রিয়াদ থেকে প্রকাশিত সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সাপ্তাহিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১০ থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্যজুড়ে পরিচালিত পরিদর্শন অভিযানে মোট ২০,৬৮৮টি লঙ্ঘন নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে আবাসন আইন লঙ্ঘনের সংখ্যা ১২,৩৭২, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের সংখ্যা ৪,৭৫০ এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের সংখ্যা ৩,৫৬৬।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজ্যের অভ্যন্তরে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে এই পরিদর্শন অভিযান চালায়। এক সপ্তাহের এই অভিযানে ধরা পড়া সংখ্যাগুলোই দেখাচ্ছে, তিন ধরনের আইনের মধ্যে আবাসন আইন লঙ্ঘনই সবচেয়ে বেশি।
অভিযানের সময় অবৈধভাবে রাজ্যে প্রবেশের চেষ্টা করা ব্যক্তির সংখ্যা ১,২৬৪। এদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ ইয়েমেনি, ৬১ শতাংশ ইথিওপীয় এবং ০৩ শতাংশ অন্যান্য জাতীয়তার। একই সময়ে অবৈধভাবে রাজ্য ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টার দায়ে ৯৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয়, সীমান্তে দুই দিক থেকেই অবৈধ চলাচলের চাপ রয়েছে।
লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় দেওয়া এবং নিয়োগের সঙ্গে জড়িত ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, এই ধরনের কাজ বড় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত এবং তা গ্রেপ্তারযোগ্য। তাহলে যে ব্যক্তিরা এই ধরনের সহায়তা দেন, তাঁরা কতটা ঝুঁকি নিচ্ছেন, তা কি স্পষ্ট নয়?
বর্তমানে ৩২,৪১৭ জন প্রবাসী (৩০,০৩৮ জন পুরুষ ও ২,৩৭৯ জন নারী) নিয়ম-কানুন প্রয়োগের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। এদের মধ্যে ২৪,৮১১ জনকে আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক রাখা হয়েছে এবং তাঁদের নিজ দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করে যথাযথ ভ্রমণ নথি সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও ২,৯৩৬ জনকে দেশত্যাগের জন্য বুকিংয়ের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে এবং ১২,২৩৫ জনকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে, যে কেউ রাজ্যে ব্যক্তিদের অবৈধভাবে প্রবেশে সহায়তা করলে, রাজ্যের ভূখণ্ডে তাদের পরিবহন করলে, আশ্রয় দিলে বা অন্য কোনো সহায়তা বা সেবা প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা আরোপ করা হতে পারে। এছাড়া পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন বা আশ্রয়ের জন্য ব্যবহৃত বাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে। এত বড় শাস্তির বিধান থাকার পরও কেন অনেকে এই ঝুঁকি নেন?
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এই ধরনের কাজ বড় অপরাধ, যার জন্য গ্রেপ্তার ন্যায্য। মন্ত্রণালয় জনগণকে লঙ্ঘনের বিষয়ে রিপোর্ট করার আহ্বান জানিয়েছে। মক্কা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলে ৯১১ নম্বরে এবং রাজ্যের বাকি অংশে ৯৯৯ ও ৯৯৬ নম্বরে কল করে লঙ্ঘনের তথ্য জানানো যাবে।
সাপ্তাহিক এই পরিসংখ্যানের পেছনে যে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া কাজ করছে, তা কয়েকটি ধাপে বিভক্ত। প্রথমে আটক, তারপর নথিপত্র যাচাই, এরপর দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ, তারপর দেশত্যাগের বুকিং এবং সর্বশেষে প্রত্যাবাসন। ৩২,৪১৭ জনের মধ্যে ২৪,৮১১ জন এখনও নথিপত্র সংগ্রহের ধাপে আছেন, ২,৯৩৬ জন বুকিংয়ের ধাপে এবং ১২,২৩৫ জন ইতিমধ্যে প্রত্যাবাসিত হয়েছেন। এই ধাপগুলো কি দেখায় না যে প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ?
লঙ্ঘনের ধরনভেদে সংখ্যার তারতম্যও লক্ষণীয়। আবাসন আইনের লঙ্ঘন ১২,৩৭২, যা মোট লঙ্ঘনের অর্ধেকেরও বেশি। সীমান্ত নিরাপত্তা আইনের লঙ্ঘন ৪,৭৫০ এবং শ্রম আইনের লঙ্ঘন ৩,৫৬৬। এই তিন ধরনের আইনের মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি করছে, তা কি সংখ্যাই বলে দিচ্ছে না?
অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করা ১,২৬৪ জনের জাতীয়তার ভাগে ইথিওপীয়রা সংখ্যাগরিষ্ঠ, ৬১ শতাংশ। ইয়েমেনিরা ৩৬ শতাংশ এবং অন্যান্য জাতীয়তা ০৩ শতাংশ। অন্যদিকে অবৈধভাবে রাজ্য ছাড়ার চেষ্টার দায়ে গ্রেপ্তার ৯৩ জন। প্রবেশ ও প্রস্থান—দুই দিকেই চেষ্টা থাকলেও সংখ্যায় বড় পার্থক্য কেন?
যাঁরা লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় ও নিয়োগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাঁদের সংখ্যা ২৭। এই সংখ্যা তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও মন্ত্রণালয় এদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১০ লাখ রিয়াল জরিমানার পাশাপাশি যানবাহন ও বাড়ি বাজেয়াপ্তির বিধান রয়েছে। এই শাস্তি কি যথেষ্ট প্রতিরোধক?
প্রত্যাবাসনের সংখ্যা ১২,২৩৫, যা মোট প্রক্রিয়াধীন ৩২,৪১৭ জনের একটি বড় অংশ নয়। বাকিদের মধ্যে ২৪,৮১১ জন এখনও নথিপত্রের অপেক্ষায় এবং ২,৯৩৬ জন বুকিংয়ের অপেক্ষায়। এই অপেক্ষার সময়কাল কত দিন হতে পারে, তা স্পষ্ট নয়।
মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট করার আহ্বলে মক্কা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলের জন্য ৯১১ এবং বাকি রাজ্যের জন্য ৯৯৯ ও ৯৯৬ নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। এই নম্বরগুলোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ কীভাবে লঙ্ঘনের তথ্য দেবেন, তা নিয়ে সচেতনতা কতটা, সেটিও একটি প্রশ্ন।
সাপ্তাহিক পরিদর্শন অভিযানের এই ফলাফল শুধু একটি সপ্তাহের চিত্র। ১০ থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে পরিচালিত অভিযানে ২০,৬৮৮টি লঙ্ঘন ধরা পড়েছে। এই হার যদি সারা বছর ধরে থাকে, তাহলে বার্ষিক সংখ্যা কত দাঁড়াবে, তা অনুমান করা কঠিন নয়। তবে মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতের কোনো লক্ষ্যমাত্রা বা পূর্ববর্তী সপ্তাহের তুলনামূলক তথ্য প্রকাশ করেনি।
আটক প্রবাসীদের মধ্যে নারীদের সংখ্যা ২,৩৭৯ এবং পুরুষদের ৩০,০৩৮। এই বিশাল ব্যবধান কি শুধু শ্রমবাজারের গঠনকেই প্রতিফলিত করে, নাকি অন্য কোনো কারণও রয়েছে?
মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, অবৈধ প্রবেশে সহায়তা, পরিবহন, আশ্রয় বা অন্য কোনো সেবা প্রদান বড় অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তি ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা। পাশাপাশি যানবাহন ও বাড়ি বাজেয়াপ্তির বিধানও রয়েছে। এত কঠোর বিধান থাকার পরও কেন লঙ্ঘনের সংখ্যা এত বেশি?
পরিদর্শন অভিযান চালানো হয় আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে। এই তিনটি আইনের মধ্যে সমন্বয় কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। কারণ, একই সপ্তাহে তিন ধরনের লঙ্ঘনের সংখ্যাই হাজার ছাড়িয়েছে।
প্রত্যাবাসিত ১২,২৩৫ জনের মধ্যে কতজন স্বেচ্ছায় ফিরেছেন এবং কতজনকে বাধ্যতামূলকভাবে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তা প্রতিবেদনে আলাদা করা হয়নি। একইভাবে ২৪,৮১১ জনের নথিপত্র সংগ্রহের অগ্রগতির কোনো বিবরণ দেওয়া হয়নি। এই তথ্যের ঘাটতি কি পরিস্থিতির সম্পূর্ণ চিত্র পাওয়া কঠিন করে তোলে না?
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশিত হয় এবং প্রতিবারই লঙ্ঘনের সংখ্যা, আটকের ধরন ও প্রত্যাবাসনের পরিসংখ্যান দেওয়া হয়। তবে তুলনামূলক বিশ্লেষণের জন্য পূর্ববর্তী সপ্তাহের তথ্য এই প্রতিবেদনে নেই। ফলে প্রবণতা বোঝার জন্য ধারাবাহিক প্রতিবেদন মিলিয়ে দেখতে হয়।
সীমান্ত নিরাপত্তা আইনের লঙ্ঘন ৪,৭৫০, যার মধ্যে অবৈধ প্রবেশের চেষ্টা ১,২৬৪ এবং অবৈধ প্রস্থানের চেষ্টার দায়ে গ্রেপ্তার ৯৩। বাকি লঙ্ঘনগুলোর বিস্তারিত ধরন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। এই ঘাটতি কি সীমান্ত ব্যবস্থাপনার চিত্র পুরোপুরি বুঝতে বাধা দেয়?
