সোকোট্রা, ২১ অক্টোবর ২০২৬ — ইয়েমেনের সোকোট্রা গভর্নরেটে বাথরা ইনিশিয়েটিভের সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছেছে কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) এর একটি দল। পশুপালক ও গৃহস্থালি বায়োগ্যাস উৎপাদন সহায়তা প্রকল্পের আওতায় এই সফর।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, দলটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেছে এবং সুবিধাভোগীদের সঙ্গে দেখা করেছে। সেখানে তারা জেনেছে, কীভাবে বাড়ির বাগান পরিবারগুলোকে সবজি দেয় এবং বায়োগ্যাস ইউনিট ঘরোয়া জ্বালানির সমাধান দেয়। দুটোই জীবনযাত্রার অবস্থা উন্নত করতে সাহায্য করে।
দলটি ১৫০ জন অংশগ্রহণকারীর জন্য একটি কৃষি সম্প্রসারণ প্রশিক্ষণ কোর্সও শুরু করেছে। প্রশিক্ষণে আছে বাড়ির বাগান পরিচর্যা, ভালো কৃষি চর্চা, ফসল তোলার পরের কৌশল এবং সোকোট্রার পরিবেশ-ব্যবস্থার উপযোগী পরিবেশবান্ধব জৈব কীটনাশক প্রস্তুত ও ব্যবহার।
এই কার্যক্রম সৌদি আরবের মানবিক প্রচেষ্টার অংশ, যা কেএসরিলিফের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। লক্ষ্য কৃষিকে সহায়তা করা, অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করা এবং ইয়েমেনের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর আয় বাড়ানো।
সোকোট্রা দ্বীপ তার অনন্য জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত। এমন পরিবেশে কৃষি সহায়তা কীভাবে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হবে — সেটাই এই প্রকল্পের মূল চ্যালেঞ্জ নয় কি? প্রশিক্ষণে জৈব কীটনাশকের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হওয়া ইঙ্গিত দেয়, পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট না করেই উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
বাথরা ইনিশিয়েটিভের আওতায় পশুপালকদের সহায়তা ও গৃহস্থালি বায়োগ্যাস — এই দুই ধারার কাজ একসঙ্গে চলছে। বাড়ির বাগান থেকে সবজি পাওয়া মানে পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তার একটি অংশ নিজেরাই মিটিয়ে ফেলা। আর বায়োগ্যাস ইউনিট মানে রান্নার জ্বালানির জন্য হয়তো কম খরচ ও কম ধোঁয়া। গ্রামীণ পরিবারে এ ধরনের পরিবর্তন কতটা দ্রুত বোঝা যায়?
কেএসরিলিফের দল সরেজমিনে গিয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেছে। শুধু কাগজে-কলমে নয়, সুবিধাভোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তারা জানতে পেরেছে বাগান ও বায়োগ্যাস ইউনিট কীভাবে কাজে লাগছে। এ ধরনের মাঠপর্যায়ের পর্যালোচনা প্রকল্পের গতি বোঝার জন্য জরুরি নয় কি?
১৫০ জনের প্রশিক্ষণ কোর্সটি চারটি বিষয় ঘিরে সাজানো। বাড়ির বাগান পরিচর্যা, ভালো কৃষি চর্চা, ফসল তোলার পরের কৌশল এবং জৈব কীটনাশক প্রস্তুত ও ব্যবহার। সোকোট্রার পরিবেশ-ব্যবস্থার সঙ্গে মানানসই কীটনাশক — এই শব্দবন্ধটি তাৎপর্যপূর্ণ। দ্বীপের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করেই ফসল রক্ষার পথ খোঁজা হচ্ছে কি?
ফসল তোলার পরের কৌশল শেখানো মানে শুধু উৎপাদন নয়, নষ্ট কমিয়ে আনার দিকেও নজর। কৃষক যদি ফসল তুলে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে না জানেন, তবে পরিশ্রমের বড় অংশ হারিয়ে যায়। এই প্রশিক্ষণ কি সেই ঘাটতি মেটাতে পারবে?
সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা কেএসরিলিফের মাধ্যমে ইয়েমেনে কৃষি, অর্থনৈতিক অবস্থা ও আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে চলছে। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনায় নিয়ে এই কার্যক্রম সাজানো। ইয়েমেনে কৃষি সহায়তা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ — সেখানকার অনেক পরিবারের আয়ের মূল ভিত্তিই তো কৃষি ও পশুপালন।
বাথরা ইনিশিয়েটিভের নাম এসপিএর প্রতিবেদনে এসেছে। তবে প্রকল্পটি কত দিন ধরে চলছে, কত পরিবার উপকৃত হয়েছে বা বায়োগ্যাস ইউনিট কতগুলো বসানো হয়েছে — এসব সংখ্যা প্রতিবেদনে নেই। প্রশিক্ষণের ১৫০ জন অংশগ্রহণকারী কীভাবে বাছাই করা হলো, সেটাও উল্লেখ নেই।
সোকোট্রা গভর্নরেট ইয়েমেনের একটি দ্বীপাঞ্চল। সেখানে পশুপালন ও কৃষি অনেক পরিবারের জীবিকার অংশ। এমন প্রেক্ষাপটে বাইরে থেকে আসা সহায়তা স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে মিলে গেলে ফল দেয়। কেএসরিলিফের দল সরেজমিনে গিয়ে সুবিধাভোগীদের সঙ্গে দেখা করছে — এটাই কি প্রকল্পটি ঠিক পথে আছে তার প্রমাণ?
গৃহস্থালি বায়োগ্যাস উৎপাদন পরিবারের জ্বালানি চাহিদার একটি বিকল্প। বাড়ির বাগান পরিবারের পাতে সবজি জোগায়। দুটো একসঙ্গে এলে একটি পরিবারের খাদ্য ও জ্বালানি — দুই ধরনের প্রয়োজনই কিছুটা মেটে। জীবনযাত্রার অবস্থা উন্নত হওয়ার কথা এসপিএ বলেছে। কিন্তু এই উন্নতি কতটা টেকসই হবে, তা নির্ভর করে প্রশিক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের ধারাবাহিকতার ওপর।
কৃষি সম্প্রসারণ প্রশিক্ষণ মানে শুধু এক দিনের ক্লাস নয়। সম্প্রসারণ মানে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া, যাতে একজন শেখা কৃষক আরও অনেককে শেখাতে পারেন। ১৫০ জন যদি নিজেদের পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে এই চর্চা ছড়িয়ে দেন, তবে প্রভাব অনেক বড় হতে পারে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা কীভাবে সহায়তা পাবেন — সেই প্রশ্নও জরুরি।
জৈব কীটনাশক প্রস্তুত ও ব্যবহার শেখানো হচ্ছে সোকোট্রার পরিবেশ-ব্যবস্থার উপযোগী করে। রাসায়নিক কীটনাশকের বদলে জৈব পদ্ধতি দ্বীপের মাটি ও প্রাণীকুলের জন্য কম ক্ষতিকর। পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চা দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা কি সহজ?
সৌদি আরবের এই মানবিক প্রচেষ্টা কৃষি, অর্থনৈতিক অবস্থা ও আয় — তিনটি ক্ষেত্রকে একসঙ্গে সম্বোধন করছে। একটি পরিবারের আয় বাড়লে তার খাদ্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুযোগও বদলায়। ইয়েমেনের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য এমন সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি কতটা ফলদায়ক হবে?
