Monday, November 2, 2026
বিজ্ঞান

টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাঙ্কিং ২০২৭-এ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বব্যাপী ১২০১–১৪০০ ব্যান্ডে

টাইমস হায়ার এডুকেশন র্যাঙ্কিং ২০২৭-এ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বব্যাপী ১২০১–১৪০০ ব্যান্ডে

বিশ্ববিদ্যালয় টাইমস হায়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৭-এ বিশ্বব্যাপী ১২০১–১৪০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ আবহা থেকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উপস্থিতি বজায় থাকল।

এসপিএ জানিয়েছে, র‍্যাঙ্কিংটি কয়েকটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে তৈরি, যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষাদানের গুণমান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার গুণমান এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি। এসব সূচক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক ও গবেষণা ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স এবং আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ও সম্পৃক্ততা মাপে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও গবেষণা ইকোসিস্টেম উন্নয়ন এবং তার ফলাফলের গুণমান বাড়ানোর প্রচেষ্টার মধ্যেই এই র‍্যাঙ্কিংয়ে তার ধারাবাহিক উপস্থিতি। প্রশ্ন হলো, শিক্ষাদানের গুণমান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার গুণমান ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি—এই চার সূচকের কোনটি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত শক্তি সবচেয়ে ভালোভাবে দেখায়?

এসপিএ আরও জানিয়েছে, র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিক উপস্থিতি তার শিক্ষা ও গবেষণা পরিবেশ উন্নয়ন, একাডেমিক পারফরম্যান্স উন্নত করা, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়া এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে একাডেমিক ও গবেষণা অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রচেষ্টার প্রতিফলন। তাহলে একটি আন্তর্জাতিক ব্যান্ডের ভেতরে টিকে থাকা কি নিজেই একটি অর্জন, নাকি আসল পরিমাপ হওয়া উচিত ব্যান্ডের ভেতরে অবস্থানের উন্নতি?

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়টি ১২০১–১৪০০ পরিসরে বিশ্বব্যাপী স্থান পেয়েছে। এই পরিসর কতগুলো বিশ্ববিদ্যালয়কে একসঙ্গে ধারণ করে এবং সেই তুলনায় একটি নির্দিষ্ট অবস্থান কতটা তাৎপর্যপূর্ণ—এটি জানতে চাইলে পাঠকের কাছে স্পষ্ট সংখ্যা থাকা দরকার। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই ব্যান্ডের আকার বা তাতে কতটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত দেওয়া হয়নি।

র‍্যাঙ্কিংয়ের সূচকগুলোর মধ্যে শিক্ষাদানের গুণমান একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমের মান বোঝায়। গবেষণা পরিবেশ সূচক প্রতিষ্ঠানের ভেতরে গবেষণার জন্য অনুকূল পরিস্থিতি ও সক্ষমতা নির্দেশ করে। গবেষণার গুণমান সূচক গবেষণার ফলাফলের মান ও প্রভাবের দিকে তাকায়। আর আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি সূচক প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ও সম্পৃক্ততা মাপে। প্রশ্ন দাঁড়ায়, এই সূচকগুলোর প্রতিটির ওজন কত, এবং সেই ওজন কি সব দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একই?

এসপিএ জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উপস্থিতি তার শিক্ষা ও গবেষণা পরিবেশ উন্নয়নের প্রচেষ্টার প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি একাডেমিক পারফরম্যান্স উন্নত করার প্রচেষ্টাকেও নির্দেশ করে। প্রতিষ্ঠানটি গবেষণা ও উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছে। প্রশ্ন হলো, র‍্যাঙ্কিংয়ে টিকে থাকার জন্য কোন ধরনের গবেষণা ও উদ্ভাবন সবচেয়ে বেশি কাজে দেয়?

