সৌদি আন্তর্জাতিক বাজপাখি ও শিকার প্রদর্শনী ২০২৬-এর অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত মঙ্গোলিয়ান বাজপাখি নিলামের দ্বিতীয় রাতে ‘হুর ফারখ’ শ্রেণির দুটি বাজপাখি মিলিয়ে ৩ লাখ ৫০ হাজার রিয়ালে বিক্রি হয়েছে। নিলামের প্রথম বাজপাখিটির দর শুরু হয়েছিল ৫০ হাজার রিয়াল থেকে, শেষে তা বিক্রি হয় ২ লাখ ৫০ হাজার রিয়ালে; দ্বিতীয় বাজপাখিটি বিক্রি হয় ১ লাখ রিয়ালে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, রিয়াদ থেকে ৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে নিলামের দ্বিতীয় রাতের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে কোন তারিখে এই রাতটি ছিল তা স্পষ্ট করা হয়নি।
টানা দ্বিতীয় বছরের মতো সৌদি আন্তর্জাতিক বাজপাখি ও শিকার প্রদর্শনী মঙ্গোলিয়ান বাজপাখির জন্য একটি আলাদা এলাকা নির্ধারণ করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই বাজপাখিগুলো তাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য এবং বাজপাখি পালনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত উপস্থিতির কারণে সৌদি আরব ও অঞ্চলের বাজপাখি পালনকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ তৈরি করেছে।
ওই এলাকায় মঙ্গোলিয়া থেকে নির্বাচিত কিছু বাজপাখি রাখা হয়েছে, বিশেষ করে মঙ্গোলিয়ান হুর বাজপাখি। এসপিএ-র বর্ণনা অনুযায়ী, এই বাজপাখি বড় আকার, লম্বা ডানার বিস্তার এবং সহনশীলতার জন্য পরিচিত। এর রঙও বৈচিত্র্যময়—হালকা থেকে গাঢ় বাদামি পর্যন্ত। এসপিএ জানিয়েছে, এই বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণেই বাজপাখিটি বাজপাখি পালনকারী ও আগ্রহীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়েছে।
নিলাম বাজপাখি পালনকারী ও আগ্রহীদের মঙ্গোলিয়ান বাজপাখি সরাসরি দেখার এবং সেগুলোর ওপর দর দেওয়ার সুযোগ দেয়। এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে তাদের অংশগ্রহণ প্রদর্শনীর ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বিস্তার এবং বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির মানুষকে একত্র করার ক্ষেত্রে বাজপাখি পালনের ঐতিহ্যবাহী ভূমিকাকে তুলে ধরে।
নিলামের দুই রাত ও দরের গতিপথ
এসপিএ-র প্রতিবেদনে নিলামের দ্বিতীয় রাতের দুটি বিক্রির কথা বলা হয়েছে। প্রথম বাজপাখিটির দর শুরু হয় ৫০ হাজার রিয়ালে, আর তা শেষ পর্যন্ত ২ লাখ ৫০ হাজার রিয়ালে পৌঁছায়। অর্থাৎ প্রথম বাজপাখিটির ক্ষেত্রে শুরুর দর থেকে চূড়ান্ত দরে পাঁচ গুণ বৃদ্ধি ঘটে। দ্বিতীয় বাজপাখিটি বিক্রি হয় ১ লাখ রিয়ালে। দুটি মিলিয়ে মোট ৩ লাখ ৫০ হাজার রিয়াল।
প্রতিবেদনে অবশ্য প্রথম বাজপাখিটির দর কত ধাপে বেড়েছে, কতজন দরদাতা অংশ নিয়েছিলেন বা দ্বিতীয় বাজপাখিটির দর শুরু হয়েছিল কত থেকে—এসব তথ্য নেই। শুধু দুই বাজপাখির চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য এবং প্রথমটির শুরুর দর জানানো হয়েছে। নিলামের প্রথম রাতে কী ঘটেছিল, তাও প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
