Thursday, October 22, 2026
সাধারণ

সৌদিতে বজ্রঝড় ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস, জাজান-আসির-আল-বাহা-মক্কায় বন্যার আশঙ্কা

সৌদিতে বজ্রঝড় ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস, জাজান-আসির-আল-বাহা-মক্কায় বন্যার আশঙ্কা

সৌদি আরবের জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড়, শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। একই সঙ্গে এসব এলাকায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কার কথাও জানানো হয়েছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবারের এই পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে এসব অঞ্চলের কিছু অংশে এবং পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা তৈরি হতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, মদিনা, কাসিম, হাইল, তাবুক, আল-জউফ, উত্তর সীমান্ত, পূর্বাঞ্চল ও রিয়াদ অঞ্চলের কিছু অংশে দমকা হাওয়াসহ বজ্রঝড় হতে পারে, যা ধুলাবালি উড়িয়ে দিতে পারে।

লোহিত সাগরে বাতাসের গতিপথ ও গতিবেগ নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। উত্তর অংশে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে বইবে। মধ্য অংশে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে একই গতিবেগে অর্থাৎ ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হবে। দক্ষিণ অংশে বাতাস দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে বইবে।

আরব উপসাগরের ক্ষেত্রে পূর্বাভাস বলছে, উত্তর অংশে বাতাস দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে বইবে এবং সন্ধ্যায় তা উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ঘুরে যাবে, গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার। দক্ষিণ অংশে বাতাস উত্তর-পূর্ব থেকে পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার বেগে বইবে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পূর্বাভাস বৃহস্পতিবারের জন্য প্রযোজ্য। স্থানীয় সময় অনুযায়ী প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় সকাল ০৭:০৫ মিনিটে, যা গ্রিনিচ মান সময় ০৪:০৫ মিনিট।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের এই পূর্বাভাসে জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চলের বাসিন্দা ও ভ্রমণকারীদের জন্য সতর্ক থাকার বার্তা স্পষ্ট। মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড় মানে আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো, বজ্রপাত এবং মুষলধারে বৃষ্টি। শিলাবৃষ্টি মানে বরফের টুকরো মাটিতে পড়া, যা ফসল, যানবাহন ও ঘরের চালার ক্ষতি করতে পারে। দমকা হাওয়া মানে হঠাৎ জোরে বাতাসের ঝাপটা, যা গাছপালা, তাঁবু, নির্মাণসামগ্রী বা হালকা কাঠামোর ক্ষতি করতে পারে।

আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা মানে স্বল্প সময়ের মধ্যে এত বৃষ্টি হতে পারে যে পানি স্বাভাবিক নিষ্কাশন পথে চলে যেতে পারে না। উপত্যকা, নিচু এলাকা, রাস্তা ও ওয়াদির তলদেশ দ্রুত পানিতে ভরে যেতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে যানবাহন আটকে যাওয়া, রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

কুয়াশার পূর্বাভাসও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চলের কিছু অংশে এবং পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা তৈরি হতে পারে। কুয়াশা মানে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়া। সড়কপথে চলাচলকারীদের জন্য এটি বড় ঝুঁকি। বিমান চলাচল, সমুদ্রপথে নৌযান চলাচল এবং উপকূলীয় এলাকার কার্যক্রমেও কুয়াশার প্রভাব পড়তে পারে।

মদিনা, কাসিম, হাইল, তাবুক, আল-জউফ, উত্তর সীমান্ত, পূর্বাঞ্চল ও রিয়াদ অঞ্চলের কিছু অংশে দমকা হাওয়াসহ বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস ধুলাবালি উড়িয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করে। ধুলাবালির ঝড় মানে বাতাসে মাটি ও বালিকণা ভেসে বেড়ানো। এতে দৃশ্যমানতা কমে যায়, শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে এবং যানবাহনের জন্য বিপদ তৈরি হতে পারে।

লোহিত সাগরের পূর্বাভাসে তিনটি অংশের কথা বলা হয়েছে। উত্তর অংশে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে বইবে। মধ্য অংশে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে বইবে। দক্ষিণ অংশে বাতাস দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে বইবে।

আরব উপসাগরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর অংশে বাতাস দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে বইবে এবং সন্ধ্যায় তা উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ঘুরে যাবে, গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার। দক্ষিণ অংশে বাতাস উত্তর-পূর্ব থেকে পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার বেগে বইবে।

এই পূর্বাভাস কারা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হতে পারে? জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চলের বাসিন্দারা। কারণ এসব এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড়, শিলাবৃষ্টি, দমকা হাওয়া এবং আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে এসব অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশাও হতে পারে।

মদিনা, কাসিম, হাইল, তাবুক, আল-জউফ, উত্তর সীমান্ত, পূর্বাঞ্চল ও রিয়াদ অঞ্চলের বাসিন্দারা কেন সতর্ক থাকবেন? কারণ এসব এলাকার কিছু অংশে দমকা হাওয়াসহ বজ্রঝড় হতে পারে, যা ধুলাবালি উড়িয়ে দিতে পারে। ধুলাবালির ঝড় দৃশ্যমানতা কমায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা বাড়াতে পারে।

