মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করেছেন ২৫০ জন পুরুষ ও নারী উমরাহ পালনকারী, যাঁরা ২১টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী বিশিষ্ট ইসলামি ব্যক্তিত্ব। বাইতুল্লাহর চত্বরে তাঁরা নামাজ আদায় করেন আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও ভক্তিভরে, আর সেই সঙ্গে পেয়েছেন উপাসকদের জন্য প্রদত্ত ব্যাপক সেবা ও সুবিধা।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই ২৫০ জন উমরাহ পালনকারী ছিলেন বাদশাহর দুই পবিত্র মসজিদের অভিভাবক উমরাহ ও ভিজিট প্রোগ্রামের চতুর্থ গ্রুপের অতিথি। ১৪৪৮ হিজরি সনের এই প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করছে ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয়। শুক্রবারের এই নামাজ ছিল তাঁদের সফরের অন্যতম স্মরণীয় ধর্মীয় মুহূর্ত।
গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম শেখ আবদুল্লাহ আল-জুহানি জুমার খুতবা দেন। খুতবায় ইসলামে নামাজের গুরুত্ব, আধ্যাত্মিক সুস্থতা গঠনে এবং উত্তম আচরণ চর্চায় নামাজের ভূমিকা এবং নিয়মিত নামাজ আদায়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। খুতবায় নির্দোষ মানুষের জীবনের পবিত্রতা ও অলঙ্ঘনীয়তা এবং সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে হামলার নিন্দাও জোরালোভাবে ব্যক্ত করা হয়।
প্রোগ্রামের কয়েকজন অতিথি গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করে নিজেদের আনন্দ প্রকাশ করেন। তাঁরা এই অভিজ্ঞতাকে স্মরণীয় আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা বলে বর্ণনা করেন, যা তাঁদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে যাবে। তাঁরা উষ্ণ অভ্যর্থনা, উদার আতিথেয়তা, চমৎকার আয়োজন এবং সৌদি আরবের পক্ষ থেকে হজ ও উমরাহ যাত্রীদের জন্য প্রদত্ত ব্যাপক সেবার প্রশংসা করেন, যার ফলে তাঁরা স্বাচ্ছন্দ্য ও মানসিক প্রশান্তির সঙ্গে নিজেদের ইবাদত ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পেরেছেন।
অতিথিরা সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেন ইসলাম ও মুসলিমদের প্রতি তার যত্ন ও সমর্থনের জন্য এবং প্রোগ্রামের অতিথিদের উমরাহ পালন ও দুই পবিত্র মসজিদ জিয়ারত সম্ভব করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির জন্য।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মক্কা থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। স্থানীয় সময় ছিল বিকেল ৪টা ৪৪ মিনিট এবং জিএমটি সময় দুপুর ১টা ৪৪ মিনিট।
বাদশাহর দুই পবিত্র মসজিদের অভিভাবক উমরাহ ও ভিজিট প্রোগ্রামের চতুর্থ গ্রুপের এই সফর কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ইসলামি ব্যক্তিত্বদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের একটি সুযোগও বটে। ২১টি দেশ থেকে আসা এই অতিথিরা বিভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক প্রেক্ষাপটের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাঁদের এই সমাবেশ মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে এক অনন্য আন্তর্জাতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে।
জুমার নামাজের আগে ও পরে অতিথিরা মসজিদের ভেতরে ও বাইরে উপাসকদের ভিড়ের মধ্যে নিজেদের ইবাদত সম্পন্ন করেন। মসজিদের প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উপাসকদের নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করে। এই সেবার মধ্যে রয়েছে মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা, পানি ও অন্যান্য মৌলিক সুবিধা এবং চিকিৎসা সহায়তা।
প্রোগ্রামের অতিথিরা শুধু জুমার নামাজেই অংশ নেননি, তাঁরা উমরাহ পালন ও দুই পবিত্র মসজিদ জিয়ারতের সুযোগও পেয়েছেন। এই ধরনের প্রোগ্রামের লক্ষ্য হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামি ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করা এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা নিজ নিজ দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া।
খুতবায় ইমাম শেখ আবদুল্লাহ আল-জুহানি নামাজের আধ্যাত্মিক ও নৈতিক শিক্ষার দিকটি বিশেষভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নিয়মিত নামাজ মানুষকে সৎ পথে চলতে সাহায্য করে এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে। তিনি নির্দোষ মানুষের জীবন রক্ষার গুরুত্বও তুলে ধরেন এবং সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার নিন্দা জানান।
অতিথিদের মধ্যে কেউ কেউ বলেন, মক্কায় এসে গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করা তাঁদের জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতা। তাঁরা সৌদি কর্তৃপক্ষের আয়োজন ও ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, এই ধরনের আয়োজন ইসলামের প্রতি সৌদি নেতৃত্বের গভীর শ্রদ্ধা ও যত্নের প্রমাণ।
