মক্কার মসজিদুল হারামে শুক্রবারের জুমার খুতবায় ইমাম শেখ সালেহ বিন হুমাইদ মুসলিমদের আল্লাহর প্রতি সচেতন থাকার, সৎকাজে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার এবং বিশ্বাসে যে প্রকৃত তৃপ্তি রয়েছে তা অন্বেষণ করার আহ্বান জানিয়েছেন। খুতবায় তিনি বলেন, স্থায়ী শান্তি ও সুখ তিনটি স্তম্ভ থেকে আসে—আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে মেনে নেওয়া, ইসলামকে পথনির্দেশ হিসেবে গ্রহণ করা এবং রাসূল মুহাম্মদ (সা.)-কে আদর্শ হিসেবে অনুসরণ করা।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, ইমাম শেখ সালেহ বিন হুমাইদ মসজিদুল হারামে জুমার খুতবায় এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই ভিত্তিগুলো মুমিনদের অন্তরের স্থিতিশীলতা দেয়, যাতে তারা ধৈর্যের সঙ্গে জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে এবং কৃতজ্ঞতার সঙ্গে এর নিয়ামতগুলো গ্রহণ করতে পারে।
ইমাম আরও সতর্ক করেন, বিশ্বাসের অবক্ষয় হতাশা, স্বার্থপরতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করে। তিনি উপাসকদের ইসলামী মূল্যবোধ ও নবীজির পথনির্দেশের প্রতি তাদের অঙ্গীকার নবায়ন করার আহ্বান জানিয়ে খুতবা শেষ করেন।
একজন ইমাম কেন মক্কার সবচেয়ে পবিত্র মসজিদ থেকে অন্তরের শান্তির মতো বিষয় নিয়ে কথা বলেন? কারণ তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষের সবচেয়ে বড় সংকট বাহ্যিক নয়, অন্তরের। শেখ সালেহ বিন হুমাইদের ভাষায়, প্রকৃত সুখ ও স্থায়ী শান্তি কোনো বস্তুগত অর্জনে নয়, বরং আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে মেনে নেওয়ার মধ্যে নিহিত। এই স্বীকৃতি মানুষকে দেয় এক ধরনের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য, যা জীবনের ওঠানামায় তাকে স্থির রাখে।
খুতবায় তিনি তিনটি স্তম্ভের কথা বলেন। প্রথমটি হলো আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে গ্রহণ করা। দ্বিতীয়টি হলো ইসলামকে জীবনের পথনির্দেশ হিসেবে মেনে নেওয়া। তৃতীয়টি হলো রাসূল মুহাম্মদ (সা.)-কে আদর্শ হিসেবে অনুসরণ করা। এই তিনটি ভিত্তি একসঙ্গে মুমিনের অন্তরে এমন এক স্থিতি তৈরি করে, যা তাকে ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে জীবনযাপন করতে সাহায্য করে।
কেন ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার কথা একসঙ্গে আসে? কারণ একজন মুমিনের জীবন দুটি অবস্থার মধ্য দিয়ে যায়—সুখ ও দুঃখ। ইমামের মতে, এই তিনটি স্তম্ভ তাকে দুঃখে ধৈর্য ধারণের শক্তি দেয় এবং সুখে কৃতজ্ঞ থাকার মানসিকতা দেয়। ফলে জীবনের কোনো অবস্থাই তাকে বিচলিত করতে পারে না।
শেখ সালেহ বিন হুমাইদ শুধু আশার কথা বলেননি, সতর্কবাণীও দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিশ্বাসের অবক্ষয় মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি করে। এই হতাশা একসময় স্বার্থপরতায় রূপ নেয়, আর স্বার্থপরতা সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করে। অর্থাৎ, ব্যক্তির অন্তরের সমস্যা একসময় সমাজের সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।
