Wednesday, October 21, 2026
অর্থনীতি

জাতকা: ৪ কোটি রিয়ালের বেশি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট রিটার্নের শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ২০২৬

জাতকা: ৪ কোটি রিয়ালের বেশি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট রিটার্নের শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ২০২৬

বার্ষিক ৪ কোটি রিয়ালের বেশি পণ্য ও সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সেপ্টেম্বর মাসের ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে হবে, আর যাদের বার্ষিক সরবরাহ ৪ কোটি রিয়ালের বেশি নয় তাদের ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের রিটার্ন জমা দিতে হবে। উভয় ক্ষেত্রেই জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৬।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, জাকাত, কর ও শুল্ক কর্তৃপক্ষ (জাতকা) এই ঘোষণা দিয়েছে। রিয়াদ থেকে ২০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রদানের আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি এই আহ্বান জানানো হয়েছে।

জাতকা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন তাদের কর রিটার্ন জমা দেয় এবং দেয় কর দ্রুত পরিশোধ করে। এর জন্য কর্তৃপক্ষ তাদের স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা দিয়েছে। দেরিতে রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে জরিমানা এড়াতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দেরিতে জমা দেওয়ার জরিমানার পরিমাণ ঘোষণা করা করের পরিমাণের ৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। অর্থাৎ, যে কর ঘোষণা করা উচিত ছিল তার ওপরই এই হারে জরিমানা ধার্য হবে।

ভ্যাট সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানগুলো জাতকার একীভূত কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারবে। কল সেন্টারের নম্বর ১৯৯৯৩, যা দিনে ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে সাত দিন খোলা থাকে। এছাড়া এক্স প্ল্যাটফর্মে (@Zatca_Care) অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে জাকাত, কর ও শুল্ক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা যাবে। ইমেইলে [email protected] ঠিকানায় যোগাযোগ করা যাবে। কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে লাইভ চ্যাট সেবাও পাওয়া যাবে।

ভ্যাট সৌদি আরবে চালু থাকা কর ব্যবস্থাগুলোর একটি। এটি একটি পরোক্ষ কর, যা প্রতিষ্ঠানগুলোর কেনা-বেচা করা বেশিরভাগ পণ্য ও সেবার ওপর আরোপিত হয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে।

এখন প্রশ্ন হলো, এই সময়সীমা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? কারণ ৩১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখটি উভয় শ্রেণির প্রতিষ্ঠানের জন্যই নির্ধারিত। যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক সরবাহের পরিমাণ ৪ কোটি রিয়াল ছাড়িয়ে গেছে, তাদের মাসিক ভিত্তিতে সেপ্টেম্বরের রিটার্ন দিতে হবে। অন্যদিকে যাদের বার্ষিক সরবরাহ ৪ কোটি রিয়ালের বেশি নয়, তাদের ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের রিটার্ন জমা দিতে হবে।

জাতকার এই আহ্বান এমন সময়ে এলো যখন প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনে সচেতন থাকতে বলা হচ্ছে। স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে রিটার্ন জমা ও কর পরিশোধের সুবিধা থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো ঘরে বসেই এই কাজ সম্পন্ন করতে পারবে।

দেরিতে জমা দেওয়ার জরিমানা ৫ থেকে ২৫ শতাংশ—এই হার কেন এত বিস্তৃত? কারণ ঘোষণা করা করের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে জরিমানার হার নির্ধারিত হয়। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সময়মতো রিটার্ন জমা দেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে।

ভ্যাট একটি পরোক্ষ কর হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলোর কেনা-বেচার ওপর আরোপিত হয়। কিছু পণ্য ও সেবা এই করের আওতার বাইরে থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ভ্যাট সংক্রান্ত নিয়মকানুন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

জাতকা জানিয়েছে, ভ্যাট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো একীভূত কল সেন্টার ১৯৯৯৩-এ যোগাযোগ করতে পারে। এই সেবা ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহের সাত দিন চালু থাকে। এছাড়া এক্সে @Zatca_Care অ্যাকাউন্ট, ইমেইল [email protected] এবং ওয়েবসাইটের লাইভ চ্যাটের মাধ্যমেও সহায়তা পাওয়া যাবে।

প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কি এই সময়সীমা মেনে চলা কঠিন হবে? না, কারণ জাতকা একাধিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল সুবিধা দিয়েছে। স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে রিটার্ন জমা দেওয়া যায়, যা প্রক্রিয়াটিকে সহজ করে তোলে।

ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার এই প্রক্রিয়া সৌদি আরবের কর ব্যবস্থার একটি অংশ। প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি একটি নিয়মিত দায়িত্ব, যা তারা মাসিক বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে পালন করে।

৩১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখটি কি শুধু একটি সময়সীমা, নাকি এর চেয়ে বেশি কিছু? এটি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি সতর্কবার্তা, যাতে তারা জরিমানা এড়াতে সময়মতো দায়িত্ব পালন করে।