উমরাহ ও ভিজিট প্রোগ্রামের আওতায় অতিথিদের জন্য থাকা, খাওয়া, পরিবহন ও ধর্মীয় নির্দেশনা সহ বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে সৌদি আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে এবং ইসলামের সেবায় নিজের ভূমিকা তুলে ধরে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিথিরা সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইসলাম ও মুসলিমদের প্রতি যত্ন ও সমর্থনের জন্য এবং প্রোগ্রামের অতিথিদের উমরাহ পালন ও দুই পবিত্র মসজিদ জিয়ারত সম্ভব করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির জন্য। এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে প্রোগ্রামের সফলতা ও তার ইতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়।
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজের এই আয়োজন সৌদি আরবের ধর্মীয় সেবার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মুসলিম হজ ও উমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে আসেন। তাঁদের সেবার জন্য সৌদি সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করে। এই প্রোগ্রাম তারই একটি অংশ।
প্রোগ্রামের চতুর্থ গ্রুপের এই সফর ১৪৪৮ হিজরি সনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয় এই প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করছে। ২১টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী এই অতিথিরা তাঁদের নিজ নিজ দেশে ফিরে গিয়ে এই অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দেবেন বলে আশা করা যায়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অতিথিরা গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের সময় আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও ভক্তিভাব অনুভব করেন। মসজিদের পরিবেশ ছিল শান্ত ও পবিত্র। উপাসকদের জন্য সব ধরনের সেবা ও সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছিল।
সৌদি আরবের নেতৃত্ব ইসলাম ও মুসলিমদের সেবায় সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বাদশাহর দুই পবিত্র মসজিদের অভিভাবক উমরাহ ও ভিজিট প্রোগ্রাম তারই একটি উদাহরণ। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামি ব্যক্তিত্বরা সৌদি আরবের আতিথেয়তা ও ধর্মীয় সেবার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজের এই আয়োজন সৌদি আরবের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অংশ। এই ধরনের আয়োজন সৌদি আরবের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে এবং বিশ্বের মুসলিমদের সঙ্গে তার সম্পর্ক জোরদার করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিথিরা সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা সৌদি আরবের আতিথেয়তা ও সেবার প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, এই অভিজ্ঞতা তাঁদের জীবনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে যাবে।
প্রোগ্রামের অতিথিরা শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতাই পালন করেননি, তাঁরা সৌদি আরবের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গেও পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এই ধরনের সাংস্কৃতিক বিনিময় আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে সহায়ক।
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র স্থানগুলোর একটি। এখানে জুমার নামাজ আদায় করা মুসলিমদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ২১টি দেশের ২৫০ জন উমরাহ পালনকারীর এই সমাবেশ সেই তাৎপর্যকে আরও গভীর করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খুতবায় নামাজের গুরুত্ব, আধ্যাত্মিক সুস্থতা ও উত্তম আচরণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এছাড়া নির্দোষ মানুষের জীবনের পবিত্রতা এবং সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে হামলার নিন্দা জানানো হয়।
সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা সব মুসলিমের দায়িত্ব। এই ধরনের হামলা শুধু সৌদি আরবের বিরুদ্ধেই নয়, বরং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে আঘাত। খুতবায় এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়।
প্রোগ্রামের অতিথিরা তাঁদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলেন, সৌদি আরবের আতিথেয়তা ও সেবা তাঁদের মুগ্ধ করেছে। তাঁরা সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁরা বলেন, এই ধরনের প্রোগ্রাম বিশ্বের মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধি করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিথিরা উষ্ণ অভ্যর্থনা, উদার আতিথেয়তা ও চমৎকার আয়োজনের প্রশংসা করেন। তাঁরা সৌদি আরবের পক্ষ থেকে হজ ও উমরাহ যাত্রীদের জন্য প্রদত্ত ব্যাপক সেবারও প্রশংসা করেন।
