সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দের সভাপতি ও দারুল উলুম দেওবন্দের প্রধান শেখ আরশাদ মাদানি। তিনি সৌদি আরবের নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন এবং রাজ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা বা মুসলিমদের পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে যেকোনো কাজ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, মাদানি হামলাগুলোকে ইসলামের শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি দুই পবিত্র মসজিদের প্রতি রাজ্যের যত্ন, তাদের নিরাপত্তা এবং হজ ও উমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের প্রতি রাজ্যের সেবার প্রশংসা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, রাজ্যের নিরাপত্তার প্রতি যেকোনো হুমকি গোটা মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে সম্পর্কিত।
এদিকে ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও নির্দেশনা মন্ত্রী শেখ ড. আব্দুললতিফ আল আলশেখ ৭০টিরও বেশি দেশের মন্ত্রী, গ্র্যান্ড মুফতি, আলেম ও ইসলামি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছ থেকে ১৭৬টিরও বেশি চিঠি, কেবল ও বিবৃতি পেয়েছেন। এসপিএ জানিয়েছে, এসব বার্তায় হুথি হামলার নিন্দা করা হয়েছে, রাজ্যের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়েছে এবং তার নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছে।
কেন একজন ধর্মীয় নেতার নিন্দা বিবৃতিকে সৌদি আরবের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে এত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে? কারণ সৌদি আরবের ভূখণ্ডে অবস্থিত দুই পবিত্র মসজিদের নিরাপত্তা কেবল একটি রাষ্ট্রের বিষয় নয়, বরং সারা বিশ্বের মুসলিমদের সঙ্গে জড়িত। মাদানির বক্তব্যে ঠিক এই বিন্দুটিই উঠে এসেছে, যেখানে তিনি বলেছেন রাজ্যের নিরাপত্তার প্রতি হুমকি গোটা মুসলিম উম্মাহকে স্পর্শ করে।
জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ ভারতের একটি প্রভাবশালী ইসলামি সংগঠন, আর দারুল উলুম দেওবন্দ তার শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এই দুই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত শীর্ষ নেতার মুখ থেকে আসা বিবৃতি তাই দক্ষিণ এশিয়ার আলেম সমাজ ও সাধারণ মুসলিমদের কাছে একটি বার্তা বহন করে। হুথি হামলাকে ইসলামের শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলা মানে শুধু রাজনৈতিক নিন্দা নয়, ধর্মীয় ভিত্তিতে সেই কাজের বৈধতা অস্বীকার করা।
সৌদি আরবের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি মাদানি দুই পবিত্র মসজিদের প্রতি রাজ্যের যত্নের প্রশংসা করেছেন। হজ ও উমরাহ পালনকারী এবং দর্শনার্থীদের সেবার বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেছেন। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মুসলিম সৌদি আরবে হজ ও উমরাহ পালনের জন্য যান, আর সেই ব্যবস্থাপনা সরাসরি দুই পবিত্র মসজিদের সঙ্গে যুক্ত। এই সেবা ব্যবস্থার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তার প্রভাব পড়ে সারা বিশ্বের মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর।
মন্ত্রী শেখ ড. আব্দুললতিফ আল আলশেখ যে ১৭৬টিরও বেশি চিঠি, কেবল ও বিবৃতি পেয়েছেন, সেটি এই প্রসঙ্গে একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য। এসব বার্তা এসেছে ৭০টিরও বেশি দেশের মন্ত্রী, গ্র্যান্ড মুফতি, আলেম ও ইসলামি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছ থেকে। এই সংখ্যা ও ভৌগোলিক বিস্তার দেখায় যে হুথি হামলার নিন্দা কেবল একটি অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
কীভাবে বিভিন্ন দেশের আলেম ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা একই ধরনের অবস্থান নিচ্ছেন? এসপিএ জানিয়েছে, তাঁরা হুথি হামলার নিন্দা করেছেন, রাজ্যের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন এবং নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ নিন্দা, সংহতি ও সমর্থন — এই তিনটি দিকই তাঁদের বার্তায় উঠে এসেছে।
সৌদি আরবের নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশের মধ্য দিয়ে মাদানি একটি স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন। তিনি রাজ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা বা মুসলিমদের পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে যেকোনো কাজ প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই প্রত্যাখ্যান কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন বা বিরোধিতার বাইরে গিয়ে পবিত্র স্থান ও নিরাপত্তার প্রশ্নে একটি নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে।
