Saturday, November 7, 2026
বিজ্ঞান

কেউস্টের দুই স্নাতক পেলেন এমআইটি–কেএসিএসটি ইবনে খালদুন ফেলোশিপ

কেউস্টের দুই স্নাতক পেলেন এমআইটি–কেএসিএসটি ইবনে খালদুন ফেলোশিপ

সৌদি আরবের দুই গবেষক—ড. রাওয়ান আলগামদি ও ড. বানান আলহাজমি—এমআইটি–কেএসএসটি ইবনে খালদুন ফেলোশিপ ফর সৌদি অ্যারাবিয়ান উইমেন পেয়েছেন। দুজনেই কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (কেউস্ট) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে পোস্টডক্টরাল গবেষণায় নিয়োজিত।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জেদ্দা থেকে জানিয়েছে, ড. রাওয়ান আলগামদির গবেষণা পরবর্তী প্রজন্মের ওয়্যারলেস যোগাযোগ এবং ড. বানান আলহাজমির গবেষণা মেমব্রেন সায়েন্স ক্ষেত্রে পরিচালিত হচ্ছে।

ড. আলগামদির গবেষণার লক্ষ্য হলো নন-টেরেস্ট্রিয়াল ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক কীভাবে সংকেত গ্রহণ করে তা উন্নত করা। তিনি শক্তি-সাশ্রয়ী সিগন্যাল-প্রসেসিং কৌশল নিয়ে অনুসন্ধান করবেন, যাতে আরও বেশি ব্যবহারকারীর কাছে সাশ্রয়ী ও দক্ষ সংযোগ পৌঁছানো যায় এবং দুর্গম এলাকাগুলোতে কাভারেজ বাড়ানো যায়। এই গবেষণা স্থলভিত্তিক অবকাঠামো ব্যর্থ হলে যোগাযোগ ধারাবাহিকতা রক্ষায় সহায়তা করবে।

অন্যদিকে ড. বানান আলহাজমির গবেষণা সুনির্দিষ্ট মেমব্রেন তৈরির দিকে মনোযোগী, যা অণু ও গ্যাস আলাদা করতে পারে এবং অনেক প্রচলিত শিল্প প্রক্রিয়ার চেয়ে কম শক্তি ব্যবহার করে। এই গবেষণা সৌদি আরবের জ্বালানি, পানি ও রাসায়নিকসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর টেকসইতা ও দক্ষতা সমর্থন করবে।

দুই গবেষকই কেউস্টের ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন, যা শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে সুযোগ অনুসরণ করতে উৎসাহিত করে।

এমআইটি–কেএসএসটি ইবনে খালদুন ফেলোশিপ ফর সৌদি অ্যারাবিয়ান উইমেন অসাধারণ সৌদি নারীদের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) উন্নত গবেষণা চালিয়ে যেতে সহায়তা করে এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে সৌদি নারীদের উপস্থিতি শক্তিশালী করে।

কে এই ফেলোশিপ পেয়েছেন? কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (কেউস্ট) থেকে স্নাতক ড. রাওয়ান আলগামদি ও ড. বানান আলহাজমি এমআইটি–কেএসএসটি ইবনে খালদুন ফেলোশিপ ফর সৌদি অ্যারাবিয়ান উইমেন পেয়েছেন। এসপিএ জানিয়েছে, দুজনেই পোস্টডক্টরাল গবেষণায় নিয়োজিত।

ড. রাওয়ান আলগামদির গবেষণা কী নিয়ে? তিনি পরবর্তী প্রজন্মের ওয়্যারলেস যোগাযোগ নিয়ে গবেষণা করছেন। লক্ষ্য হলো নন-টেরেস্ট্রিয়াল ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের সংকেত গ্রহণ উন্নত করা এবং শক্তি-সাশ্রয়ী সিগন্যাল-প্রসেসিং কৌশল খুঁজে বের করা, যাতে সাশ্রয়ী সংযোগ ও দুর্গম এলাকায় কাভারেজ বাড়ে।

ড. বানান আলহাজমির গবেষণার লক্ষ্য কী? তিনি মেমব্রেন সায়েন্স নিয়ে গবেষণা করছেন। লক্ষ্য হলো সুনির্দিষ্ট মেমব্রেন তৈরি করা, যা অণু ও গ্যাস আলাদা করতে পারে এবং প্রচলিত শিল্প প্রক্রিয়ার চেয়ে কম শক্তি ব্যবহার করে। এটি জ্বালানি, পানি ও রাসায়নিক খাতে টেকসইতা ও দক্ষতা সমর্থন করবে।

ফেলোশিপটি কী উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়? এমআইটি–কেএসএসটি ইবনে খালদুন ফেলোশিপ ফর সৌদি অ্যারাবিয়ান উইমেন অসাধারণ সৌদি নারীদের এমআইটিতে উন্নত গবেষণা চালিয়ে যেতে সহায়তা করে। এটি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে সৌদি নারীদের উপস্থিতি শক্তিশালী করার লক্ষ্যেও কাজ করে।

দুই গবেষক কেউস্ট সম্পর্কে কী বলেছেন? তারা কেউস্টের ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন, যা শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে সুযোগ অনুসরণ করতে উৎসাহিত করে। এসপিএ অনুযায়ী, দুই গবেষকই এই পরিবেশের প্রশংসা করেছেন।