কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি হামলায় নিহত চার নাগরিকসহ মোট ১২ জনের মৃত্যুতে বাহরাইন সৌদি আরবের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬-এ রিয়াদের বিমানবন্দরে এই হামলা হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই সমবেদনা প্রকাশ করে। বিবৃতিতে বলা হয়, হামলায় ৩০০-এর বেশি বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বাহরাইন মহান আল্লাহর কাছে নিহতদের প্রতি রহমত এবং তাদের পরিবারের প্রতি ধৈর্য ও সান্ত্বনা প্রার্থনা করেছে। পাশাপাশি আহত সবার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
বিবৃতিতে বাহরাইন মিশর, জর্ডান, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, সুদান, যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের প্রতিও সমবেদনা জানিয়েছে। হামলায় এই দেশগুলোর নাগরিকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাহরাইন সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় রাজ্যের সব পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন এবং সম্পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহরাইনের নিরাপত্তা এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সম্মিলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি হুথি মিলিশিয়ার বেসামরিক নাগরিক, বেসামরিক স্থাপনা ও বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু করার ধারাবাহিকতারই প্রকাশ। বিবৃতিতে হামলাটিকে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, এটি একটি গুরুতর ও অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা এবং যাত্রী ও বিমানকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলা আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল কনভেনশনের (শিকাগো) প্রতিষ্ঠিত নীতির পরিপন্থী।
এসপিএ জানিয়েছে, হামলাটি ইরান-সমর্থিত হুথি সন্ত্রাসী মিলিশিয়া চালিয়েছে। শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬-এ রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই হামলা হয়।
বাহরাইনের বিবৃতিতে হামলার সময়, স্থান বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত নতুন তথ্য নেই। নিহত চার নাগরিকের পরিচয় বা আহতদের সংখ্যার বিস্তারিতও বিবৃতিতে দেওয়া হয়নি।
হামলায় কতজন নিহত ও আহত হয়েছেন? শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬-এ রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি হামলায় ১২ জন নিহত হন। এদের মধ্যে সৌদি আরবের চার নাগরিকও আছেন। হামলায় ৩০০-এর বেশি বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এসপিএ জানিয়েছে, হামলাটি ইরান-সমর্থিত হুথি সন্ত্রাসী মিলিশিয়া চালিয়েছে।
বাহরাইন কোন কোন দেশকে সমবেদনা জানিয়েছে? বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সৌদি আরবের পাশাপাশি মিশর, জর্ডান, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, সুদান, যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশকে সমবেদনা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, হামলায় এই দেশগুলোর নাগরিকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বাহরাইন মহান আল্লাহর কাছে নিহতদের রহমত ও তাদের পরিবারের ধৈর্য কামনা করেছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা প্রার্থনা করেছে।
বাহরাইন হামলাটিকে কীভাবে বর্ণনা করেছে? বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হামলাটিকে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে বর্ণনা করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এটি হুথি মিলিশিয়ার বেসামরিক নাগরিক, বেসামরিক স্থাপনা ও বিমানবন্দর লক্ষ্যবস্তু করার ধারাবাহিকতার প্রকাশ। মন্ত্রণালয় এটিকে গুরুতর ও অগ্রহণযোগ্য উত্তেজনা বৃদ্ধি বলেও উল্লেখ করেছে।
জিসিসি নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বাহরাইন কী বলেছে? বাহরাইন বলেছে, সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহরাইনের নিরাপত্তা এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সম্মিলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। মন্ত্রণালয় সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় রাজ্যের সব পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন ও সম্পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। বাহরাইন হামলার তীব্র নিন্দাও জানিয়েছে।
হামলা আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ওপর কী প্রভাব ফেলে বলে বাহরাইন মনে করছে? বাহরাইনের মন্ত্রণালয় বলেছে, হামলাটি আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা এবং যাত্রী ও বিমানকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলা আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল কনভেনশনের (শিকাগো) প্রতিষ্ঠিত নীতির পরিপন্থী। মন্ত্রণালয় এটিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্যও গুরুতর হুমকি বলে বর্ণনা করেছে।