আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত আরব অর্থমন্ত্রী পরিষদের ১৭তম বৈঠক ও উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ-অর্থমন্ত্রী খালিদ বাওয়াজির। একই সঙ্গে তিনি আরব মুদ্রা তহবিলের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনেও অংশ নেন।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরব দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পেশ করা কার্যপত্র, গবেষণা ও উপস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি) আরব দেশগুলোর প্রধান অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে যে উপস্থাপনা দিয়েছে, তা অন্যতম।
আরব অঞ্চলের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এত বড় সমাবেশে ঠিক কী ধরনের অভিজ্ঞতা বিনিময় হলো, তা জানা গেলে সাধারণ নাগরিকের কী লাভ? বাওয়াজির তাঁর বক্তব্যে বলেন, সৌদি আরবের বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে চালানো প্রচেষ্টা বাস্তব ফল দিয়েছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সফল ও টেকসই অবকাঠামো প্রকল্প শুরু হয় একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক ও আর্থিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ভিত্তিতে প্রকল্প প্রস্তুত করার মধ্য দিয়ে। এর সঙ্গে থাকতে হয় স্পষ্ট চুক্তিকাঠামো, ক্রয় ও প্রকাশ ব্যবস্থাপনা এবং পরিমাপযোগ্য কর্মক্ষমতা সূচক।
তাহলে টেকসই অবকাঠামো বলতে আসলে কী বোঝানো হচ্ছে, আর তা করতে গিয়ে কেন সম্ভাব্যতা সমীক্ষাকে এত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে? বাওয়াজির বলেন, এ বিষয়টি বিশ্বব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে তুলে ধরে, যাকে তিনি ‘নলেজ ব্যাংক’ বা জ্ঞানভাণ্ডার হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, এই ভূমিকা সক্ষমতা গড়ে তোলা, বিনিয়োগযোগ্য অবকাঠামো প্রকল্প তৈরি করা এবং একই রকম পরিস্থিতিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের কাজে সহায়ক।
আরব দেশগুলোর অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকরা যখন একই টেবিলে বসেন, তখন সেখান থেকে কী ধরনের সিদ্ধান্ত বেরিয়ে আসে? এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা কেবল অভিজ্ঞতা বিনিময়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পেশ করা কার্যপত্র, গবেষণা ও উপস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। এসব উপস্থাপনার কেন্দ্রে ছিল আরব দেশগুলোর প্রধান অর্থনৈতিক উন্নয়ন।
বিশ্বব্যাংক ও ওইসিডি-র মতো প্রতিষ্ঠান যখন আরব দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে গবেষণা পেশ করে, তখন সেই গবেষণার ভিত্তি কতটা স্থানীয় বাস্তবতা ধরে নেওয়া হয়? এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর নেই। তবে বাওয়াজিরের বক্তব্যে স্পষ্ট, সৌদি আরবের উন্নয়ন প্রচেষ্টার ফলাফল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করছে এবং অবকাঠামো প্রকল্প প্রস্তুতির ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিগত কাঠামোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
আরব মুদ্রা তহবিলের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আবুধাবিতে এই সমাবেশ হওয়ায় আঞ্চলিক আর্থিক সহযোগিতার প্রসঙ্গও সামনে এসেছে। ৫০ বছর পূর্ণ করা এই তহবিলের যাত্রাপথে আরব দেশগুলোর অর্থনৈতিক সমন্বয় কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে অবশ্য সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের বিস্তারিত কর্মসূচি বা তাতে কে কে উপস্থিত ছিলেন, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
বাওয়াজিরের বক্তব্যের একটি বড় অংশজুড়ে ছিল অবকাঠামো প্রকল্পের প্রস্তুতি প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, সফল ও টেকসই অবকাঠামো প্রকল্পের সূচনা হয় একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক ও আর্থিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ভিত্তিতে প্রকল্প প্রস্তুত করার মাধ্যমে। এরপর প্রয়োজন স্পষ্ট চুক্তিকাঠামো, ক্রয় ও প্রকাশ ব্যবস্থাপনা এবং পরিমাপযোগ্য কর্মক্ষমতা সূচক। এই চারটি স্তম্ভ একসঙ্গে থাকলে প্রকল্প কতটা বিনিয়োগযোগ্য হয়ে ওঠে, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে বিতর্ক থাকলেও বাওয়াজির এখানে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন।