দুই পবিত্র মসজিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ কেন সৌদি আরবের সীমান্ত ছাড়িয়ে যায়? কারণ মক্কা ও মদিনার পবিত্র স্থানগুলো সারা বিশ্বের মুসলিমদের ইবাদতের কেন্দ্র। মাদানির বক্তব্যে এই সংযোগটি স্পষ্ট, যেখানে তিনি দুই পবিত্র মসজিদের যত্ন ও নিরাপত্তার প্রশংসা করেছেন এবং হজ ও উমরাহ পালনকারীদের সেবার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে মাদানির বিবৃতির তারিখ বা স্থান আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি। তবে প্রতিবেদনের সূচনা থেকে জানা যায়, বিবৃতিটি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথি হামলার প্রেক্ষাপটে এসেছে। রিয়াদ থেকে ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় ১৯:৫০ এবং জিএমটি ১৬:৫০ উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্ত্রীর কাছে আসা বার্তাগুলোর বিষয়ে এসপিএ জানিয়েছে, সেগুলোতে হুথি হামলার নিন্দা, রাজ্যের প্রতি সংহতি এবং নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন রয়েছে। ৭০টিরও বেশি দেশ থেকে আসা এই বার্তাগুলোর মধ্যে মন্ত্রী, গ্র্যান্ড মুফতি, আলেম ও ইসলামি প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা অন্তর্ভুক্ত। এই বৈচিত্র্যই বার্তাগুলোর তাৎপর্য বাড়ায়।
কেন হজ ও উমরাহ প্রসঙ্গ বারবার উঠে আসছে? কারণ এই দুই ইবাদতের ব্যবস্থাপনা সরাসরি সৌদি আরবের ভূখণ্ডে দুই পবিত্র মসজিদের সঙ্গে যুক্ত। মাদানি রাজ্যের সেবার প্রশংসা করার সময় হজ ও উমরাহ পালনকারী এবং দর্শনার্থীদের কথা আলাদাভাবে উল্লেখ করেছেন। নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে এই সেবা ব্যবস্থাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
একজন আলেমের নিন্দা বিবৃতি কি বাস্তব প্রভাব ফেলে? ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নেতার অবস্থান তাঁর অনুসারী ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত জনগোষ্ঠীর মনোভাব গঠনে ভূমিকা রাখে। জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ ও দারুল উলুম দেওবন্দের মতো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই প্রভাব দক্ষিণ এশিয়ার বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। তাই বিবৃতিটি কেবল আনুষ্ঠানিক নয়, বরং একটি জনমত গঠনের বার্তা।
মন্ত্রী যে ১৭৬টিরও বেশি চিঠি, কেবল ও বিবৃতি পেয়েছেন, সেই সংখ্যাটি এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর সঙ্গে ৭০টিরও বেশি দেশের তথ্যও দেওয়া হয়েছে। এই দুই সংখ্যা একসঙ্গে পড়লে বোঝা যায়, হুথি হামলার নিন্দা একটি আন্তর্জাতিক পরিসরে ছড়িয়ে পড়েছে।
সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছে এসব বার্তায়। এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রীর কাছে আসা চিঠি, কেবল ও বিবৃতিগুলোতে এই সমর্থন প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের প্রতি সংহতি এবং হুথি হামলার নিন্দাও এসেছে।
মাদানির বিবৃতিতে ইসলামের শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রসঙ্গ এসেছে। তিনি হামলাগুলোকে এই দুইয়ের পরিপন্থী বলেছেন। এই যুক্তি ধর্মীয় ও নৈতিক দুই স্তরে দাঁড়িয়ে আছে, যা কেবল রাজনৈতিক বিবৃতির চেয়ে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
দুই পবিত্র মসজিদের নিরাপত্তা নিয়ে মাদানির প্রশংসা রাজ্যের সেবার দিকটিও তুলে ধরে। তিনি দুই পবিত্র মসজিদের যত্ন, তাদের নিরাপত্তা এবং হজ ও উমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের সেবার কথা বলেছেন। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিষয়গুলো সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে মাদানির বিবৃতির পূর্ণ পাঠ বা তার সঙ্গে যুক্ত অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের অবস্থান আলাদাভাবে দেওয়া হয়নি। মন্ত্রীর কাছে আসা ১৭৬টিরও বেশি বার্তার বিস্তারিত তালিকা বা কোন দেশ থেকে কতগুলো বার্তা এসেছে, সেই বিভাজনও প্রতিবেদনে নেই। শুধু ৭০টিরও বেশি দেশের কথা বলা হয়েছে।
হুথি হামলার নির্দিষ্ট কোনো বিবরণ, তারিখ বা স্থান এসপিএ-র এই প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে হামলাগুলোর নিন্দা, সংহতি ও সমর্থনের বিষয়টিই প্রধানভাবে উঠে এসেছে। মাদানির বিবৃতির সময় বা স্থানও আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
