আল-আফলাজ প্রদেশের অন্যতম প্রাচীন আল-হাজিমি মসজিদের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে, যা প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ঐতিহাসিক মসজিদ উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৫ মার্চ ২০২৫-এ জানিয়েছে, এক শতাব্দীরও বেশি আগে নির্মিত এই মসজিদটি ওই অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইসলামি ঐতিহ্য এবং স্থাপত্যশৈলীর প্রমাণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো মসজিদের নিজস্ব নাজদি স্থাপত্যশৈলী বজায় রেখে এর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক ভূমিকা পুনরুজ্জীবিত করা। ঐতিহ্যবাহী মাটির নির্মাণ কৌশল এবং প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করে নির্মিত এই মসজিদটি স্থানীয় মরু জলবায়ুর সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া হয়েছে।
একসময় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত আল-হাজিমি মসজিদে সর্বোচ্চ ১১০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। এই সংস্কার কার্যক্রমটি রাজ্যের ঐতিহাসিক মসজিদগুলোর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার এবং মূল স্থাপত্য integrity বজায় রাখার একটি বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ।
আল-হাজিমি মসজিদের বিশেষত্ব কী? এটি আল-আফলাজ প্রদেশের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ যা এক শতাব্দীরও বেশি আগে নির্মিত। এটি ঐতিহ্যবাহী মাটির নির্মাণ কৌশল ও প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করে নাজদি স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি করা হয়েছে।
সংস্কার প্রকল্পের মূল লক্ষ্য কী? এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো মসজিদের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক ভূমিকা পুনরুজ্জীবিত করা। একইসাথে এর মূল স্থাপত্য integrity বজায় রেখে স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা।
মসজিদটির ধারণক্ষমতা কত? আল-হাজিমি মসজিদে সর্বোচ্চ ১১০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। এটি একসময় ওই অঞ্চলের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি প্রধান কেন্দ্র ছিল।