Sunday, October 25, 2026
সৌদি সংবাদ

ইয়েমেনি নাগরিকদের অবস্থা নিয়মিতকরণ শুরু হচ্ছে রোববার, দুই মাস চলবে প্রক্রিয়া

ইয়েমেনি নাগরিকদের অবস্থা নিয়মিতকরণ শুরু হচ্ছে রোববার, দুই মাস চলবে প্রক্রিয়া

সৌদি আরবের জেনারেল ডিরেক্টরেট অব পাসপোর্টস আগামী রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে দেশটিতে অবৈধভাবে অবস্থানকারী ইয়েমেনি নাগরিকদের অবস্থা নিয়মিতকরণের প্রক্রিয়া শুরু করবে। এই প্রক্রিয়া দুই মাস ধরে চলবে এবং সৌদি আরবের সব অঞ্চলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় পরিচালিত হবে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপটি আসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে, যেখানে দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের নির্দেশনার কথা জানানো হয়। এই নির্দেশনা এসেছে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. রাশাদ মোহাম্মদ আল-আলিমির অনুরোধের ভিত্তিতে।

পাসপোর্ট অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া চারটি শ্রেণিকে কভার করবে। প্রথম শ্রেণিতে রয়েছেন সেই ব্যক্তিরা যাদের কাছে ইয়েমেনি নথি বা পাসপোর্ট নেই। তাদের বিনামূল্যে ছয় মাসের ভিজিট ভিসা দেওয়া হবে। তাদের অবশ্যই আবশের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে, একটি নিয়মিতকরণ কেন্দ্র নির্বাচন করতে হবে এবং নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত হতে হবে। তাদের সাথে ইয়েমেনি জাতীয়তার প্রমাণ থাকতে হবে, যেমন পাসপোর্ট বা তাদের দেশের দূতাবাস কর্তৃক জারি করা ভ্রমণ নথি।

দ্বিতীয় শ্রেণিতে রয়েছেন সেই ব্যক্তিরা যাদের মেয়াদোত্তীর্ণ ভিজিটর আইডি বা যেকোনো ধরনের ভিসা রয়েছে এবং যাদের বায়োমেট্রিক ডেটা ইতিমধ্যে সৌদি আরবের সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়েছে। তাদের ভিসা ইলেকট্রনিকভাবে ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হবে, পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন ছাড়াই। তবে একটি বৈধ পাসপোর্ট থাকা আবশ্যক।

তৃতীয় শ্রেণিতে রয়েছেন সেই ব্যক্তিরা যাদের মেয়াদোত্তীর্ণ বসবাসের অনুমতি বা ইকামা রয়েছে এবং যাদের ভ্রমণ নথি বৈধ। তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তাদের সেবা প্রয়োজন এমন নিয়োগকর্তাদের কাছে স্থানান্তরিত হতে পারবেন। এই প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে রয়েছে আবশের, পেশাদার কর্মীদের জন্য কুইওয়া এবং গৃহকর্মীদের জন্য মুসানেদ। তাদের সরকারি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। যারা দেশ ছেড়ে যেতে চান, তারা চূড়ান্ত প্রস্থান ভিসা পেতে পারেন এবং সৌদি আরবে পুনরায় প্রবেশে কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।

চতুর্থ শ্রেণিতে রয়েছেন সেই ব্যক্তিরা যাদের কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত হিসাবে রিপোর্ট করা হয়েছে এবং যাদের ভ্রমণ নথি বৈধ। তারা রিপোর্ট বাতিল করে এবং পেশাদার কর্মীদের জন্য কুইওয়া বা গৃহকর্মীদের জন্য মুসানেদের মাধ্যমে অন্য নিয়োগকর্তাদের কাছে স্থানান্তরিত হয়ে তাদের অবস্থা সংশোধন করতে পারবেন।

পাসপোর্ট অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে যে, ২৩টি… [সূত্রটি এখানে সংক্ষিপ্ত]।

এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন সৌদি আরবে ইয়েমেনি নাগরিকদের অবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। ইয়েমেন সংকটের কারণে বহু ইয়েমেনি নাগরিক সৌদি আরবে আশ্রয় নিয়েছেন এবং তাদের অনেকের কাগজপত্র মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। এই নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া তাদের জন্য একটি সুযোগ এনে দেবে, যাতে তারা বৈধভাবে দেশে অবস্থান করতে পারেন বা স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়তে পারেন।

প্রক্রিয়াটি দুই মাসব্যাপী চলবে এবং সৌদি আরবের সব অঞ্চলে এটি প্রযোজ্য হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ইতিমধ্যে আবশের, কুইওয়া এবং মুসানেদ প্ল্যাটফর্মগুলো এই প্রক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রথম শ্রেণির ব্যক্তিদের জন্য বিনামূল্যে ছয় মাসের ভিজিট ভিসা দেওয়ার ঘোষণা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। যাদের কাছে ইয়েমেনি নথি নেই, তাদের জন্য এই সুবিধা একটি বড় স্বস্তি। তাদের আবশের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে এবং নিয়মিতকরণ কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে জাতীয়তার প্রমাণ দেখাতে হবে।

দ্বিতীয় শ্রেণির ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে, যাদের বায়োমেট্রিক ডেটা ইতিমধ্যে নিবন্ধিত, তাদের ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হবে। তাদের পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে বৈধ পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক।

