Thursday, October 22, 2026
সৌদি সংবাদ

হাউথি মিলিশিয়া সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, পবিত্র স্থান লঙ্ঘন করেছে: সৌদি ওলামা পরিষদ সচিবালয়

হাউথি মিলিশিয়া সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, পবিত্র স্থান লঙ্ঘন করেছে: সৌদি ওলামা পরিষদ সচিবালয়

সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ ওলামা পরিষদের সাধারণ সচিবালয় বলেছে, ইয়েমেনে বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় হাউথি মিলিশিয়ার হামলা, যা নিরাপত্তা বিনষ্ট করেছে ও বিভাজন সৃষ্টি করেছে, পাশাপাশি নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে তার আগ্রাসন, পবিত্র স্থানসমূহের লঙ্ঘন এবং মক্কা ও মদিনার পবিত্র শহর দুটিতে হামলার চেষ্টা—এসব “যেকোনো মাপকাঠিতে সন্ত্রাসবাদ।”

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সচিবালয় এসব কথা বলে। বিবৃতিতে বলা হয়, এসব হামলা হাউথি মিলিশিয়ার সন্ত্রাসবাদের মাত্রা এবং আল্লাহর পবিত্র স্থানসমূহ লঙ্ঘনে তার দুঃসাহস প্রকাশ করে। সচিবালয় বলেছে, মক্কা ও মদিনার পবিত্র শহর দুটিতে মিলিশিয়ার হামলার চেষ্টা যেকোনো মাপকাঠিতে সন্ত্রাসবাদ, যা মিলিশিয়ার সন্ত্রাসবাদের মাত্রা এবং আল্লাহর পবিত্র স্থানসমূহ লঙ্ঘনে তার দুঃসাহস প্রকাশ করে।

বিবৃতিতে জোর দেওয়া হয়, মিলিশিয়ার সন্ত্রাসবাদ আইএসআইএস ও আল-কায়েদার মতো উগ্র গোষ্ঠীর সন্ত্রাসবাদের চেয়ে কম বিপজ্জনক নয়; বরং তা পৃথিবীতে বিপর্যয় ছড়িয়ে দেওয়া এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালিয়ে আরও এগিয়ে যায়।

সচিবালয় মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর দর্শনার্থীদের লক্ষ্য করার চেষ্টাকে আরও গুরুতর পাপ ও আগ্রাসন হিসেবে বর্ণনা করেছে। সচিবালয় যোগ করেছে, সৌদি বিমান প্রতিরক্ষার সতর্কতা এবং সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতার মাধ্যমে আল্লাহ মিলিশিয়ার পরিকল্পনা ব্যর্থ করেছেন।

বিবৃতিতে তুলে ধরা হয়, মিলিশিয়ার অপরাধে কয়েক ধরনের আগ্রাসন রয়েছে। তা শুরু হয় মানবজীবনের পবিত্রতা লঙ্ঘন দিয়ে, এরপর সম্পদ, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার পবিত্রতা লঙ্ঘন, এবং মুসলিমদের পবিত্র স্থানসমূহের পবিত্রতা লঙ্ঘনের চেষ্টা, যেগুলো আল্লাহ মহিমান্বিত করেছেন এবং মুসলিমদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন।

সচিবালয় বলেছে, এই সন্ত্রাসী মিলিশিয়ার কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানানো এবং তাদের পবিত্র স্থানসমূহে আক্রমণকারী যে কারও বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানো সব মুসলিমের কর্তব্য।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ বুধবার এই বিবৃতি প্রকাশ করে। বিবৃতিতে হাউথি মিলিশিয়ার হামলার নির্দিষ্ট তারিখ, স্থান বা হতাহতের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।

জ্যেষ্ঠ ওলামা পরিষদের সাধারণ সচিবালয়ের এই অবস্থান এমন সময়ে এলো যখন ইয়েমেনে হাউথি মিলিশিয়ার হামলায় বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হচ্ছে। সচিবালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলা নিরাপত্তা বিনষ্ট করেছে এবং বিভাজন সৃষ্টি করেছে।