মন্ত্রী শেখ ড. আব্দুললতিফ আল আলশেখের কাছে আসা বার্তাগুলোর প্রেরকদের মধ্যে মন্ত্রী, গ্র্যান্ড মুফতি, আলেম ও ইসলামি প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা রয়েছেন। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রেরকরা ৭০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। এই তথ্যই দেখায় যে বার্তাগুলোর পরিসর কত বিস্তৃত।
মাদানি তাঁর বিবৃতিতে রাজ্যের নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। তিনি রাজ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা বা মুসলিমদের পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে যেকোনো কাজ প্রত্যাখ্যান করেছেন। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি হুমকি গোটা মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে সম্পর্কিত — মাদানির এই বক্তব্য এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বক্তব্যেই তাঁর অবস্থানের মূল যুক্তি নিহিত। দুই পবিত্র মসজিদের ভৌগোলিক অবস্থান এই যুক্তিকে আরও দৃঢ় করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাদানি হামলাগুলোকে ইসলামের শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলেছেন। একই সঙ্গে তিনি দুই পবিত্র মসজিদের প্রতি রাজ্যের যত্ন ও নিরাপত্তার প্রশংসা করেছেন এবং হজ ও উমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের সেবার কথা বলেছেন। এই দুই দিক একসঙ্গে তাঁর বিবৃতির মূল অংশ গঠন করে।
মাদানি কী বলেছেন হুথি হামলার বিষয়ে? জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ সভাপতি ও দারুল উলুম দেওবন্দের প্রধান শেখ আরশাদ মাদানি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথি হামলার নিন্দা করেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি হামলাগুলোকে ইসলামের শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলেছেন। তিনি রাজ্যের নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন এবং রাজ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা বা মুসলিমদের পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে যেকোনো কাজ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
দুই পবিত্র মসজিদ প্রসঙ্গে তিনি কী বলেছেন? মাদানি দুই পবিত্র মসজিদের প্রতি রাজ্যের যত্ন, তাদের নিরাপত্তা এবং হজ ও উমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের প্রতি রাজ্যের সেবার প্রশংসা করেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে রাজ্যের নিরাপত্তার প্রতি যেকোনো হুমকি গোটা মুসলিম উম্মাহর সঙ্গে সম্পর্কিত। এই বক্তব্যে দুই পবিত্র মসজিদের নিরাপত্তাকে একটি বৈশ্বিক মুসলিম স্বার্থ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
মন্ত্রী কতগুলো বার্তা পেয়েছেন এবং কোথা থেকে? ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও নির্দেশনা মন্ত্রী শেখ ড. আব্দুললতিফ আল আলশেখ ১৭৬টিরও বেশি চিঠি, কেবল ও বিবৃতি পেয়েছেন। এসপিএ জানিয়েছে, এসব বার্তা এসেছে ৭০টিরও বেশি দেশের মন্ত্রী, গ্র্যান্ড মুফতি, আলেম ও ইসলামি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছ থেকে। বার্তাগুলোতে হুথি হামলার নিন্দা, রাজ্যের প্রতি সংহতি এবং নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছে।
এই বার্তাগুলোতে কী কী বিষয় উঠে এসেছে? এসপিএ জানিয়েছে, মন্ত্রীর কাছে আসা চিঠি, কেবল ও বিবৃতিগুলোতে তিনটি প্রধান বিষয় রয়েছে। প্রথমত, হুথি হামলার নিন্দা করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, সৌদি আরবের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়েছে। তৃতীয়ত, রাজ্যের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছে। এই বার্তাগুলো ৭০টিরও বেশি দেশ থেকে এসেছে।
মাদানির বিবৃতি কেন তাৎপর্যপূর্ণ? জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ ভারতের একটি প্রভাবশালী ইসলামি সংগঠন এবং দারুল উলুম দেওবন্দ তার শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নেতা হিসেবে মাদানি হুথি হামলার নিন্দা করেছেন এবং দুই পবিত্র মসজিদের নিরাপত্তার প্রশংসা করেছেন। তাঁর অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার আলেম সমাজ ও সাধারণ মুসলিমদের কাছে একটি বার্তা বহন করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী কী অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে হুথি হামলার নির্দিষ্ট কোনো বিবরণ, তারিখ বা স্থান দেওয়া হয়নি। মাদানির বিবৃতির পূর্ণ পাঠ বা সময় ও স্থানও আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি। মন্ত্রীর কাছে আসা ১৭৬টিরও বেশি বার্তার বিস্তারিত তালিকা বা কোন দেশ থেকে কতগুলো বার্তা এসেছে, সেই বিভাজনও প্রতিবেদনে নেই; শুধু ৭০টিরও বেশি দেশের কথা বলা হয়েছে।