Monday, November 2, 2026
সৌদি সংবাদ

সেনেগালে ইসলামিক মিলিটারি কাউন্টার টেররিজম কোয়ালিশনের ‘পিস জার্নালিস্টস’ উদ্যোগ চালু

সেনেগালে ইসলামিক মিলিটারি কাউন্টার টেররিজম কোয়ালিশনের ‘পিস জার্নালিস্টস’ উদ্যোগ চালু

ডাকারে সেনেগালের রাজধানীতে কিং ফাহদ কনফারেন্স সেন্টারে মঙ্গলবার ইসলামিক মিলিটারি কাউন্টার টেররিজম কোয়ালিশন (IMCTC) ‘পিস জার্নালিস্টস’ উদ্যোগ চালু করেছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী ইয়ানখোবা দিয়েমে, আইএমসিটিসি মহাসচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আল-মোগেদি, সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ দ্য জেনারেল স্টাফ ভাইস অ্যাডমিরাল ওমর ওয়াদে, পাশাপাশি বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, কূটনৈতিক কোরের সদস্য এবং মিডিয়া পেশাজীবীরা।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সাংবাদিক ও মিডিয়া পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা সম্পর্কিত বিষয় কভার করার, তথ্য যাচাই করার এবং গুজব ও ঘৃণামূলক বক্তব্য মোকাবিলার সক্ষমতা জোরদার করা। এতে কমিউনিটি, জাতীয়, সামরিক ও আন্তর্জাতিক মিডিয়া আউটলেটের অংশগ্রহণকারীরা একত্রিত হচ্ছেন, যা বিভিন্ন স্তরে কর্মরত মিডিয়া পেশাজীবীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ করে দিচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদ কেবল জীবন ও প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে না, বরং ভয় ছড়াতে, আস্থা নষ্ট করতে এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে মেরুকরণ বাড়াতে চায়। তিনি যোগ করেন, মিডিয়া পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ হলো সমাজের সহনশীলতায় বিনিয়োগ, এবং গুজব দূর করা, ঘৃণামূলক বক্তব্য মোকাবিলা ও সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে পেশাদার সাংবাদিকতার ভূমিকার ওপর জোর দেন।

মন্ত্রী আইএমসিটিসি মহাসচিবকে স্বাগত জানান এবং সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা মোকাবিলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তা করার জন্য কোয়ালিশনের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তিনি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের জন্য সেনেগালকে নির্বাচন করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে এটি মিডিয়া, সচেতনতা বৃদ্ধি ও চরমপন্থা প্রতিরোধে জাতীয় সক্ষমতা জোরদার করার ধারাবাহিক উদ্যোগের সূচনা হবে।

আল-মোগেদি তার বক্তব্যে সংবেদনশীল বিষয় পেশাদারভাবে মোকাবিলার জন্য মিডিয়া পেশাজীবীদের সজ্জিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি উল্লেখ করেন, সঠিক তথ্য যখন যথাযথ প্রেক্ষাপটে উপস্থাপিত হয়, তখন তা যোগাযোগে সহায়তা করে।

সেনেগালের রাজধানী ডাকারে এই উদ্যোগ চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে আফ্রিকার এই দেশটিতে সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা মোকাবিলায় মিডিয়া পেশাজীবীদের ভূমিকা আরও সুসংহত করার বার্তা এলো। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কমিউনিটি, জাতীয়, সামরিক ও আন্তর্জাতিক—এই চার স্তরের মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। এই বৈচিত্র্যপূর্ণ অংশগ্রহণ কি বিভিন্ন স্তরের সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে সহায়ক হবে না?

সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী ইয়ানখোবা দিয়েমে তার বক্তব্যে সন্ত্রাসবাদের প্রকৃতি নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ কেবল জীবন ও প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে না; এটি ভয় ছড়ানো, আস্থা নষ্ট করা এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে মেরুকরণ বাড়ানোরও চেষ্টা করে। এই বক্তব্য কি সন্ত্রাসবাদের মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক প্রভাবের দিকটি স্পষ্ট করে না?

মন্ত্রী আরও বলেন, মিডিয়া পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ মানে সমাজের সহনশীলতায় বিনিয়োগ। তিনি পেশাদার সাংবাদিকতার ভূমিকার ওপর জোর দেন, বিশেষ করে গুজব দূর করা, ঘৃণামূলক বক্তব্য মোকাবিলা এবং সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে। সঠিক তথ্য ও পেশাদার প্রতিবেদন কি সমাজে আস্থা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে না?

সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী আইএমসিটিসি মহাসচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আল-মোগেদিকে স্বাগত জানান এবং সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা মোকাবিলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তা করার জন্য কোয়ালিশনের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তিনি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের জন্য সেনেগালকে নির্বাচন করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে এটি মিডিয়া, সচেতনতা বৃদ্ধি ও চরমপন্থা প্রতিরোধে জাতীয় সক্ষমতা জোরদার করার ধারাবাহিক উদ্যোগের সূচনা হবে। এই ধরনের আঞ্চলিক সহযোগিতা কি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে না?

আইএমসিটিসি মহাসচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আল-মোগেদি তার বক্তব্যে সংবেদনশীল বিষয় পেশাদারভাবে মোকাবিলার জন্য মিডিয়া পেশাজীবীদের সজ্জিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি উল্লেখ করেন, সঠিক তথ্য যখন যথাযথ প্রেক্ষাপটে উপস্থাপিত হয়, তখন তা যোগাযোগে সহায়তা করে। তথ্যের যথার্থতা ও প্রেক্ষাপট কি সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কিত সংবাদ পরিবেশনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নয়?

এই উদ্যোগের লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে সাংবাদিক ও মিডিয়া পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা সম্পর্কিত বিষয় কভার করার সক্ষমতা জোরদার করা। এর মধ্যে রয়েছে তথ্য যাচাই এবং গুজব ও ঘৃণামূলক বক্তব্য মোকাবিলা। এই দক্ষতাগুলো কি আধুনিক সাংবাদিকতার জন্য অপরিহার্য হয়ে ওঠেনি?

উদ্যোগটি কমিউনিটি, জাতীয়, সামরিক ও আন্তর্জাতিক মিডিয়া আউটলেটের অংশগ্রহণকারীদের একত্রিত করছে, যা বিভিন্ন স্তরে কর্মরত মিডিয়া পেশাজীবীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ করে দিচ্ছে। এই বহুমাত্রিক অংশগ্রহণ কি সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা সম্পর্কিত প্রতিবেদনের মান উন্নয়নে সহায়ক হবে না?

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ দ্য জেনারেল স্টাফ ভাইস অ্যাডমিরাল ওমর ওয়াদে, বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, কূটনৈতিক কোরের সদস্য এবং মিডিয়া পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। এই উপস্থিতি কি উদ্যোগটির প্রতি সেনেগালের রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থনের প্রমাণ নয়?

সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী তার বক্তব্যে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় মিডিয়া ও সচেতনতামূলক প্রচেষ্টার ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে সেনেগালের জন্য একটি সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে এটি ভবিষ্যতে আরও উদ্যোগের পথ প্রশস্ত করবে। এই ধরনের উদ্যোগ কি সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে নরম শক্তির ব্যবহারের উদাহরণ নয়?

আইএমসিটিসি মহাসচিব আল-মোগেদি সঠিক তথ্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, যথাযথ প্রেক্ষাপটে উপস্থাপিত তথ্য যোগাযোগে সহায়তা করে। তিনি সংবেদনশীল বিষয় পেশাদারভাবে মোকাবিলার জন্য মিডিয়া পেশাজীবীদের সজ্জিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। পেশাদার প্রশিক্ষণ কি গুজব ও ঘৃণামূলক বক্তব্যের বিস্তার রোধে কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে না?

উদ্যোগটি চালু হওয়ার সময় সেনেগালের রাজধানী ডাকারে কিং ফাহদ কনফারেন্স সেন্টারে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী, আইএমসিটিসি মহাসচিব, সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ দ্য জেনারেল স্টাফ এবং আরও অনেক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি কি উদ্যোগটির গুরুত্বকে তুলে ধরে না?

আইএমসিটিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা মোকাবিলায় সহায়তা করে থাকে। সেনেগালে এই উদ্যোগ চালু হওয়া সেই প্রচেষ্টারই অংশ। সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী কোয়ালিশনের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং সেনেগালকে আয়োজক হিসেবে নির্বাচন করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই স্বীকৃতি কি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্বকে সামনে আনে না?

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কমিউনিটি, জাতীয়, সামরিক ও আন্তর্জাতিক মিডিয়া আউটলেটের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। এই বৈচিত্র্য অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করছে। এই বিনিময় কি সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা সম্পর্কিত প্রতিবেদনের জন্য নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও পদ্ধতি আনতে পারে না?

সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদ ভয় ছড়ানো, আস্থা নষ্ট করা এবং মেরুকরণ বাড়ানোর চেষ্টা করে। এই বক্তব্য সন্ত্রাসবাদের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবের দিকটি তুলে ধরে। মিডিয়া পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ কি এই প্রভাব মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে না?

আইএমসিটিসি মহাসচিব আল-মোগেদি বলেন, সঠিক তথ্য যথাযথ প্রেক্ষাপটে উপস্থাপিত হলে তা যোগাযোগে সহায়তা করে। এই বক্তব্য তথ্যের নির্ভুলতা ও প্রেক্ষাপটের গুরুত্বকে সামনে আনে। সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কিত সংবাদ পরিবেশনে এই দুটি উপাদান কি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় নয়?

উদ্যোগটি চালু হওয়ার পর সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে এটি মিডিয়া, সচেতনতা বৃদ্ধি ও চরমপন্থা প্রতিরোধে জাতীয় সক্ষমতা জোরদার করার ধারাবাহিক উদ্যোগের সূচনা হবে। এই আশা কি ভবিষ্যতে আরও প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতার পথ খুলে দেবে না?

সূত্রে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী, আইএমসিটিসি মহাসচিব, সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ দ্য জেনারেল স্টাফ, বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, কূটনৈতিক কোরের সদস্য এবং মিডিয়া পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। এই বিস্তৃত উপস্থিতি কি উদ্যোগটির প্রতি ব্যাপক সমর্থনের ইঙ্গিত দেয় না?

সূত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, উদ্যোগটি সাংবাদিক ও মিডিয়া পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য রাখে, যাতে তারা সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা সম্পর্কিত বিষয় কভার করতে, তথ্য যাচাই করতে এবং গুজব ও ঘৃণামূলক বক্তব্য মোকাবিলা করতে সক্ষম হন। এই দক্ষতাগুলো কি আজকের ডিজিটাল যুগে সাংবাদিকদের জন্য অপরিহার্য নয়?

সূত্রে উল্লিখিত তথ্যের বাইরে এই উদ্যোগের সময়সীমা, প্রশিক্ষণের মেয়াদ, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বা ভবিষ্যতের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। সূত্রে এসব বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

‘পিস জার্নালিস্টস’ উদ্যোগের লক্ষ্য কী? উদ্যোগটির লক্ষ্য হলো সাংবাদিক ও মিডিয়া পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা সম্পর্কিত বিষয় কভার করার, তথ্য যাচাই করার এবং গুজব ও ঘৃণামূলক বক্তব্য মোকাবিলার সক্ষমতা জোরদার করা। এটি কমিউনিটি, জাতীয়, সামরিক ও আন্তর্জাতিক মিডিয়া আউটলেটের অংশগ্রহণকারীদের একত্রিত করে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ দেয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কারা উপস্থিত ছিলেন? সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী ইয়ানখোবা দিয়েমে, আইএমসিটিসি মহাসচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আল-মোগেদি, সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ দ্য জেনারেল স্টাফ ভাইস অ্যাডমিরাল ওমর ওয়াদে, বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, কূটনৈতিক কোরের সদস্য এবং মিডিয়া পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী কী বলেছেন? মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদ কেবল জীবন ও প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে না, বরং ভয় ছড়ায়, আস্থা নষ্ট করে এবং মেরুকরণ বাড়ায়। তিনি বলেন, মিডিয়া পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ সমাজের সহনশীলতায় বিনিয়োগ, এবং পেশাদার সাংবাদিকতা গুজব দূর করতে, ঘৃণামূলক বক্তব্য মোকাবিলা করতে ও সংলাপ এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখে।

আইএমসিটিসি মহাসচিব কী গুরুত্বারোপ করেছেন? আইএমসিটিসি মহাসচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আল-মোগেদি সংবেদনশীল বিষয় পেশাদারভাবে মোকাবিলার জন্য মিডিয়া পেশাজীবীদের সজ্জিত করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি উল্লেখ করেন, সঠিক তথ্য যথাযথ প্রেক্ষাপটে উপস্থাপিত হলে তা যোগাযোগে সহায়তা করে।

উদ্যোগটি কোথায় এবং কখন চালু হয়? উদ্যোগটি সেনেগালের রাজধানী ডাকারে কিং ফাহদ কনফারেন্স সেন্টারে মঙ্গলবার চালু হয়। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রী, আইএমসিটিসি মহাসচিব, সেনেগালের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ দ্য জেনারেল স্টাফসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।