প্রশ্ন হলো, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ছাড়া শুরু হওয়া প্রকল্পগুলো আসলে কোথায় গিয়ে থামে? বাওয়াজিরের বক্তব্য অনুযায়ী, সমীক্ষা, চুক্তিকাঠামো, ক্রয় ও প্রকাশ ব্যবস্থাপনা এবং কর্মক্ষমতা সূচক—এই চারটি উপাদান ছাড়া টেকসই অবকাঠামো সম্ভব নয়। তিনি এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন, যাকে তিনি ‘নলেজ ব্যাংক’ বলে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, এই প্রতিষ্ঠান সক্ষমতা গড়ে তোলা, বিনিয়োগযোগ্য অবকাঠামো প্রকল্প তৈরি করা এবং একই রকম পরিস্থিতিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের কাজ করে।
একই রকম পরিস্থিতিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের কথা যখন বলা হচ্ছে, তখন আরব অঞ্চলের কোন দেশগুলো কোন অভিজ্ঞতা থেকে সবচেয়ে বেশি শিখতে পারে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর নেই। তবে বৈঠকে আরব দেশগুলোর বিভিন্ন ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের কথা বলা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পেশ করা কার্যপত্র, গবেষণা ও উপস্থাপনা নিয়ে আলোচনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
আরব অর্থমন্ত্রী পরিষদের ১৭তম বৈঠক ও উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক—এই দুই ধাপের সমাবেশে সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়া মানে কী? আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ-অর্থমন্ত্রী হিসেবে খালিদ বাওয়াজিরের এই নেতৃত্ব আঞ্চলিক অর্থনৈতিক আলোচনায় সৌদি আরবের সক্রিয় উপস্থিতিরই প্রতিফলন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি বৈঠকে সৌদি আরবের উন্নয়ন প্রচেষ্টার বাস্তব ফলাফলের কথা তুলে ধরেন এবং অবকাঠামো প্রকল্প প্রস্তুতির পদ্ধতিগত দিক নিয়ে তাঁর অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।
বিশ্বব্যাংককে ‘নলেজ ব্যাংক’ হিসেবে অভিহিত করার মধ্য দিয়ে বাওয়াজির আসলে কী বোঝাতে চেয়েছেন? তাঁর ভাষায়, এই প্রতিষ্ঠান সক্ষমতা গড়ে তোলা, বিনিয়োগযোগ্য অবকাঠামো প্রকল্প তৈরি করা এবং একই রকম পরিস্থিতিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় করে। অর্থাৎ, শুধু অর্থায়ন নয়, জ্ঞান ও পদ্ধতিগত সহায়তাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আরব দেশগুলোর সম্পর্কের একটি দিক তুলে ধরে।
বৈঠকে ওইসিডি ও বিশ্বব্যাংকের পেশ করা উপস্থাপনা আরব দেশগুলোর প্রধান অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে ছিল। এসপিএ-র প্রতিবেদনে অবশ্য এই উপস্থাপনার বিস্তারিত বিষয়বস্তু, কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান বা কোনো দেশের নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরব দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন এবং কার্যপত্র, গবেষণা ও উপস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
আরব মুদ্রা তহবিলের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে এসপিএ জানিয়েছে, বাওয়াজির আবুধাবিতে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ৫০ বছর পূর্তির এই অনুষ্ঠান আঞ্চলিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ যাত্রার একটি বিন্দু। তবে অনুষ্ঠানে কী আলোচনা হয়েছে বা কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
সৌদি আরবের উন্নয়ন প্রচেষ্টা বাস্তব ফল দিয়েছে বলে বাওয়াজির যে দাবি করেছেন, তার পেছনে কোন খাতগুলো সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর নেই। তিনি শুধু বলেছেন, বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে সৌদি আরবের প্রচেষ্টা বাস্তব ফল দিয়েছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করছে। এই বক্তব্যে কোনো নির্দিষ্ট খাত, প্রকল্প বা পরিসংখ্যানের উল্লেখ নেই।
অবকাঠামো প্রকল্পে পরিমাপযোগ্য কর্মক্ষমতা সূচক কেন এত জরুরি? বাওয়াজিরের বক্তব্য অনুযায়ী, সফল ও টেকসই প্রকল্পের জন্য সমীক্ষা, চুক্তিকাঠামো, ক্রয় ও প্রকাশ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি পরিমাপযোগ্য কর্মক্ষমতা সূচক থাকা প্রয়োজন। এই সূচকগুলো প্রকল্পের অগ্রগতি ও ফলাফল মাপার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে কোনো নির্দিষ্ট সূচকের উদাহরণ দেওয়া হয়নি।
আরব দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গবেষণা কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। বৈঠকে বিশ্বব্যাংক ও ওইসিডি-র পেশ করা কার্যপত্র, গবেষণা ও উপস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। কিন্তু সেই গবেষণার সুনির্দিষ্ট ফলাফল বা সুপারিশ কী ছিল, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়া ছাড়াও বাওয়াজিরের আবুধাবি সফরে আর কী কী কর্মসূচি ছিল? এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি আরব অর্থমন্ত্রী পরিষদের ১৭তম বৈঠক ও উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে নেতৃত্ব দেন এবং আরব মুদ্রা তহবিলের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে অংশ নেন। এর বাইরে তাঁর সফরের অন্য কোনো কর্মসূচির কথা প্রতিবেদনে বলা হয়নি।