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে একাডেমিক ও গবেষণা অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের কথাও প্রতিবেদনে রয়েছে। আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি সূচকের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের সরাসরি সম্পর্ক থাকতে পারে। কিন্তু স্থানীয় অংশীদারিত্ব কীভাবে আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব ফেলে? প্রশ্নটি জরুরি, কারণ র‍্যাঙ্কিংয়ের সূচকগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক মাত্রা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১২০১–১৪০০ পরিসরে। এই পরিসরে থাকা মানে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বব্যাপী র‍্যাঙ্কিংয়ের একটি নির্দিষ্ট স্তরে রয়েছে। প্রশ্ন হলো, এই স্তর থেকে উপরে ওঠার জন্য সবচেয়ে বড় বাধা কোনটি—শিক্ষাদানের গুণমান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার গুণমান, নাকি আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে তার উপস্থিতি বজায় রেখেছে। ধারাবাহিক উপস্থিতি মানে আগের বছরগুলোতেও প্রতিষ্ঠানটি র‍্যাঙ্কিংয়ে ছিল। কিন্তু আগের বছরের অবস্থানের সঙ্গে এবারের অবস্থানের তুলনা প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি। তাহলে উন্নতি বা অবনতির চিত্র পাঠক কীভাবে বুঝবেন?

র‍্যাঙ্কিংয়ের চারটি সূচকের মধ্যে শিক্ষাদানের গুণমান ও গবেষণার গুণমান দুটি আলাদা মাত্রা। গবেষণা পরিবেশ আবার ভিন্ন একটি দিক। আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রা। প্রশ্ন হলো, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এই চারটি সূচকের মধ্যে কোনটিতে বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি ফল দেয়?

প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, বিশ্ববিদ্যালয়টি তার একাডেমিক ও গবেষণা ইকোসিস্টেম উন্নয়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইকোসিস্টেম শব্দটি দিয়ে শিক্ষা, গবেষণা, অবকাঠামো ও সহযোগিতার সমন্বিত পরিবেশ বোঝায়। কিন্তু এই ইকোসিস্টেম উন্নয়নের নির্দিষ্ট পদক্ষেপ কী, তা প্রতিবেদনে বিস্তারিত বলা হয়নি। প্রশ্ন হলো, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ইকোসিস্টেম উন্নয়নের প্রথম ধাপ কী হওয়া উচিত?

এসপিএ জানিয়েছে, র‍্যাঙ্কিংটি শিক্ষাদানের গুণমান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার গুণমান ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি—এই সূচকগুলোর ভিত্তিতে তৈরি। এই চারটি সূচক বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও গবেষণা ক্ষেত্রের পারফরম্যান্স এবং আন্তর্জাতিক উপস্থিতি মাপে। প্রশ্ন দাঁড়ায়, এই সূচকগুলো কি সব ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য, নাকি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য ভিন্ন মাপকাঠি দরকার?

বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে টিকে থাকার চিত্র তুলে ধরে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উপস্থিতি তার প্রচেষ্টার প্রতিফলন। কিন্তু প্রতিফলন শব্দটি দিয়ে বোঝানো হয় ফলাফল আগের কাজেরই প্রতিচ্ছবি। প্রশ্ন হলো, র‍্যাঙ্কিং কি অতীতের কাজের ফল, নাকি ভবিষ্যতের সম্ভাবনার সংকেত?

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের কথা প্রতিবেদনে আছে। আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি সূচকের সঙ্গে এই সম্প্রসারণের যোগসূত্র স্পষ্ট। কিন্তু স্থানীয় অংশীদারিত্ব কীভাবে আন্তর্জাতিক সূচকে প্রভাব ফেলে, তা ব্যাখ্যা করা হয়নি। প্রশ্ন হলো, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে নির্ধারিত হয়?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে র‍্যাঙ্কিংয়ের সূচকগুলোর নাম আছে, কিন্তু প্রতিটির ওজন বা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত নেই। প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১২০১–১৪০০ পরিসরে বলা হয়েছে, তবে এই পরিসরের ভেতরে সুনির্দিষ্ট অবস্থান দেওয়া হয়নি। প্রশ্ন হলো, একটি পরিসরের ভেতরে সুনির্দিষ্ট অবস্থান না জানলে প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি মাপা যায় কীভাবে?

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়টি গবেষণা ও উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। উদ্ভাবন শব্দটি গবেষণার ফলকে ব্যবহারিক প্রয়োগে রূপান্তরের দিকেও ইঙ্গিত করে। কিন্তু এই প্রচেষ্টার নির্দিষ্ট উদাহরণ প্রতিবেদনে নেই। প্রশ্ন হলো, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মধ্যে সেতু তৈরির জন্য কোন উপাদানটি সবচেয়ে জরুরি?