বিবৃতিতে মিলিশিয়ার আগ্রাসনকে কয়েকটি ধাপে বর্ণনা করা হয়েছে। প্রথমে মানবজীবনের পবিত্রতা লঙ্ঘন, এরপর সম্পদের পবিত্রতা লঙ্ঘন, তারপর নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার পবিত্রতা লঙ্ঘন, এবং সবশেষে মুসলিমদের পবিত্র স্থানসমূহের পবিত্রতা লঙ্ঘনের চেষ্টা। সচিবালয় বলেছে, আল্লাহ এই পবিত্র স্থানসমূহকে মহিমান্বিত করেছেন এবং মুসলিমদের তাদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন।

সচিবালয় বিশেষভাবে মক্কা ও মদিনার পবিত্র শহর দুটিতে হামলার চেষ্টার কথা উল্লেখ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর দর্শনার্থীদের লক্ষ্য করার চেষ্টা আরও গুরুতর পাপ ও আগ্রাসন। সচিবালয় বলেছে, সৌদি বিমান প্রতিরক্ষার সতর্কতা এবং সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতার মাধ্যমে আল্লাহ মিলিশিয়ার পরিকল্পনা ব্যর্থ করেছেন।

বিবৃতিতে মিলিশিয়ার সন্ত্রাসবাদকে আইএসআইএস ও আল-কায়েদার সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। সচিবালয় বলেছে, মিলিশিয়ার সন্ত্রাসবাদ তাদের চেয়ে কম বিপজ্জনক নয়; বরং তা পৃথিবীতে বিপর্যয় ছড়িয়ে দেওয়া এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালিয়ে আরও এগিয়ে যায়।

সচিবালয় সব মুসলিমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন এই সন্ত্রাসী মিলিশিয়ার কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানায় এবং তাদের পবিত্র স্থানসমূহে আক্রমণকারী যে কারও বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ায়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই দায়িত্ব সব মুসলিমের।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিটি বুধবার দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে হাউথি মিলিশিয়ার হামলার নির্দিষ্ট কোনো তারিখ, স্থান বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।

জ্যেষ্ঠ ওলামা পরিষদের সাধারণ সচিবালয়ের এই বিবৃতি এমন সময়ে প্রকাশিত হলো যখন ইয়েমেনে সংঘাত চলছে এবং বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সচিবালয় বলেছে, মিলিশিয়ার হামলা নিরাপত্তা বিনষ্ট করেছে এবং বিভাজন সৃষ্টি করেছে, যা তাদের সন্ত্রাসী প্রকৃতির প্রমাণ।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিলিশিয়ার আগ্রাসন শুধু ইয়েমেনের ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়; তারা মক্কা ও মদিনার পবিত্র শহর দুটিতেও হামলার চেষ্টা করেছে। সচিবালয় এই চেষ্টাকে যেকোনো মাপকাঠিতে সন্ত্রাসবাদ বলে অভিহিত করেছে।

সচিবালয় বলেছে, মিলিশিয়ার এই কাজ আল্লাহর পবিত্র স্থানসমূহ লঙ্ঘনের দুঃসাহস প্রকাশ করে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আল্লাহ এই পবিত্র স্থানসমূহকে মহিমান্বিত করেছেন এবং মুসলিমদের তাদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন।

সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার কথা বিবৃতিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সচিবালয় বলেছে, তাদের সতর্কতা ও সক্ষমতার মাধ্যমে আল্লাহ মিলিশিয়ার পরিকল্পনা ব্যর্থ করেছেন।

বিবৃতিতে মিলিশিয়ার সন্ত্রাসবাদকে আইএসআইএস ও আল-কায়েদার সঙ্গে তুলনা করে বলা হয়েছে, এটি তাদের চেয়ে কম বিপজ্জনক নয়। সচিবালয় বলেছে, মিলিশিয়া পৃথিবীতে বিপর্যয় ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালাচ্ছে।

