জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয় ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় সৌদি আরবের স্থায়ী মিশন ৬৩তম মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে এজেন্ডা আইটেম ৭-এর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়েছে। আলোচনার বিষয় ছিল ফিলিস্তিন ও অন্যান্য অধিকৃত আরব ভূখণ্ডে মানবাধিকার পরিস্থিতি।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মানবিক বিষয়ক সাধারণ প্রশাসনের মহাপরিচালক ড. সালেম আল-কাহতানি বিবৃতি দেন। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জেনেভা থেকে এসপিএ এই বিবৃতির খবর প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। যুদ্ধবিরতি রক্ষা এবং বেসামরিক নাগরিকদের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। ফিলিস্তিনি জনগণের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে—যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ হলে বেসামরিক প্রাণহানি বাড়বে না কি?
আল-কাহতানি বসতি সম্প্রসারণ ও বসতি স্থাপনকারীদের সন্ত্রাসেরও তীব্র নিন্দা জানান। অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ভৌগোলিক বা জনসংখ্যাগত চরিত্র পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টা এবং ফিলিস্তিনি জনগণকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার লক্ষ্যে নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপ সৌদি আরব সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে। এই প্রত্যাখ্যান কতটা দৃঢ়, তা কি আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোতেই স্পষ্ট নয়?
সৌদি আরব কয়েকটি দেশের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপকে স্বাগত জানায়। এর পরবর্তী সময়ে জবাবদিহিতা জোরদার করার পদক্ষেপও সৌদি আরব স্বাগত জানায়, যার মধ্যে ইসরায়েলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। স্বীকৃতির এই ধারা কি বাস্তব পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে?
নিউইয়র্ক ঘোষণা গৃহীত হওয়ার এক বছর পর, দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়নের জন্য গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের সহ-চেয়ারদের বিবৃতিতে বর্ণিত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়। সেই অবস্থানে বলা হয়েছে, গাজা ও পশ্চিম তীর—পূর্ব জেরুজালেমসহ—একটি একক ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ইউনিট গঠন করে এবং দখল অবসান হতে হবে। এই ঐক্যের স্বীকৃতি ছাড়া কোনো সমাধান টিকবে কি?
সৌদি আরব পুনর্ব্যক্ত করেছে, ন্যায়সঙ্গত, স্থায়ী ও ব্যাপক শান্তি অর্জনের একমাত্র পথ হলো দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়ন। এর সঙ্গে রয়েছে ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের সীমান্তে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারের প্রতি সমর্থন। ১৯৬৭ সালের সীমান্ত ও পূর্ব জেরুজালেমের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক ঐকমত্য কতটা কার্যকর, তা সময়ই বলে দেবে।
বিবৃতিতে গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন বন্ধের আহ্বান এবং বেসামরিক সুরক্ষার বিষয়টি সরাসরি যুক্ত হয়েছে। যুদ্ধবিরতি রক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে বেসামরিক জনগণ নিরাপদে থাকতে পারে। বাস্তুচ্যুতির যেকোনো পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যানও স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে। এই অবস্থানগুলো একসঙ্গে কী বার্তা দেয়?
বসতি সম্প্রসারণ ও বসতি স্থাপনকারীদের সন্ত্রাসের নিন্দা বিবৃতিতে আলাদাভাবে উচ্চারিত হয়েছে। অধিকৃত ভূখণ্ডের ভৌগোলিক ও জনসংখ্যাগত চরিত্র বদলের যেকোনো প্রচেষ্টাও প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কি এই নিন্দাকে কার্যকর পদক্ষেপে রূপ দিতে পারবে?
ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি দেশের পদক্ষেপকে সৌদি আরব স্বাগত জানিয়েছে। এর পরবর্তী সময়ে জবাবদিহিতার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, যার মধ্যে ইসরায়েলি বসতির সঙ্গে বাণিজ্য সীমিত করার বিষয় রয়েছে। এই ধরনের পদক্ষেপ কি চাপ তৈরি করতে যথেষ্ট?
নিউইয়র্ক ঘোষণার এক বছর পূর্তিতে দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়নের গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের সহ-চেয়ারদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। গাজা ও পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেমসহ, একটি একক ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ইউনিট—এই স্বীকৃতি ভৌগোলিক বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। দখল অবসানের দাবিও সেই সঙ্গে উচ্চারিত। এই কাঠামো ছাড়া শান্তি সম্ভব কি?
