Monday, November 2, 2026
সামাজিক

কোয়ালিটি অব লাইফ প্রোগ্রাম সেন্টারের গবেষণা: মানব পুঁজি উন্নয়নে জীবনমান খাতের ভূমিকা

কোয়ালিটি অব লাইফ প্রোগ্রাম সেন্টারের গবেষণা: মানব পুঁজি উন্নয়নে জীবনমান খাতের ভূমিকা

রিয়াদে কোয়ালিটি অব লাইফ প্রোগ্রাম সেন্টার মানব পুঁজি উন্নয়নে জীবনমানের অবদান নিয়ে একটি গবেষণা প্রকাশ করেছে। সৌদি ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করা এই কেন্দ্রের গবেষণায় একটি উদ্দীপক জীবনপরিবেশ ও শ্রমবাজারের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম গতিশীল মানব পুঁজির বিকাশের মধ্যকার সম্পর্ক পর্যালোচনা করা হয়েছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, গবেষণাটি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও মানব পুঁজির বিস্তৃত ধারণার মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেছে। মানব পুঁজির এই বিস্তৃত ধারণায় শ্রেণিকক্ষের বাইরে কাজ, শখ, স্বেচ্ছাসেবা ও ডিজিটাল শিক্ষার মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত।

গবেষণার এই বিশ্লেষণ এমন সময়ে এল যখন ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষতা ও কর্মসংস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তনের বৈশ্বিক পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎমুখী দক্ষতার প্রতি সৌদি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। উদাহরণ হিসেবে সৌদি আরবে জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কোর্সে ভর্তির হার বার্ষিক ১৬৫ শতাংশ বেড়েছে।

শ্রমবাজারে এই পরিবর্তনের গতি এত দ্রুত কেন, আর শিক্ষার্থীরা কীভাবে নিজেদের প্রস্তুত করছে? এই প্রশ্নই গবেষণার কেন্দ্রে রয়েছে।

গবেষণায় সিঙ্গাপুর, জার্মানি, ফিনল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার চারটি শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক মডেল বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসব মডেলে ব্যক্তি-লক্ষ্যভিত্তিক অর্থায়ন, পড়াশোনা ও কাজের সমন্বয়, মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল গ্রহণ এবং উন্মুক্ত ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগের মতো মূল সক্রিয়কারক চিহ্নিত করা হয়েছে।

এই চার দেশের অভিজ্ঞতা থেকে সৌদি আরব কী শিখতে পারে? প্রশ্নটি এখন নীতি-নির্ধারকদের সামনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

গবেষণায় একটি ধারণাগত কাঠামো উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দেখায় কীভাবে শহুরে পরিসর, শখ ও কমিউনিটি সম্পৃক্ততার মতো জীবনমানের উপাদান ব্যক্তির সক্ষমতা বিকাশ করতে পারে এবং পেশাগত প্রস্তুতি ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে।

এর উদাহরণ হিসেবে রিয়াদের ইউনেস্কো গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অব লার্নিং সিটিজে অন্তর্ভুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া জাতীয় শখ পোর্টাল হাউই (HAWI) ১ লাখ ১১ হাজারের বেশি সদস্য ও ৩ হাজার ৫৩৩টি ক্লাব ছাড়িয়েছে। চারটি সৌদি বিশ্ববিদ্যালয়ে শখ ক্লাব প্রতিষ্ঠার কথাও গবেষণায় উঠে এসেছে।

শহরের পরিসর ও শখ কীভাবে একজন ব্যক্তির কর্মক্ষমতা বাড়াতে পারে? এই সংযোগটি গবেষণায় সরাসরি তুলে ধরা হয়েছে।

গবেষণায় দক্ষতার যুগে জাতীয় ইকোসিস্টেম শক্তিশালীকরণের সুযোগ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মূল সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিশেষায়িত পেশাগত সনদ স্বীকৃতি দ্রুততর করা, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে একাডেমিক পড়াশোনা ও খণ্ডকালীন কাজের সমন্বয় আনুষ্ঠানিক করা।

