হায়িল থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে আজা পর্বতমালা এবং আবা-আল-হাইরান গ্রামে অবস্থিত আবু-ল-হাওল পাহাড়টি হাজার বছরের ক্ষয় এবং আবহবিকার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৮ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার ফলে একটি অনন্য পাথুরে গঠন তৈরি হয়েছে যা দেখতে মানুষের মাথার মতো, যার কারণে এর নাম আবু-ল-হাওল রাখা হয়েছে এবং এটি অঞ্চলের অন্যতম পরিচিত পর্যটন আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।
প্রাচীন ইতিহাস ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের গবেষক মিশারি আন-নাশমি জানান, এই পাহাড়টি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক বৈচিত্র্য সমৃদ্ধ। দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি, আর্দ্রতা এবং ভৌত ও রাসায়নিক আবহবিকারের ফলে এর চারপাশে বিভিন্ন আকার ও আকৃতির অসংখ্য পাথুরে গঠন তৈরি হয়েছে।
এই প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপের রূপ দেখার কোণ এবং দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হয়, যা এই স্থানটিকে ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যপ্রেমী এবং পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। বিজ্ঞপ্তিতে পাহাড়টির সঠিক উচ্চতা বা আয়তন উল্লেখ করা হয়নি।
আবু-ল-হাওল পাহাড়টি কোথায় অবস্থিত? এই পাহাড়টি সৌদি আরবের হায়িল থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে আজা পর্বতমালা এবং আবা-আল-হাইরান গ্রামে অবস্থিত। এটি তার অনন্য পাথুরে গঠনের জন্য পরিচিত।
পাহাড়টির এই বিশেষ আকৃতি কীভাবে তৈরি হয়েছে? হাজার বছর ধরে চলা ক্ষয় এবং আবহবিকার প্রক্রিয়ার ফলে এই পাহাড়টি গঠিত হয়েছে। এর ফলে একটি অনন্য পাথুরে রূপ তৈরি হয়েছে যা দেখতে মানুষের মাথার মতো।
এই অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী? গবেষক মিশারি আন-নাশমির মতে, এখানে দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি, আর্দ্রতা এবং ভৌত ও রাসায়নিক আবহবিকারের ফলে বিভিন্ন আকার ও আকৃতির পাথুরে গঠন তৈরি হয়েছে। দেখার কোণ ও দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে এর রূপ পরিবর্তিত হয়।