জিসিসি মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আলবুদাইউই ইসরায়েলি দখলদার সরকারের ভেতরের উগ্রপন্থীদের দ্বারা বরকতময় আল-আকসা মসজিদের প্রাঙ্গণে হামলার তীব্র ও কঠোরতম ভাষায় নিন্দা করেছেন, পাশাপাশি ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর সুরক্ষায় বসতি স্থাপনকারীদের বারবার অনুপ্রবেশ ও উস্কানিমূলক আচার-অনুষ্ঠানেরও নিন্দা করেছেন।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি)-এর মহাসচিব এই বক্তব্য দেন।
মহাসচিব জোর দিয়ে বলেছেন, এই লঙ্ঘনগুলো বরকতময় আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতার প্রতি স্পষ্ট আঘাত এবং একটি অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, যা tensions বাড়ায় এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং এই চলমান লঙ্ঘন বন্ধ করতে এবং পবিত্র মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করতে দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেয়।
আলবুদাইউই জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ফিলিস্তিনি কারণ এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের প্রতি অবিচল অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন, যার মধ্যে সর্বাগ্রে রয়েছে ৪ জুন ১৯৬৭ সালের সীমান্ত বরাবর পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
এই ঘটনাটি কি আঞ্চলিক শান্তির জন্য একটি সতর্কবার্তা নয়? আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কেন এখনও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিচ্ছে না? বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ বন্ধে জিসিসি কী ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে পারে? এই ধরনের উস্কানি কি ইতিমধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ অঞ্চলে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবে না? ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব কী? জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ঐক্য কি এই সংকট মোকাবিলায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে? এই লঙ্ঘনগুলো কি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোকে দুর্বল করে দিচ্ছে না?
জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আল-আকসা মসজিদ মুসলিম বিশ্বের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান এবং এর ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব। ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর সুরক্ষায় বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ ও উস্কানিমূলক আচার-অনুষ্ঠান এই পবিত্র স্থানের পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ন করে এবং এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে।
জিসিসি মহাসচিবের মতে, এই লঙ্ঘনগুলো কেবল ধর্মীয় পবিত্রতার প্রতি আঘাত নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা অস্থিতিশীল করার একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যাতে এই চলমান লঙ্ঘন বন্ধ হয় এবং পবিত্র মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষিত থাকে।
আলবুদাইউই জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে ফিলিস্তিনি কারণের প্রতি অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের মধ্যে সর্বাগ্রে রয়েছে ৪ জুন ১৯৬৭ সালের সীমান্ত বরাবর পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। এই অবস্থান জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর দীর্ঘদিনের নীতি এবং আন্তর্জাতিক আইনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
এই বক্তব্য আঞ্চলিক কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। জিসিসি মহাসচিবের নিন্দা শুধু একটি বিবৃতি নয়, বরং এটি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত অবস্থানের প্রতিফলন। এই ধরনের বিবৃতি কি ইসরায়েলি দখলদার সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে যথেষ্ট? আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কি জিসিসির আহ্বানে সাড়া দেবে? এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আর কী কী পদক্ষেপ প্রয়োজন?
আল-আকসা মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করা শুধু মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই পবিত্র স্থানের পবিত্রতা রক্ষা করা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য সেই দায়িত্ব পালনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সচেতন করার একটি প্রচেষ্টা।
এই ধরনের লঙ্ঘন কি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোকে দুর্বল করে দিচ্ছে না? বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ বন্ধে জিসিসি কী ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে পারে? আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তা কি এই সংকটকে আরও গভীর করবে না? ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব কী? এই লঙ্ঘনগুলো কি ইতিমধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ অঞ্চলে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবে না? জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ঐক্য কি এই সংকট মোকাবিলায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে? আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কেন এখনও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিচ্ছে না?
জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত কূটনৈতিক অবস্থানের প্রতিফলন। এই ধরনের বিবৃতি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে কেবল বিবৃতি যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জিসিসির আহ্বানে সাড়া দিয়ে এই চলমান লঙ্ঘন বন্ধে দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।
আল-আকসা মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব। এই পবিত্র স্থানের পবিত্রতা রক্ষা করা শুধু মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য সেই দায়িত্ব পালনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সচেতন করার একটি প্রচেষ্টা।
এই বক্তব্যে জিসিসি মহাসচিব ইসরায়েলি দখলদার সরকারের ভেতরের উগ্রপন্থীদের দ্বারা আল-আকসা মসজিদের প্রাঙ্গণে হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি এই লঙ্ঘনগুলোকে বরকতময় আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতার প্রতি স্পষ্ট আঘাত এবং একটি অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলে।
জিসিসি মহাসচিব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং এই চলমান লঙ্ঘন বন্ধ করতে এবং পবিত্র মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করতে দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেয়। এই আহ্বান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নৈতিক ও আইনি দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
আলবুদাইউই জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ফিলিস্তিনি কারণ এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের প্রতি অবিচল অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের মধ্যে সর্বাগ্রে রয়েছে ৪ জুন ১৯৬৭ সালের সীমান্ত বরাবর পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
এই বক্তব্য আঞ্চলিক কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। জিসিসি মহাসচিবের নিন্দা শুধু একটি বিবৃতি নয়, বরং এটি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত অবস্থানের প্রতিফলন। এই ধরনের বিবৃতি কি ইসরায়েলি দখলদার সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে যথেষ্ট? আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কি জিসিসির আহ্বানে সাড়া দেবে? এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আর কী কী পদক্ষেপ প্রয়োজন?
