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে আস্থা তৈরি হয়। উৎপাদকের জন্য এটি কি শুধু একটি নিয়ন্ত্রক বাধ্যবাধকতা, নাকি বাজারে টিকে থাকার একটি হাতিয়ার? যখন একজন ক্রেতা দুইটি সমমানের পণ্যের মধ্যে একটি বেছে নেন, তখন স্বীকৃতির চিহ্নটি সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। এই আস্থাই দীর্ঘমেয়াদে ব্র্যান্ডের ভিত্তি গড়ে তোলে।

সৌদি স্ট্যান্ডার্ডস, মেট্রোলজি অ্যান্ড কোয়ালিটি অর্গানাইজেশন এই ব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, সংস্থাটিই মার্কের সনদ প্রদান ও তদারকির কাজ পরিচালনা করে। সংস্থার মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, লক্ষ্য হলো সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও গুণমানের মানদণ্ড নিশ্চিত করা। এখানে একটি প্রশ্ন জরুরি: নিয়মিত ফলো-আপের ধাপটি কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, তা ভোক্তা কীভাবে জানবেন? স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশই সেই আস্থার ভিত্তি তৈরি করে।

ভোক্তা সুরক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, মার্কটি একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। সমস্যা হওয়ার পরে অভিযোগ জানানোর বদলে, পণ্য বাজারে আসার আগেই যাচাইয়ের ধাপগুলো পার হতে হয়। মাঠপর্যায়ে মূল্যায়ন ও সামঞ্জস্য যাচাইয়ের মতো ধাপগুলো এই প্রতিরোধের অংশ। কিন্তু বাজার এত বিস্তৃত হলে সব পণ্য তদারকি করা কতটা সম্ভব? লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের সংখ্যা যখন চার লাখ ছাড়িয়ে যায়, তখন নিয়মিত ফলো-আপের কাজটি কেবল কাগজে থাকলে চলবে না।

প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য মার্ক গ্রহণের সিদ্ধান্তে বাণিজ্যিক হিসাবও জড়িত। পণ্য উন্নয়নে সহায়তা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভোক্তার আস্থা — এই তিনটি সুবিধা এসপিএ উল্লেখ করেছে। ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের জন্য এই প্রক্রিয়া কতটা সহজলভ্য? যদি প্রক্রিয়াটি ব্যয়বহুল বা জটিল হয়, তবে ঐচ্ছিক ব্যবস্থায় সবাই এগিয়ে আসবে কি? এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করে প্রক্রিয়ার বাস্তব অভিজ্ঞতার ওপর।

২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ২০৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার সংকেত। এরপর ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ে লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের সংখ্যা ৪,২২,৭১৩ থেকে বেড়ে ৪,৫৬,৪১০ হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা কি বাজারে গুণমান-সচেতনতার প্রকৃত উন্নতি দেখায়? নাকি প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রক চাপের কারণে স্বীকৃতি নিতে বাধ্য হচ্ছে? এসপিএ যে তথ্য দিয়েছে, তা সংখ্যার প্রবণতা তুলে ধরে; এর পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে না।

উচ্চঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের তালিকাটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। সিমেন্ট ও রিইনফোর্সিং স্টিল বার নির্মাণ খাতের মেরুদণ্ড। সিরামিক টাইলস ভবনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ব্যবহারে লাগে। গ্যাস সরঞ্জাম ও বৈদ্যুতিক এক্সটেনশন ঘরোয়া পরিবেশে প্রতিদিন ব্যবহৃত হয়। এসব ক্ষেত্রে একটি ত্রুটিপূর্ণ পণ্য কত বড় ক্ষতি করতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। তাই বাধ্যতামূলক স্বীকৃতির সিদ্ধান্তটি ঝুঁকিভিত্তিক অগ্রাধিকারের যুক্তিতে দাঁড়িয়ে আছে।

মুখপাত্রের বক্তব্যে আরেকটি দিক উঠে এসেছে — উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে আস্থা। বাজারে আস্থা কেবল বিজ্ঞাপনে তৈরি হয় না; তা তৈরি হয় যাচাইযোগ্য প্রমাণে। সৌদি কোয়ালিটি মার্ক সেই প্রমাণের একটি রূপ। যখন একজন ক্রেতা মার্ক দেখে পণ্য কেনেন, তখন তিনি একটি প্রাতিষ্ঠানিক যাচাইয়ের ওপর ভরসা করছেন। এই ভরসা ভেঙে গেলে ক্ষতি হয় শুধু একটি পণ্যের নয়, পুরো ব্যবস্থার। তাহলে নিয়মিত ফলো-আপের ধাপটি কতটা কঠোর হওয়া উচিত?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের সংখ্যা, প্রবৃদ্ধির হার, প্রক্রিয়ার পাঁচ ধাপ, বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকা এবং মুখপাত্রের বক্তব্য রয়েছে। তবে কোন খাত থেকে কত পণ্য লাইসেন্স পেয়েছে, কোন প্রতিষ্ঠান কতগুলো লাইসেন্স ধারণ করছে, বা ফলো-আপে কতগুলো লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত হয়েছে — এসব তথ্য প্রতিবেদনে নেই। এসপিএ এসব বিষয়ে কিছু জানায়নি।

