Sunday, November 1, 2026
সাধারণ

জাতীয় সবুজায়ন কর্মসূচির ২০২৬ মৌসুম শুরু ৭ অক্টোবর

জাতীয় সবুজায়ন কর্মসূচির ২০২৬ মৌসুম শুরু ৭ অক্টোবর

জাতীয় সবুজায়ন কর্মসূচি ২০২৬ সালের জাতীয় সবুজায়ন মৌসুম ৭ অক্টোবর শুরু হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই দেশব্যাপী প্রচারণা সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ ও সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

কর্মসূচির লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে উদ্ভিদ আচ্ছাদন সম্প্রসারণ, মরুকরণ মোকাবিলা, স্থানীয় জলবায়ুর উপযোগী দেশি প্রজাতির চারা রোপণ এবং সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক খাতে পরিবেশ স্বেচ্ছাসেবকতাকে উৎসাহিত করা। প্রশ্ন হলো, এই চার লক্ষ্যের মধ্যে কোনটি বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে?

এসপিএ জানিয়েছে, গত দুই বছরের অর্জনের ভিত্তিতে এবারের পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে। ওই সময়ে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও বীজ বপনের মাধ্যমে ৫১ হাজার হেক্টরের বেশি জমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এবং ৪০টি দেশি উদ্ভিদ প্রজাতির ১০৯ টন বীজ বপন করা হয়েছে।

এবারের পরিকল্পনায় অতিরিক্ত ৬০ হাজার হেক্টর জমি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ৭০টি দেশি প্রজাতির ১১০ টনের বেশি বীজ ছড়ানো হবে। এসপিএ জানিয়েছে, অঙ্কুরোদগমের হার বাড়াতে এই কার্যক্রম ক্লাউড-সিডিং মিশনের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

কর্মসূচির ক্রমবর্ধমান লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে ৩৫০ হাজার হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার করা। গত দুই বছরে ৫১ হাজার হেক্টর পুনরুদ্ধার হয়েছে, আর এবার ৬০ হাজার হেক্টর যোগ হলে সংখ্যাটি ১ লাখ ১১ হাজার হেক্টরের বেশি হবে। তাহলে ২০৩০ সালের লক্ষ্যে পৌঁছাতে বাকি সময়ে বছরে গড়ে কত হেক্টর পুনরুদ্ধার করতে হবে?

এসপিএ জানিয়েছে, মৌসুম শুরুর সঙ্গে মিলিয়ে কর্মসূচি ২০২৬ মৌসুমের জন্য সরকারি ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি উন্মোচন করেছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সব মিডিয়া ও যোগাযোগ উপকরণে এই ব্র্যান্ডিং ব্যবহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে জাতীয় প্রচারের বার্তা একীভূত হয়।

দেশি প্রজাতির ওপর জোর দেওয়ার কারণ কী? এসপিএ জানিয়েছে, স্থানীয় জলবায়ুর উপযোগী দেশি প্রজাতির চারা রোপণ কর্মসূচির একটি মূল লক্ষ্য। ৪০টি প্রজাতির ১০৯ টন বীজ থেকে এবার ৭০টি প্রজাতির ১১০ টনের বেশি বীজে যাওয়া মানে প্রজাতির সংখ্যা ৩০টি বেড়েছে।

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ গত দুই বছরের পুনরুদ্ধার কাজে ব্যবহৃত পদ্ধতি হিসেবে এসপিএ উল্লেখ করেছে। এবারও ৬০ হাজার হেক্টরের লক্ষ্যে একই ধরনের পদ্ধতি কাজে লাগবে কি না, তা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়নি।

ক্লাউড-সিডিং মিশনের সঙ্গে সমন্বয়ের কথা এসপিএ জানিয়েছে। এটি অঙ্কুরোদগমের হার বাড়ানোর জন্য করা হচ্ছে। কিন্তু কত শতাংশ হার বাড়ানোর লক্ষ্য, তা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়নি।

স্বেচ্ছাসেবকতাকে উৎসাহিত করা কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক—তিন খাতের অংশগ্রহণের কথা এসপিএ জানিয়েছে। তাহলে স্থানীয় সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ ছাড়া কি এই লক্ষ্য পূরণ সম্ভব?

