উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের তুরাইফ গভর্নরেটে বার্ষিক অভিবাসন পথ ধরে কোয়েল পাখি দেখা গেছে। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে সৌদি আরবের ওপর দিয়ে যাওয়া এই পরিযায়ী পাখিটি শীতকালজুড়েও আসে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের আমান এনভায়রনমেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নাসের আল-মাজলাদ এ তথ্য দিয়েছেন।
আল-মাজলাদ বলেন, অভিবাসনের সময় পাখিটি বন্য উদ্ভিদে সমৃদ্ধ এলাকায় বিচরণ করে। সেখানে সে মাটিতে খাবার খুঁজে বেড়ায় এবং বীজ, গাছপালা ও অমেরুদণ্ডী প্রাণী খায়।
কোয়েল পাখি তার সতর্ক ও আত্মগোপনকারী স্বভাবের জন্য পরিচিত। ফলে তাকে প্রায়ই দেখা যায় না, বরং ডাক শোনা যায়। পুরুষ পাখি প্রতি কয়েক সেকেন্ড পর পর ছন্দময় ধারাবাহিক ডাক দেয়।
আল-মাজলাদ উল্লেখ করেন, পরিযায়ী পাখির উপস্থিতি অঞ্চলটির প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক আকর্ষণ বাড়ায়। এতে বন্যপ্রাণীপ্রেমী ও পাখি পর্যবেক্ষকরা আকৃষ্ট হন।
এসপিএ জানিয়েছে, কোয়েল পাখি সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে সৌদি আরবের ওপর দিয়ে যায় এবং শীতকালজুড়ে আবার আসে। তুরাইফ গভর্নরেট উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অভিবাসনের সময় পাখিটি বন্য উদ্ভিদে সমৃদ্ধ এলাকা পছন্দ করে। সেখানে সে মাটিতে খাবার সংগ্রহ করে। তার খাদ্যের মধ্যে বীজ, গাছপালা ও অমেরুদণ্ডী প্রাণী রয়েছে।
কোয়েল পাখির স্বভাব সম্পর্কে আল-মাজলাদ বলেন, এটি সতর্ক ও আত্মগোপনকারী। তাই তাকে দেখা যাওয়ার চেয়ে ডাক শোনার সম্ভাবনা বেশি। পুরুষ পাখির ডাক প্রতি কয়েক সেকেন্ড পর পর ছন্দে পুনরাবৃত্ত হয়।
তুরাইফ গভর্নরেটে এই পাখির উপস্থিতি বার্ষিক অভিবাসন পথের অংশ। এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্থানীয় পরিবেশ সংস্থার চেয়ারম্যানের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিযায়ী পাখির উপস্থিতি অঞ্চলের প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক আকর্ষণ বাড়ায়। এতে বন্যপ্রাণীপ্রেমী ও পাখি পর্যবেক্ষকরা আকৃষ্ট হন।
এসপিএ-র খবরে কোয়েল পাখির সংখ্যা, নির্দিষ্ট স্থান বা সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু তুরাইফ গভর্নরেটে পাখিটি দেখা যাওয়ার তথ্য রয়েছে।
কোয়েল পাখি কোথায় দেখা গেছে? উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের তুরাইফ গভর্নরেটে বার্ষিক অভিবাসন পথ ধরে কোয়েল পাখি দেখা গেছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, আমান এনভায়রনমেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নাসের আল-মাজলাদ এ তথ্য দিয়েছেন। পাখিটি সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে সৌদি আরবের ওপর দিয়ে যায় এবং শীতকালজুড়ে আবার আসে।
অভিবাসনের সময় কোয়েল পাখি কী খায়? আল-মাজলাদ বলেন, অভিবাসনের সময় কোয়েল পাখি বন্য উদ্ভিদে সমৃদ্ধ এলাকায় বিচরণ করে। সেখানে সে মাটিতে খাবার খুঁজে বেড়ায়। তার খাদ্যের মধ্যে বীজ, গাছপালা ও অমেরুদণ্ডী প্রাণী রয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে খাদ্যের বিস্তারিত তালিকা বা পরিমাণ সম্পর্কে অতিরিক্ত কিছু বলা হয়নি।
কোয়েল পাখির স্বভাব কেমন? কোয়েল পাখি সতর্ক ও আত্মগোপনকারী স্বভাবের জন্য পরিচিত। ফলে তাকে প্রায়ই দেখা যায় না, বরং ডাক শোনা যায়। পুরুষ পাখি প্রতি কয়েক সেকেন্ড পর পর ছন্দময় ধারাবাহিক ডাক দেয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে আল-মাজলাদ এই স্বভাবের কথা উল্লেখ করেছেন।
পরিযায়ী পাখির উপস্থিতি অঞ্চলের জন্য কী অর্থ বহন করে? আল-মাজলাদ উল্লেখ করেন, পরিযায়ী পাখির উপস্থিতি অঞ্চলটির প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক আকর্ষণ বাড়ায়। এতে বন্যপ্রাণীপ্রেমী ও পাখি পর্যবেক্ষকরা আকৃষ্ট হন। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোয়েল পাখি সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে এবং শীতকালজুড়ে সৌদি আরবের ওপর দিয়ে যায়।