তৃতীয় শ্রেণির ব্যক্তিরা, যাদের ইকামা মেয়াদোত্তীর্ণ কিন্তু ভ্রমণ নথি বৈধ, তারা নিয়োগকর্তা পরিবর্তন করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল, তাই সরকারি অফিসে যাওয়ার ঝামেলা নেই। যারা দেশ ছাড়তে চান, তারা চূড়ান্ত প্রস্থান ভিসা পাবেন এবং ভবিষ্যতে সৌদি আরবে পুনরায় প্রবেশে কোনো বাধা থাকবে না।

চতুর্থ শ্রেণির ব্যক্তিরা, যাদের কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত হিসাবে রিপোর্ট করা হয়েছে, তারা রিপোর্ট বাতিল করে অন্য নিয়োগকর্তার কাছে স্থানান্তরিত হতে পারবেন। এই সুযোগ তাদের বৈধভাবে কাজ চালিয়ে যেতে সহায়তা করবে।

এই নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া ইয়েমেনি নাগরিকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি তাদের আইনি সুরক্ষা দেবে এবং সৌদি আরবের শ্রমবাজারে তাদের অবদান অব্যাহত রাখতে সহায়তা করবে। একই সাথে, যারা স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়তে চান, তাদের জন্যও পথ খোলা থাকবে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ এই প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সব প্রস্তুতি নিয়েছে। আবশের, কুইওয়া এবং মুসানেদ প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইয়েমেনি নাগরিকদের সচেতন করতে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার চালানো হবে।

এই ঘোষণা ইয়েমেনি সম্প্রদায়ের মধ্যে স্বস্তি এনেছে। অনেকেই এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে তাদের অবস্থা নিয়মিত করতে পারবেন। তবে যাদের কাগজপত্র নেই, তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, কারণ প্রক্রিয়াটি মাত্র দুই মাস চলবে।

সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে ইয়েমেনি নাগরিকদের মানবিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। এই নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া সেই ধারাবাহিকতার অংশ। বাদশাহ সালমানের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হবে।

প্রক্রিয়াটি শুরু হবে রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে। দুই মাসব্যাপী এই কার্যক্রম সৌদি আরবের সব অঞ্চলে পরিচালিত হবে। সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা করবে।

ইয়েমেনি নাগরিকদের জন্য এই সুযোগটি নিঃসন্দেহে একটি বড় স্বস্তি। তাদের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে নির্ধারিত প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন করা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তবে সূত্রে ২৩টি… সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। প্রক্রিয়ার নির্দিষ্ট কিছু দিক, যেমন কেন্দ্রের সংখ্যা বা নির্দিষ্ট সময়সীমা, স্পষ্ট করা হয়নি।

নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়া কখন শুরু হবে এবং কতদিন চলবে? প্রক্রিয়াটি রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে শুরু হবে এবং দুই মাস ধরে চলবে। এটি সৌদি আরবের সব অঞ্চলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় পরিচালিত হবে। পাসপোর্ট অধিদপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রক্রিয়াটি চারটি শ্রেণির ইয়েমেনি নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

প্রথম শ্রেণির ব্যক্তিদের জন্য কী সুবিধা রয়েছে? যাদের কাছে ইয়েমেনি নথি বা পাসপোর্ট নেই, তাদের বিনামূল্যে ছয় মাসের ভিজিট ভিসা দেওয়া হবে। তাদের আবশের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে এবং একটি নিয়মিতকরণ কেন্দ্র নির্বাচন করতে হবে। নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত হয়ে ইয়েমেনি জাতীয়তার প্রমাণ দেখাতে হবে, যেমন পাসপোর্ট বা দূতাবাসের ভ্রমণ নথি।

দ্বিতীয় শ্রেণির ব্যক্তিদের কী করতে হবে? যাদের মেয়াদোত্তীর্ণ ভিজিটর আইডি বা ভিসা রয়েছে এবং বায়োমেট্রিক ডেটা নিবন্ধিত, তাদের ভিসা ইলেকট্রনিকভাবে ছয় মাসের জন্য বাড়ানো হবে। তাদের পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে একটি বৈধ পাসপোর্ট থাকা আবশ্যক। এই প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে।

তৃতীয় শ্রেণির ব্যক্তিরা কীভাবে নিয়োগকর্তা পরিবর্তন করতে পারবেন? যাদের ইকামা মেয়াদোত্তীর্ণ কিন্তু ভ্রমণ নথি বৈধ, তারা স্বরাষ্ট্র ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম আবশের, কুইওয়া (পেশাদার) এবং মুসানেদ (গৃহকর্মী) এর মাধ্যমে নিয়োগকর্তা পরিবর্তন করতে পারবেন। সরকারি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। যারা দেশ ছাড়তে চান, তারা চূড়ান্ত প্রস্থান ভিসা পাবেন এবং পুনরায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।

চতুর্থ শ্রেণির ব্যক্তিদের জন্য কী ব্যবস্থা আছে? যাদের কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত হিসাবে রিপোর্ট করা হয়েছে এবং ভ্রমণ নথি বৈধ, তারা রিপোর্ট বাতিল করে কুইওয়া বা মুসানেদের মাধ্যমে অন্য নিয়োগকর্তার কাছে স্থানান্তরিত হতে পারবেন। এই প্রক্রিয়াটি ডিজিটালভাবে সম্পন্ন হবে। তাদের অবস্থা সংশোধনের এই সুযোগ দুই মাসব্যাপী চলবে।

এই প্রক্রিয়ার পেছনে কার নির্দেশনা রয়েছে? দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের নির্দেশনায় এই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. রাশাদ মোহাম্মদ আল-আলিমির অনুরোধের ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘোষণা দিয়েছে। পাসপোর্ট অধিদপ্তর এটি বাস্তবায়ন করবে।