Wednesday, October 28, 2026
সামাজিক

রিয়াদে আন্তর্জাতিক সামাজিক দায়বদ্ধতা ফোরামের দ্বিতীয় সংস্করণ শুরু

রিয়াদে আন্তর্জাতিক সামাজিক দায়বদ্ধতা ফোরামের দ্বিতীয় সংস্করণ শুরু

রিয়াদে আন্তর্জাতিক সামাজিক দায়বদ্ধতা ফোরামের দ্বিতীয় সংস্করণ শুরু হয়েছে, যেখানে ৩ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারী ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১০০-এরও বেশি বক্তা অংশ নিচ্ছেন। ফোরামে ৪০টিরও বেশি বিশেষায়িত সেশন ও সংলাপ থাকছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ৫ অক্টোবর ২০২৬-এ রিয়াদে এই ফোরামের উদ্বোধন করেন মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রী আহমেদ আল-রাজহি। দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পৃষ্ঠপোষকতায় মন্ত্রণালয় এই ফোরামের আয়োজন করেছে। ফোরামের প্রতিপাদ্য «From Commitment to Impact»।

উদ্বোধনী ভাষণে আল-রাজহি বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে সংলাপের বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে রিয়াদের অবস্থান সৌদি আরব আরও সুদৃঢ় করে চলেছে। তিনি ফোরামের গুরুত্ব তুলে ধরেন আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং টেকসই উন্নয়ন প্রচেষ্টার সমর্থনে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতার নতুন মডেল উন্নয়নে।

মন্ত্রী বলেন, ফোরাম জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হবে এবং উন্নয়ন উদ্যোগে বেসরকারি খাতের অবদান সম্প্রসারণ ও টেকসইতা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ খোঁজা হবে।

আল-রাজহি উল্লেখ করেন, উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর ও টেকসইতার ওপর ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের মধ্যে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার ধারণা দ্রুত বদলাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বাড়াতে প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা মডেল ও করপোরেট কৌশলও নতুন করে সাজানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই পরিবর্তন প্রতিফলিত হচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, পুনর্ব্যবহার ও বৃত্তাকার অর্থনীতির চর্চা গ্রহণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ, মানুষের মধ্যে বিনিয়োগ এবং সম্প্রদায়ের ভেতরে ভারসাম্যপূর্ণ প্রবৃদ্ধি এগিয়ে নেওয়ার প্রবণতায়।

সৌদি আরবের সামাজিক দায়বদ্ধতার যাত্রাকে তিনি «রূপান্তর ও ক্ষমতায়নের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প» হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যগুলোর মধ্যে একটি কৌশলগত উদ্দেশ্য।

এসপিএ জানিয়েছে, ফোরামে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নেতা ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফোরামের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং টেকসই উন্নয়নের সমর্থনে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতার নতুন মডেল তৈরি করা।

ফোরামের প্রতিপাদ্য «From Commitment to Impact» নিজেই একটি প্রশ্ন তুলে দেয়—প্রতিশ্রুতির ঘোষণা থেকে বাস্তব প্রভাব পর্যন্ত পৌঁছাতে প্রতিষ্ঠানগুলোর কতটা পথ বাকি? মন্ত্রীর ভাষণে এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে করপোরেট কৌশলের পরিবর্তন, প্রযুক্তি ব্যবহার ও বৃত্তাকার অর্থনীতির চর্চার মধ্যে।

সৌদি আরবের সামাজিক দায়বদ্ধতার অভিজ্ঞতাকে মন্ত্রী «রূপান্তর ও ক্ষমতায়নের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প» বলেছেন। প্রশ্ন হলো, এই গল্প থেকে অন্য দেশ কী শিখতে পারে? ফোরামের আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ ঠিক এই অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্যই তৈরি হয়েছে বলে আয়োজকদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

৪০টিরও বেশি বিশেষায়িত সেশন ও সংলাপে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হবে। প্রশ্ন হলো, চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করলেই কি সমাধান আসবে, নাকি সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগই আসল পথ? মন্ত্রী এই সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেছেন, প্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, পুনর্ব্যবহার ও বৃত্তাকার অর্থনীতির চর্চা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং মানুষের মধ্যে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। প্রশ্ন হলো, এই প্রবণতা কেবল বড় প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি ছোট উদ্যোগেও ছড়িয়ে পড়বে?

