Saturday, October 17, 2026
সাধারণ

কুনমিং-মন্ট্রিয়াল লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান সৌদি আরবের

কুনমিং-মন্ট্রিয়াল লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান সৌদি আরবের

প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে যেতে হবে—ইয়েরেভানে অনুষ্ঠিত বায়োডাইভারসিটি লিডারস সামিটে এই আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব। দেশটি বলেছে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য লক্ষ্যগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন, যাতে পরিবেশগত অঙ্গীকার সিদ্ধান্ত, বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বে রূপ নেয় এবং তার দৃশ্যমান ফলাফল মেলে। সৌদি আরব প্রকৃতি সংরক্ষণকে জাতির স্থিতিশীলতা, খাদ্য ও পানি নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়নের বিনিয়োগ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, শুক্রবার ইয়েরেভানে বায়োডাইভারসিটি লিডারস সামিটে সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওয়াইল্ডলাইফের সিইও ড. মোহাম্মদ আলী কুরবান। জাতিসংঘ জীববৈচিত্র্য কনভেনশনের ১৭তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (কপ১৭) শুরুর আগে এই সামিট অনুষ্ঠিত হয়। কপ১৭ ১৯ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

ড. কুরবান বলেন, খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদ এবং ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের নেতৃত্বে সৌদি আরব সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। দেশটি কুনমিং-মন্ট্রিয়াল গ্লোবাল বায়োডাইভারসিটি ফ্রেমওয়ার্কের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ২২টি লক্ষ্যসম্বলিত একটি জাতীয় জীববৈচিত্র্য কাঠামো গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, সৌদি আরবের স্থলভাগের ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ এবং সামুদ্রিক অঞ্চলের ১৬ দশমিক ২ শতাংশ এখন সংরক্ষিত এলাকার আওতায় এসেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটির ৩০ শতাংশে পৌঁছানোই লক্ষ্য। প্রশ্ন হলো, এই লক্ষ্য পূরণের পথে সময় যত গড়াবে, ততই কি সংরক্ষণ পরিকল্পনার গতি বাড়াতে হবে?

ড. কুরবান আরও বলেন, সৌদি আরব এক মিলিয়নেরও বেশি হেক্টর ক্ষয়িষ্ণু জমি পুনরুদ্ধার করেছে এবং ১৫ কোটি ৯০ লাখেরও বেশি গাছ লাগিয়েছে। দেশটির লক্ষ্য ৪০ মিলিয়ন হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার করা। এছাড়া ১০ হাজার ৫০০-এরও বেশি বন্য প্রাণী তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন হলো, গাছ লাগানোর সংখ্যা আর প্রাণী অবমুক্তির হিসাব কি একা বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনতে পারে, নাকি দীর্ঘমেয়াদি পরিবীক্ষণও সমান জরুরি?

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বৃত্তাকার অর্থনীতির দিকে উত্তরণে সহায়তার জন্য ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এছাড়া লোহিত সাগরে প্রবালপ্রাচীর ও কাছিম সংরক্ষণের জন্য জেনারেল অর্গানাইজেশন ফর দ্য কনজারভেশন অব কোরাল রিফস অ্যান্ড টার্টলস ইন দ্য রেড সি (শামস) এবং কোরাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্সিলারেটর প্ল্যাটফর্ম (কর্ড্যাপ) গঠন করা হয়েছে। কর্ড্যাপ চালু হয়েছিল ২০২০ সালে সৌদি আরবের জি২০ সভাপতিত্বের সময়। প্রশ্ন হলো, প্রবালপ্রাচীর রক্ষার প্রযুক্তিগত উদ্যোগগুলো কি উপকূলীয় সম্প্রদায়ের জীবিকাকেও সমানভাবে বিবেচনায় নিচ্ছে?

ড. কুরবান বলেন, বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে যেতে হবে। তাঁর বক্তব্যে প্রকৃতি সংরক্ষণকে জাতির স্থিতিশীলতা, খাদ্য ও পানি নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়নের বিনিয়োগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। প্রশ্ন হলো, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে বিনিয়োগ হিসেবে দেখলে অর্থায়নের অগ্রাধিকার কি বদলাবে?

সৌদি আরবের এই অবস্থান এমন সময়ে এল, যখন কপ১৭-এর আগে বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য লক্ষ্য পূরণের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা চলছে। ইয়েরেভানে অনুষ্ঠিত লিডারস সামিটে সৌদি প্রতিনিধিদল স্পষ্ট করেছে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ছাড়া লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়। প্রশ্ন হলো, উন্নয়নশীল দেশগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ছাড়া কি বৈশ্বিক লক্ষ্য কেবল কাগজেই থাকবে?