সৌদি আরবের অবস্থান হলো, দুই-রাষ্ট্র সমাধানই ন্যায়সঙ্গত, স্থায়ী ও ব্যাপক শান্তির একমাত্র পথ। ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের সীমান্তে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারকে সমর্থন করা হয়েছে। এই অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা কতটা decisive হবে?
জেনেভায় ৬৩তম মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে এজেন্ডা আইটেম ৭-এর সাধারণ আলোচনায় সৌদি আরবের স্থায়ী মিশন অংশ নেয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মানবিক বিষয়ক সাধারণ প্রশাসনের মহাপরিচালক ড. সালেম আল-কাহতানি বিবৃতি দেন। এই আলোচনায় ফিলিস্তিন ও অন্যান্য অধিকৃত আরব ভূখণ্ডে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।
বিবৃতিতে গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। যুদ্ধবিরতি রক্ষা এবং বেসামরিক নাগরিকদের পূর্ণ সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। বেসামরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ কতটা জরুরি?
বসতি সম্প্রসারণ ও বসতি স্থাপনকারীদের সন্ত্রাসের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। ফিলিস্তিনি জনগণকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার লক্ষ্যে যেকোনো পদক্ষেপ এবং অধিকৃত ভূখণ্ডের ভৌগোলিক বা জনসংখ্যাগত চরিত্র পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টা সৌদি আরব সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে। এই প্রত্যাখ্যান কি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দেবে?
সৌদি আরব কয়েকটি দেশের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপকে স্বাগত জানায়। এর পরবর্তী সময়ে জবাবদিহিতা জোরদার করার পদক্ষেপও স্বাগত জানানো হয়, যার মধ্যে ইসরায়েলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই স্বীকৃতি ও নিষেধাজ্ঞার সমন্বয় কি বাস্তব চাপ তৈরি করবে?
নিউইয়র্ক ঘোষণা গৃহীত হওয়ার এক বছর পর, দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়নের জন্য গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের সহ-চেয়ারদের বিবৃতিতে বর্ণিত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়। সেই অবস্থানে বলা হয়েছে, গাজা ও পশ্চিম তীর—পূর্ব জেরুজালেমসহ—একটি একক ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ইউনিট গঠন করে এবং দখল অবসান হতে হবে। এই ঐক্যের স্বীকৃতি ছাড়া কোনো সমাধান টিকবে কি?
সৌদি আরব পুনর্ব্যক্ত করেছে, ন্যায়সঙ্গত, স্থায়ী ও ব্যাপক শান্তি অর্জনের একমাত্র পথ হলো দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়ন। এর সঙ্গে রয়েছে ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের সীমান্তে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারের প্রতি সমর্থন। ১৯৬৭ সালের সীমান্ত ও পূর্ব জেরুজালেমের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক ঐকমত্য কতটা কার্যকর, তা সময়ই বলে দেবে।
এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিতে গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন বন্ধের আহ্বান এবং বেসামরিক সুরক্ষার বিষয়টি সরাসরি যুক্ত হয়েছে। যুদ্ধবিরতি রক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে বেসামরিক জনগণ নিরাপদে থাকতে পারে। বাস্তুচ্যুতির যেকোনো পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যানও স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে। এই অবস্থানগুলো একসঙ্গে কী বার্তা দেয়?
বসতি সম্প্রসারণ ও বসতি স্থাপনকারীদের সন্ত্রাসের নিন্দা বিবৃতিতে আলাদাভাবে উচ্চারিত হয়েছে। অধিকৃত ভূখণ্ডের ভৌগোলিক ও জনসংখ্যাগত চরিত্র বদলের যেকোনো প্রচেষ্টাও প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কি এই নিন্দাকে কার্যকর পদক্ষেপে রূপ দিতে পারবে?
ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি দেশের পদক্ষেপকে সৌদি আরব স্বাগত জানিয়েছে। এর পরবর্তী সময়ে জবাবদিহিতার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, যার মধ্যে ইসরায়েলি বসতির সঙ্গে বাণিজ্য সীমিত করার বিষয় রয়েছে। এই ধরনের পদক্ষেপ কি চাপ তৈরি করতে যথেষ্ট?
নিউইয়র্ক ঘোষণার এক বছর পূর্তিতে দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়নের গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের সহ-চেয়ারদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। গাজা ও পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেমসহ, একটি একক ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ইউনিট—এই স্বীকৃতি ভৌগোলিক বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। দখল অবসানের দাবিও সেই সঙ্গে উচ্চারিত। এই কাঠামো ছাড়া শান্তি সম্ভব কি?
