Sunday, November 8, 2026
সৌদি সংবাদ

সৌদি আরব ও ইউএন-হ্যাবিট্যাট গৃহায়ন ও সংকট-পরবর্তী পুনরুদ্ধারে সহযোগিতা জোরদার করবে

সৌদি আরব ও ইউএন-হ্যাবিট্যাট গৃহায়ন ও সংকট-পরবর্তী পুনরুদ্ধারে সহযোগিতা জোরদার করবে

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে গৃহায়ন, প্রাথমিক পুনরুদ্ধার এবং সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের সহায়তায় সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, রাজকীয় আদালতের উপদেষ্টা এবং কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ)-এর সুপারভাইজার জেনারেল ড. আবদুল্লাহ বিন আবদুলআজিজ আল-রাবিআহ গতকাল জাতিসংঘ মানব বসতি কর্মসূচি (ইউএন-হ্যাবিট্যাট)-এর নির্বাহী পরিচালক আনাক্লাউদিয়া রসবাখের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎটি হয়েছিল নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে। বৈঠকে গৃহায়ন, প্রাথমিক পুনরুদ্ধার এবং সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের সহায়তায় সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।

এসপিএ জানিয়েছে, আলোচনায় পারস্পরিক স্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং বিশ্বজুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে মানবিক প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

রসবাখ কেএসরিলিফের মাধ্যমে রাজ্যের অগ্রণী মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি আশ্রয় ও নগর উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা এবং দুর্যোগ ও সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কেন্দ্রের সঙ্গে বিশিষ্ট অংশীদারিত্বের কথা তুলে ধরেন।

বৈঠকে গৃহায়ন খাতে সহযোগিতা কীভাবে আরও বাস্তব রূপ নিতে পারে—এই প্রশ্নটি সামনে এসেছে। সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের জন্য প্রাথমিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম দ্রুততর করতে দুই পক্ষের সমন্বয় কেন জরুরি, সেটিও আলোচনার কেন্দ্রে ছিল।

বিশ্বজুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে মানবিক প্রকল্পগুলোর ভূমিকা কতটা কার্যকর হতে পারে, তা নিয়েও বৈঠকে মত বিনিময় হয়। আশ্রয় ও নগর উন্নয়ন প্রকল্পে কেএসরিলিফের সঙ্গে ইউএন-হ্যাবিট্যাটের অংশীদারিত্বকে রসবাখ বিশিষ্ট বলে অভিহিত করেন।

দুর্যোগ ও সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এই অংশীদারিত্ব কীভাবে আরও ফলপ্রসূ হতে পারে—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে দুই পক্ষের সমন্বয় প্রয়োজন বলে বৈঠকে ওঠে আসে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ছাড়াও মানবিক প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়, যেগুলোর লক্ষ্য বিশ্বজুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন।

রসবাখ কেএসরিলিফের মাধ্যমে রাজ্যের অগ্রণী মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আশ্রয় ও নগর উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তায় কেন্দ্রের সঙ্গে বিশিষ্ট অংশীদারিত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি দুর্যোগ ও সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এই অংশীদারিত্বের ভূমিকারও উল্লেখ করেন।

গৃহায়ন, প্রাথমিক পুনরুদ্ধার ও সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের সহায়তা—এই তিন ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে এসব বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মত বিনিময় হয়।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাক্ষাতের সময়কাল, স্থান বা আলোচনার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। বৈঠকে গৃহীত কোনো নির্দিষ্ট প্রকল্প বা পরিকল্পনার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

প্রতিবেদনে শুধু বলা হয়েছে, বৈঠকে সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদারের উপায়, পারস্পরিক স্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং মানবিক প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রসবাখের প্রশংসা ও অংশীদারিত্বের উল্লেখ ছাড়া অন্য কোনো বিবৃতি প্রতিবেদনে নেই।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন উপলক্ষে নিউইয়র্কে এই সাক্ষাৎ হয়। কেএসরিলিফের সুপারভাইজার জেনারেল হিসেবে ড. আবদুল্লাহ বিন আবদুলআজিজ আল-রাবিআহ এবং ইউএন-হ্যাবিট্যাটের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে আনাক্লাউদিয়া রসবাখ বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে গৃহায়ন খাতে সহযোগিতা কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, প্রাথমিক পুনরুদ্ধারে সমন্বয় কীভাবে দ্রুততর হবে এবং সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের সহায়তা কীভাবে বাড়ানো হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে এসব প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর বা সিদ্ধান্তের কথা বলা হয়নি।

রসবাখের প্রশংসায় বলা হয়েছে, কেএসরিলিফের মাধ্যমে রাজ্যের মানবিক ভূমিকা অগ্রণী এবং আশ্রয় ও নগর উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তায় কেন্দ্রের সঙ্গে অংশীদারিত্ব বিশিষ্ট। দুর্যোগ ও সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এই অংশীদারিত্বের ভূমিকাও তিনি তুলে ধরেন।

বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে মানবিক প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এসব প্রকল্পের বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়নি।

সাক্ষাৎটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে হয়। বৈঠকে গৃহায়ন, প্রাথমিক পুনরুদ্ধার এবং সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের সহায়তায় সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে সাক্ষাতের তারিখ হিসেবে গতকালের কথা বলা হয়েছে, তবে স্থানীয় সময় ১৭:১৫ এবং জিএমটি ১৪:১৫ উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের শেষে ০০৫৯ নম্বর দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে গৃহায়ন খাতে সহযোগিতা, প্রাথমিক পুনরুদ্ধারে সমন্বয় এবং সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের সহায়তা—এই তিন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। রসবাখ কেএসরিলিফের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আশ্রয় ও নগর উন্নয়ন প্রকল্পে অংশীদারিত্বের কথা তুলে ধরেন।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত, পরবর্তী পদক্ষেপ বা কোনো চুক্তির কথা উল্লেখ নেই। শুধু আলোচনার বিষয় এবং রসবাখের প্রশংসার কথা বলা হয়েছে।

বৈঠকে কারা অংশ নেন? রাজকীয় আদালতের উপদেষ্টা এবং কেএসরিলিফের সুপারভাইজার জেনারেল ড. আবদুল্লাহ বিন আবদুলআজিজ আল-রাবিআহ এবং ইউএন-হ্যাবিট্যাটের নির্বাহী পরিচালক আনাক্লাউদিয়া রসবাখ বৈঠকে অংশ নেন। এসপিএ জানিয়েছে, সাক্ষাৎটি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে হয়।

আলোচনার মূল বিষয় কী ছিল? বৈঠকে গৃহায়ন, প্রাথমিক পুনরুদ্ধার এবং সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের সহায়তায় সহযোগিতা ও সমন্বয় জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং বিশ্বজুড়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে মানবিক প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়।

রসবাখ কী বলেছেন? রসবাখ কেএসরিলিফের মাধ্যমে রাজ্যের অগ্রণী মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি আশ্রয় ও নগর উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তায় কেন্দ্রের সঙ্গে বিশিষ্ট অংশীদারিত্ব এবং দুর্যোগ ও সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এই অংশীদারিত্বের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎটি কোথায় ও কখন হয়? এসপিএ জানিয়েছে, সাক্ষাৎটি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে গতকাল অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় ১৭:১৫ এবং জিএমটি ১৪:১৫ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে কী বলা হয়নি? এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত, পরবর্তী পদক্ষেপ বা কোনো চুক্তির কথা উল্লেখ নেই। শুধু আলোচনার বিষয় এবং রসবাখের প্রশংসার কথা বলা হয়েছে।