এসপিএ জানিয়েছে, এই নিলাম সৌদি আন্তর্জাতিক বাজপাখি ও শিকার প্রদর্শনী ২০২৬-এর অংশ। প্রদর্শনীটির আয়োজক বা নিলাম পরিচালনার দায়িত্বে কে ছিলেন, তা প্রতিবেদনে সরাসরি বলা হয়নি। তবে প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর নাম ও বছরের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গোলিয়ান বাজপাখির জন্য আলাদা এলাকা
টানা দ্বিতীয় বছর প্রদর্শনীতে মঙ্গোলিয়ান বাজপাখির জন্য আলাদা এলাকা রাখা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই এলাকায় মঙ্গোলিয়া থেকে নির্বাচিত বাজপাখি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে মঙ্গোলিয়ান হুর বাজপাখির কথা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গোলিয়ান হুর বাজপাখি বড় আকার, লম্বা ডানার বিস্তার এবং সহনশীলতার জন্য পরিচিত। এর রঙ হালকা থেকে গাঢ় বাদামি পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের হয়। এসপিএ জানিয়েছে, এই বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে বাজপাখিটি বাজপাখি পালনকারী ও আগ্রহীদের মধ্যে জনপ্রিয়।
প্রতিবেদনে ‘হুর ফারখ’ শ্রেণির কথা বলা হয়েছে, তবে এই শ্রেণির সংজ্ঞা বা এর সঙ্গে মঙ্গোলিয়ান হুর বাজপাখির সম্পর্ক কী, তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়নি। নিলামে বিক্রি হওয়া দুটি বাজপাখি কোন এলাকা থেকে এসেছে বা কত বয়সী ছিল, তাও প্রতিবেদনে নেই।
বাজপাখি পালনের ঐতিহ্য ও আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ
এসপিএ জানিয়েছে, নিলাম বাজপাখি পালনকারী ও আগ্রহীদের মঙ্গোলিয়ান বাজপাখি সরাসরি দেখার ও সেগুলোর ওপর দর দেওয়ার সুযোগ দেয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রদর্শনীতে তাদের অংশগ্রহণ প্রদর্শনীর ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বিস্তারকে তুলে ধরে।
পাশাপাশি, এসপিএ বলেছে, এই অংশগ্রহণ বাজপাখি পালনের ঐতিহ্যবাহী ভূমিকাকেও তুলে ধরে, যা বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির মানুষকে একত্র করে। প্রতিবেদনে অবশ্য প্রদর্শনীতে কোন কোন দেশের প্রতিনিধি বা বাজপাখি পালনকারীরা অংশ নিয়েছেন, তার তালিকা দেওয়া হয়নি। মঙ্গোলিয়ার বাইরে অন্য কোন দেশ থেকে বাজপাখি আনা হয়েছে, তাও উল্লেখ নেই।
প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর স্থান হিসেবে রিয়াদের নাম এসেছে। প্রদর্শনীর মোট আয়তন, দর্শনার্থীর সংখ্যা বা প্রদর্শনী কত দিন চলবে—এসব তথ্য এসপিএ-র এই প্রতিবেদনে নেই।
যা জানা যায়নি
এসপিএ-র প্রতিবেদনে নিলামের দ্বিতীয় রাতের দুটি বিক্রির মূল্য ও প্রথম বাজপাখিটির শুরুর দর ছাড়া আর কোনো আর্থিক তথ্য নেই। নিলামে মোট কতটি বাজপাখি তোলা হয়েছিল, কতটি বিক্রি হয়েছে বা অবিক্রীত থেকেছে, তা জানানো হয়নি। ক্রেতাদের পরিচয়, তাদের দেশ বা তারা পেশাদার বাজপাখি পালনকারী কি না, এসবও প্রতিবেদনে অনুপস্থিত।
প্রদর্শনীর ঠিক কোন তারিখে এই নিলামের দ্বিতীয় রাত অনুষ্ঠিত হয়, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট নয়। শুধু ৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কথা জানা যায়। প্রদর্শনী কবে শুরু হয়েছে এবং কবে শেষ হবে, তাও উল্লেখ নেই। মঙ্গোলিয়ান বাজপাখির জন্য নির্ধারিত এলাকার আয়তন বা সেখানে কতটি বাজপাখি রাখা হয়েছে, সে তথ্যও দেওয়া হয়নি।