এসপিএর প্রতিবেদনে প্রকল্পের মেয়াদ, বাজেট বা পরবর্তী ধাপের সময়সূচি উল্লেখ নেই। প্রশিক্ষণ কোর্সটি কত দিন চলবে বা শেষে কোনো সনদ দেওয়া হবে কি না, সে তথ্যও নেই। বায়োগ্যাস ইউনিটের রক্ষণাবেক্ষণ কে করবে বা যন্ত্রাংশ কোথা থেকে আসবে — এসব বিবরণ প্রতিবেদনে অনুপস্থিত।
সোকোট্রার ভৌগোলিক অবস্থান আলাদা। দ্বীপে পণ্য ও সরঞ্জাম পৌঁছানো সহজ নয়। এমন পরিস্থিতিতে বাড়ির বাগান ও বায়োগ্যাসের মতো স্থানীয় সম্পদভিত্তিক সমাধান বাস্তবসম্মত। বাইরের নির্ভরতা কমিয়ে নিজেরাই কিছু উৎপাদন করা — এই দিকটি কি দীর্ঘমেয়াদে বেশি টিকে থাকবে?
কেএসরিলিফের দল সুবিধাভোগীদের সঙ্গে দেখা করে জেনেছে, বাগান কীভাবে সবজি দেয় আর বায়োগ্যাস ইউনিট কীভাবে ঘরোয়া জ্বালানি দেয়। এই প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা প্রকল্পের নকশা ঠিক আছে কি না, তা যাচাইয়ের একটি উপায়। মাঠ থেকে পাওয়া তথ্য দিয়ে ভবিষ্যতে প্রকল্প সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় কি?
১৫০ জন অংশগ্রহণকারীর প্রশিক্ষণ চারটি বিষয়ে ছড়ানো — বাগান, ভালো চর্চা, ফসলোত্তর কৌশল ও জৈব কীটনাশক। প্রতিটি বিষয় আলাদা দক্ষতা। একজন কৃষক যদি চারটিই শেখেন, তবে তার উৎপাদন ও সংরক্ষণ — দুই ক্ষেত্রেই উন্নতির সুযোগ থাকে। প্রশিক্ষণের মান কেমন হবে, সেটাই তো আসল প্রশ্ন?
সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা ইয়েমেনে কৃষি খাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চলছে। আয় বাড়ানো ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি — এই লক্ষ্যগুলো একসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃষি যদি পরিবারের আয়ের মূল উৎস হয়, তবে উৎপাদন বাড়লেই আয় বাড়ে। কিন্তু বাজার ও পরিবহন ব্যবস্থা না থাকলে অতিরিক্ত ফসলের কী হবে?
এসপিএর প্রতিবেদনে প্রকল্পের ফলাফল পরিমাপের কোনো সূচক দেওয়া হয়নি। কত পরিবার আগে থেকে সবজি কিনত আর এখন নিজেরাই উৎপাদন করছে, বা বায়োগ্যাস থেকে কতটা জ্বালানি সাশ্রয় হচ্ছে — এমন তথ্য নেই। ভবিষ্যতে এই প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আরও বিস্তারিত প্রতিবেদন আসবে কি?
সোকোট্রার পরিবেশ-ব্যবস্থা সংবেদনশীল। সেখানে কৃষি সম্প্রসারণের কাজ করতে গেলে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের কথা মাথায় রাখতে হয়। প্রশিক্ষণে জৈব কীটনাশকের ওপর জোর দেওয়া সেই বিবেচনারই অংশ। পরিবেশ রক্ষা করে জীবিকা বাড়ানোর এই ভারসাম্য কি সহজে অর্জনযোগ্য?