ড. কুরবান বলেন, সৌদি আরবের জাতীয় জীববৈচিত্র্য কাঠামোয় ২২টি লক্ষ্য আছে, যা কুনমিং-মন্ট্রিয়াল গ্লোবাল বায়োডাইভারসিটি ফ্রেমওয়ার্কের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এই কাঠামো বাস্তবায়নে সংরক্ষিত এলাকা সম্প্রসারণ, ভূমি পুনরুদ্ধার, বৃক্ষরোপণ ও বন্য প্রাণী পুনর্বাসনের মতো কার্যক্রম চলছে। প্রশ্ন হলো, এই কার্যক্রমের ফলাফল পরিমাপের জন্য স্বাধীন পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত?

সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংরক্ষিত এলাকার হিসাব এখন স্থলভাগে ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ এবং সামুদ্রিক অঞ্চলে ১৬ দশমিক ২ শতাংশ। ২০৩০ সালের মধ্যে দুটো ক্ষেত্রেই ৩০ শতাংশে পৌঁছানো লক্ষ্য। প্রশ্ন হলো, সামুদ্রিক সংরক্ষণ এলাকা বাড়ানোর ক্ষেত্রে মৎস্যসম্পদ ও উপকূলীয় অর্থনীতির ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হবে?

ভূমি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে সৌদি আরব এক মিলিয়নেরও বেশি হেক্টর ক্ষয়িষ্ণু জমি পুনরুদ্ধার করেছে। লক্ষ্য ৪০ মিলিয়ন হেক্টর। বৃক্ষরোপণে ১৫ কোটি ৯০ লাখেরও বেশি গাছ লাগানো হয়েছে। বন্য প্রাণী অবমুক্তির সংখ্যা ১০ হাজার ৫০০-এরও বেশি। প্রশ্ন হলো, এই অগ্রগতি কি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে স্বচ্ছভাবে যাচাই করা যাবে?

বৃত্তাকার অর্থনীতির প্রসঙ্গে ড. কুরবান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের কথা বলেন। এই প্রতিষ্ঠান বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উত্তরণে সহায়তা করবে। প্রশ্ন হলো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন কি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে?

লোহিত সাগরের প্রবালপ্রাচীর ও কাছিম সংরক্ষণে শামস এবং কর্ড্যাপের কাজের কথা তিনি তুলে ধরেন। কর্ড্যাপ চালু হয় ২০২০ সালে সৌদি আরবের জি২০ সভাপতিত্বের সময়। প্রশ্ন হলো, প্রবালপ্রাচীর গবেষণার ফলাফল কি নীতিনির্ধারণে দ্রুত পৌঁছাচ্ছে?

সৌদি আরবের বক্তব্যে প্রকৃতি সংরক্ষণকে খাদ্য ও পানি নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, জীববৈচিত্র্য হারানোর প্রভাব কি খাদ্য ও পানি নিরাপত্তার হিসাবেও প্রতিফলিত হচ্ছে?

কপ১৭ ১৯ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। ইয়েরেভানে লিডারস সামিটে সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ড. মোহাম্মদ আলী কুরবান। তিনি ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওয়াইল্ডলাইফের সিইও এবং সৌদি প্রতিনিধিদলের প্রধান। প্রশ্ন হলো, সামিটের আলোচনা কি কপ১৭-এর সিদ্ধান্তে বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনায় রূপ নেবে?

সৌদি আরব বলেছে, বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে যেতে হবে এবং সিদ্ধান্ত, বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বে দৃশ্যমান ফলাফল দরকার। প্রশ্ন হলো, এই আহ্বান শুনে উন্নত দেশগুলো কি অর্থায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসবে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে সৌদি আরবের জাতীয় জীববৈচিত্র্য কাঠামোর ২২টি লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে, যা কুনমিং-মন্ট্রিয়াল ফ্রেমওয়ার্কের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। সংরক্ষিত এলাকার হিসাব, ভূমি পুনরুদ্ধার, বৃক্ষরোপণ ও প্রাণী অবমুক্তির সংখ্যাও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, এই তথ্যগুলো কি কপ১৭-এর আলোচনায় সৌদি আরবের অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করবে?

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বৃত্তাকার অর্থনীতির জন্য ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠা, শামস এবং কর্ড্যাপ গঠনের কথা। কর্ড্যাপ চালু হয় ২০২০ সালে জি২০ সভাপতিত্বের সময়। প্রশ্ন হলো, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ কি আঞ্চলিক সহযোগিতার মডেল হয়ে উঠতে পারে?