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজের এই আয়োজন সৌদি আরবের ধর্মীয় সেবার ধারাবাহিকতার একটি অংশ। সৌদি আরব প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মুসলিমের সেবা করে। এই প্রোগ্রাম তারই একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
প্রোগ্রামের চতুর্থ গ্রুপের এই সফর সৌদি আরবের ধর্মীয় কূটনীতির একটি উদাহরণ। এই ধরনের প্রোগ্রামের মাধ্যমে সৌদি আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামি ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিথিরা সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেন। তাঁরা ইসলাম ও মুসলিমদের প্রতি সৌদি নেতৃত্বের যত্ন ও সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন।
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের এই ঘটনা সৌদি আরবের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনের একটি অংশ। এই ধরনের আয়োজন সৌদি আরবের ভাবমূর্তি ও বিশ্বের মুসলিমদের সঙ্গে তার সম্পর্ক জোরদার করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মক্কা থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। স্থানীয় সময় ছিল বিকেল ৪টা ৪৪ মিনিট এবং জিএমটি সময় দুপুর ১টা ৪৪ মিনিট।
প্রোগ্রামের অতিথিরা তাঁদের নিজ নিজ দেশে ফিরে গিয়ে এই অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দেবেন। এই ধরনের বিনিময় আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে সহায়ক। সৌদি আরবের এই উদ্যোগ বিশ্বের মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা বহন করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অতিথিরা গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের সময় আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও ভক্তিভাব অনুভব করেন। মসজিদের পরিবেশ ছিল শান্ত ও পবিত্র। উপাসকদের জন্য সব ধরনের সেবা ও সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছিল।
সৌদি আরবের নেতৃত্ব ইসলাম ও মুসলিমদের সেবায় সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। বাদশাহর দুই পবিত্র মসজিদের অভিভাবক উমরাহ ও ভিজিট প্রোগ্রাম তারই একটি উদাহরণ। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামি ব্যক্তিত্বরা সৌদি আরবের আতিথেয়তা ও ধর্মীয় সেবার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজের এই আয়োজন সৌদি আরবের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অংশ। এই ধরনের আয়োজন সৌদি আরবের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে এবং বিশ্বের মুসলিমদের সঙ্গে তার সম্পর্ক জোরদার করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিথিরা সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁরা সৌদি আরবের আতিথেয়তা ও সেবার প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, এই অভিজ্ঞতা তাঁদের জীবনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে যাবে।
প্রোগ্রামের অতিথিরা শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতাই পালন করেননি, তাঁরা সৌদি আরবের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গেও পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এই ধরনের সাংস্কৃতিক বিনিময় আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে সহায়ক।
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র স্থানগুলোর একটি। এখানে জুমার নামাজ আদায় করা মুসলিমদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ২১টি দেশের ২৫০ জন উমরাহ পালনকারীর এই সমাবেশ সেই তাৎপর্যকে আরও গভীর করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খুতবায় নামাজের গুরুত্ব, আধ্যাত্মিক সুস্থতা ও উত্তম আচরণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এছাড়া নির্দোষ মানুষের জীবনের পবিত্রতা এবং সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে হামলার নিন্দা জানানো হয়।
সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা সব মুসলিমের দায়িত্ব। এই ধরনের হামলা শুধু সৌদি আরবের বিরুদ্ধেই নয়, বরং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে আঘাত। খুতবায় এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়।
প্রোগ্রামের অতিথিরা তাঁদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলেন, সৌদি আরবের আতিথেয়তা ও সেবা তাঁদের মুগ্ধ করেছে। তাঁরা সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁরা বলেন, এই ধরনের প্রোগ্রাম বিশ্বের মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধি করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিথিরা উষ্ণ অভ্যর্থনা, উদার আতিথেয়তা ও চমৎকার আয়োজনের প্রশংসা করেন। তাঁরা সৌদি আরবের পক্ষ থেকে হজ ও উমরাহ যাত্রীদের জন্য প্রদত্ত ব্যাপক সেবারও প্রশংসা করেন।
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজের এই আয়োজন সৌদি আরবের ধর্মীয় সেবার ধারাবাহিকতার একটি অংশ। সৌদি আরব প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মুসলিমের সেবা করে। এই প্রোগ্রাম তারই একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