সচিবালয় সব মুসলিমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন এই সন্ত্রাসী মিলিশিয়ার কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানায় এবং তাদের পবিত্র স্থানসমূহে আক্রমণকারী যে কারও বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ায়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ঐক্য প্রয়োজন।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিতে হাউথি মিলিশিয়ার হামলার নির্দিষ্ট কোনো তারিখ, স্থান বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।

সৌদি জ্যেষ্ঠ ওলামা পরিষদের সচিবালয় হাউথি মিলিশিয়া সম্পর্কে কী বলেছে? সচিবালয় বলেছে, হাউথি মিলিশিয়া একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। ইয়েমেনে বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনায় হামলা, নিরাপত্তা বিনষ্ট, বিভাজন সৃষ্টি, নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে আগ্রাসন, পবিত্র স্থান লঙ্ঘন এবং মক্কা ও মদিনায় হামলার চেষ্টা “যেকোনো মাপকাঠিতে সন্ত্রাসবাদ।” এসপিএ বুধবার এই বিবৃতি প্রকাশ করে।

মিলিশিয়ার সন্ত্রাসবাদকে কোন গোষ্ঠীর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে? বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিলিশিয়ার সন্ত্রাসবাদ আইএসআইএস ও আল-কায়েদার সন্ত্রাসবাদের চেয়ে কম বিপজ্জনক নয়। বরং তা পৃথিবীতে বিপর্যয় ছড়িয়ে দেওয়া এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালিয়ে আরও এগিয়ে যায়। সচিবালয় এই তুলনা করে মিলিশিয়ার বিপদ তুলে ধরেছে।

মক্কা ও মদিনায় হামলার চেষ্টা সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? সচিবালয় বলেছে, মক্কা ও মদিনার পবিত্র শহর দুটিতে হামলার চেষ্টা যেকোনো মাপকাঠিতে সন্ত্রাসবাদ। মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর দর্শনার্থীদের লক্ষ্য করার চেষ্টা আরও গুরুতর পাপ ও আগ্রাসন। সৌদি বিমান প্রতিরক্ষার সতর্কতা ও সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতায় আল্লাহ মিলিশিয়ার পরিকল্পনা ব্যর্থ করেছেন।

মিলিশিয়ার অপরাধে কোন কোন ধরনের আগ্রাসন রয়েছে? বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিলিশিয়ার অপরাধে কয়েক ধরনের আগ্রাসন রয়েছে। তা শুরু হয় মানবজীবনের পবিত্রতা লঙ্ঘন দিয়ে, এরপর সম্পদ, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার পবিত্রতা লঙ্ঘন, এবং মুসলিমদের পবিত্র স্থানসমূহের পবিত্রতা লঙ্ঘনের চেষ্টা। সচিবালয় এই ধারাবাহিকতা তুলে ধরেছে।

সচিবালয় মুসলিমদের প্রতি কী আহ্বান জানিয়েছে? সচিবালয় বলেছে, এই সন্ত্রাসী মিলিশিয়ার কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানানো এবং তাদের পবিত্র স্থানসমূহে আক্রমণকারী যে কারও বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানো সব মুসলিমের কর্তব্য। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই দায়িত্ব সব মুসলিমের। এসপিএ বুধবার এই বিবৃতি প্রকাশ করে।

বিবৃতিতে কী কী তথ্য উল্লেখ করা হয়নি? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বিবৃতিতে হাউথি মিলিশিয়ার হামলার নির্দিষ্ট কোনো তারিখ, স্থান বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। বিবৃতিতে হতাহতের সংখ্যাও দেওয়া হয়নি। সচিবালয়ের বিবৃতিতে শুধু হামলার ধরন ও তার নিন্দা তুলে ধরা হয়েছে।