সমুদ্রে যারা চলাচল করেন তাদের জন্য পূর্বাভাস কী বলছে? লোহিত সাগরে বাতাসের গতিবেগ উত্তর ও মধ্য অংশে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার এবং দক্ষিণ অংশে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার। আরব উপসাগরে উত্তর অংশে বাতাস সন্ধ্যায় দিক পরিবর্তন করবে এবং গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার। দক্ষিণ অংশেও গতিবেগ ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার।

আকস্মিক বন্যা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? কারণ স্বল্প সময়ে ভারী বৃষ্টি হলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ কাজ করতে পারে না। এতে রাস্তা, ওয়াদি ও নিচু এলাকা দ্রুত পানিতে ভরে যেতে পারে। যানবাহন আটকে যাওয়া, রাস্তা বন্ধ হওয়া এবং পানিতে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

কুয়াশা কোথায় হতে পারে? জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চলের কিছু অংশে এবং পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায়। কুয়াশা দৃশ্যমানতা কমায়, যা সড়কপথে চলাচলকারীদের জন্য বড় ঝুঁকি। বিমান ও সমুদ্রপথেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের এই পূর্বাভাস বৃহস্পতিবারের জন্য। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ০৭:০৫ মিনিটে এবং গ্রিনিচ মান সময় ০৪:০৫ মিনিটে তথ্যটি প্রকাশিত হয়।

পূর্বাভাসে জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড়, শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আকস্মিক বন্যার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। এসব অঞ্চলের কিছু অংশে এবং পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা তৈরি হতে পারে।

মদিনা, কাসিম, হাইল, তাবুক, আল-জউফ, উত্তর সীমান্ত, পূর্বাঞ্চল ও রিয়াদ অঞ্চলের কিছু অংশে দমকা হাওয়াসহ বজ্রঝড় হতে পারে, যা ধুলাবালি উড়িয়ে দিতে পারে। এসব এলাকার বাসিন্দাদের জন্য এটি সতর্কতার বিষয়।

লোহিত সাগরে উত্তর অংশে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে বইবে। মধ্য অংশে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে বইবে। দক্ষিণ অংশে বাতাস দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে বইবে।

আরব উপসাগরে উত্তর অংশে বাতাস দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে বইবে এবং সন্ধ্যায় তা উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ঘুরে যাবে, গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার। দক্ষিণ অংশে বাতাস উত্তর-পূর্ব থেকে পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার বেগে বইবে।

এই পূর্বাভাসে বৃষ্টির পরিমাণ, বন্যার সময়সীমা, ক্ষতির সম্ভাবনা বা নির্দিষ্ট কোনো শহরের আলাদা তথ্য দেওয়া হয়নি। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এসব বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

কোন অঞ্চলে বজ্রঝড় ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস? জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড়, শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। এসব এলাকায় আকস্মিক বন্যার সম্ভাবনাও রয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব অঞ্চলের কিছু অংশে এবং পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা তৈরি হতে পারে।

ধুলাবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাস কোথায়? মদিনা, কাসিম, হাইল, তাবুক, আল-জউফ, উত্তর সীমান্ত, পূর্বাঞ্চল ও রিয়াদ অঞ্চলের কিছু অংশে দমকা হাওয়াসহ বজ্রঝড় হতে পারে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব বাতাস ধুলাবালি উড়িয়ে দিতে পারে। এতে দৃশ্যমানতা কমে যেতে পারে এবং শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে।

লোহিত সাগরে বাতাসের গতিবেগ কত? লোহিত সাগরের উত্তর অংশে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে বইবে। মধ্য অংশে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে বইবে। দক্ষিণ অংশে বাতাস দক্ষিণ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার বেগে বইবে।

আরব উপসাগরে বাতাসের অবস্থা কী? আরব উপসাগরের উত্তর অংশে বাতাস দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে বইবে এবং সন্ধ্যায় তা উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ঘুরে যাবে, গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার। দক্ষিণ অংশে বাতাস উত্তর-পূর্ব থেকে পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার বেগে বইবে।

আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা কেন? জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রঝড়, শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সঙ্গে আকস্মিক বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে। স্বল্প সময়ে ভারী বৃষ্টি হলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ কাজ করতে পারে না। এতে রাস্তা, ওয়াদি ও নিচু এলাকা দ্রুত পানিতে ভরে যেতে পারে।

কুয়াশা কোথায় হতে পারে? এসপিএ জানিয়েছে, জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চলের কিছু অংশে এবং পূর্বাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা তৈরি হতে পারে। কুয়াশা দৃশ্যমানতা কমায়, যা সড়কপথে চলাচলকারীদের জন্য বড় ঝুঁকি। বিমান চলাচল ও সমুদ্রপথে নৌযান চলাচলেও এর প্রভাব পড়তে পারে।