সৌদি আরবের বক্তব্যে ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের সঙ্গতির কথা বলা হয়েছে। বাদশাহ সালমান ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, ভিশন ২০৩০-এর অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যের লক্ষ্যের সঙ্গে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্য কীভাবে একসঙ্গে এগোবে?

ইয়েরেভানে শুক্রবার অনুষ্ঠিত লিডারস সামিটে সৌদি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। কপ১৭ শুরু ১৯ অক্টোবর। এই সময়ে বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিনিয়োগ ও বাস্তবায়নের গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন হলো, সৌদি আরবের আহ্বান কি কপ১৭-এ নতুন কোনো অঙ্গীকারে রূপ নেবে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে সৌদি আরবের সংরক্ষণ অগ্রগতির সংখ্যা তুলে ধরা হলেও ভূমি পুনরুদ্ধার, বৃক্ষরোপণ ও প্রাণী অবমুক্তির সময়সীমা, ব্যয় বা স্বাধীন যাচাইয়ের পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। কপ১৭-এ সৌদি আরবের পক্ষ থেকে কী ধরনের প্রস্তাব উত্থাপিত হবে, সে বিষয়েও প্রতিবেদনে স্পষ্ট কিছু নেই।

সৌদি আরব কপ১৭-এর আগে কী আহ্বান জানিয়েছে? সৌদি আরব আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার এবং বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য লক্ষ্য দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে। দেশটি বলেছে, পরিবেশগত অঙ্গীকারকে সিদ্ধান্ত, বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বে রূপ দিতে হবে, যাতে দৃশ্যমান ফলাফল মেলে। এসপিএ জানিয়েছে, এই বক্তব্য ইয়েরেভানে বায়োডাইভারসিটি লিডারস সামিটে দেওয়া হয়। কপ১৭ ১৯ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

সৌদি আরবের জাতীয় জীববৈচিত্র্য কাঠামোয় কী আছে? ড. মোহাম্মদ আলী কুরবান বলেন, সৌদি আরব কুনমিং-মন্ট্রিয়াল গ্লোবাল বায়োডাইভারসিটি ফ্রেমওয়ার্কের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ২২টি লক্ষ্যসম্বলিত জাতীয় জীববৈচিত্র্য কাঠামো গ্রহণ করেছে। এটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তৈরি। এসপিএ জানিয়েছে, বাদশাহ সালমান ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংরক্ষিত এলাকার বর্তমান অবস্থা কী? ড. কুরবান জানান, সৌদি আরবের স্থলভাগের ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ এবং সামুদ্রিক অঞ্চলের ১৬ দশমিক ২ শতাংশ সংরক্ষিত এলাকার আওতায় এসেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটির ৩০ শতাংশে পৌঁছানো লক্ষ্য। এসপিএ জানিয়েছে, এই তথ্য ইয়েরেভানে লিডারস সামিটে দেওয়া হয়। কপ১৭ ১৯ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

ভূমি পুনরুদ্ধার ও বৃক্ষরোপণে কী অগ্রগতি হয়েছে? ড. কুরবান বলেন, সৌদি আরব এক মিলিয়নেরও বেশি হেক্টর ক্ষয়িষ্ণু জমি পুনরুদ্ধার করেছে এবং ১৫ কোটি ৯০ লাখেরও বেশি গাছ লাগিয়েছে। দেশটির লক্ষ্য ৪০ মিলিয়ন হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার। এছাড়া ১০ হাজার ৫০০-এরও বেশি বন্য প্রাণী প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই তথ্য সামিটে তুলে ধরা হয়।

বৃত্তাকার অর্থনীতি ও প্রবালপ্রাচীর সংরক্ষণে কী উদ্যোগ আছে? ড. কুরবান ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠার কথা বলেন, যা বৃত্তাকার অর্থনীতির উত্তরণে সহায়তা করবে। এছাড়া লোহিত সাগরে প্রবালপ্রাচীর ও কাছিম সংরক্ষণে শামস এবং কোরাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাক্সিলারেটর প্ল্যাটফর্ম (কর্ড্যাপ) গঠন করা হয়েছে। কর্ড্যাপ চালু হয় ২০২০ সালে সৌদি আরবের জি২০ সভাপতিত্বের সময়।

কপ১৭ কখন এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হবে? জাতিসংঘ জীববৈচিত্র্য কনভেনশনের ১৭তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (কপ১৭) ১৯ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এর আগে শুক্রবার ইয়েরেভানে বায়োডাইভারসিটি লিডারস সামিট অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ন্যাশনাল সেন্টার ফর ওয়াইল্ডলাইফের সিইও ড. মোহাম্মদ আলী কুরবান। এসপিএ জানিয়েছে, সামিটে সৌদি আরবের বক্তব্য দেওয়া হয়।