নিয়োগকর্তারা কি প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির বাইরের দক্ষতাকে যথেষ্ট মূল্য দিচ্ছেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই গবেষণাটি মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল ও উন্মুক্ত ডিজিটাল শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শ্রেণিকক্ষের বাইরে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা মানব পুঁজির অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাজ, শখ, স্বেচ্ছাসেবা ও ডিজিটাল শিক্ষার মাধ্যমে এই দক্ষতা অর্জিত হয়।

২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষতা ও কর্মসংস্থানে যে বড় পরিবর্তনের পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে, তা মোকাবিলায় জীবনমান খাতের ভূমিকা কতটা কার্যকর হতে পারে? গবেষণাটি এই প্রশ্নের কাঠামো দাঁড় করিয়েছে।

সৌদি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভবিষ্যৎমুখী দক্ষতার আগ্রহ বাড়ছে। জেনারেটিভ এআই কোর্সে বার্ষিক ১৬৫ শতাংশ ভর্তি বৃদ্ধি তার একটি সূচক।

গবেষণায় চারটি আন্তর্জাতিক মডেল থেকে পাওয়া শিক্ষার ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। তবে এসপিএর প্রতিবেদনে সুপারিশগুলোর বাস্তবায়নের সময়সীমা, অর্থায়নের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়নি।

গবেষণাটি কে প্রকাশ করেছে এবং এর উদ্দেশ্য কী? সৌদি ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করা কোয়ালিটি অব লাইফ প্রোগ্রাম সেন্টার গবেষণাটি প্রকাশ করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, গবেষণায় একটি উদ্দীপক জীবনপরিবেশ ও শ্রমবাজারের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম গতিশীল মানব পুঁজির বিকাশের মধ্যকার সম্পর্ক পর্যালোচনা করা হয়েছে। এতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও মানব পুঁজির বিস্তৃত ধারণার মধ্যে পার্থক্যও তুলে ধরা হয়েছে।

মানব পুঁজির বিস্তৃত ধারণায় কী কী অন্তর্ভুক্ত? গবেষণা অনুযায়ী মানব পুঁজির বিস্তৃত ধারণায় শ্রেণিকক্ষের বাইরে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত। এসপিএ জানিয়েছে, এই দক্ষতা কাজ, শখ, স্বেচ্ছাসেবা ও ডিজিটাল শিক্ষার মাধ্যমে অর্জিত হয়। গবেষণাটি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও এই বিস্তৃত ধারণার মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেছে। বিশ্লেষণটি ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষতা ও কর্মসংস্থানে বড় পরিবর্তনের বৈশ্বিক পূর্বাভাসের প্রেক্ষাপটে করা হয়েছে।

গবেষণায় কোন কোন দেশের মডেল বিশ্লেষণ করা হয়েছে? গবেষণায় সিঙ্গাপুর, জার্মানি, ফিনল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার চারটি শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক মডেল বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব মডেলে ব্যক্তি-লক্ষ্যভিত্তিক অর্থায়ন, পড়াশোনা ও কাজের সমন্বয়, মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল গ্রহণ এবং উন্মুক্ত ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগের মতো মূল সক্রিয়কারক চিহ্নিত করা হয়েছে।

জীবনমানের কোন উদাহরণ গবেষণায় উঠে এসেছে? গবেষণায় রিয়াদের ইউনেস্কো গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অব লার্নিং সিটিজে অন্তর্ভুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, জাতীয় শখ পোর্টাল হাউই (HAWI) ১ লাখ ১১ হাজারের বেশি সদস্য ও ৩ হাজার ৫৩৩টি ক্লাব ছাড়িয়েছে। এছাড়া চারটি সৌদি বিশ্ববিদ্যালয়ে শখ ক্লাব প্রতিষ্ঠার কথাও গবেষণায় উঠে এসেছে।

গবেষণার মূল সুপারিশগুলো কী? গবেষণার মূল সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিশেষায়িত পেশাগত সনদ স্বীকৃতি দ্রুততর করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে একাডেমিক পড়াশোনা ও খণ্ডকালীন কাজের সমন্বয় আনুষ্ঠানিক করা। এসপিএ জানিয়েছে, গবেষণাটি দক্ষতার যুগে জাতীয় ইকোসিস্টেম শক্তিশালীকরণের সুযোগ চিহ্নিত করেছে। তবে প্রতিবেদনে সুপারিশগুলোর বাস্তবায়নের সময়সীমা বা নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়নি।