প্রোগ্রামের চতুর্থ গ্রুপের এই সফর সৌদি আরবের ধর্মীয় কূটনীতির একটি উদাহরণ। এই ধরনের প্রোগ্রামের মাধ্যমে সৌদি আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামি ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিথিরা সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেন। তাঁরা ইসলাম ও মুসলিমদের প্রতি সৌদি নেতৃত্বের যত্ন ও সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন।
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের এই ঘটনা সৌদি আরবের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনের একটি অংশ। এই ধরনের আয়োজন সৌদি আরবের ভাবমূর্তি ও বিশ্বের মুসলিমদের সঙ্গে তার সম্পর্ক জোরদার করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মক্কা থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। স্থানীয় সময় ছিল বিকেল ৪টা ৪৪ মিনিট এবং জিএমটি সময় দুপুর ১টা ৪৪ মিনিট।
প্রোগ্রামের অতিথিরা তাঁদের নিজ নিজ দেশে ফিরে গিয়ে এই অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দেবেন। এই ধরনের বিনিময় আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে সহায়ক। সৌদি আরবের এই উদ্যোগ বিশ্বের মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা বহন করে।
গ্র্যান্ড মসজিদে কতজন উমরাহ পালনকারী জুমার নামাজ আদায় করেন? ২৫০ জন পুরুষ ও নারী উমরাহ পালনকারী গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। তাঁরা ছিলেন ২১টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী বিশিষ্ট ইসলামি ব্যক্তিত্ব। তাঁরা বাদশাহর দুই পবিত্র মসজিদের অভিভাবক উমরাহ ও ভিজিট প্রোগ্রামের চতুর্থ গ্রুপের অতিথি। এসপিএ জানিয়েছে, তাঁরা আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও ভক্তিভরে নামাজ আদায় করেন এবং উপাসকদের জন্য প্রদত্ত ব্যাপক সেবা ও সুবিধা পান।
জুমার খুতবায় কী বিষয় তুলে ধরা হয়? গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম শেখ আবদুল্লাহ আল-জুহানি খুতবা দেন। খুতবায় ইসলামে নামাজের গুরুত্ব, আধ্যাত্মিক সুস্থতা গঠনে ও উত্তম আচরণ চর্চায় নামাজের ভূমিকা এবং নিয়মিত নামাজ আদায়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। খুতবায় নির্দোষ মানুষের জীবনের পবিত্রতা ও অলঙ্ঘনীয়তা এবং সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে হামলার নিন্দাও জোরালোভাবে ব্যক্ত করা হয়।
প্রোগ্রামের অতিথিরা তাঁদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কী বলেন? প্রোগ্রামের কয়েকজন অতিথি গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করে নিজেদের আনন্দ প্রকাশ করেন। তাঁরা এই অভিজ্ঞতাকে স্মরণীয় আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা বলে বর্ণনা করেন, যা তাঁদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে যাবে। তাঁরা উষ্ণ অভ্যর্থনা, উদার আতিথেয়তা, চমৎকার আয়োজন এবং সৌদি আরবের পক্ষ থেকে হজ ও উমরাহ যাত্রীদের জন্য প্রদত্ত ব্যাপক সেবার প্রশংসা করেন।
প্রোগ্রামটি কে বাস্তবায়ন করছে এবং কত হিজরি সনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে? বাদশাহর দুই পবিত্র মসজিদের অভিভাবক উমরাহ ও ভিজিট প্রোগ্রামের চতুর্থ গ্রুপের এই সফর ১৪৪৮ হিজরি সনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয় এই প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করছে। ২১টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী এই অতিথিরা উমরাহ পালন ও দুই পবিত্র মসজিদ জিয়ারতের সুযোগ পেয়েছেন। এসপিএ জানিয়েছে, তাঁরা সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেন।
অতিথিরা সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন কেন? অতিথিরা সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা প্রকাশ করেন ইসলাম ও মুসলিমদের প্রতি তার যত্ন ও সমর্থনের জন্য এবং প্রোগ্রামের অতিথিদের উমরাহ পালন ও দুই পবিত্র মসজিদ জিয়ারত সম্ভব করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির জন্য। তাঁরা সৌদি আরবের আতিথেয়তা ও সেবার প্রশংসা করেন। এসপিএ জানিয়েছে, এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে প্রোগ্রামের সফলতা ও তার ইতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে তারিখ ও সময় সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মক্কা থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। স্থানীয় সময় ছিল বিকেল ৪টা ৪৪ মিনিট এবং জিএমটি সময় দুপুর ১টা ৪৪ মিনিট। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অতিথিরা গ্র্যান্ড মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের সময় আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও ভক্তিভাব অনুভব করেন এবং মসজিদের পরিবেশ ছিল শান্ত ও পবিত্র।