Saturday, October 17, 2026
সৌদি সংবাদ

মসজিদুল হারামের আঙিনায় গেস্ট কেয়ার সেন্টার চালু করল কর্তৃপক্ষ, ১২ সেবা এক ছাদের নিচে

মসজিদুল হারামের আঙিনায় গেস্ট কেয়ার সেন্টার চালু করল কর্তৃপক্ষ, ১২ সেবা এক ছাদের নিচে

মক্কার মসজিদুল হারামের আঙিনায় ৪২০ বর্গমিটার আয়তনের একটি গেস্ট কেয়ার সেন্টার চালু হয়েছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে নববির পরিচর্যা বিষয়ক জেনারেল অথরিটি এই কেন্দ্রটি চালু করেছে। ২৭ মার্চ ২০২৫ তারিখে মক্কা থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসপিএ জানায়, কেন্দ্রটি একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে কাজ করবে। মসজিদুল হারাম ও তার আশপাশের এলাকায় একই ধরনের আরও কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

কেন্দ্রটি ১২টি প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করে। এর মধ্যে রয়েছে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা, দিকনির্দেশনা ও সচেতনতামূলক সেবা, হারানো ও প্রাপ্ত জিনিস ব্যবস্থাপনা, অভিযোগ ও রিপোর্ট ব্যবস্থাপনা এবং কুরআন, ছাতা ও জুতার কভার বিতরণ। পাশাপাশি চিকিৎসা ও প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য সহায়তাও দেওয়া হয়।

মসজিদুল হারামে প্রতিদিন লাখ লাখ মুসল্লি আসেন। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের ভিড়ে বয়স্ক ব্যক্তি বা প্রতিবন্ধী কেউ হারিয়ে গেলে বা অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত সহায়তা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ঠিক সেই জায়গাতেই এই কেন্দ্রটি কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে। প্রশ্ন হলো, একটি কেন্দ্র দিয়ে কি সারা মসজিদুল হারামের চাহিদা মেটানো সম্ভব? এসপিএ জানিয়েছে, এটি পাইলট প্রকল্প। অর্থাৎ ভবিষ্যতে আরও কেন্দ্র যুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

কেন্দ্রের সেবার তালিকায় হারানো ও প্রাপ্ত জিনিস ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত। মসজিদুল হারামের মতো জায়গায় মুসল্লিদের কাছ থেকে মোবাইল, মানিব্যাগ, পরিচয়পত্র বা জুতাসহ নানা জিনিস হারানোর ঘটনা ঘটে। আবার অনেকে জিনিস খুঁজে পেয়ে জমা দেওয়ার জায়গা জানেন না। এই কেন্দ্র সেই সমস্যার সমাধানে কাজ করবে। প্রশ্ন হলো, হারানো জিনিস ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া কতটা দ্রুত হবে? এসপিএ এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

অভিযোগ ও রিপোর্ট ব্যবস্থাপনার সেবাও রয়েছে কেন্দ্রটিতে। মুসল্লিরা কোনো সমস্যায় পড়লে অভিযোগ জানাতে পারবেন। এতে করে মসজিদুল হারামের সেবার মান উন্নয়নে সরাসরি মতামত পাওয়া যাবে। প্রশ্ন হলো, অভিযোগ নিষ্পত্তিতে কত সময় লাগবে? এসপিএ এই তথ্য দেয়নি।

কেন্দ্র থেকে কুরআন বিতরণ করা হয়। মসজিদুল হারামে আসা অনেক মুসল্লি নিজের কুরআন সঙ্গে আনেন না বা হারিয়ে ফেলেন। তাদের জন্য এটি সহায়ক হবে। এছাড়া ছাতা বিতরণের কথা বলা হয়েছে। মক্কার তীব্র রোদে ছাতা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আবার জুতার কভার বিতরণ করা হয়, যা মসজিদে প্রবেশের সময় জুতা রাখার ঝামেলা কমায়। প্রশ্ন হলো, এই সামগ্রী বিতরণের কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বা সময়সীমা আছে কি? এসপিএ তা জানায়নি।

চিকিৎসা ও প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা কেন্দ্রের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা। ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া, রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া বা পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার ঘটনা ঘটে। দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা পেলে বড় বিপদ এড়ানো যায়। প্রশ্ন হলো, কেন্দ্রে কতজন চিকিৎসাকর্মী থাকবেন? এসপিএ এই সংখ্যা উল্লেখ করেনি।

বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা সেবাটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মসজিদুল হারামে হুইলচেয়ার বা বিশেষ সহায়তার প্রয়োজন হয় অনেকের। দিকনির্দেশনা ও সচেতনতামূলক সেবার মাধ্যমে মুসল্লিরা সঠিক পথ ও নিয়মকানুন জানতে পারবেন। প্রশ্ন হলো, এই সেবা ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে কি? এসপিএ এই সময়সূচি দেয়নি।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য সহায়তা সেবাটিও কেন্দ্রে রয়েছে। মসজিদুল হারামের আশপাশে অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের জন্য কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে, তা এসপিএ প্রতিবেদনে বিস্তারিত বলা হয়নি। প্রশ্ন হলো, এই সহায়তার মধ্যে লাইসেন্স বা অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয় আছে কি? স্পষ্ট নয়।

কেন্দ্রটির আয়তন ৪২০ বর্গমিটার। মসজিদুল হারামের আঙিনায় এই স্থান দখল করে কেন্দ্রটি অবস্থিত। প্রশ্ন হলো, আঙিনার কোন অংশে এটি অবস্থিত? এসপিএ এই অবস্থান সুনির্দিষ্ট করেনি।

জেনারেল অথরিটি ফর দ্য কেয়ার অফ দ্য গ্র্যান্ড মসজিদ অ্যান্ড দ্য প্রফেটস মসজিদ এই কেন্দ্র পরিচালনা করবে। সংস্থাটির নাম ছাড়া এসপিএ প্রতিবেদনে কেন্দ্রের কর্মী সংখ্যা, বাজেট বা পরিচালনার বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

মসজিদুল হারাম ও তার আশপাশের এলাকায় একই ধরনের কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। তবে কতটি কেন্দ্র হবে, কখন হবে বা কোথায় হবে—এসপিএ এসব কিছু জানায়নি। প্রশ্ন হলো, পাইলট প্রকল্পের ফলাফল কখন মূল্যায়ন করা হবে? এ বিষয়েও কোনো তথ্য নেই।

মসজিদুল হারামে প্রতিদিন যে পরিমাণ মানুষ আসেন, তাতে একটি ৪২০ বর্গমিটার কেন্দ্র দিয়ে সব চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়। তবে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এটি ভবিষ্যতের পরিকল্পনার ভিত্তি তৈরি করবে। প্রশ্ন হলো, মুসল্লিদের অভিজ্ঞতা কেমন হবে, তা কে মূল্যায়ন করবে? এসপিএ এই দায়িত্ব কার, তা জানায়নি।

সারসংক্ষেপে, মসজিদুল হারামের আঙিনায় ৪২০ বর্গমিটারের গেস্ট কেয়ার সেন্টার চালু হয়েছে। এতে ১২টি সেবা রয়েছে। এটি পাইলট প্রকল্প। মসজিদুল হারাম ও আশপাশে আরও কেন্দ্রের পরিকল্পনা আছে। এসপিএ প্রতিবেদনে কেন্দ্রের কর্মী, বাজেট, সময়সূচি বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

গেস্ট কেয়ার সেন্টার কোথায় চালু হয়েছে এবং কে চালু করেছে? মক্কার মসজিদুল হারামের আঙিনায় কেন্দ্রটি চালু হয়েছে। গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে নববির পরিচর্যা বিষয়ক জেনারেল অথরিটি এটি চালু করেছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ২৭ মার্চ ২০২৫ তারিখে মক্কা থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। কেন্দ্রটি ৪২০ বর্গমিটার আয়তনের। এটি একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে কাজ করবে।

কেন্দ্রটি কী কী সেবা প্রদান করে? কেন্দ্রটি ১২টি প্রয়োজনীয় সেবা দেয়। এর মধ্যে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা, দিকনির্দেশনা ও সচেতনতামূলক সেবা, হারানো ও প্রাপ্ত জিনিস ব্যবস্থাপনা, অভিযোগ ও রিপোর্ট ব্যবস্থাপনা রয়েছে। এছাড়া কুরআন, ছাতা ও জুতার কভার বিতরণ করা হয়। চিকিৎসা ও প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য সহায়তাও দেওয়া হয়।

ভবিষ্যতে আরও কেন্দ্র করার পরিকল্পনা কী? এসপিএ জানিয়েছে, এই কেন্দ্রটি পাইলট প্রকল্প। মসজিদুল হারাম ও তার আশপাশের এলাকায় একই ধরনের আরও কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কতটি কেন্দ্র হবে, কখন হবে বা কোথায় হবে—এসপিএ এসব বিস্তারিত জানায়নি। পাইলট প্রকল্পের ফলাফল কখন মূল্যায়ন করা হবে, সে তথ্যও দেওয়া হয়নি।

কেন্দ্রটি কত বড় এবং এর অবস্থান কোথায়? কেন্দ্রটির আয়তন ৪২০ বর্গমিটার। এটি মসজিদুল হারামের আঙিনায় অবস্থিত। এসপিএ জানিয়েছে, এটি মসজিদুল হারাম ও তার আশপাশের এলাকায় একই ধরনের কেন্দ্র স্থাপনের পাইলট প্রকল্প। তবে আঙিনার কোন নির্দিষ্ট অংশে কেন্দ্রটি অবস্থিত, এসপিএ তা সুনির্দিষ্ট করেনি।

কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা কীভাবে দেওয়া হবে? কেন্দ্রটি চিকিৎসা ও প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করে। ভিড়ের মধ্যে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া বা আঘাত পাওয়ার ঘটনায় দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা পেলে বড় বিপদ এড়ানো যায়। তবে কেন্দ্রে কতজন চিকিৎসাকর্মী থাকবেন বা সেবা ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে কি না, এসপিএ এই তথ্য দেয়নি।

কেন্দ্রটি কি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে? এসপিএ প্রতিবেদনে কেন্দ্রের সময়সূচি সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। কেন্দ্রটি ১২টি সেবা দেয়, যার মধ্যে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা, হারানো ও প্রাপ্ত জিনিস ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা সহায়তা রয়েছে। তবে কত ঘণ্টা খোলা থাকবে বা কোন সময়ে কোন সেবা পাওয়া যাবে, তা স্পষ্ট নয়।