ইয়েমেনের তাইজ গভর্নরেটে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য প্রতিদিন ৫২,৫০০ লিটার পানি সরবরাহ ও পরিবহনের একটি জরুরি প্রকল্প বাস্তবায়নে যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করেছে কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ)।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২২ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ইয়েমেনের ইয়ামানি ফাউন্ডেশন ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান ওয়ার্কস (ওয়াইডিএইচ)-এর সঙ্গে এই কর্মসূচিতে স্বাক্ষর হয়।
প্রকল্পের আওতায় ৯০ দিন ধরে প্রতিদিন ৫২,৫০০ লিটার পানি সরবরাহ ও পরিবহন করা হবে। এ জন্য ১৩টি পানি বিতরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, যার প্রতিটিতে থাকবে ২,০০০ লিটারের একটি ট্যাংক। এছাড়া ১০ লিটার ধারণক্ষমতার ১,০০০টি পানি সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করা হবে।
প্রকল্পটি সরাসরি উপকৃত করবে ৩,৫০০ জনকে এবং পরোক্ষভাবে উপকৃত হবে আরও ৭০০ জন।
কেএসরিলিফের এই কর্মসূচি পানি, স্যানিটেশন ও পরিবেশগত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত মানবিক ও ত্রাণ প্রকল্পের ধারাবাহিকতার অংশ। এসপিএ জানিয়েছে, এসব প্রকল্পের লক্ষ্য জীবনের মান উন্নয়ন, টেকসই পরিবেশগত সমাধান প্রদান এবং বিশ্বের প্রয়োজনীয় দেশগুলোতে রোগ ও মহামারির বিস্তার কমানো।
তাইজ গভর্নরেটে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা কত, আর প্রতিদিন ৫২,৫০০ লিটার পানি সেই চাহিদার কতটা মেটাতে পারে? এসপিএ এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেয়নি।
৯০ দিনের এই সময়সীমা কোন তারিখে শুরু হবে, তা-ও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ নেই।
১৩টি বিতরণ কেন্দ্রের প্রতিটিতে ২,০০০ লিটারের ট্যাংক বসানো হবে—এই হিসাবে প্রতিদিন প্রতি কেন্দ্রে গড়ে কত লিটার পানি পৌঁছাবে? এসপিএ সেই ভাগাভাগির হিসাব দেয়নি।
১,০০০টি পানি সংরক্ষণ পাত্র ১০ লিটার ধারণক্ষমতার, অর্থাৎ মোট ১০,০০০ লিটার সংরক্ষণ সক্ষমতা তৈরি হবে। কিন্তু ৩,৫০০ জন সরাসরি উপকৃত হলে প্রতি পরিবারে কতটি পাত্র পৌঁছাবে, তা স্পষ্ট নয়।
ভিডিও কনফারেন্সে কে কে উপস্থিত ছিলেন, কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কে স্বাক্ষর করেছেন—এসপিএ এসব নাম উল্লেখ করেনি।
প্রকল্পের ব্যয় কত, অর্থায়ন কোথা থেকে আসছে, এসপিএ তা জানায়নি।
তাইজ গভর্নরেটে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য পানি সরবরাহের এই প্রকল্প কেন এখন জরুরি হয়ে উঠল, এসপিএ তার পটভূমি ব্যাখ্যা করেনি।
কেএসরিলিফ ও ওয়াইডিএইচ-এর মধ্যে এই যৌথ নির্বাহী কর্মসূচি ছাড়া অন্য কোনো সহযোগিতা আছে কি না, সে বিষয়েও বিজ্ঞপ্তিতে কিছু বলা হয়নি।
প্রকল্পটি সরাসরি ৩,৫০০ জন এবং পরোক্ষভাবে ৭০০ জনকে উপকৃত করবে বলে উল্লেখ থাকলেও, উপকৃতদের বাছাই কীভাবে হবে বা কোন এলাকায় বিতরণ কেন্দ্রগুলো বসবে, এসপিএ তা জানায়নি।
৯০ দিন শেষে প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যাবে, নাকি বাড়ানো হবে—এই প্রশ্নের উত্তরও বিজ্ঞপ্তিতে নেই।
এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি আরব কেএসরিলিফের মাধ্যমে পানি, স্যানিটেশন ও পরিবেশগত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত মানবিক ও ত্রাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে। এসব প্রকল্পের লক্ষ্য জীবনের মান উন্নয়ন, টেকসই পরিবেশগত সমাধান এবং রোগ ও মহামারির বিস্তার কমানো।
তবে তাইজ গভর্নরেটের বাস্তুচ্যুত মানুষদের বর্তমান পানির পরিস্থিতি কেমন, স্থানীয়ভাবে কী কী চ্যালেঞ্জ আছে, এসপিএ তার বিস্তারিত দেয়নি।
প্রকল্পের আওতায় প্রতিদিন ৫২,৫০০ লিটার পানি সরবরাহ ও পরিবহন হবে, ১৩টি বিতরণ কেন্দ্রে ২,০০০ লিটারের ট্যাংক থাকবে, ১০ লিটার ধারণক্ষমতার ১,০০০টি সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ হবে—এই তিনটি সংখ্যাই এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