আল-আকসা মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করা শুধু মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই পবিত্র স্থানের পবিত্রতা রক্ষা করা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য সেই দায়িত্ব পালনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সচেতন করার একটি প্রচেষ্টা।
এই ধরনের লঙ্ঘন কি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোকে দুর্বল করে দিচ্ছে না? বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ বন্ধে জিসিসি কী ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে পারে? আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তা কি এই সংকটকে আরও গভীর করবে না? ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব কী? এই লঙ্ঘনগুলো কি ইতিমধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ অঞ্চলে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবে না? জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ঐক্য কি এই সংকট মোকাবিলায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে? আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কেন এখনও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিচ্ছে না?
জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত কূটনৈতিক অবস্থানের প্রতিফলন। এই ধরনের বিবৃতি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে কেবল বিবৃতি যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জিসিসির আহ্বানে সাড়া দিয়ে এই চলমান লঙ্ঘন বন্ধে দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।
আল-আকসা মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব। এই পবিত্র স্থানের পবিত্রতা রক্ষা করা শুধু মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য সেই দায়িত্ব পালনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সচেতন করার একটি প্রচেষ্টা।
এই বক্তব্যে জিসিসি মহাসচিব ইসরায়েলি দখলদার সরকারের ভেতরের উগ্রপন্থীদের দ্বারা আল-আকসা মসজিদের প্রাঙ্গণে হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি এই লঙ্ঘনগুলোকে বরকতময় আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতার প্রতি স্পষ্ট আঘাত এবং একটি অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলে।
জিসিসি মহাসচিব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং এই চলমান লঙ্ঘন বন্ধ করতে এবং পবিত্র মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করতে দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেয়। এই আহ্বান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নৈতিক ও আইনি দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
আলবুদাইউই জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ফিলিস্তিনি কারণ এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের প্রতি অবিচল অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের মধ্যে সর্বাগ্রে রয়েছে ৪ জুন ১৯৬৭ সালের সীমান্ত বরাবর পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
এই বক্তব্য আঞ্চলিক কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। জিসিসি মহাসচিবের নিন্দা শুধু একটি বিবৃতি নয়, বরং এটি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত অবস্থানের প্রতিফলন। এই ধরনের বিবৃতি কি ইসরায়েলি দখলদার সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে যথেষ্ট? আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কি জিসিসির আহ্বানে সাড়া দেবে? এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আর কী কী পদক্ষেপ প্রয়োজন?
আল-আকসা মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করা শুধু মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই পবিত্র স্থানের পবিত্রতা রক্ষা করা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য সেই দায়িত্ব পালনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সচেতন করার একটি প্রচেষ্টা।
এই ধরনের লঙ্ঘন কি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোকে দুর্বল করে দিচ্ছে না? বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ বন্ধে জিসিসি কী ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে পারে? আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তা কি এই সংকটকে আরও গভীর করবে না? ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব কী? এই লঙ্ঘনগুলো কি ইতিমধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ অঞ্চলে আরও সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবে না? জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ঐক্য কি এই সংকট মোকাবিলায় যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে? আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কেন এখনও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিচ্ছে না?
জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত কূটনৈতিক অবস্থানের প্রতিফলন। এই ধরনের বিবৃতি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে কেবল বিবৃতি যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জিসিসির আহ্বানে সাড়া দিয়ে এই চলমান লঙ্ঘন বন্ধে দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।
আল-আকসা মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব। এই পবিত্র স্থানের পবিত্রতা রক্ষা করা শুধু মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য সেই দায়িত্ব পালনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সচেতন করার একটি প্রচেষ্টা।
জিসিসি মহাসচিব কে এবং তিনি কী বলেছেন? জিসিসি মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আলবুদাইউই ইসরায়েলি দখলদার সরকারের ভেতরের উগ্রপন্থীদের দ্বারা আল-আকসা মসজিদের প্রাঙ্গণে হামলার তীব্র ও কঠোরতম ভাষায় নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই লঙ্ঘনগুলো বরকতময় আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতার প্রতি স্পষ্ট আঘাত এবং একটি অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ এই বক্তব্য প্রকাশ করে।
জিসিসি মহাসচিব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কী দাবি জানিয়েছেন? জিসিসি মহাসচিব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং এই চলমান লঙ্ঘন বন্ধ করতে এবং পবিত্র মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করতে দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেয়। তিনি এই লঙ্ঘনগুলোকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এসপিএ এই আহ্বান প্রকাশ করেছে।
জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ফিলিস্তিনি কারণের প্রতি অবস্থান কী? আলবুদাইউই জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ফিলিস্তিনি কারণ এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের প্রতি অবিচল অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের মধ্যে সর্বাগ্রে রয়েছে ৪ জুন ১৯৬৭ সালের সীমান্ত বরাবর পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। এই অবস্থান জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর দীর্ঘদিনের নীতি।
এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপট কী? জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর সুরক্ষায় বসতি স্থাপনকারীদের বারবার অনুপ্রবেশ ও উস্কানিমূলক আচার-অনুষ্ঠান চলছে। আল-আকসা মসজিদ মুসলিম বিশ্বের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান এবং এর ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব। এসপিএ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ এই বক্তব্য প্রকাশ করে।
জিসিসি মহাসচিবের বক্তব্যের তাৎপর্য কী? জিসিসি মহাসচিবের এই বক্তব্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত কূটনৈতিক অবস্থানের প্রতিফলন। এই ধরনের বিবৃতি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এসপিএ এই বক্তব্য প্রকাশ করেছে।
আল-আকসা মসজিদের ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা কী? আল-আকসা মসজিদ মুসলিম বিশ্বের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান এবং এর ঐতিহাসিক ও আইনি অবস্থা সংরক্ষণ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব। জিসিসি মহাসচিব এই অবস্থা সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এই লঙ্ঘনগুলোকে পবিত্রতার প্রতি স্পষ্ট আঘাত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।