জাতকার ঘোষণায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর রিটার্ন জমা দিতে হবে এবং দেয় কর দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। এই দুই কাজই একসঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে।

দেরিতে জমা দেওয়ার পরিণতি কী হতে পারে? জরিমানা ৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে, যা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাড়তি আর্থিক বোঝা তৈরি করতে পারে। তাই সময়মতো রিটার্ন জমা দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

ভ্যাট সম্পর্কে আরও জানতে প্রতিষ্ঠানগুলো জাতকার বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারে। কল সেন্টার ১৯৯৯৩, এক্স অ্যাকাউন্ট @Zatca_Care, ইমেইল [email protected] এবং ওয়েবসাইটের লাইভ চ্যাট—এই সব সুবিধা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উন্মুক্ত।

সৌদি আরবে ভ্যাট ব্যবস্থা চালু থাকলেও কিছু পণ্য ও সেবা এর আওতার বাইরে। তবে বেশিরভাগ কেনা-বেচার ওপর এই কর প্রযোজ্য হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কি এই নিয়ম নতুন? না, ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়া একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। তবে সময়সীমা মেনে চলা প্রতিবারই গুরুত্বপূর্ণ।

জাতকার এই আহ্বান প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি সুযোগ, যাতে তারা সময়মতো দায়িত্ব পালন করে জরিমানা এড়াতে পারে। স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন ও অন্যান্য ডিজিটাল সুবিধা এই কাজকে সহজ করে তুলেছে।

সূত্রে কর রিটার্ন জমা দেওয়ার পরিমাণ, প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বা জরিমানার নির্দিষ্ট কোনো উদাহরণ দেওয়া হয়নি। শুধু সময়সীমা, জরিমানার হার এবং যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর তথ্য দেওয়া হয়েছে।

ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ কত? জাতকার ঘোষণা অনুযায়ী, উভয় শ্রেণির প্রতিষ্ঠানের জন্য ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৬। যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক সরবরাহ ৪ কোটি রিয়ালের বেশি, তাদের সেপ্টেম্বর মাসের রিটার্ন দিতে হবে। আর যাদের বার্ষিক সরবরাহ ৪ কোটি রিয়ালের বেশি নয়, তাদের ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের রিটার্ন জমা দিতে হবে। এসপিএ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

দেরিতে জমা দিলে কী জরিমানা হবে? দেরিতে ভ্যাট রিটার্ন জমা দিলে জরিমানা ধার্য হবে, যা ঘোষণা করা করের পরিমাণের ৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। জাতকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করেছে যাতে তারা সময়মতো রিটার্ন জমা দেয় এবং দেয় কর পরিশোধ করে। স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে রিটার্ন জমা ও কর পরিশোধ করা যায়, যা জরিমানা এড়াতে সহায়ক।

ভ্যাট সম্পর্কে তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে? ভ্যাট সম্পর্কে তথ্যের জন্য জাতকার একীভূত কল সেন্টার ১৯৯৯৩-এ যোগাযোগ করা যাবে, যা ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে সাত দিন খোলা থাকে। এছাড়া এক্সে @Zatca_Care অ্যাকাউন্ট, ইমেইল [email protected] এবং ওয়েবসাইটের লাইভ চ্যাটের মাধ্যমেও সহায়তা পাওয়া যাবে। এসপিএ জানিয়েছে, এই সব মাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উন্মুক্ত।

ভ্যাট কী ধরনের কর? ভ্যাট একটি পরোক্ষ কর, যা সৌদি আরবে চালু থাকা কর ব্যবস্থাগুলোর একটি। এটি প্রতিষ্ঠানগুলোর কেনা-বেচা করা বেশিরভাগ পণ্য ও সেবার ওপর আরোপিত হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, ভ্যাট প্রদানের আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকেই রিটার্ন জমা দিতে হবে।

কোন প্রতিষ্ঠানগুলোকে রিটার্ন জমা দিতে হবে? যেসব প্রতিষ্ঠান ভ্যাট প্রদানের আওতাভুক্ত এবং যাদের বার্ষিক পণ্য ও সেবা সরবরাহ ৪ কোটি রিয়ালের বেশি, তাদের সেপ্টেম্বর মাসের রিটার্ন জমা দিতে হবে। অন্যদিকে যাদের বার্ষিক সরবরাহ ৪ কোটি রিয়ালের বেশি নয়, তাদের ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের রিটার্ন জমা দিতে হবে। উভয় ক্ষেত্রেই শেষ তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৬।

রিটার্ন জমা দেওয়ার সুবিধা কী? জাতকা জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলো স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে পারবে এবং দেয় কর দ্রুত পরিশোধ করতে পারবে। এতে দেরিতে জমা দেওয়ার জরিমানা এড়ানো সম্ভব হবে, যা করের পরিমাণের ৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। সময়মতো দায়িত্ব পালন করলে বাড়তি আর্থিক বোঝা এড়ানো যায়।