জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। এসব বজ্রঝড়ের সঙ্গে থাকতে পারে শিলাবৃষ্টি এবং ধুলো উড়ানো দমকা হাওয়া, আর তা আকস্মিক বন্যার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এসব অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশাও তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় অংশেও কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।
আল-জউফ, হাইল ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে, যার সঙ্গে থাকবে দমকা হাওয়া। কাসিম ও পূর্বাঞ্চলের উত্তর অংশেও একই ধরনের আবহাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ২০ থেকে ৪৫ কিলোমিটার গতিতে বইবে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিতে বাতাস বইতে পারে। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি পর্যন্ত হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে অস্থির থাকবে।
আরব উপসাগরে বাতাস উত্তর থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে বইবে, যা সন্ধ্যায় দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে ঘুরে যাবে এবং গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩৬ কিলোমিটার। এছাড়া উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকের বাতাস দুপুরের পর পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে ঘুরে যাবে, যার গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার। সেখানে ঢেউ আধা মিটার থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত হতে পারে এবং সমুদ্র তুলনামূলক শান্ত থাকবে।
এসপিএ জানিয়েছে, পূর্বাভাসটি ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে এবং স্থানীয় সময় অনুযায়ী সকাল ৯টা ৩ মিনিটে তা হালনাগাদ করা হয়। গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী তা ছিল সকাল ৬টা ৩ মিনিট।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের এই পূর্বাভাসে বৃষ্টির পরিমাণ, ক্ষতির সম্ভাবনা বা সতর্কতার মাত্রা নিয়ে কোনো সংখ্যা দেওয়া হয়নি। কোন অঞ্চলে কতটুকু বৃষ্টি হতে পারে বা কত সময় ধরে বজ্রঝড় চলবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড়ের কথা বলা হয়েছে, যার সঙ্গে শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কার কথাও এসেছে। একই সঙ্গে এসব অঞ্চলের কিছু অংশে এবং পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা তৈরি হতে পারে।
আল-জউফ, হাইল ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। কাসিম ও পূর্বাঞ্চলের উত্তর অংশেও দমকা হাওয়াসহ বজ্রঝড়ের কথা বলা হয়েছে।
লোহিত সাগরে বাতাসের গতি ও দিক এবং ঢেউয়ের উচ্চতা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে এসপিএ। আরব উপসাগরেও বাতাসের দিক পরিবর্তন ও গতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
পূর্বাভাসে সমুদ্রের অবস্থা শান্ত থেকে অস্থির এবং তুলনামূলক শান্ত থাকার কথা বলা হয়েছে। তবে কোন সময়ে কোন এলাকায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময়সূচি দেওয়া হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে শুধু আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে। এতে কোনো সতর্কতা জারি করা হয়েছে কি না, বা কর্তৃপক্ষ কোনো নির্দেশনা দিয়েছে কি না, তা বলা হয়নি।
এছাড়া বৃষ্টির পরিমাণ, বাতাসের সর্বোচ্চ গতি বা ঢেউয়ের সর্বোচ্চ উচ্চতা ছাড়া অন্য কোনো পরিমাপ উল্লেখ করা হয়নি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কীভাবে বদলাতে পারে, সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড় হতে পারে। এর ফলে আকস্মিক বন্যা, শিলাবৃষ্টি এবং ধুলো উড়ানো দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশাও তৈরি হতে পারে।
পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় অংশেও কুয়াশার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। আল-জউফ, হাইল ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। কাসিম ও পূর্বাঞ্চলের উত্তর অংশেও দমকা হাওয়াসহ বজ্রঝড়ের কথা বলা হয়েছে।
লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ২০ থেকে ৪৫ কিলোমিটার গতিতে বইবে। দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে বাতাসের গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে অস্থির থাকবে।
আরব উপসাগরে বাতাস উত্তর থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে বইবে, যা সন্ধ্যায় দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে ঘুরে যাবে। এর গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩৬ কিলোমিটার। উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকের বাতাস দুপুরের পর পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে ঘুরে যাবে, যার গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে দেড় মিটার এবং সমুদ্র তুলনামূলক শান্ত থাকবে।
এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, পূর্বাভাসটি ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩ মিনিটে এবং গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৬টা ৩ মিনিটে এটি হালনাগাদ করা হয়।
পূর্বাভাসে বৃষ্টির পরিমাণ, ক্ষতির সম্ভাবনা বা সতর্কতার মাত্রা নিয়ে কোনো সংখ্যা দেওয়া হয়নি। কোন অঞ্চলে কতটুকু বৃষ্টি হবে বা কত সময় ধরে বজ্রঝড় চলবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড়ের পূর্বাভাসের কথা এসপিএ জানিয়েছে। এর সঙ্গে শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং আকস্মিক বন্যা হতে পারে। এসব অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশা তৈরি হতে পারে।
পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় অংশেও কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। আল-জউফ, হাইল ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। কাসিম ও পূর্বাঞ্চলের উত্তর অংশেও দমকা হাওয়াসহ বজ্রঝড়ের কথা বলা হয়েছে।
লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ২০ থেকে ৪৫ কিলোমিটার গতিতে বইবে। দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে বাতাসের গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে অস্থির থাকবে।
আরব উপসাগরে বাতাস উত্তর থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে বইবে, যা সন্ধ্যায় দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে ঘুরে যাবে। এর গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩৬ কিলোমিটার। উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকের বাতাস দুপুরের পর পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে ঘুরে যাবে, যার গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে দেড় মিটার এবং সমুদ্র তুলনামূলক শান্ত থাকবে।
এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী, পূর্বাভাসটি ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩ মিনিটে এবং গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৬টা ৩ মিনিটে এটি হালনাগাদ করা হয়।
পূর্বাভাসে বৃষ্টির পরিমাণ, ক্ষতির সম্ভাবনা বা সতর্কতার মাত্রা নিয়ে কোনো সংখ্যা দেওয়া হয়নি। কোন অঞ্চলে কতটুকু বৃষ্টি হবে বা কত সময় ধরে বজ্রঝড় চলবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
কোন কোন অঞ্চলে ভারী বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস? জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র অনুযায়ী জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড় হতে পারে। এর সঙ্গে শিলাবৃষ্টি ও ধুলো উড়ানো দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং আকস্মিক বন্যা হতে পারে। এসব অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশাও তৈরি হতে পারে।
লোহিত সাগরে বাতাস ও ঢেউ কেমন থাকবে? এসপিএ জানিয়েছে, লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ২০ থেকে ৪৫ কিলোমিটার গতিতে বইবে। দক্ষিণ-পূর্ব থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে বাতাসের গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে অস্থির থাকবে।
আরব উপসাগরে আবহাওয়া কেমন থাকবে? আরব উপসাগরে বাতাস উত্তর থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে বইবে, যা সন্ধ্যায় দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে ঘুরে যাবে। এর গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩৬ কিলোমিটার। উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকের বাতাস দুপুরের পর পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে ঘুরে যাবে, যার গতি থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে দেড় মিটার এবং সমুদ্র তুলনামূলক শান্ত থাকবে।
কুয়াশা কোথায় হতে পারে? এসপিএ জানিয়েছে, জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় অংশেও কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড়ের পূর্বাভাসের সঙ্গে কুয়াশার কথা বলা হয়েছে।
হালকা বজ্রঝড় কোথায় হতে পারে? আল-জউফ, হাইল ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়া থাকতে পারে। কাসিম ও পূর্বাঞ্চলের উত্তর অংশেও একই ধরনের আবহাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এসপিএ এই তথ্য দিয়েছে।
পূর্বাভাস কখন প্রকাশিত হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, পূর্বাভাসটি ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩ মিনিটে এবং গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৬টা ৩ মিনিটে এটি হালনাগাদ করা হয়। প্রতিবেদনে বৃষ্টির পরিমাণ বা সতর্কতার মাত্রা নিয়ে কোনো সংখ্যা দেওয়া হয়নি।