সৌদি আরবের অবস্থান হলো, দুই-রাষ্ট্র সমাধানই ন্যায়সঙ্গত, স্থায়ী ও ব্যাপক শান্তির একমাত্র পথ। ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের সীমান্তে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারকে সমর্থন করা হয়েছে। এই অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা কতটা decisive হবে?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিবৃতির সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ২০:৫৯ এবং জিএমটি ১৭:৫৯। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ রয়েছে, বিবৃতিতে গাজা, পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম, বসতি সম্প্রসারণ, বাস্তুচ্যুতি প্রত্যাখ্যান, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি এবং জবাবদিহিতা জোরদারের বিষয়গুলো এসেছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিবৃতির বাইরে অতিরিক্ত কোনো মন্তব্য বা বিশ্লেষণ নেই।
সৌদি আরব কোন বিষয়ে নিন্দা জানিয়েছে? বিবৃতিতে গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে বসতি সম্প্রসারণ ও বসতি স্থাপনকারীদের সন্ত্রাসেরও তীব্র নিন্দা জানানো হয়। ফিলিস্তিনি জনগণকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার লক্ষ্যে যেকোনো পদক্ষেপ এবং অধিকৃত ভূখণ্ডের ভৌগোলিক বা জনসংখ্যাগত চরিত্র পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টাও সৌদি আরব প্রত্যাখ্যান করে। এসপিএ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি রক্ষা ও বেসামরিক সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।
দুই-রাষ্ট্র সমাধান নিয়ে সৌদি আরবের অবস্থান কী? সৌদি আরব পুনর্ব্যক্ত করেছে, ন্যায়সঙ্গত, স্থায়ী ও ব্যাপক শান্তি অর্জনের একমাত্র পথ হলো দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়ন। এর সঙ্গে রয়েছে ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের সীমান্তে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারের প্রতি সমর্থন। নিউইয়র্ক ঘোষণার এক বছর পর গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের সহ-চেয়ারদের বিবৃতিতে বর্ণিত অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের বিবৃতিতে কী বলা হয়েছে? দুই-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়নের জন্য গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের সহ-চেয়ারদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গাজা ও পশ্চিম তীর—পূর্ব জেরুজালেমসহ—একটি একক ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড ইউনিট গঠন করে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, দখল অবসান হতে হবে। নিউইয়র্ক ঘোষণা গৃহীত হওয়ার এক বছর পর এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়। এসপিএ জানিয়েছে, এই বিবৃতির বিষয়টি সৌদি আরবের অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
কোন পদক্ষেপগুলো সৌদি আরব স্বাগত জানিয়েছে? সৌদি আরব কয়েকটি দেশের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপকে স্বাগত জানায়। এর পরবর্তী সময়ে জবাবদিহিতা জোরদার করার পদক্ষেপও স্বাগত জানানো হয়, যার মধ্যে ইসরায়েলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই স্বীকৃতি ও জবাবদিহিতার পদক্ষেপগুলোকে বিবৃতিতে ইতিবাচকভাবে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতি কে দিয়েছেন এবং কোথায়? জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয় ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় সৌদি আরবের স্থায়ী মিশন ৬৩তম মানবাধিকার পরিষদের অধিবেশনে এজেন্ডা আইটেম ৭-এর সাধারণ আলোচনায় অংশ নেয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মানবিক বিষয়ক সাধারণ প্রশাসনের মহাপরিচালক ড. সালেম আল-কাহতানি বিবৃতি দেন। এসপিএ জানিয়েছে, আলোচনার বিষয় ছিল ফিলিস্তিন ও অন্যান্য অধিকৃত আরব ভূখণ্ডে মানবাধিকার পরিস্থিতি।
এসপিএ প্রতিবেদনে আর কী উল্লেখ আছে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিবৃতির সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ২০:৫৯ এবং জিএমটি ১৭:৫৯। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ রয়েছে, বিবৃতিতে গাজা, পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম, বসতি সম্প্রসারণ, বাস্তুচ্যুতি প্রত্যাখ্যান, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি এবং জবাবদিহিতা জোরদারের বিষয়গুলো এসেছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিবৃতির বাইরে অতিরিক্ত কোনো মন্তব্য বা বিশ্লেষণ নেই।





