মদিনার কিং সালমান ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে রোববার আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে সৌদি আরবের বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হয়। সম্মেলনের আয়োজক ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনা।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, উদ্বোধনী অধিবেশনে ইসলামি আকিদা কীভাবে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি প্রতিরোধ করে এবং ব্যক্তি ও সমাজকে বিভ্রান্তিকর ধারণা থেকে রক্ষা করে, তা পর্যালোচনা করা হয়।
আকিদার ভূমিকা ও সচেতনতা
অধিবেশনটি পরিচালনা করেন কুবা মসজিদের ইমাম ও খতিব এবং মসজিদে নববির শিক্ষক ড. সুলাইমান আল-রুহাইলি, যিনি ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার অনুষদ সদস্যও। অধিবেশনে সুস্থ ধর্মীয় সচেতনতার ভূমিকা, চিন্তার সুরক্ষায় ইসলামি ভিত্তি এবং চরমপন্থা মোকাবিলায় ধর্মীয় আকিদা শক্তিশালীকরণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।
সম্মেলনে সৌদি আরবের সুন্নাহ প্রচারের প্রচেষ্টা এবং জনসচেতনতায় তার প্রভাব তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ভারসাম্যপূর্ণ ব্যক্তিত্ব গঠনে আকিদার ভূমিকা এবং বিভ্রান্তিকর ধারণা মোকাবিলার বিষয়ও আলোচনায় আসে।
দুই দিনের আয়োজন ও প্রদর্শনী
দুই দিনের এই সম্মেলন ও এর সঙ্গে থাকা প্রদর্শনী মদিনার কিং সালমান ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে সৌদি আরবের চরমপন্থা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা তুলে ধরা, সংযম ও ভারসাম্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা, সহনশীল ইসলামি মূল্যবোধ প্রচার এবং সংলাপ ও সহনশীলতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা লক্ষ্য।
নির্বাচিত পণ্ডিত, বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের অংশগ্রহণে সম্মেলনে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় জাতীয় অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগও উপস্থাপন করা হয়।
এসপিএর প্রতিবেদনে সম্মেলনের সিদ্ধান্ত, সুপারিশ বা পরবর্তী কার্যক্রমের কোনো বিবরণ নেই।
সম্মেলনটি কোথায় ও কবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে? সম্মেলনটি মদিনার কিং সালমান ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এটি দুই দিনব্যাপী। এসপিএ জানিয়েছে, রোববার উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এর সঙ্গে একটি প্রদর্শনীও চলছে।
উদ্বোধনী অধিবেশনে কে সভাপতিত্ব করেন? কুবা মসজিদের ইমাম ও খতিব এবং মসজিদে নববির শিক্ষক ড. সুলাইমান আল-রুহাইলি উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। তিনি ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মদিনার অনুষদ সদস্যও। এসপিএ জানিয়েছে, অধিবেশনে আকিদার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
সম্মেলনের লক্ষ্য কী? সম্মেলনের লক্ষ্য সৌদি আরবের চরমপন্থা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলার প্রচেষ্টা তুলে ধরা, সংযম ও ভারসাম্যভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা, সহনশীল ইসলামি মূল্যবোধ প্রচার এবং সংলাপ ও সহনশীলতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা। এসপিএ অনুযায়ী, এতে জাতীয় অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগও উপস্থাপন করা হয়।
সম্মেলনে কারা অংশ নিচ্ছেন? নির্বাচিত পণ্ডিত, বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন। এসপিএ জানিয়েছে, উদ্বোধনী অধিবেশনে ইসলামি আকিদা কীভাবে বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি প্রতিরোধ করে এবং ব্যক্তি ও সমাজকে রক্ষা করে তা পর্যালোচনা করা হয়।