সৌদি বাজারে ভোক্তার পছন্দের পরিসর বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে সিদ্ধান্তের জটিলতাও। সৌদি কোয়ালিটি মার্ক এই জটিলতার মধ্যে একটি সরল সংকেত দেয়। কিন্তু সংকেতটি কার্যকর থাকবে কেবল তখনই, যখন এর পেছনের যাচাই প্রক্রিয়া ধারাবাহিক ও স্বচ্ছ থাকবে। লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের সংখ্যা বাড়া ভালো লক্ষণ, তবে সংখ্যার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিটি লাইসেন্সের পেছনের মানদণ্ড কতটা দৃঢ়ভাবে রক্ষা করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানের জন্য মার্ক গ্রহণ একটি চলমান দায়। লাইসেন্স পাওয়ার পর সামঞ্জস্য বজায় রাখার দায়িত্ব স্থায়ীভাবে বহাল থাকে — এসপিএ-র বর্ণনায় এই শর্তটি স্পষ্ট। এর মানে হলো, অনুমোদন কোনো এককালীন সনদ নয়, বরং একটি চলমান প্রতিশ্রুতি। এই ধারাবাহিকতা ভোক্তার আস্থার মূল ভিত্তি। প্রশ্ন হলো, বাজারের গতি বাড়ার সঙ্গে এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করা কতটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে?

সব মিলিয়ে, সৌদি কোয়ালিটি মার্ক ভোক্তা সুরক্ষা ও পণ্যের নির্ভরযোগ্যতার মধ্যে একটি সেতু হিসেবে কাজ করে। একদিকে এটি ভোক্তাকে যাচাইযোগ্য তথ্য দেয়, অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানকে গুণমান উন্নয়নে উৎসাহ দেয়। উচ্চঝুঁকিপূর্ণ পণ্যে বাধ্যবাধকতা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ঐচ্ছিকতা — এই দুই স্তরের ব্যবস্থা ঝুঁকিভিত্তিক অগ্রাধিকারের ইঙ্গিত দেয়। তবে ব্যবস্থার প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে নিয়মিত ফলো-আপ কতটা কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয় তার ওপর।

সৌদি কোয়ালিটি মার্ক কী কাজ করে? সৌদি বাজারে পণ্যের বিকল্প বাড়তে থাকার মধ্যে ভোক্তারা যাতে সর্বোচ্চ সামঞ্জস্যের শর্ত পূরণ করা পণ্য চিনতে পারেন, সেই কাজে সহায়তা করে সৌদি কোয়ালিটি মার্ক। এসপিএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জুলাইয়ের শেষ নাগাদ লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,৫৬,৪১০-এ, যা ২০২৫ সালের শেষে ছিল ৪,২২,৭১৩। ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০৬ শতাংশ।

সনদ প্রদানের প্রক্রিয়ায় কয়টি ধাপ আছে? সৌদি কোয়ালিটি মার্কের সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া পাঁচটি ধাপে পরিচালিত হয়: মানদণ্ডের শর্ত পূরণ, মাঠপর্যায়ে মূল্যায়ন, সামঞ্জস্য যাচাই, পণ্যের লাইসেন্সিং এবং নিয়মিত ফলো-আপ। এসপিএ জানিয়েছে, লাইসেন্স পাওয়া একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার একটি ধাপ মাত্র। সামঞ্জস্য বজায় রাখার দায়িত্ব স্থায়ীভাবে বহাল থাকে, ফলে অনুমোদন কোনো এককালীন সনদ নয়।

কোন পণ্যে মার্ক নেওয়া বাধ্যতামূলক? সৌদি স্ট্যান্ডার্ডস, মেট্রোলজি অ্যান্ড কোয়ালিটি অর্গানাইজেশনের মুখপাত্র প্রকৌশলী ওয়ায়েল আল-থিয়াব বলেছেন, বেশিরভাগ পণ্যের জন্য মার্ক নেওয়া ঐচ্ছিক। তবে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক। এসপিএ অনুযায়ী এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, রিইনফোর্সিং স্টিল বার, সিরামিক টাইলস, গ্যাস সরঞ্জাম এবং বৈদ্যুতিক এক্সটেনশন।

মার্ক থেকে প্রতিষ্ঠান কী সুবিধা পায়? মুখপাত্র প্রকৌশলী ওয়ায়েল আল-থিয়াবের বক্তব্য অনুযায়ী, মার্কটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের পণ্য উন্নয়নে সহায়তা করে। এর ফলে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ে এবং উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে আস্থা তৈরি হয়। এসপিএ জানিয়েছে, লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের সংখ্যা ২০২৫ সালের শেষে ৪,২২,৭১৩ থেকে ২০২৬ সালের জুলাইয়ের শেষ নাগাদ বেড়ে প্রায় ৪,৫৬,৪১০ হয়েছে।

লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের সংখ্যা কত বেড়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জুলাই মাসের শেষ নাগাদ লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,৫৬,৪১০-এ। ২০২৫ সালের শেষে এই সংখ্যা ছিল ৪,২২,৭১৩। এছাড়া ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০৬ শতাংশ। এসপিএ কোন খাত থেকে কত পণ্য লাইসেন্স পেয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি।

এসপিএ প্রতিবেদনে কী তথ্য নেই? এসপিএ-র প্রতিবেদনে লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের সংখ্যা, প্রবৃদ্ধির হার, প্রক্রিয়ার পাঁচ ধাপ, বাধ্যতামূলক পণ্যের তালিকা এবং মুখপাত্রের বক্তব্য রয়েছে। তবে কোন খাত থেকে কত পণ্য লাইসেন্স পেয়েছে, কোন প্রতিষ্ঠান কতগুলো লাইসেন্স ধারণ করছে, বা ফলো-আপে কতগুলো লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত হয়েছে — এসব তথ্য প্রতিবেদনে নেই।