সব মিলিয়ে, আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে সৌদি আরবের অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে দুটি জায়গায়—এক, উন্নয়ন প্রচেষ্টার বাস্তব ফলাফলের কথা তুলে ধরা; দুই, অবকাঠামো প্রকল্প প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সমীক্ষা, চুক্তিকাঠামো, ক্রয় ও প্রকাশ ব্যবস্থাপনা এবং পরিমাপযোগ্য কর্মক্ষমতা সূচকের ওপর জোর দেওয়া। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিশ্বব্যাংককে ‘নলেজ ব্যাংক’ হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়টি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত, সুপারিশ বা কোনো চূড়ান্ত ঘোষণার কথা উল্লেখ নেই। কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান, চুক্তির মূল্য বা সময়সীমাও দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু বৈঠকে আলোচিত বিষয়, বাওয়াজিরের বক্তব্য এবং তাঁর নেতৃত্বে সৌদি প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণের কথা জানানো হয়েছে।
আরব অর্থমন্ত্রী পরিষদের ১৭তম বৈঠকে সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব কে দেন? আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ-অর্থমন্ত্রী খালিদ বাওয়াজির সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি আরব অর্থমন্ত্রী পরিষদের ১৭তম বৈঠক ও উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেন। একই সফরে তিনি আবুধাবিতে আরব মুদ্রা তহবিলের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনেও উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে তাঁর সফরের অন্য কোনো কর্মসূচির কথা বলা হয়নি।
বৈঠকে কোন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো উপস্থাপনা পেশ করে? এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে বিশ্বব্যাংক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি) আরব দেশগুলোর প্রধান অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে কার্যপত্র, গবেষণা ও উপস্থাপনা পেশ করে। অংশগ্রহণকারীরা এসব নিয়ে আলোচনা করেন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরব দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। প্রতিবেদনে উপস্থাপনার বিস্তারিত বিষয়বস্তু বা নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান উল্লেখ করা হয়নি।
টেকসই অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য বাওয়াজির কী কী উপাদানের কথা বলেন? বাওয়াজির বলেন, সফল ও টেকসই অবকাঠামো প্রকল্প শুরু হয় সমন্বিত অর্থনৈতিক ও আর্থিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ভিত্তিতে প্রকল্প প্রস্তুত করার মধ্য দিয়ে। এর সঙ্গে থাকতে হয় স্পষ্ট চুক্তিকাঠামো, ক্রয় ও প্রকাশ ব্যবস্থাপনা এবং পরিমাপযোগ্য কর্মক্ষমতা সূচক। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই উপাদানগুলোর কোনো নির্দিষ্ট উদাহরণ দেওয়া হয়নি।
বিশ্বব্যাংককে ‘নলেজ ব্যাংক’ বলতে বাওয়াজির কী বোঝান? বাওয়াজিরের মতে, বিশ্বব্যাংক ‘নলেজ ব্যাংক’ হিসেবে সক্ষমতা গড়ে তোলা, বিনিয়োগযোগ্য অবকাঠামো প্রকল্প তৈরি করা এবং একই রকম পরিস্থিতিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের কাজ করে। তিনি বলেন, এই ভূমিকা টেকসই অবকাঠামো প্রকল্প প্রস্তুতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই ভূমিকার কোনো নির্দিষ্ট উদাহরণ দেওয়া হয়নি।
সৌদি আরবের উন্নয়ন প্রচেষ্টা নিয়ে বাওয়াজির কী বলেন? বাওয়াজির বৈঠকে বলেন, সৌদি আরবের বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে চালানো প্রচেষ্টা বাস্তব ফল দিয়েছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে তিনি কোন খাত বা প্রকল্পের কথা বলেছেন, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। কোনো পরিসংখ্যানও দেওয়া হয়নি।
আরব মুদ্রা তহবিলের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? এসপিএ জানিয়েছে, আরব মুদ্রা তহবিলের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হয় এবং সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতা খালিদ বাওয়াজির সেখানে অংশ নেন। ৫০ বছর পূর্তির এই অনুষ্ঠান আঞ্চলিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘ যাত্রার একটি বিন্দু। তবে অনুষ্ঠানের বিস্তারিত কর্মসূচি বা আলোচনার বিষয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।





