ইয়েমেনের শাবওয়াহ প্রদেশের বায়হান ও আতাক জেলায় ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করা হয়েছে, যার সুবিধা পেয়েছেন ৮৪০ জন ব্যক্তি। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই বিতরণ পরিচালনা করেছে কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ)।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৮ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, বিতরণটি ইয়েমেনে জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রকল্পের অংশ হিসেবে করা হয়েছে। বায়হান ও আতাক জেলা দুটি শাবওয়াহ প্রদেশে অবস্থিত, এবং সেখানেই ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ত্রাণ ও মানবিক প্রচেষ্টা সৌদি আরবের সহায়তার অংশ, যা তার মানবিক শাখা কেএসরিলিফের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এই সহায়তার লক্ষ্য ভ্রাতৃপ্রতিম ইয়েমেনি জনগণকে সহায়তা করা, যারা একটি মানবিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।
খাদ্য ঝুড়ি বিতরণের সংখ্যা ২৪০ এবং সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৮৪০ — এই দুটি সংখ্যাই এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিটি ঝুড়ি কতজনকে সেবা দিয়েছে বা ঝুড়িতে কী কী খাদ্যসামগ্রী ছিল, সে সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
শাবওয়াহ প্রদেশ ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। বায়হান ও আতাক জেলা দুটির নাম এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই দুটি জেলায় কেএসরিলিফের বিতরণ কার্যক্রম চলমান মানবিক সহায়তার একটি অংশ।
ইয়েমেনে জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রকল্পের আওতায় এই বিতরণ করা হয়েছে বলে এসপিএ জানিয়েছে। প্রকল্পটির সময়সীমা, মোট বাজেট বা ভবিষ্যতে আরও কোন কোন অঞ্চলে বিতরণ হবে, সে সম্পর্কে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
কেএসরিলিফ সৌদি আরবের মানবিক সহায়তার শাখা হিসেবে কাজ করে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে কেএসরিলিফকে ‘সৌদি আরবের মানবিক শাখা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সৌদি আরব ইয়েমেনি জনগণের পাশে দাঁড়ানোর কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে ৮৪০ জন সুবিধাভোগীর কথা বলা হয়েছে, যারা ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি থেকে উপকৃত হয়েছেন। এই সংখ্যাগুলো এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরাসরি উদ্ধৃত। বিতরণের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৬, যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়েমেনে মানবিক সংকটের কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংকটের মুখে থাকা ইয়েমেনি জনগণকে সহায়তা করার জন্য সৌদি আরবের এই প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সংকটের কারণ বা বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি।
খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ কার্যক্রম কেএসরিলিফের নিয়মিত মানবিক সহায়তার একটি উদাহরণ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিতরণকে ‘ত্রাণ ও মানবিক প্রচেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধরনের সহায়তা সৌদি আরবের মানবিক ভূমিকার অংশ।
শাবওয়াহ প্রদেশের বায়হান ও আতাক জেলার বাসিন্দারা এই সহায়তা পেয়েছেন। ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি এবং ৮৪০ জন সুবিধাভোগী — এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে। বিতরণের স্থান, তারিখ ও সংখ্যা প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সহায়তা ইয়েমেনে জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পটির অধীনে আরও কী কী কার্যক্রম চলছে, সে সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত নেই। শুধু এই একটি বিতরণের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
কেএসরিলিফের এই বিতরণ কার্যক্রম ইয়েমেনের শাবওয়াহ প্রদেশে হয়েছে। বায়হান ও আতাক জেলা দুটিতে ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করা হয়। এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা কেএসরিলিফের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে কেএসরিলিফকে ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ হিসেবে পূর্ণ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান ইয়েমেনে সহায়তা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনে ৮৪০ জন সুবিধাভোগীর কথা বলা হয়েছে, যারা ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি থেকে উপকৃত হয়েছেন। এই সংখ্যাগুলো এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরাসরি উদ্ধৃত। বিতরণের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৬, যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়েমেনে মানবিক সংকটের কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংকটের মুখে থাকা ইয়েমেনি জনগণকে সহায়তা করার জন্য সৌদি আরবের এই প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সংকটের কারণ বা বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি।
খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ কার্যক্রম কেএসরিলিফের নিয়মিত মানবিক সহায়তার একটি উদাহরণ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিতরণকে ‘ত্রাণ ও মানবিক প্রচেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধরনের সহায়তা সৌদি আরবের মানবিক ভূমিকার অংশ।
শাবওয়াহ প্রদেশের বায়হান ও আতাক জেলার বাসিন্দারা এই সহায়তা পেয়েছেন। ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি এবং ৮৪০ জন সুবিধাভোগী — এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে। বিতরণের স্থান, তারিখ ও সংখ্যা প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সহায়তা ইয়েমেনে জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পটির অধীনে আরও কী কী কার্যক্রম চলছে, সে সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত নেই। শুধু এই একটি বিতরণের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