তবু এসপিএ-র প্রতিবেদন থেকে স্পষ্ট হয়, মঙ্গোলিয়ান বাজপাখির প্রতি আগ্রহ কমছে না। টানা দ্বিতীয় বছর আলাদা এলাকা এবং নিলামে ৩ লাখ ৫০ হাজার রিয়ালের বিক্রি সে ইঙ্গিতই দেয়। প্রদর্শনী ও নিলামের বাকি বিবরণ অবশ্য এই প্রতিবেদনের বাইরে রয়ে গেছে।
নিলামে দুটি বাজপাখি কত টাকায় বিক্রি হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, ‘হুর ফারখ’ শ্রেণির দুটি বাজপাখি মিলিয়ে ৩ লাখ ৫০ হাজার রিয়ালে বিক্রি হয়েছে। প্রথম বাজপাখিটির দর শুরু হয় ৫০ হাজার রিয়াল থেকে এবং তা বিক্রি হয় ২ লাখ ৫০ হাজার রিয়ালে। দ্বিতীয় বাজপাখিটি বিক্রি হয় ১ লাখ রিয়ালে। নিলামটি সৌদি আন্তর্জাতিক বাজপাখি ও শিকার প্রদর্শনী ২০২৬-এর অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গোলিয়ান বাজপাখির জন্য আলাদা এলাকা কেন রাখা হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, টানা দ্বিতীয় বছর প্রদর্শনীতে মঙ্গোলিয়ান বাজপাখির জন্য আলাদা এলাকা রাখা হয়েছে। এই বাজপাখিগুলো তাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য এবং বাজপাখি পালনে প্রতিষ্ঠিত উপস্থিতির কারণে সৌদি আরব ও অঞ্চলের বাজপাখি পালনকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ তৈরি করেছে। এলাকাটিতে মঙ্গোলিয়া থেকে নির্বাচিত বাজপাখি রাখা হয়েছে, বিশেষ করে মঙ্গোলিয়ান হুর বাজপাখি।
মঙ্গোলিয়ান হুর বাজপাখির বৈশিষ্ট্য কী? এসপিএ-র বর্ণনা অনুযায়ী, মঙ্গোলিয়ান হুর বাজপাখি বড় আকার, লম্বা ডানার বিস্তার এবং সহনশীলতার জন্য পরিচিত। এর রঙ হালকা থেকে গাঢ় বাদামি পর্যন্ত বৈচিত্র্যময়। এসপিএ জানিয়েছে, এই বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণেই বাজপাখিটি বাজপাখি পালনকারী ও আগ্রহীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়েছে। প্রতিবেদনে অবশ্য এই বাজপাখির ওজন বা আকারের নির্দিষ্ট মাপ দেওয়া হয়নি।
নিলাম বাজপাখি পালনকারীদের কী সুযোগ দেয়? এসপিএ জানিয়েছে, নিলাম বাজপাখি পালনকারী ও আগ্রহীদের মঙ্গোলিয়ান বাজপাখি সরাসরি দেখার এবং সেগুলোর ওপর দর দেওয়ার সুযোগ দেয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রদর্শনীতে তাদের অংশগ্রহণ প্রদর্শনীর ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বিস্তার এবং বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির মানুষকে একত্র করার ক্ষেত্রে বাজপাখি পালনের ঐতিহ্যবাহী ভূমিকাকে তুলে ধরে।
প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে নিলামে মোট কতটি বাজপাখি তোলা হয়েছিল, কতটি বিক্রি হয়েছে বা ক্রেতাদের পরিচয় কী, তা জানানো হয়নি। নিলামের দ্বিতীয় রাত ঠিক কোন তারিখে অনুষ্ঠিত হয়, তাও স্পষ্ট নয়; শুধু ৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রতিবেদন প্রকাশের কথা জানা যায়। প্রদর্শনীর শুরুর ও শেষের তারিখ এবং মঙ্গোলিয়ান এলাকার আয়তনও উল্লেখ নেই।