একাডেমিক পারফরম্যান্স উন্নত করার কথা প্রতিবেদনে আছে। পারফরম্যান্স উন্নতির সঙ্গে শিক্ষাদানের গুণমান সূচকের সম্পর্ক সরাসরি। কিন্তু পারফরম্যান্স উন্নতির পরিমাপ কী, তা স্পষ্ট নয়। প্রশ্ন হলো, শিক্ষার্থীর ফলাফল, গবেষণাপত্রের সংখ্যা, নাকি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা—কোনটি একাডেমিক পারফরম্যান্সের সেরা সূচক?

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফলের গুণমান বাড়ানোর প্রচেষ্টার কথাও প্রতিবেদনে রয়েছে। ফলাফলের গুণমান শব্দটি শিক্ষা ও গবেষণা উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। প্রশ্ন হলো, ফলাফলের গুণমান মাপার জন্য কোন মানদণ্ডটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে উপস্থিতি বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠানের স্থিতিশীলতার সংকেত। কিন্তু স্থিতিশীলতা কি সবসময় অগ্রগতির সমান? প্রশ্নটি পাঠকের বিবেচনার জন্য রেখে দেওয়া যায়।

প্রতিবেদনে র‍্যাঙ্কিংয়ের সূচকগুলোর মধ্যে আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির কথা আছে। এই সূচক আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ও সম্পৃক্ততা মাপে। কিন্তু আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়ানোর জন্য কোন ধরনের কার্যক্রম সবচেয়ে কার্যকর, তা প্রতিবেদনে বলা হয়নি। প্রশ্ন হলো, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, আন্তর্জাতিক অনুষদ, নাকি আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা—কোনটি এই সূচকে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে?

বিশ্ববিদ্যালয়টি ১২০১–১৪০০ ব্যান্ডে রয়েছে। এই ব্যান্ডে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা কেমন, তা প্রতিবেদনে নেই। প্রশ্ন হলো, একই ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পার্থক্য তৈরি করার মূল উপায় কী?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে শিক্ষাদানের গুণমান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার গুণমান ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি—এই চারটি সূচকের কথা আছে। এই চারটি সূচক একসঙ্গে একটি প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক চিত্র দেয়। কিন্তু কোন সূচকটি দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বেশি টেকসই, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। পাঠক নিজেই ভাবতে পারেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কোন সূচকে ধারাবাহিক বিনিয়োগ সবচেয়ে বেশি ফল দেয়?

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে একাডেমিক ও গবেষণা অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এই সম্প্রসারণ আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি সূচকের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু অংশীদারিত্বের গুণমান কীভাবে মাপা হয়, তা প্রতিবেদনে নেই। প্রশ্ন হলো, অংশীদারিত্বের সংখ্যা গুরুত্বপূর্ণ, নাকি তার গভীরতা?

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও গবেষণা ইকোসিস্টেম উন্নয়নের প্রচেষ্টার কথা প্রতিবেদনে আছে। এই ইকোসিস্টেমের মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, অবকাঠামো ও সহযোগিতা সবই পড়ে। প্রশ্ন হলো, এই ইকোসিস্টেমের কোন উপাদানটি দুর্বল হলে বাকি সবকিছু প্রভাবিত হয়?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিংয়ে উপস্থিতি বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে। এই বজায় রাখা শব্দটি ধারাবাহিকতার দিকে ইঙ্গিত করে। কিন্তু ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গিয়ে নতুন কিছু করার সুযোগ কমে যায় কি? প্রশ্নটি প্রতিষ্ঠানের কৌশল নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক।

প্রতিবেদনে র‍্যাঙ্কিংয়ের সূচকগুলোর মধ্যে গবেষণা পরিবেশের কথা আছে। গবেষণা পরিবেশের মধ্যে অর্থায়ন, সরঞ্জাম, সময় ও স্বাধীনতা সবই পড়তে পারে। কিন্তু কোন উপাদানটি গবেষণা পরিবেশের মূল ভিত্তি, তা প্রতিবেদনে বলা হয়নি। প্রশ্ন হলো, গবেষণা পরিবেশ উন্নয়নে অর্থায়ন ও স্বাধীনতার মধ্যে কোনটি আগে দরকার?