কেএসরিলিফের এই বিতরণ কার্যক্রম ইয়েমেনের শাবওয়াহ প্রদেশে হয়েছে। বায়হান ও আতাক জেলা দুটিতে ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করা হয়। এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা কেএসরিলিফের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে কেএসরিলিফকে ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ হিসেবে পূর্ণ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান ইয়েমেনে সহায়তা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনে ৮৪০ জন সুবিধাভোগীর কথা বলা হয়েছে, যারা ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি থেকে উপকৃত হয়েছেন। এই সংখ্যাগুলো এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরাসরি উদ্ধৃত। বিতরণের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৬, যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়েমেনে মানবিক সংকটের কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংকটের মুখে থাকা ইয়েমেনি জনগণকে সহায়তা করার জন্য সৌদি আরবের এই প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সংকটের কারণ বা বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি।
খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ কার্যক্রম কেএসরিলিফের নিয়মিত মানবিক সহায়তার একটি উদাহরণ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিতরণকে ‘ত্রাণ ও মানবিক প্রচেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধরনের সহায়তা সৌদি আরবের মানবিক ভূমিকার অংশ।
শাবওয়াহ প্রদেশের বায়হান ও আতাক জেলার বাসিন্দারা এই সহায়তা পেয়েছেন। ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি এবং ৮৪০ জন সুবিধাভোগী — এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে। বিতরণের স্থান, তারিখ ও সংখ্যা প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সহায়তা ইয়েমেনে জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পটির অধীনে আরও কী কী কার্যক্রম চলছে, সে সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত নেই। শুধু এই একটি বিতরণের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
কেএসরিলিফের এই বিতরণ কার্যক্রম ইয়েমেনের শাবওয়াহ প্রদেশে হয়েছে। বায়হান ও আতাক জেলা দুটিতে ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করা হয়। এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা কেএসরিলিফের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে কেএসরিলিফকে ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ হিসেবে পূর্ণ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান ইয়েমেনে সহায়তা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনে ৮৪০ জন সুবিধাভোগীর কথা বলা হয়েছে, যারা ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি থেকে উপকৃত হয়েছেন। এই সংখ্যাগুলো এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরাসরি উদ্ধৃত। বিতরণের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৬, যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়েমেনে মানবিক সংকটের কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংকটের মুখে থাকা ইয়েমেনি জনগণকে সহায়তা করার জন্য সৌদি আরবের এই প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সংকটের কারণ বা বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি।
খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ কার্যক্রম কেএসরিলিফের নিয়মিত মানবিক সহায়তার একটি উদাহরণ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিতরণকে ‘ত্রাণ ও মানবিক প্রচেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধরনের সহায়তা সৌদি আরবের মানবিক ভূমিকার অংশ।
শাবওয়াহ প্রদেশের বায়হান ও আতাক জেলার বাসিন্দারা এই সহায়তা পেয়েছেন। ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি এবং ৮৪০ জন সুবিধাভোগী — এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে। বিতরণের স্থান, তারিখ ও সংখ্যা প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সহায়তা ইয়েমেনে জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পটির অধীনে আরও কী কী কার্যক্রম চলছে, সে সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত নেই। শুধু এই একটি বিতরণের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
কেএসরিলিফের এই বিতরণ কার্যক্রম ইয়েমেনের শাবওয়াহ প্রদেশে হয়েছে। বায়হান ও আতাক জেলা দুটিতে ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করা হয়। এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা কেএসরিলিফের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে কেএসরিলিফকে ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ হিসেবে পূর্ণ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান ইয়েমেনে সহায়তা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনে ৮৪০ জন সুবিধাভোগীর কথা বলা হয়েছে, যারা ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি থেকে উপকৃত হয়েছেন। এই সংখ্যাগুলো এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরাসরি উদ্ধৃত। বিতরণের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৬, যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়েমেনে মানবিক সংকটের কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংকটের মুখে থাকা ইয়েমেনি জনগণকে সহায়তা করার জন্য সৌদি আরবের এই প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সংকটের কারণ বা বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি।
খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ কার্যক্রম কেএসরিলিফের নিয়মিত মানবিক সহায়তার একটি উদাহরণ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিতরণকে ‘ত্রাণ ও মানবিক প্রচেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধরনের সহায়তা সৌদি আরবের মানবিক ভূমিকার অংশ।
শাবওয়াহ প্রদেশের বায়হান ও আতাক জেলার বাসিন্দারা এই সহায়তা পেয়েছেন। ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি এবং ৮৪০ জন সুবিধাভোগী — এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে। বিতরণের স্থান, তারিখ ও সংখ্যা প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সহায়তা ইয়েমেনে জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পটির অধীনে আরও কী কী কার্যক্রম চলছে, সে সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত নেই। শুধু এই একটি বিতরণের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
কেএসরিলিফের এই বিতরণ কার্যক্রম ইয়েমেনের শাবওয়াহ প্রদেশে হয়েছে। বায়হান ও আতাক জেলা দুটিতে ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করা হয়। এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা কেএসরিলিফের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে কেএসরিলিফকে ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ হিসেবে পূর্ণ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান ইয়েমেনে সহায়তা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনে ৮৪০ জন সুবিধাভোগীর কথা বলা হয়েছে, যারা ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি থেকে উপকৃত হয়েছেন। এই সংখ্যাগুলো এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরাসরি উদ্ধৃত। বিতরণের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৬, যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়েমেনে মানবিক সংকটের কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংকটের মুখে থাকা ইয়েমেনি জনগণকে সহায়তা করার জন্য সৌদি আরবের এই প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সংকটের কারণ বা বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি।
খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ কার্যক্রম কেএসরিলিফের নিয়মিত মানবিক সহায়তার একটি উদাহরণ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিতরণকে ‘ত্রাণ ও মানবিক প্রচেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধরনের সহায়তা সৌদি আরবের মানবিক ভূমিকার অংশ।
শাবওয়াহ প্রদেশের বায়হান ও আতাক জেলার বাসিন্দারা এই সহায়তা পেয়েছেন। ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি এবং ৮৪০ জন সুবিধাভোগী — এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে। বিতরণের স্থান, তারিখ ও সংখ্যা প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সহায়তা ইয়েমেনে জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পটির অধীনে আরও কী কী কার্যক্রম চলছে, সে সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত নেই। শুধু এই একটি বিতরণের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
কেএসরিলিফের এই বিতরণ কার্যক্রম ইয়েমেনের শাবওয়াহ প্রদেশে হয়েছে। বায়হান ও আতাক জেলা দুটিতে ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করা হয়। এই তথ্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা কেএসরিলিফের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে কেএসরিলিফকে ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ হিসেবে পূর্ণ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান ইয়েমেনে সহায়তা কার্যক্রম চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনে ৮৪০ জন সুবিধাভোগীর কথা বলা হয়েছে, যারা ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি থেকে উপকৃত হয়েছেন। এই সংখ্যাগুলো এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরাসরি উদ্ধৃত। বিতরণের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৬, যা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইয়েমেনে মানবিক সংকটের কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সংকটের মুখে থাকা ইয়েমেনি জনগণকে সহায়তা করার জন্য সৌদি আরবের এই প্রচেষ্টার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সংকটের কারণ বা বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেওয়া হয়নি।
কেএসরিলিফ কোথায় খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করেছে? ইয়েমেনের শাবওয়াহ প্রদেশের বায়হান ও আতাক জেলায় ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি বিতরণ করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই বিতরণ থেকে ৮৪০ জন ব্যক্তি উপকৃত হয়েছেন। বিতরণটি ইয়েমেনে জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রকল্পের অংশ হিসেবে করা হয়েছে।
কতজন এই সহায়তা পেয়েছেন? ২৪০টি খাদ্য ঝুড়ি থেকে ৮৪০ জন ব্যক্তি উপকৃত হয়েছেন বলে এসপিএ জানিয়েছে। বিতরণটি শাবওয়াহ প্রদেশের বায়হান ও আতাক জেলায় করা হয়েছে। এই সংখ্যাগুলো এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে।
এই সহায়তা কোন প্রকল্পের অংশ? এসপিএ জানিয়েছে, বিতরণটি ইয়েমেনে জরুরি প্রতিক্রিয়া প্রকল্পের অংশ। কেএসরিলিফ এই প্রকল্পের আওতায় সহায়তা পরিচালনা করেছে। প্রকল্পটির সময়সীমা বা বাজেট সম্পর্কে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।
কেএসরিলিফ কী? কেএসরিলিফ হলো কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এটিকে সৌদি আরবের মানবিক শাখা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সৌদি আরব ইয়েমেনি জনগণকে সহায়তা করছে।