একজন ব্যক্তির বিশ্বাস দুর্বল হলে তা সমাজে কীভাবে প্রভাব ফেলে? ইমামের বক্তব্যের আলোকে দেখা যায়, বিশ্বাস যখন দুর্বল হয়, তখন মানুষ নিজের স্বার্থকে সবার আগে রাখতে শুরু করে। ফলে পারিবারিক বন্ধন, প্রতিবেশীর অধিকার এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনে ঘাটতি দেখা দেয়। এই ঘাটতি ধীরে ধীরে বিভাজন ও অসন্তোষ তৈরি করে।
মসজিদুল হারামে জুমার খুতবায় এই বিষয়গুলো তুলে ধরা তাৎপর্যপূর্ণ। মক্কার এই মসজিদে সারা বিশ্বের মুসলিমরা জুমার নামাজে অংশ নেন। ইমামের বক্তব্য শুধু স্থানীয় মুসল্লিদের জন্য নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের জন্য। তাই তাঁর আহ্বান বৈশ্বিকভাবে মুসলিম উম্মাহর কাছে পৌঁছায়।
খুতবায় ইমাম মুসল্লিদের ইসলামী মূল্যবোধ ও নবীজির পথনির্দেশের প্রতি তাদের অঙ্গীকার নবায়ন করার আহ্বান জানান। এই আহ্বান শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামী মূল্যবোধ অনুসরণের নির্দেশনা।
কেন অঙ্গীকার নবায়নের কথা বলা হলো? কারণ মানুষের বিশ্বাস সময়ের সঙ্গে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। প্রতিদিনের ব্যস্ততা, পার্থিব চাহিদা ও নানা প্রলোভন মানুষের মনোযোগ সরিয়ে নেয়। তাই সময়ে সময়ে নিজের বিশ্বাসকে ঝালিয়ে নেওয়া এবং অঙ্গীকার নবায়ন করা প্রয়োজন। ইমামের খুতবা সেই প্রয়োজনীয়তারই স্মারক।
শেখ সালেহ বিন হুমাইদ বলেন, এই তিনটি স্তম্ভ মুমিনকে অন্তরের স্থিতিশীলতা দেয়। এই স্থিতিশীলতা কীভাবে কাজ করে? একজন মানুষ যখন আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে মেনে নেয়, তখন সে জানে যে তার জীবন ও মৃত্যু, সুখ ও দুঃখ—সবই এক মহান সত্তার হাতে। এই বিশ্বাস তাকে অহংকার ও হতাশা থেকে রক্ষা করে।
ইসলামকে পথনির্দেশ হিসেবে গ্রহণ করলে মানুষ জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পায়। কোনটি সঠিক, কোনটি ভুল—এই পার্থক্য করতে সে সক্ষম হয়। আর রাসূল মুহাম্মদ (সা.)-কে আদর্শ হিসেবে অনুসরণ করলে সে দেখতে পায়, একজন মানুষ কীভাবে ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা ও নৈতিকতার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারে।
এই তিনটি স্তম্ভ একসঙ্গে কী দেয়? এগুলো মুমিনকে দেয় একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনদর্শন। শুধু ইবাদত নয়, বরং পারিবারিক জীবন, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক—সব ক্ষেত্রে এই দর্শন প্রযোজ্য। তাই ইমামের খুতবা ছিল একটি সমন্বিত আহ্বান।
খুতবায় ইমাম বিশ্বাসের অবক্ষয় নিয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, এই অবক্ষয় হতাশা, স্বার্থপরতা ও সামাজিক বিভাজন তৈরি করে। এই তিনটি সমস্যা কীভাবে সম্পর্কিত? বিশ্বাস দুর্বল হলে মানুষ ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশ হয়। হতাশা তাকে নিজের স্বার্থে মনোযোগী করে তোলে। আর স্বার্থপরতা সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করে।
একটি সমাজে বিশ্বাসের অবক্ষয় কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়? ইমামের বক্তব্যের মূল সুর হলো—নিজের বিশ্বাসকে মজবুত করা। তিনি মুসল্লিদের আহ্বান জানান, তারা যেন আল্লাহর প্রতি সচেতন থাকে এবং সৎকাজে দ্রুত এগিয়ে যায়। এই দুটি অভ্যাসই বিশ্বাসকে জীবিত রাখে।
সৎকাজে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ সময় নষ্ট হলে সুযোগ হারিয়ে যায়। ইমামের মতে, একজন মুমিনের উচিত ভালো কাজের সুযোগ পেলে দেরি না করা। এই তাৎপর্য শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতের মধ্যে নয়, বরং সমাজসেবা, দান-খয়রাত ও মানুষের উপকারের মধ্যেও প্রযোজ্য।
মসজিদুল হারামের জুমার খুতবায় এই আহ্বান সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য একটি বার্তা। মক্কায় অবস্থানরত মুসল্লিরা যেমন এই বক্তব্য শুনেছেন, তেমনি সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ-র প্রতিবেদনের মাধ্যমে তা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছেছে।
শেখ সালেহ বিন হুমাইদ তাঁর খুতবায় বলেন, স্থায়ী শান্তি ও সুখ তিনটি স্তম্ভ থেকে আসে। এই বক্তব্য কি শুধু ধর্মীয় বিষয়, নাকি এর সামাজিক প্রভাবও রয়েছে? ইমামের বক্তব্যের আলোকে দেখা যায়, এই তিনটি স্তম্ভ ব্যক্তির অন্তরের শান্তি যেমন দেয়, তেমনি সমাজে স্থিতিশীলতাও আনে।
একজন মানুষ যদি আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে মেনে নেয়, ইসলামকে পথনির্দেশ হিসেবে গ্রহণ করে এবং নবীজিকে আদর্শ হিসেবে অনুসরণ করে—তাহলে তার জীবন থেকে হতাশা, স্বার্থপরতা ও বিভাজন দূর হয়। ফলে সে নিজে শান্তিতে থাকে এবং সমাজেও শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে।
ইমামের খুতবায় আরও একটি দিক রয়েছে—কৃতজ্ঞতা। তিনি বলেন, এই ভিত্তিগুলো মুমিনকে জীবনের নিয়ামতগুলো কৃতজ্ঞতার সঙ্গে গ্রহণ করার শক্তি দেয়। কৃতজ্ঞতা কীভাবে অন্তরের শান্তি বাড়ায়? কারণ কৃতজ্ঞ মানুষ যা আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে, যা নেই তার জন্য হাহাকার করে না। এই সন্তুষ্টিই প্রকৃত সুখের মূল।
অন্যদিকে ধৈর্য মুমিনকে কষ্টের সময় স্থির থাকতে সাহায্য করে। ইমামের মতে, এই দুই গুণ—ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতা—একসঙ্গে মানুষের অন্তরকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখে। ফলে জীবনের ওঠানামা তাকে বিচলিত করতে পারে না।
খুতবায় ইমাম মুসল্লিদের ইসলামী মূল্যবোধ ও নবীজির পথনির্দেশের প্রতি অঙ্গীকার নবায়নের আহ্বান জানান। এই আহ্বান কেন প্রতিদিন প্রয়োজন? কারণ প্রতিদিনই মানুষ নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। প্রতিদিনই তার সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এই সিদ্ধান্তগুলো সঠিকভাবে নিতে হলে তার বিশ্বাস মজবুত থাকা দরকার।
শেখ সালেহ বিন হুমাইদের খুতবা শুধু একটি ধর্মীয় বক্তব্য নয়, বরং একটি জীবনদর্শনের সারসংক্ষেপ। তিনি দেখিয়েছেন, বিশ্বাস শুধু আচার-অনুষ্ঠানের বিষয় নয়, বরং অন্তরের শান্তি, পারিবারিক সুখ এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার মূল চাবিকাঠি।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ-র প্রতিবেদনে খুতবার যে অংশগুলো উঠে এসেছে, তাতে ইমামের মূল বক্তব্য স্পষ্ট। তবে প্রতিবেদনে খুতবার পূর্ণ পাঠ, ইমামের উদ্ধৃতির বিস্তারিত বা মুসল্লিদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। এসপিএ শুধু জানিয়েছে, খুতবা স্থানীয় সময় ১৫:০০ টায় (জিএমটি ১২:০০) অনুষ্ঠিত হয়।