বিশ্ববিদ্যালয়টি ১২০১–১৪০০ পরিসরে বিশ্বব্যাপী স্থান পেয়েছে। এই পরিসর আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ের একটি স্তর। প্রশ্ন হলো, এই স্তর থেকে উপরের স্তরে ওঠার জন্য সময় কত লাগে, এবং সেই সময় কীভাবে কমানো যায়?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফলের গুণমান বাড়ানোর প্রচেষ্টার কথা আছে। ফলাফলের গুণমান শিক্ষা ও গবেষণা উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কিন্তু শিক্ষা ও গবেষণার মধ্যে কোনটিতে উন্নতি করলে অন্যটিও উপকৃত হয়, তা প্রতিবেদনে নেই। প্রশ্ন হলো, শিক্ষাদানের গুণমান ও গবেষণার গুণমান কি একে অপরকে শক্তিশালী করে?

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে তার উপস্থিতি বজায় রেখেছে। এই উপস্থিতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির সংকেত। কিন্তু স্বীকৃতি কি নিজেই একটি লক্ষ্য, নাকি তা উন্নতির পথে একটি ধাপ? প্রশ্নটি পাঠকের বিবেচনার জন্য।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে র‍্যাঙ্কিংয়ের সূচকগুলোর নাম আছে, তবে প্রতিটির ওজন বা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত নেই। প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১২০১–১৪০০ পরিসরে বলা হয়েছে, তবে এই পরিসরের ভেতরে সুনির্দিষ্ট অবস্থান দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে আগের বছরের অবস্থানের সঙ্গে তুলনাও দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা পরিবেশ উন্নয়নের নির্দিষ্ট পদক্ষেপ, গবেষণা ও উদ্ভাবনের উদাহরণ, বা অংশীদারিত্বের বিস্তারিতও নেই। এসব তথ্য না থাকায় পাঠক শুধু জানতে পারেন যে প্রতিষ্ঠানটি ২০২৭ সালের র‍্যাঙ্কিংয়ে ১২০১–১৪০০ ব্যান্ডে রয়েছে এবং চারটি সূচকের ভিত্তিতে এই র‍্যাঙ্কিং তৈরি।

র‍্যাঙ্কিংটি কোন সূচকের ভিত্তিতে তৈরি? এসপিএ জানিয়েছে, র‍্যাঙ্কিংটি কয়েকটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে তৈরি, যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষাদানের গুণমান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার গুণমান এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি। এসব সূচক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক ও গবেষণা ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স এবং আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ও সম্পৃক্ততা মাপে। প্রতিবেদনে প্রতিটি সূচকের ওজন বা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কী? বিশ্ববিদ্যালয় টাইমস হায়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৭-এ বিশ্বব্যাপী ১২০১–১৪০০ পরিসরে স্থান পেয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উপস্থিতি বজায় থাকল। প্রতিবেদনে এই পরিসরের ভেতরে সুনির্দিষ্ট অবস্থান বা আগের বছরের অবস্থানের সঙ্গে তুলনা দেওয়া হয়নি।

এই উপস্থিতি কীসের প্রতিফলন? এসপিএ জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উপস্থিতি তার শিক্ষা ও গবেষণা পরিবেশ উন্নয়ন, একাডেমিক পারফরম্যান্স উন্নত করা, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়া এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে একাডেমিক ও গবেষণা অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রচেষ্টার প্রতিফলন। প্রতিবেদনে এই প্রচেষ্টার নির্দিষ্ট পদক্ষেপ বা উদাহরণ দেওয়া হয়নি।

আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি সূচক কী মাপে? এসপিএ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি সূচক বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ও সম্পৃক্ততা মাপে। এটি র‍্যাঙ্কিংয়ের কয়েকটি প্রধান সূচকের একটি, যার মধ্যে শিক্ষাদানের গুণমান, গবেষণা পরিবেশ ও গবেষণার গুণমানও রয়েছে। প্রতিবেদনে এই সূচক বাড়ানোর নির্দিষ্ট উপায় বা এর ওজন সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়নি।

প্রতিবেদনে কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে র‍্যাঙ্কিংয়ের সূচকগুলোর নাম আছে, তবে প্রতিটির ওজন বা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১২০১–১৪০০ পরিসরে বলা হয়েছে, তবে এই পরিসরের ভেতরে সুনির্দিষ্ট অবস্থান বা আগের বছরের তুলনা দেওয়া হয়নি। শিক্ষা ও গবেষণা পরিবেশ উন্নয়নের নির্দিষ্ট পদক্ষেপ, গবেষণা ও উদ্ভাবনের উদাহরণ, বা অংশীদারিত্বের বিস্তারিতও প্রতিবেদনে নেই।