২০২৬ মৌসুমের সরকারি ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি উন্মোচনের মাধ্যমে বার্তা একীভূত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সব মিডিয়া ও যোগাযোগ উপকরণে এই ব্র্যান্ডিং ব্যবহার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ ও সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এই প্রচারণা চলছে। উদ্ভিদ আচ্ছাদন সম্প্রসারণ ও মরুকরণ মোকাবিলা—দুটি লক্ষ্যই এসপিএ উল্লেখ করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৩৫০ হাজার হেক্টর পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রাও এসপিএ জানিয়েছে।

এসপিএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জাতীয় সবুজায়ন মৌসুম ৭ অক্টোবর শুরু হবে। তবে মৌসুম কত দিন চলবে, কোন অঞ্চলে কত হেক্টর পুনরুদ্ধার হবে, কত স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেবেন বা বীজ বপনের নির্দিষ্ট সময়সূচি কী—এসব বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কিছু বলা হয়নি।

২০২৬ মৌসুম কখন শুরু হবে? জাতীয় সবুজায়ন কর্মসূচি জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জাতীয় সবুজায়ন মৌসুম ৭ অক্টোবর শুরু হবে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই দেশব্যাপী প্রচারণা সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ ও সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। মৌসুম কত দিন চলবে, তা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়নি।

এবার কত জমি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য? এসপিএ জানিয়েছে, এবারের পরিকল্পনায় অতিরিক্ত ৬০ হাজার হেক্টর জমি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত দুই বছরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও বীজ বপনের মাধ্যমে ৫১ হাজার হেক্টরের বেশি জমি পুনরুদ্ধার হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ক্রমবর্ধমান লক্ষ্য ৩৫০ হাজার হেক্টর।

কত বীজ ও কত প্রজাতি ব্যবহার হবে? এসপিএ জানিয়েছে, এবার ৭০টি দেশি প্রজাতির ১১০ টনের বেশি বীজ ছড়ানো হবে। গত দুই বছরে ৪০টি দেশি উদ্ভিদ প্রজাতির ১০৯ টন বীজ বপন করা হয়েছিল। অঙ্কুরোদগমের হার বাড়াতে ক্লাউড-সিডিং মিশনের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে বলেও এসপিএ জানিয়েছে।

ক্লাউড-সিডিং কেন যুক্ত করা হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, অঙ্কুরোদগমের হার বাড়ানোর জন্য ক্লাউড-সিডিং মিশনের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। গত দুই বছরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ পদ্ধতিতে ৫১ হাজার হেক্টরের বেশি জমি পুনরুদ্ধার হয়েছে। তবে কত শতাংশ অঙ্কুরোদগম হার বাড়ানোর লক্ষ্য, তা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়নি।

কে এই কর্মসূচিতে অংশ নেবে? এসপিএ জানিয়েছে, প্রচারণার লক্ষ্যগুলোর মধ্যে সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক খাতে পরিবেশ স্বেচ্ছাসেবকতাকে উৎসাহিত করা রয়েছে। উদ্ভিদ আচ্ছাদন সম্প্রসারণ, মরুকরণ মোকাবিলা ও দেশি প্রজাতির চারা রোপণও লক্ষ্যের মধ্যে আছে। কত স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেবেন, তা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়নি।

নতুন ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটির উদ্দেশ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, মৌসুম শুরুর সঙ্গে মিলিয়ে কর্মসূচি ২০২৬ মৌসুমের সরকারি ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি উন্মোচন করেছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সব মিডিয়া ও যোগাযোগ উপকরণে এই ব্র্যান্ডিং ব্যবহার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। উদ্দেশ্য জাতীয় প্রচারের বার্তা একীভূত করা।