৩ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারী ও ১০০-এরও বেশি বক্তার উপস্থিতি ফোরামকে একটি বড় আন্তর্জাতিক সমাবেশে পরিণত করেছে। প্রশ্ন হলো, এই সমাবেশ থেকে কী konkrit ফলাফল বেরিয়ে আসবে? আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফোরামের উদ্দেশ্য জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সহযোগিতার নতুন মডেল উন্নয়ন।

সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যগুলোর মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতাকে কৌশলগত উদ্দেশ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী। প্রশ্ন হলো, ভিশন ২০৩০-এর কাঠামোয় সামাজিক দায়বদ্ধতার এই অবস্থান কীভাবে বাস্তব উন্নয়ন উদ্যোগে রূপ নেবে? মন্ত্রীর ভাষণে এই সংযোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফোরামের দ্বিতীয় সংস্করণের উদ্বোধনী দিনে মন্ত্রী সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতার নতুন মডেলের কথা বলেছেন। প্রশ্ন হলো, এই মডেল কেমন হবে এবং কারা এর অংশীদার হবে? এসপিএর প্রতিবেদনে এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ নেই।

এসপিএর প্রতিবেদনে ফোরামের সেশনগুলোর বিস্তারিত বিষয়বস্তু, অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নাম বা নির্দিষ্ট কোনো চুক্তির কথা উল্লেখ নেই। প্রতিবেদনে ফোরামের সময়সীমা বা সমাপনী দিনের কোনো তারিখও দেওয়া হয়নি।

ফোরামের আয়োজন কে করেছে এবং কার পৃষ্ঠপোষকতায়? দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পৃষ্ঠপোষকতায় মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় ফোরামের আয়োজন করেছে। এসপিএ জানিয়েছে, ৫ অক্টোবর ২০২৬-এ রিয়াদে ফোরামের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী আহমেদ আল-রাজহি। ফোরামের প্রতিপাদ্য «From Commitment to Impact»।

ফোরামে কতজন অংশগ্রহণকারী ও বক্তা আছেন? এসপিএ জানিয়েছে, ফোরামে ৩ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারী এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ১০০-এরও বেশি বক্তা অংশ নিচ্ছেন। ফোরামে ৪০টিরও বেশি বিশেষায়িত সেশন ও সংলাপ থাকছে। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফোরামের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং টেকসই উন্নয়নের সমর্থনে সহযোগিতার নতুন মডেল তৈরি করা।

মন্ত্রী সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিবর্তন নিয়ে কী বলেছেন? মন্ত্রী আহমেদ আল-রাজহি বলেন, উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর ও টেকসইতার ওপর গুরুত্ব বাড়ার মধ্যে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার ধারণা দ্রুত বদলাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, পুনর্ব্যবহার ও বৃত্তাকার অর্থনীতির চর্চা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং মানুষের মধ্যে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। তিনি সৌদি আরবের যাত্রাকে «রূপান্তর ও ক্ষমতায়নের অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প» বলেছেন।

সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সামাজিক দায়বদ্ধতার সম্পর্ক কী? মন্ত্রী আহমেদ আল-রাজহি বলেছেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যগুলোর মধ্যে একটি কৌশলগত উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, সৌদি আরব সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে সংলাপের বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে রিয়াদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করে চলেছে। ফোরামকে তিনি জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতের সহযোগিতার নতুন মডেল উন্নয়নের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ফোরামের সেশনগুলোতে কী আলোচনা হবে? এসপিএ জানিয়েছে, ফোরামে ৪০টিরও বেশি বিশেষায়িত সেশন ও সংলাপ থাকছে। মন্ত্রীর ভাষণ অনুযায়ী, এসব আলোচনায় করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ এবং উন্নয়ন উদ্যোগে বেসরকারি খাতের অবদান সম্প্রসারণ ও টেকসইতা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ নিয়ে কথা হবে। প্রতিবেদনে সেশনগুলোর বিস্তারিত বিষয়বস্তু বা নির্দিষ্ট আলোচ্যসূচি উল্লেখ করা হয়নি।