Saturday, September 19, 2026
সৌদি সংবাদ

বন স্থায়িত্বের প্রথম জাতীয় প্রকল্পের জন্য NCVC এবং Morooj চুক্তি স্বাক্ষর

বন স্থায়িত্বের প্রথম জাতীয় প্রকল্পের জন্য NCVC এবং Morooj চুক্তি স্বাক্ষর

৪০ মিলিয়ন রিয়াল মূল্যের বন টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে National Center for Vegetation Cover Development and Combating Desertification (NCVC) এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠান Morooj।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৩ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, পরিবেশ, পানি ও কৃষি উপমন্ত্রী Mansour Al-Mushaiti এই চুক্তি স্বাক্ষরের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। এটি বন স্থায়িত্ব জোরদার, পরিবেশগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক মূল্য সংরক্ষণ এবং জাতীয় পরিবেশগত লক্ষ্য অর্জনে অলাভজনক খাতের ভূমিকা বৃদ্ধিতে পরিচালিত প্রথম জাতীয় প্রকল্প।

NCVC-এর লক্ষ্য হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বন ব্যবস্থাপনা, সুরক্ষা এবং উন্নয়নের জন্য একটি সমন্বিত জাতীয় ইকোসিস্টেম তৈরি করা।

Morooj মাঠ পর্যায়ে বনের উন্নয়ন ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে, পরিবেশগত সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করবে। এর মাধ্যমে লক্ষ্যভুক্ত এলাকার বাসিন্দাদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং খাদ্য নিরাপত্তা ও সবুজ অর্থনীতিতে সহায়তা করা হবে।

প্রকল্পের কার্যক্রম ভৌগোলিক তথ্য সিস্টেম (GIS) এবং রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে সাইট নির্বাচন ও পরিবেশগত, স্থানিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে শুরু হয়েছে।

প্রকল্পটির আর্থিক মূল্য কত এবং এর লক্ষ্য কী? প্রকল্পটির মোট মূল্য ৪০ মিলিয়ন রিয়াল। এর লক্ষ্য হলো বনের স্থায়িত্ব জোরদার করা, পরিবেশগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক মূল্য সংরক্ষণ করা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা।

NCVC এই প্রকল্পের মাধ্যমে কী অর্জন করতে চায়? NCVC বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বন ব্যবস্থাপনা, সুরক্ষা এবং উন্নয়নের জন্য একটি সমন্বিত জাতীয় ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চায়। এর মাধ্যমে পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে।

এই প্রকল্পে Morooj-এর ভূমিকা কী হবে? Morooj মাঠ পর্যায়ে বনের উন্নয়ন ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে এবং পরিবেশগত সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এছাড়া তারা স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করে টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করবে।

প্রকল্পের কার্যক্রম কীভাবে শুরু হয়েছে? প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়েছে ভৌগোলিক তথ্য সিস্টেম (GIS) এবং রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সাইট নির্বাচন এবং সেগুলোর পরিবেশগত, স্থানিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।