বাথরা ইনিশিয়েটিভের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে কেএসরিলিফ দলের সাক্ষাৎ মানে প্রকল্পটি এখন মাঠে সক্রিয়। পশুপালকদের সহায়তা ও গৃহস্থালি বায়োগ্যাস — দুই ধারাই চলছে। প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু হওয়া মানে জ্ঞান ছড়ানোর ধাপও শুরু। এই ধারা অব্যাহত থাকলে সোকোট্রার পরিবারগুলোর জন্য কী বদল আসবে, সেটাই দেখার বিষয়।
কেএসরিলিফের দল সোকোট্রায় কী করেছে? দলটি বাথরা ইনিশিয়েটিভের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে দেখা করেছে এবং প্রকল্পের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, তারা জেনেছে বাড়ির বাগান পরিবারকে সবজি দেয় এবং বায়োগ্যাস ইউনিট ঘরোয়া জ্বালানির সমাধান দেয়। দুটোই জীবনযাত্রার অবস্থা উন্নত করতে সাহায্য করে। দলটি ১৫০ জনের কৃষি সম্প্রসারণ প্রশিক্ষণ কোর্সও শুরু করেছে।
প্রশিক্ষণ কোর্সে কী কী বিষয় আছে? প্রশিক্ষণে আছে বাড়ির বাগান পরিচর্যা, ভালো কৃষি চর্চা, ফসল তোলার পরের কৌশল এবং পরিবেশবান্ধব জৈব কীটনাশক প্রস্তুত ও ব্যবহার। জৈব কীটনাশকটি সোকোট্রার পরিবেশ-ব্যবস্থার উপযোগী করে বাছাই করা। এসপিএ জানিয়েছে, কোর্সে ১৫০ জন অংশগ্রহণ করছেন। প্রশিক্ষণের মেয়াদ বা সনদ সংক্রান্ত তথ্য প্রতিবেদনে নেই।
বাথরা ইনিশিয়েটিভ কী ধরনের সহায়তা দেয়? এসপিএ জানিয়েছে, প্রকল্পটি পশুপালকদের সহায়তা ও গৃহস্থালি বায়োগ্যাস উৎপাদন নিয়ে কাজ করে। বাড়ির বাগান পরিবারগুলোকে সবজি জোগায় এবং বায়োগ্যাস ইউনিট ঘরোয়া জ্বালানির সমাধান দেয়। দুটোই জীবনযাত্রার অবস্থা উন্নত করতে সাহায্য করে। এই কার্যক্রম সৌদি আরবের মানবিক প্রচেষ্টার অংশ, যা কেএসরিলিফের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
এই কার্যক্রমের লক্ষ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, কার্যক্রমগুলো সৌদি আরবের মানবিক প্রচেষ্টার অংশ, যা কেএসরিলিফের মাধ্যমে পরিচালিত। লক্ষ্য হলো কৃষিকে সহায়তা করা, অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করা এবং ইয়েমেনের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর আয় বাড়ানো। সোকোট্রা গভর্নরেটে এই কাজ চলছে। প্রকল্পের বাজেট বা মেয়াদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
সোকোট্রার পরিবেশ-ব্যবস্থার সঙ্গে প্রশিক্ষণের সম্পর্ক কী? প্রশিক্ষণে জৈব কীটনাশক প্রস্তুত ও ব্যবহার শেখানো হচ্ছে, যা সোকোট্রার পরিবেশ-ব্যবস্থার উপযোগী। এসপিএ জানিয়েছে, কোর্সে পরিবেশবান্ধব জৈব কীটনাশকের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত। সোকোট্রা দ্বীপ তার অনন্য জীববৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত। রাসায়নিক কীটনাশকের বদলে জৈব পদ্ধতি দ্বীপের মাটি ও প্রাণীকুলের জন্য কম ক্ষতিকর বলে প্রশিক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএর প্রতিবেদনে প্রকল্পের মেয়াদ, বাজেট বা পরবর্তী ধাপের সময়সূচি উল্লেখ নেই। প্রশিক্ষণ কোর্স কত দিন চলবে বা শেষে সনদ দেওয়া হবে কি না, সে তথ্যও নেই। কত পরিবার উপকৃত হয়েছে বা কতগুলো বায়োগ্যাস ইউনিট বসানো হয়েছে, এমন সংখ্যাও দেওয়া হয়নি। বায়োগ্যাস ইউনিটের রক্ষণাবেক্ষণ কে করবে, সে বিবরণও অনুপস্থিত।