মসজিদুল হারামে জুমার খুতবায় ইমাম শেখ সালেহ বিন হুমাইদের এই আহ্বান মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। তিনি দেখিয়েছেন, প্রকৃত শান্তি ও সুখ বাহ্যিক অর্জনে নয়, বরং আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, ইসলামের পথনির্দেশ এবং নবীজির আদর্শ অনুসরণের মধ্যে নিহিত। এই তিনটি স্তম্ভই মানুষের অন্তরের শান্তি ও সমাজের স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি।
ইমাম শেখ সালেহ বিন হুমাইদ কে এবং কোথায় খুতবা দিয়েছেন? ইমাম শেখ সালেহ বিন হুমাইদ মক্কার মসজিদুল হারামে শুক্রবারের জুমার খুতবায় বক্তব্য দেন। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, তিনি মুসলিমদের আল্লাহর প্রতি সচেতন থাকার, সৎকাজে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার এবং বিশ্বাসে প্রকৃত তৃপ্তি অন্বেষণ করার আহ্বান জানান। খুতবাটি স্থানীয় সময় ১৫:০০ টায় (জিএমটি ১২:০০) অনুষ্ঠিত হয়।
স্থায়ী শান্তি ও সুখের তিনটি স্তম্ভ কী কী? ইমাম শেখ সালেহ বিন হুমাইদ বলেন, স্থায়ী শান্তি ও সুখ তিনটি স্তম্ভ থেকে আসে—আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে মেনে নেওয়া, ইসলামকে পথনির্দেশ হিসেবে গ্রহণ করা এবং রাসূল মুহাম্মদ (সা.)-কে আদর্শ হিসেবে অনুসরণ করা। এসপিএ জানিয়েছে, এই ভিত্তিগুলো মুমিনদের অন্তরের স্থিতিশীলতা দেয়, যাতে তারা ধৈর্যের সঙ্গে জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে এবং কৃতজ্ঞতার সঙ্গে নিয়ামত গ্রহণ করতে পারে।
বিশ্বাসের অবক্ষয় সম্পর্কে ইমাম কী সতর্কবাণী দিয়েছেন? খুতবায় ইমাম শেখ সালেহ বিন হুমাইদ বিশ্বাসের অবক্ষয় নিয়ে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, এই অবক্ষয় হতাশা, স্বার্থপরতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করে। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি উপাসকদের ইসলামী মূল্যবোধ ও নবীজির পথনির্দেশের প্রতি তাদের অঙ্গীকার নবায়ন করার আহ্বান জানিয়ে খুতবা শেষ করেন।
এই খুতবার মূল আহ্বান কী ছিল? ইমাম শেখ সালেহ বিন হুমাইদ মুসলিমদের আল্লাহর প্রতি সচেতন থাকার, সৎকাজে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার এবং বিশ্বাসে প্রকৃত তৃপ্তি অন্বেষণ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই তিনটি স্তম্ভ মুমিনকে অন্তরের স্থিতিশীলতা দেয়। খুতবার শেষে তিনি উপাসকদের ইসলামী মূল্যবোধ ও নবীজির পথনির্দেশের প্রতি অঙ্গীকার নবায়ন করার আহ্বান জানান।
খুতবাটি কখন এবং কোন স্থানে অনুষ্ঠিত হয়? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, খুতবাটি মক্কার মসজিদুল হারামে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সময় ১৫:০০ টা এবং জিএমটি ১২:০০। প্রতিবেদনে খুতবার পূর্ণ পাঠ, ইমামের উদ্ধৃতির বিস্তারিত বা মুসল্লিদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।