খাদ্য নিরাপত্তা ও সচেতনতাকে খাদ্যবাহিত রোগ প্রতিরোধের প্রথম প্রতিরক্ষা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, কারণ অনেক ক্ষেত্রে রেস্তোরাঁর চেয়ে বাড়িতেই খাদ্য বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৩ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, ভুল পদ্ধতিতে খাবার সংরক্ষণ, দীর্ঘক্ষণ বাইরে রাখা বা কাঁচা ও রান্না করা খাবারের জন্য একই সরঞ্জাম ব্যবহার করলে খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে উচ্চ তাপমাত্রায় ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বৃদ্ধি রোধে বাড়িতেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞ ডক্টর মিশওয়াহ আল-মিশওয়াহ জানান, বাড়িতে ভুল খাদ্যাভ্যাস খাদ্য বিষক্রিয়ার অন্যতম প্রধান কারণ, তাই নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে খাবার তৈরির আগে হাত ধোয়া, কাঁচা ও রান্না করা খাবার আলাদা রাখা, সঠিক তাপমাত্রায় রান্না করা এবং জীবাণু বংশবৃদ্ধি রোধে খাবার দ্রুত ফ্রিজে সংরক্ষণ করা। এই নির্দেশিকাগুলো শিশু, বৃদ্ধ এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষা দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান বা সংখ্যার উল্লেখ নেই।
বাড়িতে খাদ্য বিষক্রিয়ার প্রধান কারণগুলো কী? ভুল পদ্ধতিতে খাবার সংরক্ষণ, দীর্ঘক্ষণ খাবার ফ্রিজের বাইরে রাখা এবং কাঁচা ও রান্না করা খাবারের জন্য একই সরঞ্জাম ব্যবহার করা খাদ্য বিষক্রিয়ার প্রধান কারণ হতে পারে। এসপিএ জানিয়েছে, এই সাধারণ ভুলগুলো খাদ্যবাহিত রোগের সরাসরি কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
খাদ্যবাহিত রোগ প্রতিরোধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত? খাবার তৈরির আগে হাত ভালোভাবে ধোয়া, কাঁচা ও রান্না করা খাবার আলাদা রাখা এবং সঠিক তাপমাত্রায় রান্না করা প্রয়োজন। এছাড়া জীবাণু বংশবৃদ্ধি রোধে খাবার নিরাপদ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে।
খাদ্য সচেতনতা কাদের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ? খাদ্য সচেতনতা সবার জন্য জরুরি, তবে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্তদের জন্য এটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞ ডক্টর মিশওয়াহ আল-মিশওয়াহ জানান, সচেতনতা এই ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীগুলোকে জটিলতা থেকে রক্ষা করে।