সরাসরি উপকৃত ৩,৫০০ জন এবং পরোক্ষভাবে উপকৃত ৭০০ জন—এই দুই সংখ্যাও এসপিএ দিয়েছে।
কিন্তু প্রকল্পের মোট ব্যয়, অর্থায়নের উৎস, বাস্তবায়নের সূচনা তারিখ, বিতরণ কেন্দ্রগুলোর নির্দিষ্ট অবস্থান এবং ভবিষ্যতে প্রকল্প সম্প্রসারণের পরিকল্পনা—এসব বিষয়ে এসপিএ-র প্রতিবেদনে কোনো তথ্য নেই।
কেএসরিলিফ ও ইয়ামানি ফাউন্ডেশনের যৌথ কর্মসূচিতে কী কী সরবরাহ করা হবে? প্রকল্পের আওতায় ৯০ দিন ধরে প্রতিদিন ৫২,৫০০ লিটার পানি সরবরাহ ও পরিবহন করা হবে। এ জন্য ১৩টি পানি বিতরণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, যার প্রতিটিতে ২,০০০ লিটারের একটি ট্যাংক থাকবে। এছাড়া ১০ লিটার ধারণক্ষমতার ১,০০০টি পানি সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করা হবে। এসপিএ জানিয়েছে, প্রকল্পটি সরাসরি ৩,৫০০ জনকে এবং পরোক্ষভাবে আরও ৭০০ জনকে উপকৃত করবে।
কতজন মানুষ এই প্রকল্প থেকে উপকৃত হবেন? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, প্রকল্পটি সরাসরি উপকৃত করবে ৩,৫০০ জনকে এবং পরোক্ষভাবে উপকৃত হবে আরও ৭০০ জন। অর্থাৎ মোট উপকৃতের সংখ্যা ৪,২০০ জন। তবে উপকৃতদের বাছাই কীভাবে হবে বা কোন এলাকায় বিতরণ কেন্দ্রগুলো বসবে, এসপিএ তা জানায়নি। প্রকল্পের মোট ব্যয় বা অর্থায়নের উৎসও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ নেই।
এই প্রকল্প কোন গভর্নরেটে এবং কত দিনের জন্য বাস্তবায়িত হবে? প্রকল্পটি ইয়েমেনের তাইজ গভর্নরেটে বাস্তবায়িত হবে এবং এর মেয়াদ ৯০ দিন। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২২ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ইয়ামানি ফাউন্ডেশন ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান ওয়ার্কস (ওয়াইডিএইচ)-এর সঙ্গে এই যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে স্বাক্ষর হয়। তবে ৯০ দিনের সময়সীমা কোন তারিখে শুরু হবে, এসপিএ তা উল্লেখ করেনি।
কেএসরিলিফের এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, এই কর্মসূচি পানি, স্যানিটেশন ও পরিবেশগত স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত মানবিক ও ত্রাণ প্রকল্পের ধারাবাহিকতার অংশ। এসব প্রকল্পের লক্ষ্য জীবনের মান উন্নয়ন, টেকসই পরিবেশগত সমাধান প্রদান এবং বিশ্বের প্রয়োজনীয় দেশগুলোতে রোগ ও মহামারির বিস্তার কমানো। সৌদি আরব কেএসরিলিফের মাধ্যমে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে। তবে তাইজ গভর্নরেটের বাস্তুচ্যুত মানুষদের বর্তমান পানির পরিস্থিতি কেমন, এসপিএ তার বিস্তারিত দেয়নি।
ভিডিও কনফারেন্সে কারা উপস্থিত ছিলেন বা কারা স্বাক্ষর করেছেন? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ-র প্রতিবেদনে ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করা হয়নি। কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কে স্বাক্ষর করেছেন, সে বিষয়েও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। শুধু জানানো হয়েছে, কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) ও ইয়ামেনের ইয়ামানি ফাউন্ডেশন ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান ওয়ার্কস (ওয়াইডিএইচ)-এর মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে স্বাক্ষর হয়।
প্রকল্পের ব্যয় বা অর্থায়নের উৎস সম্পর্কে কী জানা গেছে? প্রকল্পের ব্যয় কত বা অর্থায়ন কোথা থেকে আসছে, সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ-র প্রতিবেদনে তা জানানো হয়নি। শুধু উল্লেখ করা হয়েছে, কেএসরিলিফ ও ওয়াইডিএইচ-এর মধ্যে যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে স্বাক্ষর হয় এবং প্রকল্পটি ৯০ দিন ধরে প্রতিদিন ৫২,৫০০ লিটার পানি সরবরাহ করবে। প্রকল্পের ব্যয়, অর্থায়নের উৎস, বাস্তবায়নের সূচনা তারিখ এবং বিতরণ কেন্দ্রগুলোর নির্দিষ্ট অবস্থান—এসব বিষয়ে এসপিএ-র প্রতিবেদনে কোনো তথ্য নেই।