শ্রম আইনের লঙ্ঘন ৩,৫৬৬। এই সংখ্যার মধ্যে কতটি নিয়োগকর্তার লঙ্ঘন এবং কতটি শ্রমিকের নিজের লঙ্ঘন, তা আলাদা করা হয়নি। তবে লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় ও নিয়োগের সঙ্গে জড়িত ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা নিয়োগকর্তা বা মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকার দিকেই ইঙ্গিত করে।
মন্ত্রণালয়ের আহ্বানে বলা হয়েছে, লঙ্ঘন দেখলে ৯১১, ৯৯৯ ও ৯৯৬ নম্বরে কল করে জানাতে হবে। এই নম্বরগুলোর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য কতটা কার্যকরভাবে অভিযানে রূপান্তরিত হয়, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে।
সব মিলিয়ে, ১০ থেকে ১৬ এপ্রিলের এক সপ্তাহে ২০,৬৮৮টি লঙ্ঘন, ১,২৬৪ জনের অবৈধ প্রবেশের চেষ্টা, ৯৩ জনের অবৈধ প্রস্থানের চেষ্টা, ২৭ জন সহায়তাকারীর গ্রেপ্তার এবং ৩২,৪১৭ জন প্রবাসীর প্রক্রিয়াধীন থাকার তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে ১২,২৩৫ জনকে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা ও শাস্তির বিধানও স্পষ্ট। তবে প্রতিবেদনে মূল্য, নির্দিষ্ট সময়সীমা বা পূর্ববর্তী সপ্তাহের তুলনামূলক তথ্য নেই।
এক সপ্তাহে কতটি লঙ্ঘন নথিভুক্ত হয়েছে এবং কোন ধরনের? সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১০ থেকে ১৬ এপ্রিলের পরিদর্শন অভিযানে রাজ্যজুড়ে মোট ২০,৬৮৮টি লঙ্ঘন নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে আবাসন আইনের লঙ্ঘন ১২,৩৭২, সীমান্ত নিরাপত্তা আইনের লঙ্ঘন ৪,৭৫০ এবং শ্রম আইনের লঙ্ঘন ৩,৫৬৬। এসপিএ জানিয়েছে, এই অভিযান আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে পরিচালিত হয়।
অবৈধভাবে প্রবেশ ও প্রস্থানের চেষ্টায় কতজন ধরা পড়েছে? অবৈধভাবে রাজ্যে প্রবেশের চেষ্টা করা ব্যক্তির সংখ্যা ১,২৬৪। এদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ ইয়েমেনি, ৬১ শতাংশ ইথিওপীয় এবং ০৩ শতাংশ অন্যান্য জাতীয়তার। এছাড়া অবৈধভাবে রাজ্য ছাড়ার চেষ্টার দায়ে ৯৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসপিএ এই তথ্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকাশ করেছে।
লঙ্ঘনকারীদের সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে কী শাস্তির বিধান রয়েছে? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে, অবৈধ প্রবেশে সহায়তা, পরিবহন, আশ্রয় বা অন্য কোনো সেবা প্রদানকারীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৫ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা আরোপ হতে পারে। পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন বা আশ্রয়ের বাড়ি বাজেয়াপ্তও করা হতে পারে। এক সপ্তাহে এই ধরনের কাজে জড়িত ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রক্রিয়াধীন প্রবাসীদের সংখ্যা কত এবং তাঁদের কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? বর্তমানে ৩২,৪১৭ জন প্রবাসী (৩০,০৩৮ পুরুষ ও ২,৩৭৯ নারী) নিয়ম-কানুন প্রয়োগের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। এদের মধ্যে ২৪,৮১১ জনকে আটক রেখে নিজ দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২,৯৩৬ জনকে দেশত্যাগের বুকিংয়ের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে এবং ১২,২৩৫ জনকে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।
লঙ্ঘনের তথ্য কোথায় রিপোর্ট করা যাবে? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জনগণকে লঙ্ঘনের তথ্য রিপোর্ট করার আহ্বান জানিয়েছে। মক্কা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলে ৯১১ নম্বরে কল করা যাবে। রাজ্যের বাকি অংশে ৯৯৯ এবং ৯৯৬ নম্বরে কল করে লঙ্ঘনের তথ্য জানানো যাবে। এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রণালয় এই ধরনের কাজকে বড় অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে এবং তা গ্রেপ্তারযোগ্য।





