Thursday, September 10, 2026
Uncategorized

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে মানবিক কার্যক্রম জোর দিচ্ছে সৌদি রেড ক্রিসেন্ট

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে মানবিক কার্যক্রম জোর দিচ্ছে সৌদি রেড ক্রিসেন্ট

কর্পোরেট গভর্ন্যান্স এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের মাধ্যমে জরুরি চিকিৎসা সেবা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের দক্ষতা বৃদ্ধি করেছে সৌদি রেড ক্রিসেন্ট কর্তৃপক্ষ।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১১ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই অর্জনগুলো ভিज़ন ২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক মানবিক ক্ষেত্রে সৌদি আরবের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।

২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজ মৌসুমের জন্য একটি সমন্বিত অপারেশনাল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থল, নৌ ও আকাশপথে জরুরি প্রতিক্রিয়া সক্রিয় করা এবং হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রয়োজন নেই এমন ক্ষেত্রে ‘অন-সাইট ট্রিটমেন্ট’ মডেল প্রয়োগ করা হয়েছে।

এই পরিকল্পনায় ৩১ হাজারেরও বেশি কর্মী ও প্যারামেডিক, ৬,৮৪৬ জন সরাসরি প্রতিক্রিয়া কর্মী এবং ২,৩০০-এর বেশি স্বেচ্ছাসেবী অংশ নিয়েছেন। অভিযানে ৬০৫টি অ্যাম্বুলেন্স, ২,৩০০-এর বেশি সহায়ক যানবাহন, ২৭টি দ্রুত প্রতিক্রিয়া গাড়ি এবং ৩টি মেডিকেল হেলিকপ্টার ব্যবহৃত হয়েছে। সেবা প্রদানের জন্য ১৩৩টি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশন, ৭১টি মোতায়েন পয়েন্ট এবং ১৪টি জরুরি সহায়তা কেন্দ্র ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়া প্রস্তুতি বাড়াতে ২৩টি ফিল্ড এক্সারসাইজ এবং ১১টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে।

হজ মৌসুমের পরিস্থিতি সামলাতে একটি সমন্বিত কমান্ড সিস্টেম চালু করা হয়েছে, যা অপারেশনাল বিভাগ, লজিস্টিক সাপোর্ট এবং পরিকল্পনা বিভাগের মধ্যে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সমন্বয় নিশ্চিত করে।

২০২৬ সালের হজ মৌসুমে কতজন কর্মী নিয়োজিত ছিলেন? এই পরিকল্পনায় ৩১ হাজারেরও বেশি কর্মী ও প্যারামেডিক এবং ২,৩০০-এর বেশি স্বেচ্ছাসেবী অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ৬,৮৪৬ জন ছিলেন সরাসরি প্রতিক্রিয়া কর্মী। এসপিএ-র তথ্যানুযায়ী এটি একটি সমন্বিত অপারেশনাল পরিকল্পনার অংশ ছিল।

জরুরি সেবার জন্য কী কী যানবাহন ব্যবহৃত হয়েছে? সেবা প্রদানে ৬০৫টি অ্যাম্বুলেন্স, ২,৩০০-এর বেশি সহায়ক যানবাহন, ২৭টি দ্রুত প্রতিক্রিয়া গাড়ি এবং ৩টি মেডিকেল হেলিকপ্টার ব্যবহৃত হয়েছে। এই যানবাহনগুলো হজযাত্রীদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে।

চিকিৎসা সেবার পরিকাঠামো কেমন ছিল? সেবা প্রদানের জন্য ১৩৩টি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশন, ৭১টি মোতায়েন পয়েন্ট এবং ১৪টি জরুরি সহায়তা কেন্দ্র ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়া কর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে ২৩টি ফিল্ড এক্সারসাইজ এবং ১১টি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে।